Home » Entries posted by অরুদ্ধ সকাল
roy.sokal@yahoo.com'
Entries posted by Aruddho
রবীন্দ্র প্রেমে নিমগ্ন !! প্রভাত কিংবা সাঝে; অভীমান কিংবা লাজে; রবীন্দ্র ছাড়া অন্ধ। কথা না রাখার স্বদেশে; আরকথার কন্টক বেধাতে চাইনা। তাই কথার রাজ্যে কথার ফেরি করে ফিরি রোজ। হা-পিতেশ করতে গিয়েও ঠেকে যাই। হয়তো জীবনটা এমনই কেউ হারে কেউ জেতে। ভালবাসার সংবৃতি নেই বলে আহত হই; তবুও পড়ে থাকি নুড়ি’র মতো যদি মুক্তো ভেবে কেউ হস্তে তোলে; যদি ওঁচলা ভেবে কেউ ছুড়ে ফেলে তবুও তেমনি থাকি, যেমনি আছি এখনো। কারও সংবেদ্য না হতে পারি নৈবেদ্য হতে দোষ কি !! _______________ কখনো যদি মনে পড়ে

নিহারিকা

সভ্যতার বিবর্তনে কালের আবর্তনে আমি দীর্ঘ পথ পেরিয়ে, হৃদয় বন্দরে দেখলাম ……… গরাদের জানালায় গোলাপি রং ছেয়ে গেছে। নীহারিকা দাঁড়িয়ে একা, সিঁথিতে সিঁদূর তার হাতে জোড়াশাখা। অপলক মূর্তি মতো চোখেতে রেখে চোখ বলছে……. কেমন আছো তুমি ? কতদিন পর দেখা ! আমি বাস্তুহারা বললাম একজীবনে কতটাই বা ভালো থাকা যায়, আর কতটাই বা মন্দ থাকা […]

চোখের ভাজে পাহাড় আছে কলরব তার সকাল-সাঝে মাঝখানে তার ছোট্ট নদী দু-পাড় উষ্ণ ধারা ধারার মাঝে নোনা স্বাদ তাতে কষ্টপাড়া। চোখ আকাশে রূপ পাল্টায় কখনো হাসায়, কখনো ভাসায় কখনোবা চোখালয়ে হঠাৎ মেকি সঙ উচ্ছলতার পুকুর মাঝে এক ফোটা নীল রঙ রঙের মাঝে জীবনযুদ্ধ যুদ্ধে পরাজয় পরাজয়ের ক্লান্তি শেষে জলের ধারা বয় যায়না বাধা সেই ধারাকে […]

Continue reading …

নাহ্ ভাই ভালো চাই না; একটা রংচটা ভাঙ্গা সুটকেস দেবে ভাই; আমি শ্যাওলা পড়া সমস্ত স্মৃতি রাখবো সেথায়। ভাঙ্গা বাক্সের, ভাঙ্গা দ্বারে বাতাস পেয়ে বাঁচবে তারা; পবন দেবতার দেয়ালে শুকরিয়া জানাবে দু’হাত তুলে; তাই একটা ভাঙ্গা সুটকেস চাই; সুটকেস ভাঙ্গা হতেই হবে; তবে চাকাওলা নয়। স্মৃতি যদি আছড়ে পড়ে, গড়িয়ে ভবের হাটে যায়; যদি বিনা […]

Continue reading …

-নীল; তুমি কচুরীপানা দেখেছো ? ভরা পানিতে কেমন ভেসে থাকে; রমণীরা আলতো ছোঁয়ায় তাকে কাছে টেনে নেয়; তাকে সৌন্দর্যের এক ভাস্কর্য- মনে করে কেউবা নানা উপমায় সাজায়; কিন্তু সে ফুল কেউ অন্দর মহলের শোভা বর্ধনে সাজায় না। ওরা খুব জোড়া বেধে থাকতেই ভালোবাসে; একা থাকতে চায়না। -নীল আমি সেই কচুরী পানার মতোই নিপুন হাতে গড়া […]

Continue reading …

স্বপ্নরা তারপর; সে আধারিতে ছড়িয়ে দিলো স্বপ্নের রোশনাই; আমাকে কুড়াতে ডাকলো। আমি হাঁটু ভেঙ্গে বসতেই স্বপ্নরা এদিক ওদিক ছুটে পালালো, আমি ছুঁতে পারলাম না। আমি চোখের পুষ্পে গাঁথতে পারলাম না; স্বপ্নিল মাল্য অনুভূতি ঝিঁ ঝিঁ ডাকা এক রাতে, সে ছিলো আমার সাথে। স্পর্শ নিতে চাইলো; চোখে, কপালে, অধর, গ্রীবা সব চাইল, আমি ভাস্কর্যের মতো দিলাম। […]

