Home » Entries posted by আল মামুন খান
  লেখক: আল মামুন খান
  নিজের ছায়া খুঁজে বেড়াই, আমি এক ক্লান্ত পথিক// পথ হাটিতেছি, নিঝুম নিমগ্ন সুখে!

একটু সৌরভ বিলাবেন কি?

আপনি তখনো মাননীয় হয়ে উঠেননি হে মাননীয় আমরা তখন টগবগে যুবক তীরের ফলার মত চকচকে ভয়ংকর! উদ্যত ছিলার টানটান পিছু হটায় ব্যস্ত সবাই প্রচন্ড বেগে সামনে আগাবো বলে। ঐ সময় আপনার অগোছাল ঘর ছড়ানো ছিটানো তীরের ফলাগুলোও এক হতে পারছিল না আপনি বিষম দায়ে বিবশ অনুভবে রিক্ত প্রায় তখন আমরা-ই কিন্তু প্রচন্ড বেগে সামনে এগিয়েছিলাম […]

একদিন বিভুর সনে

No Comment

বিভু! আপনি তো কিছুদিন সুন্দরবন এলাকায় ছিলেন খুলনা আপনার তাই ভাল-ই দেখা আছে। আপনার অবস্থানের সময় শিল্পাঞ্চলের ভরা যৌবন! মানুষ-যন্ত্রের মিলিত রসায়নে আনন্দে ভারী এক বাতাসে ভেসেছেন আপনি। . আমার শৈশবে গিয়ে দেখে আসি চলুন হৃদয়গুলির রক্তাক্ত হয়ে ওঠার ইতিহাস একটা জনপদের ইতিহাসের আগেই লেখা হয়ে যায়। হৃদয় আর জনপদের রক্তক্ষরণের বীজ কিন্তু বিভু পেছনের […]

Continue reading …

চান্দরা চৌরাস্তা। নামে চৌরাস্তা হলেও আসলে রাস্তা তিনদিকে বিস্তৃত। গাড়িগুলো তিন দিকেই আসা যাওয়া করছে। তিতাস পরিবহনের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। হাতে একটা কাপড়ের ব্যাগ। ঘরের বানানো… কাঁচা হাতের বোঝাই যায়। ভীড়ের জন্য বাসে উঠতে পারছেন না। বয়সও তো আর কম হলো না। ষাট পেরিয়ে এসেছেন গত বছর। এই বয়সে যুবকদের ভীড় ঠেলে ওদের প্রাণচাঞ্চল্যের […]

Continue reading …

বালিকা

No Comment

“পৃথিবীতে বালিকার প্রথম প্রেমের মত সর্বগ্রাসী প্রেম আর কিছুই নাই। প্রথম যৌবনে বালিকা যাকে ভালোবাসে তাহার মত সৌভাগ্যবানও আর কেহই নাই। যদিও সে প্রেম অধিকাংশ সময় অপ্রকাশিত থেকে যায়, কিন্তু সে প্রেমের আগুন সব বালিকাকে সারাজীবন পোড়ায়।” আমাদের এই বালিকাও আজ ক’দিন তীব্র যন্ত্রণার ভিতর দিয়ে যাচ্ছ। নিজেও সে সেটা বুঝে কি? তবে কিছু একটা […]

Continue reading …

অফিসের কাজে শাহবাগে আসতে হয়েছিল। কাজ শেষে কি মনে করে বই মেলার ভিড়ে নিজেকে হারাতে ইচ্ছে হল রেজার। তাই বাংলা একাডেমীর ভিতরে এখন সে। কত মানুষ। নানা রঙের মানুষ। উচ্ছল প্রানবন্ত এক একজনের আনন্দিত মুখগুলোকে দেখছে। নিজেও ভালোলাগার আবেশে ভেসে যাচ্ছে। কয়েকজন বন্ধুর সাথে দেখা হল। এরা নবীন লেখক। এদের সবার বই বের হয়েছে। ওদের […]

Continue reading …

সকালবেলাটা কত সুন্দর ছিল! দুপুরটা ও… কিন্তু বিকেল বেলাটা যে এমন নিরাশার কালো রঙে রাঙ্গিয়ে তাকে পথহারা করে দিবে কে বুঝেছিল? সেই আবারও শূন্যে ফিরিয়ে নিয়ে এলো সরফরাজকে। ব্যাক টু দ্য প্যাভিলিয়ন। মনে পড়ে ১৯৯৮ সাল এর কথা। কিছু চাওয়ার মৃত্যু… অন্য কিছু পাওয়া! না পাওয়ার বেদনা এক সময় নতুন ‘না চাইতেই পাওয়াকে’ আকড়ে ধরে […]

