Home » Entries posted by রাজন্য রুহানি (Page 3)
Entries posted by রাজন্য রুহানি
হাঁটতে হাঁটতে মগজ হাতড়ে দেখি--- অভিসন্ধির মানচিত্র হারিয়ে গেছে কোথাও। শুধু মনে পড়ে বাবার কথা; ছয়চোরের ঘরে বন্দী পাখিটির চোখেই কেবল আকাশ দেখা যায়। প্রযত্নের প্রবঞ্চনা ছাড়া জানা নেই চোরদের স্থাবর সাকিন, কোনোদিন পাখিটিরও দেখা পাবো কি-না--- এ চিন্তায় সামনে-পিছনের সমান দ্বন্দ্বে নিত্যবৃত্ত ছন্দে ঘুরপাক খাচ্ছে বর্তমান। পাখিটির চোখে চোখ রাখার প্রাণান্ত ইচ্ছে জিওল দিয়েছি অথচ।

ও রুহু, দেখে যাও

47 Comments

ও রুহু, দেখে যাও দেবীহীন এক পূজারির কষ্টের কারুকাজ অশ্রুপ্লাবনে ভাসিতেছে; নিদ্রাহীন রাতের ভাষা আজ শব্দহীনতায় ঝরে যাওয়া পাতার ইতিহাস অর্থাৎ পৃথিবীব্যাপী আর কোনো আর্ত নেই যা অনুভূতির দ্বার খুলে ডেকে আনে আকুলতা আর কোনো ভাষা নেই— নির্বাক নিশ্চল… গন্ধবিধুর ধূপের মতো তবু জ্বলে যাওয়া কোনো বিচ্ছেদের আবহে রুহু গো, নিষ্প্রাণ দেহের কোটরে মরা শামুকের […]

Continue reading …

শেষ গান, জন্মের আগে

25 Comments

আঙুলে আঙুলে ধরে রাখি মহাকাল মায়া; ঘুড়ি ওড়াবার আয়োজনে লেখাপত্র লেজ বানাই— আকাশের সখি সুঁতোয় মাঞ্জা দিয়ে দিগম্বর দাঁড়িয়ে ঠাঁয় জলকেলি… কামকেলি… নাহ্ বর্ষা মৌসুমে টেংরা-পুঁটি চোখ মারে হিজলের ছায়ায়, এত্তো এত্তো সোনারোদ বুনো মহিষের পালে শোভা… কী ঠান্ডা-গরমে শরমে ভাজ খুলি না— কৌমার্যকাল বসন্তের রূপছায়া… ধূপছায়া… ধুত্তুরি… অনশন ভাঙি না; বিপন্ন বোধের খইফোটা আকাশে […]

Continue reading …

জাগতিক সমীকরণ

42 Comments

কর্মকান্ডে নিচে ফেলে দেখি তুমি বউ হয়ে গেছ; দশ দিগন্তের মায়া ছাড়ি এইবার, ধরি রংধনু ডানা— মেঘপল্লবের বাতায়ন খুলে উঁকি দিই খুঁজে নিই স্বর্গের সিঁড়ি বেয়ে উঠার মন্ত্রকৌশল, যে রকম পরস্পর নগ্ন হয় সুখি দম্পতিরা কিংবা যে তাড়নায় জেগে ওঠে ঘুমন্ত মানুষ প্রতিদিন… বৃষ্টি নামে। স্বর্গের সপ্তম চূড়া থেকে নামে আষাঢ়স্য আশির্বাদ। তবু হুর-পরী থাকতে […]

Continue reading …

যেদিকে যাই শুধু হতাশার গান শুনি; ছেড়া তার জোড়া দিয়ে বেসুরো বেহালা বাজে পাখিদের সঙ্গমমেলায়— রতিক্রিয়া শেষ করেও যে স্থিরচিত্র সচল হয় মেদমাংসে, হাহাকারের বাতাস তাও উড়িয়ে নিয়ে যায় নিশিদিন কোনোদিন কামিনীর ডালে ফুল ফুটেছে হয়তো স্মৃত রাতপ্রিয়ার ছলাকলায়— সেইখানেও বিষধর সাপের দংশন; বলো না লখিন্দর, কোন ভুলে এই পরবাস যাত্রা মেধায় মননে রোজ খোঁজ […]