Continue reading …

ঘোরলাগা সন্ধ্যেটা টুপ করে ডুব দিলো রাতকুমারির ফাঁদ পুকুরে যে পুকুরে হাজার তারার মিছিল আগোছালো হয়ে রয়। গায়ে ‘গা’ না লাগিয়ে, আঁচ বাঁচিয়ে পাশ কাটিয়ে শ্বাস লুকিয়ে মাথা ঝুঁকিয়ে আঁকে নিজস্ব পৃথিবী। সেই পুকুরে ডুব দেয় নির্ঘুম শাখ-পাখালি। বৃক্ষরাজি পরশ রুমাল হাতে নিয়ে অপেক্ষার প্রহর জমা করে যায় বিধাতা পন্ডিতের পাঠশালায়। সেই রকম সন্ধ্যাটাকে রাতকুমারির […]

Continue reading …

নন্দিনী কাটাতারের বেড়ায় কি কখনো আঁচর খেয়েছো; কখনো কি তোমার আঙ্গুলী রক্তাক্ত হয়েছিলো সেই আঁচরে ? সেই আঁচরে কি যন্ত্রণা ফুটেছিল তোমার মুখে; হয়তো ফুটেছিল কিংবা ফোটেনি; হয়তোবা কোনদিন ফোটবেও না; কিন্তু দেখো; আমি এমনই আঁচর প্রতিনিয়তই পেয়ে চলেছি দিনরাত্রী। আমি পাথর হয়েই কাটিয়ে দিতে পারতাম সারাটা কাল তোমার চোখের ভাষা বুঝতে গিয়েই; আমার এই […]

Continue reading …

___________________________________________________________ তখন ছিলো সন্ধ্যেরঙের পথ। ধূপমিশালি ঘাটে দাড়িয়ে তুমি বলেছিলে, তোমার একটা প্রতিচ্ছবি দেবে আমায়! সে কথা কচি পাতা হয়ে ঝুলে রইলো টবের গায়,ধূপমিশালি ঘাঠ হলো নীল; আমি চোখপাতায় হাত ছোয়াই -বলি কেন রে এত তেষ্টা? চোখ শুধু বোবা হয়ে যায়! সামনে দাঁড়ালে আমি জমে যাই মোমের ফোটার মতো, জমে যাই বটের আঠার মতো! তুমি […]

Continue reading …

এক. অপলা ভিজবে বলেই বসে আছে। সিড়ির শেষ ধাপটা বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে। সে দাড়িয়ে আছে কখন পানি এসে তার পায়ের গোড়ালিটাও ডুবিয়ে দেবে। সাদা পেড়ে শাড়িটার রং ধুয়ে হয়ে গেছে হালকা। তার পায়ের রঙ করা আলতাটার রঙ ফুরোতে শুরু করেছে। আর নুপুর জোড়া চিকচিক করে উঠেছে বজ্রপাতের সাথে সাথে। অপলা আনমনে বৃষ্টি দেখছেই; বৃষ্টির […]

Continue reading …

জ ল ধা রা …প্রথম বেলাতেই জানা হতো যদি ……………..ক্ষয়ে যাবে এই আশা ………………………….. হতো না আর স্বপ্নদেখা ………………………………………ভাসতো না আর নেত্রধারা …………………………………………………….. বর্ষার বর্ষনের মতো ……………………………………………… প্রথম রাতেই ……………………………………… নীলকষ্ট ভেবে হয়তো …………………………… চোখে নামতো ……………………..জলধারা মনের জানালা এই আমার মনের জানালা যেখানে নিরবে নিভৃতে আমার বসবাস দুরের মানুষ কাছে এসে কখনওবা মনের জানালা […]

Continue reading …

এক. সন্ধ্যে নেমে পড়লো বলে। সিথী তবুও দাড়িয়ে আছে ব্রীজের পাশে। হাতের ব্যাগটা সায় দিচ্ছে ঘর থেকে পালিয়েছে ও; সন্ধ্যের আকাশের ঘোলাটে রঙ্গের মতো হাত পা অবশ হয়ে আসছে ওর। নীল কি তবে আসবে না! ভালবাসার মোহে ঘরছাড়া সিথী কি আজ জীবনের পাথরঘাটায় ধাক্কা খেয়ে থমকে যাবে? নাকি গোত্তা খাওয়া ঘুড়ির মতো মাথা উল্টে মৃত্তিকায় […]

Continue reading …

সেই পথ এখনও রয়ে গেছে তেমনি যেমনি ছিলো আগে। উত্থান পত্তনের পালা বদলে মুছে গেছে চেনা মুখ গুলো যে পথে শৈশবের স্মৃতি দাড়িয়ে আছে; হোচট কিংবা ফুলকুড়ানি একঝাক পাখির পালে স্বপ্ন ছড়ানো। সবুজ ঘাসের গায়ে পা ছোয়ালে স্মৃতিটা এখনো ভাসে সব বদলেছে কিন্তু সেই পথ এখনও রয়ে গেছে তেমনি যেমনি ছিলো আগে। স্কুল পালানো সেই […]

Continue reading …
Page 1 of 212