Continue reading …

সম্পর্কঃ অণুগল্প

No Comment

একটা সম্পর্ক শেষ হয়ে গেল। এইমাত্র। ঘুড়ির সূতা কেটে গেলে যেভাবে উদ্দেশ্যবিহীন বাতাসে ভেসে বেড়ায়, জীবনটা কি সেরকম হতে যাচ্ছে? আকাশটা কি তখন আর ঘুড়ির নিজের থাকে? যার হাতে লাটাই সে যদিও মাটিতে, অনেক উপরে দিকবিহীন ঘুড়িকে কি সে আর নিয়ন্ত্রন করতে পারে? একসময় মাটিতেই নেমে আসতে হয় ঘুড়িকে। কিন্তু একই জমিনে থেকেও সুতাহীন ঘুড্ডি […]

Continue reading …

বেলা শেষের অবেলায়

2 Comments

সুর্যটা ডুবতে বসেছে। সেই সাথে রাসেল ও। ত্রিশ বছরের জীবন এতো দ্রুত শেষ হয়ে যাবে… ডিমের কুসুমের আকার নিয়ে রক্তিম ভানু অস্তাচলে যাই যাই করছে। সামনে পিছনে আঁধারের ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে এক অপুর্ব বিষাদময়তা লেজের মত অদৃশ্য রশ্মিতে বাঁধা! সামনে কেউ নেই। পেছনে অনেকে থেকেও নেই। একা একজন মানুষ। স্মৃতির মিনারে আজনম ক্লান্ত এক পথিক পথের […]

Continue reading …

লীনা কলেজে যেত একা। একটা ছেলে খুব বিরক্ত করতে শুরু করল। তার অদ্ভুত সব কাজে মেয়েটা সারাক্ষণ উৎকণ্ঠায় থাকতো। পথে ঘাটে, রেস্তোরাঁয়, সাইবার ক্যাফেতে, কলেজে সর্বত্র ছেলেটা লীনাকে বিরক্ত করতো। এমনসব কান্ড যে অন্যরা টের পেত না। সে নীরব অনুভূতি লীনার মধ্যে পার করে দিয়ে ওর ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করতো। নিজের মত করে সে হেঁটে […]

Continue reading …

অণুগল্প: সে

No Comment

চলন্ত রিক্সায় বসে রেখা আনমনে ভাবছিল। ‘মানুষটাকে আজকাল কেন যেন বুঝতে পারি না। দিন যত যায় তাকে যেন দূরের মানুষের মত মনে হতে থাকে। অথচ কি একটা সময় ই ছিল আমাদের! আর এখন বন্ধের একটা দিনে বাসায় আসে। এসেই সেই যে ল্যাপটপ নিয়ে পড়ে, মাঝরাত হয়ে যায়। কি মাঝ রাত, আরো সময় পেরিয়ে যায়। কিন্তু […]

Continue reading …

দ্য ফার্স্ট কিস

No Comment

এক মেয়ে আর এক ছেলের সাথে কঠিন সম্পর্ক ছিল। ১৪ বছর আগে তাদের কিভাবে যেন বিচ্ছেদ হয়ে যায়। একটা যুক্তিযুক্ত কারণ ছিল। পারিবারিক, সামাজিক.. আজ তার স্মরণের কিছু প্রয়োজন নাই। ১৪ বছর পরে মেয়েটার ক্লাসমেটদের মধ্যে একজনের সাথে এই ছেলেটা ওই মেয়েটার কিছু মিল পেয়ে যায়। ঠিক কোথায় এই মিল তা ছেলেটাই ভালোভাবে জানে না। […]

Continue reading …

দ্য আউটসাইডার

No Comment

রাসেল এবং তিশা দুজনে আধুনিক উচ্চশিক্ষিত। দুজনেই উচ্চবিত্ত ঘরের ছেলেমেয়ে। একই ইউনিভার্সিটি থেকে দুজনে পড়ালেখা শেষ করেছে। ওরা চট্টগ্রামে বড় হয়েছে। রাসেলের বাবা-মা ঢাকায় থাকেন। সে ওর খালার বাসায় থেকে চট্টগ্রামেই পড়ালিখা শেষ করেছে। ভার্সিটির অঙ্গনে কাছাকাছি-পাশাপাশি থাকবার সময়ে দুজনের ভিতরে বন্ধুত্ব হয়। একজন অন্যজনের কাছে আসে। ভালোলাগা থেকে ভালবাসার দিকে পথটি ঢালু হয়ে যায়। […]

Continue reading …
Page 1 of 212