আমিষ কান্ট্রি ও হার্শিজ-এ একদিন

আমেরিকা আসার পর থেকে শুনে আসছি যে, এখানে একটি জায়গা আছে যেখানে বিদ্যুৎ নাই, লোকজন হারিকেন জ্বালিয়ে থাকে;  ফ্যান নাই, হাতপাখা ব্যবহার করে।শোনার পর থেকেই জায়গাটিতে যাওয়ার ইচ্ছে ছিল, সময় করতে পারছিলাম না।  জায়গাটি পেনসিলভেনিয়ার ল্যাংকেস্টার কাউন্টিতে  (Lancaster county)। এটিকে আমিষ কান্ট্রি/আমিষ ভিলেজ (Amish Country) বলা হয় এবং গোত্রের লোকজনদের বলা হয় আমিষ পিপল্‌। অবশেষে আম্মি আমেরিকা আসার পর আম্মিকে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখাতে গিয়ে এ জায়গাটিতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে ফেললাম। বরাবরের মত এবারও আমদের দলটি হল বন্ধু শাহেদ, বন্ধুপত্নী রুমকিকে নিয়ে।

চারজন মিলে ১৭ ই জুলাই, ২০১০-এ ভোরবেলায় রওয়ানা দিলাম আমিষ পল্লীর উদ্দেশ্যে। ভার্জিনিয়ার আলেক্সান্দ্রিয়া থেকে পেনসিলভেনিয়ার ল্যংকেস্টার কাউন্টির দূরত্ব প্রায় ২০০ মাইল অর্থাৎ প্রায়  সাড়ে তিন থেকে চার ঘন্টার পথ। অনলাইনে আগে থেকে যথেষ্ট খোঁজ-খবর নিয়ে সকাল ১০টার মধ্যে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে গাড়ী স্টার্ট দিলাম। আমাদের আরো একটি উদ্দেশ্য ছিল – আমিষ ট্যুর শেষ করে সময় পেলে বিখ্যাত চকোলেট কম্পানি ‘হার্শিজ’ (HERSHEY’S) ও দেখে আসব।

আমিষ কান্ট্রিতে ঢোকার প্রথমেই শুরু হয়ে গেল রাস্তার দুই পার্শ্বে ভুট্টার ক্ষেত। মাঝে মাখে চোখে পড়ল ঘোড়ার আস্তাবল। চমৎকার একটি গ্রাম্য পরিবেশ । হঠাৎ চোখে পড়ল দুরে একটা ঘোড়ার গাড়ী আমাদের দিকেই আসছে। আমিষ কান্ট্রিতে ঘোড়ার গাড়ীর কথা পড়েছি কিংবা মুভিতে দেখেছি। এবার সচক্ষে দেখার পালা। সবাইকে জানিয়ে দিলাম আসছে ঘোড়ার গাড়ী। মুহূর্তের মধ্যে গাড়ীটি আমাদের কাছে এল এবং আমাদেরকে ক্রশ করে চলে গেল। আমিষ লোকজন আধুনিক যন্ত্রচালিত কোনপ্রকার গাড়ী ব্যবহার করে না। তাদের প্রত্যেক পরিবারেরই একটি করে ঘোড়া-চালিত ওয়াগন আছে। রাস্তায় স্কার্ফ পরা আমিষ মহিলা এবং শ্মশ্রুমন্ডিত-গোঁফবিহীন  আমিষ পুরুষদের চলাফেরা চোখে পড়ল। আমিষরা নিজেদের ঘরে বানানো প্লেইন ফেব্রিক্স এবং ডার্ক রংয়ের  পোশাক পরিধান করে । মেয়েদের গায়ে থাকে ফুল হাতা, অ্যাপ্রন দিয়ে  ঢাকা ফুল স্কার্ট।মেয়েরা সাধারণত তাদের চুল কাটে না এবং মাথায় থাকে শাদা ক্যাপ ও কালো বনেট (একধরনের ফিতা দিয়ে বাঁধা)। ছেলেরা পরে কলার- ছেলেরা পরে কলার-পকেটবিহীন স্ট্রেইট কাট স্যুট এবং কোট। ছেলেদের গোফ রাখা নিষেধ এবং বিয়ের পর  সাধারণত দাড়ি বড় করে। ছেলেদের টাই, বেল্ট পরাও নিষেধ।

