Home » Archives by category » ‌কবিতা (Page 3)

অনুচ্চারিত দহন

No Comment

নগরের জেগে থাকা ল্যাম্পপোস্টে ঝুলিয়ে দিয়েছি হৃৎপিণ্ড বিছানায় পড়ে অাছে অনায্য কঙ্কাল, বিবশ খুলি কারা কারা আর খুলে রাখে চোখ অলৌকিক অন্ধকারে? রাতের পৃষ্ঠায় আলোকবর্ণে লিখে বার্তা শোকসন্তপ্ত তারা? কিছু অচেনা আওয়াজ, ধূলোর প্রতিধ্বনি অদূরে হারায়। বোধের ভূমিষ্ট কাল পেরিয়ে দেখি মাটির অঙ্গ ভিজে গেছে লালসার জলে! সুমন আহমেদ কবিতা একদিন ভীষণ আহত ছিল; যেন […]

Continue reading …

সনাতন

2 Comments

শেয়ালের ডাকে সারারাত ঘুম হয়নি মুরগির মুরগির ডাকেই ঘুম ভাঙ্গল আমার প্রতিদিনের মতো আরেকটা রাত শেষ হল। বাড়ির প্রভুভক্ত কুকুরের ঘেউ ঘেউ রাজ হাস গুলোর জলকেলি খেলা সবই প্রতিদিনের মতো পুরোনো। ওই যে দেখা যাচ্ছে লালনের হাতে একতারা হু! ওটা চিরকালই এক রকম ফজরের নামাজের সেজদা, প্যাগোডার প্রার্থনা মূর্তির সামনে নতজানু ঠাকুর কিংবা যীশুর পেরেক […]

Continue reading …

কেউ ডাকে

11 Comments

কেউ ডাকে, পাশ ফিরে নিভে গেছে বাতি সরু গলির ভিতর, কর্দমাক্ত জীব স্বার্থান্ধ প্রচ্ছদে নাভি দিয়ে হ্যামিলনের বাঁশিটা চায়, ডাকে কেউ ফিসফিস স্বরে, জোর করে গুঁজে দেয় দিয়াশলায়ের কাঠি, সপাংসপাং ঠোঁট উঠছে নামছে দাঁতের প্রাচীর বেয়ে, মহা উজবুক ব্যবধান রেখে চতুর্দিকে ছড়িয়েছে মেলার পাহাড়, আস্তে আস্তে দলে ভারি হবে পিঁপড়েরা রটানো আচারে, তাই দেখে যায় […]

Continue reading …

নীলের বলো দাম কি আছে, তোমার দুঃখের কাছে সে,যে সকাল-সাঁঝে, হাজার কাজে বন্ধু হয়ে নিত্য লাজে, তোমায় ছুঁয়ে থাকে সে নিত্যদিনের ঘরকান্নায় তোমায় নিয়ে খেলে- জোয়ার ভাটার খেলা। সে-যে উড়নচণ্ডী, তাড়িয়ে বেড়ায় সকল রোদেল বেলা। তোমার দেহের ভাঁজে, কথার কষ্ট সাজে, তোমার শূণ্য সিথী খা-খা সাদা মাঠ। তোমার ভাগ্য নদীর ব্যার্থ ঘুড়ি উড়ে সকল স্থানে […]

Continue reading …

প্রতি দিন শেষে সন্ধ্যা নামে প্রতি দিন শেষে সন্ধ্যা নামে এ যে বড়ই সত্য; রাত দিনের বিভেদ ক্ষয়ে ক্ষয়ে নিঃস্ব ক্ষণ; কালের গায়ে ইতিহাস আঁকে সেই যে সনাতন ছাপচিত্র! শতাব্দি কালের ফসিল মৃত্তিকার সোঁদা গন্ধ; শরীর মজ্জার ফরফরাসের কোনা দৈ বিপাকে সমুখ যুদ্ধে মৃত্যু; মুষ্টিবদ্ধ হাতে দ্রোহের খড়গ সেই ফসিলের গা ঝেড়ে বেড়িয়ে এলো ঘূর্ণি […]

Continue reading …

চিঠি (ইন্টারনেটের বদৌলতে কী না হতে পারে? মেয়েটিও পড়েছে অসম প্রেমে আমার বউ-বাচ্চা আছে জেনেও; কিন্তু আমার কোনো সাড়া নেই। রশিয়ার ইউক্রেন থেকে জুলিয়া নামের এ মেয়ে আমাকে নিবেদিত চিঠিসহ কবিতা পাঠিয়েছে। এর আগেও চিঠি দিয়েছিলো অনেকবার কিন্তু জবাব দেইনি বলে সে অভিমান করে একটার পর একটা কবিতা পাঠাচ্ছে আমাকে, সাথে চিঠিও। নিচে কবিতাটি অনুবাদসহ […]

