Home » Entries posted by মলয় রায়চৌধুরী
moloyroy1111111@yahoo.com'
  লেখক: মলয় রায়চৌধুরী
  ২০০৪-এর পরে আর কবিতা লিখিনি; লিখতে পারিনি। মাথায় যা-কিছু আসে, মনে হয় একঘেয়েমি হয়ে যাবে। আমি তো সেনটেন্সের ভার্সিফায়ার বা স্বভাবকবি নই। ইদানিং কবিতা লেখা ব্যাপারটা এমন হয়ে গিয়েছিল যে মনে হচ্ছিল আমার আর পাঠকের প্রয়োজন নেই। পাঠকদের চিঠি বা ই-মেল এলে আশ্চর্য অনুভুতিতে আক্রান্ত হই। সমস্যা আমার আঙুলেরও। বুড়ো আঙুলে আরথারাইটিসের কারণে কলম ধরার পর ইরিটেশান হতে থাকে, যা চিন্তাকে ডিসটার্ব করে। ইন্টারনেটে এক আঙুলে কাজ চালাই, কিন্তু কবিতা লিখতে বসে এক আঙুল কমপিউটারে আর সেই সঙ্গে মগজের রসায়নকে সেই আঙুলের ডগায় নিয়ে যাওয়া বেশ অ্যাবসার্ড। নতুন গদ্য লিখিনি; যা কিছু প্রকাশিত হয় সবই পুনর্মুদ্রণ । এক আঙুলে গদ্য লেখা আরও কঠিন।

ছোটগল্প: গহ্বরতীর্থের কুশীলব (পর্ব ১)

খাজুরাহো মন্দিরের দেয়াল থেকে মাটিতে লাফাবার সময়, ঘুরঘুরে পোকার মুখে পাঠানো আদেশ তামিল করার জন্যে, বাতাসের মাঝপথে, নিজেকে পাষাণ মূর্তি থেকে রক্তমাংসের মানুষে পালটে নিয়েছিল কুশাশ্ব দেবনাথ নামে স্বাস্হ্যবান যুবকটি, যে কিনা হাজার বছরেরও বেশি চাণ্ডেলাবাড়ির একজন গতরি, ভারি-পাছা, ঢাউসবুক উলঙ্গ দাসীর ঠোঁটে ঠোঁট, যোনিতে লিঙ্গ, আর স্তনে মুঠো দিয়ে ঠায় দাঁড়িয়েছিল । এতকাল কত […]

—কী রে! দরজা খুলে আমাকে দেখেই তোর মুখ অমন গোমড়া হয়ে গেল? আমি তো থাকতেও আসিনি, খেতেও আসিনি. জাস্ট গ্যাঁজাব বলে এলুম, আর কোথায়ই বা যাই বুড়ো বয়সে, বল, সত্তর বছর হতে চলল…. রমেন তো মেয়ের বিয়ে দেবার পর বাড়িটা এমন আধ-খ্যাঁচড়া করে রেখেছে যে ওর বাড়িতে বসার জায়গা নেই, নেপাল ব্যাটা এই বুড়ো বয়সেও […]

Continue reading …