শাহেদ-রুমকী অ্যারন-এন্ড-জেইসিকা বাগি রাইড-এর সামনে

আমরা নির্দিষ্ট সময়ে আগে থেকে ঠিক করা অ্যারন এন্ড জেইসিকা বাগি রাইড-এ (Aaron and Jessica’s Buggy Ride) চলে আসলাম। অ্যারন এন্ড জেইসিকা বাগি রাইডে ঘোড়া-চালিত ওয়াগনে বিভিন্ন রকমের রাইড আছে। সেই রাইডে তারা গ্রামের ভেতরে নিয়ে যায় আমিষদের জীবন-যাত্রা দেখানোর জন্য। ওয়াগন চালকও একজন আমিষ যিনি পথিমধ্যে আমিষদের ইতিহাস, জীবন-যাত্রা, ধর্ম , স্কুলিং বর্ণণা করেন । আমরা এমন একটি একঘন্টার আমিষ ট্যুর-এর উদ্দেশ্যে ওয়াগনে উঠে বসলাম। বিশাল আকৃতির দুটি ঘোড়া আমাদের ওয়াগনটি টেনে নিয়ে যাবে। আমাদের গাইডেড ট্যুর এবং ওয়াগন চালকের নাম রবার্ট। রবার্ট আমাদেরকে আমিষ কান্ট্রিতে স্বাগতম জানিয়ে ঘোড়াদুটিতে তাড়া দিল। ঘোড়াদুটি টাক্‌, টাক্‌ শব্দে আমাদেরকে নিয়ে চলল আমিষদের কাছাকাছি। আম্মি ও বন্ধুপত্নী রুমকির চোখে রাজ্যের বিস্ময়। তারা আমেরিকা এসেছে এখনও এক বছর হয়নি, হয়তবা হাই-টেক আমেরিকাতে এসে এমন একটি গ্রাম্য পরিবেশ দেখা ও ঘোড়ার গাড়িতে চড়ার কথা কল্পনাও করেনি।আমার মনে পড়ে আমি যখন ঢাকায় ছিলাম , একবার গুলিস্তান থেকে ভিক্টোরয়া পার্কে ঘোড়ার গাড়ীতে চড়ে গিয়েছিলাম। ঢাকা শহরে সম্ভবত এই একটা রুটেই ঘোড়ার গাড়ী চলে।আমি আমার ক্যামেরাটি রুমকির হাতে দিলাম। আমাদের ওয়াগন আমিষ ভিলেজের রাস্তায় চলছে আর রবার্ট আমিষদের সম্পর্কে বলা শুরু করল। রবার্টের মুখেই শোনা,  আমিষদের উৎপত্তি ইউরোপে অ্যানাব্যাপটিস্ট (Anabaptists) গোত্র থেকে। ১৬০০ সালের দিকে জ্যাকব আম্মান (Jacob Ammann) নামে এক অ্যানাব্যাপটিস্ট তার কিছু অনুসারী নিয়ে নিজ গোত্র থেকে আলাদা হয়ে আমিষ গোত্র শুরু করেন।আমিষদের প্রথম দলটি আমেরিকার পেনসিলভেনিয়ার ল্যাংকেস্টার কাউন্টিতে আসে ১৭৩০ সালে।বর্তমানে আমিষ লোকজন ওহাইও, ইন্ডিয়ানা, আইওয়া, কানাডার ওন্টারিওতে ছড়িয়ে পড়লেও বিশাল একটি (অনেকের মতে বেশীরভাগ) দল ল্যাংকেস্টার কাউন্টিতেই বাস করে । সমগ্র নর্থ আমেরিকাতে আমিষদের সংখ্যা হবে প্রায় ২৫০,০০০। রবার্ট আমদেরকে বিশাল  রবার্ট আমাদেরকে একটি গরুর ফার্মে নিয়ে গেল। আমিষদের প্রধান পেশা কৃষি। এছাড়া কেউ কেউ কার্পেন্টার, কামার, কুমার। এরা নিজেদের ফসলাদি নিজেরা জন্মায়। অতিরিক্ত দ্রব্যাদি সুপারমার্কেটে (ডিপার্টমেন্টাল স্টোর) বিক্রী করে। এরা আধুনিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করে না। কেরোসিন অথবা  গ্যাসবাতি ব্যবহার করে রাতে ঘরে আলো তৈরী করে, রান্নার কাজে ব্যবহার করে কাঠ, কেরোসিন অথবা প্রোপেন। শীতের সময়ে কাঠ অথবা কয়লা জ্বালিয়ে ঘর গরম রাখে। আমরা গরুর ফার্মটি ঘুরে ঘুরে দেখলাম। আশেপাশে খড়কুটো দেখলাম এখানে সেখানে ছড়ানো-ছিটানো। তারপর আবার যাত্রা। পথিমধ্যে দেখলাম আমিষ মহিলা-পুরুষদের। কেউ কেউ ক্ষেতে কাজ করছে, কেউ কেউ সবজি তুলছে। আবার কোন কোন বাড়ীর সামনে দেখলাম এক মাথা থেকে আরেক মাথায় রশিতে করে কাপড় শুকাচ্ছে। তারা তো আর ওয়াশার-ড্রাইয়ার ব্যবহার করে না।