সূর্যের দেহাতী

এইতো একটু দূরেই ,সেই শহর দেখা যাচ্ছে

যেখানে একটা হেম সূর্য আছে

এই সূর্যটার পিছে পিছে হাঁটতে হাঁটতে

কত যে শহর ;পেরিয়ে এলাম

সূর্যের দেহাতী হবো বলে , পথিক হলাম ।

জানি তোমরা বলবে ,এ পথচলা অযথা

তবে বলি ;শোন আমার কথা

আমি এমন একটা দেশে জন্মেছি যেখানে

শিশুরা “সিন্ডেরেলা ” গল্প শুনে না

জন্ম থেকে শোনে সূর্যের অর্চনা

জানি তোমরা বলবে , আহা ঢং

ঠিক , আমাদের অনেক ঢং অনেক রং -

আমরা কাশ দেখে শুভ্রতা শিখি

আমরা মায়ের চোখে কালো শিখি

আমরা পতাকা থেকে সবুজ শিখি

সূর্যের কাছ থেকে হরিদ্রা শিখি

আমাদের রক্তকণিকায় সূর্যের সীলমোহর

তাই এডমল্টনের তাপমাত্রা যতই হোক না

মাইনাস সেলসিয়াস ,কিছুই গা করি না

সূর্যের পিছে চলেই আমরা আলোকিত হয়েছি

আর তোমাদের পঁচা অন্ধ গন্ধটা ঠিকই টের পাচ্ছি …

[ উত্‍সর্গ : একজন প্রবাসী কবির জন্মদিনে যিনি এখনো বাংলাদেশ নিয়ে কবিতা লিখেন এখনো বাংলায় লিখেন ...

সমতটে জানি হিউমাস বোধ

তাতে কি !

সকালের কাঁচে হিরন্ময় রোদ

শারদীয় শুভ্র হোক জন্মতিথি

বিনীত

শুভেচ্ছা জানায় ; এই হিতার্থী

... শুভ জন্মদিন স্যার !]

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

10 Responses to সূর্যের দেহাতী

  1. অনেক দিন পর আপনার মন্তব্য পেলাম , কৃতজ্ঞতা জানাই ।

    জানি না প্রবাসে থাকার কষ্ট কি ?
    এই কষ্টটুকু পাওয়ার ইচ্ছেও নেই …
    আর যারা প্রবাসে থেকেও , এখনো বাংলা অক্ষর লিখেন তাদের প্রতি আমার একটা নিবিড় শ্রদ্ধা কাজ করে সব সময়ে ।

    • দেখুন দেখি কি , বিপ্রতীপ অবস্থা । আমি আপনাদের জন্য করি প্রার্থনা , আর আপনি কিনা , আমাকেই করছেন হিংসা … যা ইচ্ছে করুন আপত্তি নেই , কিন্তু বলে রাখছি যত দিন বাংলায় লিখবেন ততদিন বিনয়ে আপ্লুত শ্রদ্ধা জানিয়েই যাব …

  2. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি । আপনাদের একটু ভাল লাগাই আমার কাছে সবটুকু ।

    যাকে উত্‍সর্গ করা তিন এডমল্টনে থাকেন , শৈলীতেও আছেন …
    আমি আমার অপরিপক্ক লেখা নিয়ে ব্লগে লেখার সাহস করতাম না , স্যার বলাতেই শেষে স্পর্ধা হল । কবিতাটা লিখেই তাকে পড়ার অনুরোধ করেছিলাম , আমার দুর্ভাগ্য তার কম্পিউটারে বাংলা ফ্রন্ট আবারো অকেজো হয়ে গেছে । যদিও শৈলীটুইটে তিনি আজও লিখেছেন …

  3. জুলিয়ান সিদ্দিকী

    সূর্যের দেহাতী হবো বলে

    -দেহাতি বলতে গ্রাম্য বা গেঁয়ো বুঝি। এই দেহাতী দিয়ে কী বোঝালেন? আমার অজ্ঞতা দূর করতে একটু কষ্ট করবেন? :D

  4. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি । নিয়মিত প্রতিটি লেখায় আপনার মন্তব্য পেতে পেতে , একটু লোভী ভাব টের পাচ্ছি নিজের মধ্য … আপনার মন্তব্যের জন্য অপেক্ষায় ছিলাম ।কিন্তু আজকের প্রশ্নের উত্তর কি করে দিব ভেবে পাচ্ছি না … ঠিক এই প্রশ্নগুলো খুব বেশি উলট পালট করে নিজের মধ্যই যখন কোন কবিতার খসড়া তৈরী করি ,তার পর বোধগুলো অবশ অসাড় হয়ে পড়ে । কবিতা কখনো উপপাদ্যের মতো মনে হয় না , যে কাঁটা কম্পাসে কেটে ,স্ক্যালে টেনে হিসাব কিতাব মিলিয়ে শেষে বলব প্রমাণিত । এটাও বিশ্বাস করি কবিতা এমন কিছু একটা যার কোন অর্থ থাকে না কিন্তু অর্থ হয়ে যায় কিংবা থাকতে হয় … নিশ্চিত বুঝতে পারছেন কথাগুলো নিজের অপরিপক্কতা চেপে রাখতেই বলছি অথবা সহজ স্বীকার উক্তি নিজের অক্ষমতার …