Continue reading …

খাঁচার পাখি মুক্ত করে দিলাম। রইল শুধু শূন্য খাঁচাটা; স্মৃতিরা তো হয় না কভু নিলাম— তাই নিয়ে আজ আমার বাঁচাটা। শূন্য খাঁচায় চেয়ে চেয়ে ভাবি— উড়ে গেছে ঠিকই তো সেই পাখি; করব কী আর নিয়ে তালাচাবি, কী আর হবে রাতদিন তারে ডাকি! খাঁচাটাও যদি ছুড়ে ফেলে দিই ধ্বংসপূর্ণ ঠিক ভাগাড়ে; কেবল শুধু দেয়া হবে ফাঁকিই […]

Continue reading …

দেশলাই

10 Comments

প্রচারসত্যে উম্মাদ ছিলাম। নিউরোনমাঠে খেলার দিন হুজুগে ক্রিকেটাররা বোল্ডআউট হতো। দিনেরা মা রাতেরা বাপ হলে উঠে দাঁড়াতেন মহান ঘূর্ণিঝড়। পাশের বাড়ির তৈয়েনকানার মন্ত্রপূত কফে কী ছিল, দূর-দূরান্ত থেকে জ্বীন-পরীর দল বাসনে বাসনে নিয়ে যেত কফ। একদিন আমিও গিয়েছিলাম হাফপ‌্যান্ট সময়ের যুগে। তার বাড়ির কুকুর আমার আজন্ম শত্রু। ফলে আমি কফবঞ্চিত ভাগাড়ের ভোলানাথ। সেদিন খেলায় বেবাক […]

Continue reading …

ফুলভুল না ভুলফুল

21 Comments

যে ফুল ফোটাতে চেয়েছি মালি হয়ে জীবনের ফাগুনে, সে ভুল টুটাতে গিয়েছি খালি ভয়ে মরনের আগুনে। ভুল নামের ফুলগুলি দেখায় রঙ্গের বাহার যাপনের ফাটকে, ফুল নামের ভুলগুলি শেখায় অঙ্গের আহার আপনের নাটকে। ফুল ভুলে নাকি ভুল ফুলে গাঁথি মালা পরাতে যে-গলে; কুল তুলে হাঁকি, মূল ভুলে পাতি চালা ধরাতে সে-বলে।

Continue reading …

রাজনীতিবিদ

33 Comments

চায়ের সঙ্গে কাপের টান বুঝে ফেলার সাথেই বাঁকা পথে হাঁটা দ্যায় রোদ। পথের শেষে গোপনে তৈরি নিমগ্ন রাতের পরকীয়া। আহা রাত, পরকীয়া বুঝে ঢের। আমি সেমতে আনাড়ি নাবিক। তবু ডাব ও নারিকেলের মধ্যকার যথেষ্ট ফারাক বুঝি। বেচারা, রাতের গান ধরলে আর ছাড়তেই চায় না। সঙ্গে সম্মিলিতসাথীর দূর হতে বয়ে আনা জনমের পায়ের ভার। পদক্ষেপে পড়ে […]

Continue reading …

তর্জনীর ওপর বশীভূত রোদের খেলা। মনমেলা থেকে কিনেছি জৈবিক এই রোদপুতুল। অতুল মোহনায় স্নান সেরে কেনা সার্বজনীন স্বস্ত্যয়ন মাত্র। গাত্রদহনের ডর হয় নি কস্মিনকালেও। হাল-আমলেও ছড়িয়ে পড়ে নি এই খ্যাতি স্ববিশেষ। অশেষ সম্ভাবনাময় আমার খেলার অব্যর্থ কসরত। মহরত শেষেই নাহয় মন্তব্য করুন। ধরুন, আপনি চোর। ভোর না হতেই কর্ম কাবার। সাবাড় করেছেন গৃহস্থের সোনাদানা মূল্যবান […]

Continue reading …
Page 3 of 3123