আমরা রবার্টকে আমিষদের পড়াশুনা, বিয়ে-শাদী সম্পর্কে বলতে বললাম। রবার্ট বলল, আমিষরা নিরক্ষর নয়, তারা শিক্ষায় বিশ্বাসী তবে সেটা শুধুমাত্র অষ্টম গ্রেড পর্যন্ত। তারা এটুকু পড়াশোনাই জীবন চলার জন্য যথেষ্ট মনে করে। তারা মনে করে বেশী পড়াশুনা করলে জীবন জটিল হয়ে যায়, লোকজনদের দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়তে হয়। ঠিক একই কারণে তারা মোটরচালিত গাড়ী ব্যবহার করে না। আমিষরা ধার্মিক। তবে  তারা ব্যাপটাইজড হয়   প্রাপ্ত বয়ষ্ক হওয়ার পর কারণ তারা মনে করে যে, একমাত্র প্রাপ্ত বয়ষ্করাই চার্চের প্রতি আনুগত্য থাকতে পারবে। শিশু বা কিশোর ব্যাপটিজমে তারা বিশ্বাসী নয়। তবে আমিষদের সবাইকে বাইরের বিশ্ব থেকে আলাদা হয়ে সহজ-সরল জীবন যাপন করতে হবে, তারা আত্ম-নির্ভরশীল তাই সরকারের কাছ থেকে কোনরূপ সাহায্য নেয় না। তারা কোনরকম ভায়োলেন্সে বিশ্বাসী নয়, তাই তারা কখনো মিলিটারীতেও যায় না। আমিষ ছেলেমেয়েরা ১৬ বছর হবার পর থেকেই নিজেদের জন্য পাত্র-পাত্রী খোঁজা শুরু করে। ২০ বছর বা তার আগেই তারা বিয়ে করে ফেলে। আমিষদের বিয়েতে দীর্ঘমেয়াদী অনুষ্ঠান হয়, আত্মীয়-স্বজনদের দাওয়াত করে, বিশাল ভোজের ব্যবস্থা হয়। তবে বিয়ের কন্যা কোনরকম আড়ম্বরপূর্ণ পোশাক পরে না, কোনরূপ মেকাপ বা অলংকার পরে না বা কোনরূপ ফটোগ্রাফীর ব্যবস্থাও নেই। সাধারণত মেয়েদের বিয়ের গাউনের পোশাকের রঙ হয় নীল আর ছেলেদের স্যুট হয় কালো রংয়ের তবে কোট বা ভেস্ট-এ কোনপ্রকার বোতাম থাকবে না , বোতামের পরিবর্তে ব্যবহৃত হবে হুক্‌। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল, আমিষরা পরিবার পরিকল্পনায় বিশ্বাসী নয়।প্রতিটা পরিবারের গড়ে কমপক্ষে সাতজন ছেলেমেয়ে থাকে। এভাবেই আমিষপল্লী দেখতে দেখতে ও রবার্টের মুখে আমিষদের সম্পর্কে প্রাণবন্ত কথোপকথন শুনতে শুনতে আমাদের একঘন্টার যাত্রা শেষ হয়ে গেল। সবশেষে পড়লাম বিপদে। এবার একঘণ্টার যাত্রা-বাবদ ফি মেটানোর জন্য আমি আমার ক্রেডিট কার্ড বের করলাম। হায়! আমি তো ভূলেই গিয়েছিলাম যে এরা আমিষ, ক্রেডিট কার্ড নেয় না। শাহেদ আমাকে এযাত্রায় উদ্ধার করল। এটা বলার কারণ হল, যদি কেউ আমিষ পল্লী দেখতে যান, অবশ্যই নগদ নিয়ে যাবেন।