    কিন্তু আপনি যখন জানতে চাইলেই তাই জানাতে ইচ্ছে হচ্ছে কিন্তু কিছুতেই ভাজ করে আনতে পারছি না , ক্ষমা করবেন একটু চেষ্টা করছি যে বোধটা কাজ করছিল তাই বলতে চাচ্ছি … কবিতার বক্তব্যটি ছিল এক প্রবাসী কবির যেখানে আধুনিকতা , প্রযুক্তি কবির স্বদেশ থেকে এতটাই অগ্রিম , কবি তাদের কাছে অনেকটা গ্রাম ছেড়ে শহরে আসা একজনের মতোই … কিন্তু সেই প্রবাসের শহরে শহরে ঘুরতে ঘুরতে একটা প্রিয় ধর্ম কবি খুঁজছেন তা হল শুদ্ধতা , যা ছিল তার জন্মগত বৈশিষ্ট্য …
    এখানে সূর্য বলতে শুদ্ধতা , ভক্তি , স্বাধীনতা কিংবা আমার বাংলাদেশ হতে পারে … আর কবি শুদ্ধতম একজন বাংলাদেশী , দেহাতীর মতো সরল কিন্তু শুদ্ধ ।
    জানি জট পাকিয়ে দিয়েছি , মাফ চাই … নিজের মতো করে বুঝে নিবেন আর নিজ গুণে ভুলটুকু ক্ষমা করবেন , আমি কখনো গুছিয়ে বলতে পারিনা তাই কখনো গল্প করার সাহসই করি না , ক্লাস থেকে ফিরে সারা বিকেল দরজা বন্ধ করে জানালার পাশে বসি থাকি , পাহাড় আর আকাশের সাথে কথা বলি ,আকাশের সাথে কথা বলার মজাটা কি জানেন এতে দুপক্ষের উত্তর একজনকেই দিতে হয় যেমন ইচ্ছে তেমন … যতটুকু পারি কবিতার হেয়ালে থাকতে চাই ,

    শব্দরা রঙিন পাখা পায় কবিতায়

    কবিতা কি পাখি জানতে চাই না

    জানতেও চাই না কোথায় উড়ে যায়

    থাকুক না এই একটুখানি হেয়ালীপনা

    কাটুক না একটুসময় রাশছাড়া , মন্দ না !

    • এভাবে এতবড় উপহার পাবো জন্মদিনে ঘুনাক্খরে টেরও পাইনি। মাফ চাইছি এতদিন হয়ে যাবার পরেও মন্তব্য দেইনি বলে।
      শৈবাল , ভাই- আশেপাশের বাংলাদেশীদের এখানে দেখে মাঝে মধ্যেই মনে হয় আমার জন্যে বিদেশ না।
      আমার জন্ম ঢাকায়।
      ঢাকায় বললেও ভুল বলা হবে।
      কলেজজীবন পয’ন্ত আমার জানা শহর বলতে ছিল শুধু বিশ্ববিদ্যালয় পাড়া।
      সিলেটে ভতি’ হবার পর দেশ কি,জন্মভূমির মাহাত্ম খানিকটা জানলাম। আরো জানলাম প্রবাসে তিন বছর থেকে থেকে।
      তাই প্রায়শই বলি- “কোন ঘটনার মাঝে থেকে কিছু বাছবিচার না করে দূর থেকে দেখলেই প্রকত ভাব বের করা যায়। এডমন্টনের শীত আমাকে জন্মভূমির ওম প্রাপ্তি শিখিয়েছে ”

      অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইকে। আর, ফনেটিক দিয়ে লিখছি বিধায় বানান ভুল হলে মাফ করবেন।

  5. কথায় আংশিক ভুল আছে। এখানে অনেকেই আছেন যারা আহা উহু কোরে কিন্তু দেশের সম্পকে’ বাজে মন্তব্য প্রায়শই বলে। এদের ছেলেরা বাংলাতেও কথা বলতে জানেনা। এরা এখানে স্থায়ী আবাস গেড়েছে- এরা কানাডিয়ানদের চেয়েও বেশীমাত্রায় কানাডিয়ান কট্টর

Leave a Reply