Continue reading …

আর কি বা চাওয়ার ছিল তার? আর কি বা চাওয়ার ছিল তার? চাওয়া পাওয়ার এই দীর্ঘ পথ। অমানিশায় রজনি কেটে গেল কত? আকাশে তবুও ভাবনার অম্বর উড়ে। স্বপ্ন ডানায় ভাসে জীবন। তাও আবার চাইবার সুখটুকু পাবার আশায়। দিনের বিপনন রাতের গায়ে কড়া নারে। শুদ্ধ বাতাস গুমোট গরমে রুপ নেয়। মিছে মেঘ কখন যে ঘূর্ণিঝড়ে তড়পায় […]

Continue reading …

বুর্জোয়া কলমে মেনে আসে যোঁযোয়া আঁধার দেহশূন্য মন; না মনশূন্য দেহ অসীম আধার অনিন্দ্য সুশীল শব্দ বিন্যাসে আদিম কাব্যবিলাস কাপালিক মন মেঘজানে চড়ে খোঁজে অন্তিম সর্বনাশ ভাঙ্গা নাও পারি চড়ায় সায়র বক্ষে হয়ে শুভ্র স্বপ্নচারী বিলাসী মন; দেহ শূন্য চার্বাক পারলৌকিক ব্রহ্মচারী দেহ খোঁজে মন; মন খোঁজে দেহ অবিরত জীবন মূহ্যমান পড়ে থাকা মৃত প্রায় […]

Continue reading …

প্রচ্ছন্ন জীবনের মেঘজানে চলন্ত কাপালিক মন মোহ ও বোধের লীলায় কাব্যিক রঙ্গমঞ্চ জীবন বিভব স্বপ্নে প্লাবন খেউ ওঠা হৃদয় নদে সংগ্রামী জীবন নাদ তোলে বোধের বধে আকাশ নীলায় স্বপ্নবুণনে কাশফুল পরবাস বধির বিবেক কোকনদে গায় মৃত্যুর কোরাস অন্তরীক্ষে শব্দ যোজনে ভাসে দন্তহীন ত্রিশূল পদার্থীয় সূত্রাধারে জীবন খোঁজে গহীন ভুল। ১৫ মে ২০১৪ কাঁচাবাজার, উত্তরা।

Continue reading …

প্রচ্ছন্ন আনন্দ খেলা করে যখন দেখি তোমার ঐ মুখ স্নিগ্ধতার অতলে ডুবে যায় আশাহুত ভাললাগায় বুক তোমার কোমল অঙ্গ নাচায় হৃদয় ধমনীতে বিমুগ্ধ সুর নিত্য বাজে তোমার গান আমার কানে সন্ধ্যা-দুপুর-ভোর ক্লান্তিতে অক্লান্ত হয় শরীর তবু জাগে তোমার অনুভূতি তোমার বুকে ভেসে বেড়াই আমি তুমি আমার অতল নদী নিরাশার ভৈরবী গানে তোমার প্রেরণা বাঁজায় মূরজ […]

Continue reading …

আর কী চাও? কী দেবার আছে আমার? শোষক লতার মতো শোষণ করেছো হৃদয় পাহাড় বঞ্চিত নদীর মতো আমায় করেছো রুক্ষ মরুচর আঘাতের মূহ্যমানতায় আমি হয়েছি বৈশাখী ঝড় দুঃখের পিরামিড রচনা করেছি বক্ষ পিঞ্জর করে শোধন নির্বাক চোখ কথা বলে না হারিয়েছি কাব্য রোদন আকাশের বিশালতার কাছে আমার দুঃখ মানবে না হার যে বিরান ভূমি রচনা […]

Continue reading …

আমার মা

1 Comment

আমার মা বেশতো ছিলাম মাতৃজঠরে ওখানে থাকাই ভাল ছিল কুন্ডুলি পাকিয়ে, প্রতি মূহুর্তে মায়ের আদরে শিহরিত শিহরণ। চোখে জল ভরা! সেও নাকি সুখের ছিল যন্ত্রণা সয়ে সয়ে কি সে প্রচ্ছন্ন সুখ? দিনে দিনে শরীর করেছে নিঃশেষ বাড়ন্ত বোঝা টেনে টেনে; রক্তশূন্য দেহ! হার মজ্জায় ক্ষয়ে যাওয়া যন্ত্রণা। আমি ছিলাম সেই বাড়ন্ত বোঝা আমার মায়ের জঠরে; […]

Continue reading …