অ্যারন-এন্ড-জেইসিকা রাইড শেষে দেখলাম দুপুর গড়িয়ে গিয়েছে। পেট জানান দিচ্ছে যে, কিছু লাগবে। এবার অবাক হবার পালা। রুমকী গাড়ী কোথাও পার্ক করতে বলল, গাড়ী কোথাও পার্ক করলাম। রুমকী তার ভান্ডার বের করল। রুমকী আমাদের জন্য চমৎকার স্যন্ডুইচ, নুডলস বানিয়ে নিয়ে এসেছে, সাথে ডিসপোসেবল প্লেট, গ্লাস। ভোজনের সমস্ত ব্যবস্থা। শাহেদ-রুমকী দুজনকেই ধন্যবাদ।

খাবার শেষে আমাদের যাত্রা ঠিক করলাম হার্শিজ। আমিষপল্লী থেকে হার্শিজ-এর দূরত্ব প্রায় ৫০ মেইল অর্থাৎ এক ঘন্টার পথ, আমাদের হাতে সময়ও কম। হার্শিজ-এ ঢোকার পথে আমাকে সবচেয়ে আগে যে জিনিসটি অবাক করল তা হচ্ছে, রাস্তাগুলো। এখানে রাস্তার নামগুলি এমন – চকোলেট এভিনিউ, কোকো এভিনিউ। হার্শিজ-এর চকোলেট বিশ্বে ঢোকার সাথে সাথেই বাতাস চকোলেট-এর একটা গন্ধ টের পেলাম। এখানে ফ্রি চকোলেট ট্যুর আছে। সিমুলেশনের মাধ্যমে ফ্রি ট্যুর টি তৈরী করা হয়েছে। লম্বা একটি ট্রেন, ট্রেন-এ বসার পর ট্যুর শুরু হয়ে যায়। কোকো বীজ বপন থেকে শুরু করে ফাইনাল প্রোডাক্ট তৈরী হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি স্তর ট্যুর টিতে দেখানো হয় এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে ধারাবিবরণী শোনানো হয়।সমস্ত জায়গাটিতে চকোলেট-এর সুইট এন্ড বিটার টেস্ট-এর একটি গন্ধ। আমি নিশ্চিত আমার বন্ধু আর বন্ধুপত্নীটির মধ্যে একটি চকোলেট প্রেম জেগে উঠেছে। ট্যুর শেষে ফ্রি চকোলেট দেওয়া হল। আমরা শুধু ফ্রি চকোলেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলাম না । পাশেই হার্শিজ-এর ই একটি ক্যাফেটরিয়া আছে। আমরা সেখানে গিয়ে সবাই হাট চকোলেট (Hot Chocolate) ড্রিংক্স কিনলাম। আহা ! সেই স্বাদ অন্য কোথাও হাট চকোলেট পান করে পাইনি। আমরা কিছু চকোলেট কিনলামও। এখানে একটি পার্কও আছে যেখানে বিভিন্ন রকমের রাইড আছে। সেটি ছোটদের জন্য, আমরা সেখানে আর গেলাম না।

অবশেষে চকোলেট-এর সুইট এন্ড বিটার টেস্ট এবং আমিষ হবার ইচ্ছা – এই দুইয়ের এক মিশ্র অনুভূতি নিয়ে বাসার দিকে রওয়ানা দিলাম।

সঞ্চয় রহমান

ভার্জিনিয়া, যুক্ত্ররাষ্ট্র

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

10 Responses to আমিষ কান্ট্রি ও হার্শিজ-এ একদিন

  1. পড়ে কুব আরাম পেলাম। সবচেয়ে মজাদার লাগল এটা যে ওরা ২০ বছরের মধ্যেই বিয়ে করে ফেলে, যা আমাদের দেশে তো ভাবা যায় না। আমিষ মানুষ সম্বন্ধে জানলাম আজ।

  2. ধন্যবাদ শাহেন শাহ। লেখাটিতে অনেকগুলি ছবি ছিল। হঠাৎ করে দেখছি ছবি উধাও হয়ে গিয়েছে !
    কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ছবিগুলো লেখাটিকে আরো বেশী প্রাণবন্ত করে তুলবে বলে আমার ধারণা।

    • সুপ্রিয় শৈলার সঞ্চয়,

      আপনাকে ছবিসহ পোস্টটিকে আবারও দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। ছবিগুলো কেন অদৃশ্য হয়ে গেল তা আমাদেরও অবোধগম্য। হয়তো কোন এরর কোড ছিল কোন টেক্সে এ।

      ধন্যবাদান্তে।

  3. ধন্যবাদ কর্তৃপক্ষ। আমি ছবিসমেত লেখাটি পুনরায় পোস্ট দিলাম।

  4. অনেক ভালো লাগর পড়ে আপনার ভ্রমণ বর্ণনাটি। আমিষদের দেখতে যাওয়ার ইচ্ছে আছে।

  5. ধন্যবাদ রিপন। অবশ্যই যাবেন আমিষদের দেখতে। আমাদের এই জীবনের প্রতিটা দিন, প্রতিটা ক্ষণ রহস্যময়।

  6. এই শহরের নাম শুনেছি কিন্তু কখন কোন ছবি বা বাস্তব বিবরন শুনিনি। পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ। তবে আরও বেশি ছবি আশা করছিলাম। সম্ভব হলে বা কাছে থাকলে পরে কোন এক সময় আরো কিছু ছবি আশা করছি। আবার ধন্যবাদ।

  7. ধন্যবাদ নীলনক্ষত্র ! আমার কাছে অনেক ছবি আছে, কিন্তু সব পোস্ট দেই নাই। দেখি, কোন এক সময়ে ছবি ব্লগে পোস্ট দিব অথবা আমার google photo album শেয়ার করব।

  8. এটা খুব অবাক করার মতো এবং একই সঙ্গে ভালো লাগারও যে, এখনও পৃথিবীতে এমন জায়গা আছে, যেখানে সভ্যতার মেকি ব্যাপারগুলো প্রবেশাধিকার পায়নি। এমন একটি জীবনের বড্ড লোভ ছিলো। :rose:

  9. ধন্যবাদ জুলিয়ান সিদ্দিকী। সভ্যতার উন্নয়নে আমি বিশ্বাসী কিন্তু মেকি ব্যাপারগুলো কীভাবে চলে আসে? – এটা আমার মাথায় ঢুকে না। আপনার মত একজন প্রতিভাবান লেখকের নিকট এ বিষয়ে সমাজতান্ত্রিক বিশ্লেষণাত্নক একটি লেখা আশা করছি। “বিজ্ঞান দিয়েছে বেগ, কেড়ে নিয়েছে আবেগ” — এই বাক্যটি সত্য হোক, আমি তা চাই না।

Leave a Reply