Home » Archives by category » ব্যক্তিত্ব (Page 2)

জীবনী: শাহ আবদুল করিম

1 Comment

১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের কালনী নদীর তীরে উজানধল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শাহ আব্দুল করিম। আব্দুল করিমের বাবা ছিলেন ইব্রাহিম আলী, মায়ের নাম নাইয়রজান বিবি। গ্রামের নৈশ বিদ্যালয়ে মাত্র ৮দিন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেন তিনি। তারপর যা শিখেছেন নিজের চেষ্টায়। দারিদ্র্যের মধ্যেই কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠেন শাহ আব্দুল করিম। শৈশব থেকেই একতারা ছিল তাঁর […]

Continue reading …

অসুস্থ নজরুলকে বিলেত থেকে কোলকাতায় ফিরিয়ে আনার পর কাগজে নার্স চেয়ে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। বন্ধুর আগ্রহেই কবির সেবায় নিযুক্ত হন উমা মুখার্জি। পরবর্তী সময়ে কবির পুত্রবধূ। মুখার্জি থেকে কাজী। একসময় নিজের পরিবার আর কাছের মানুষদের ছেড়ে কবির সঙ্গে ঢাকায় চলে আসা। সেই থেকে এ শহরের জনারণ্যে মিশে যাওয়া। কবি গত হলেও স্মৃতি আগলানো তিনি আজ […]

Continue reading …

পূর্ববঙ্গবাসী কোন বর, কলিকাতানিবাসী একটি কন্যা বিবাহ করিয়া গৃহে লইয়া যান। কন্যাটি পরমাসুন্দরী, বুদ্ধিমতী, বিদ্যাবতী, কর্মিষ্ঠা এবং সুশীলা। তাঁহার পিতা মহা ধনী, নানা রত্নে ভূষিতা করিয়া কন্যাকে শ্বশুরগৃহে পাঠাইলেন। মনে ভাবিলেন, আমার মেয়ের কোন দোষ কেহ বাহির করিতে পারিবে না। সঙ্গের লোক ফিরিয়া আসিলে তিনি জিজ্ঞাসা করিলেন, “কেমন হে, বাঙ্গালেরা মেয়ের কোন দোষ বাহির করিতে […]

Continue reading …

আমার গুরু হুমায়ূন আহমেদ বললেন, কেউ কবুতরটি সরিয়ে দাও। এই কাট কাট বলে জুয়েল রানা চেঁচিয়ে উঠলো। ‘উড়ে যায় বক পক্ষী’র শুটিং চলছে। দৃশ্যে শাওন রান্না বসিয়েছে, কিছু কবুতর ও মুরগি ঘুরঘুর করছে উনুনের আশপাশে। খুবই সাধারণ গ্রাম বাংলার রান্নার দৃশ্য। তার মাঝে একটা কবুতর বারবার উনুনের একেবারে কাছে চলে যাচ্ছে। আগুনের প্রতি কবুতরটির মনে […]

Continue reading …

সিলেটের মীরা বাজার৷ ১৯৫০-৫৫ সালের দিকের শহর৷ গাছপালা শোভিত, প্রাচীন আমলের ঘর দোর, ভাঙা রাস্তা কোথাও কোথাও কাঁচা বাড়ি৷ আবার মাঝে মাঝে খুব সুন্দর করে সাজানো গোছানো বনেদি বাড়ি৷ স্কুল ছুটির পর এমনি এক রাস্তা ধরে হেঁটে চলছে এক বালক৷ দুরন্ত ঘাস ফড়িঙের মতো লাফিয়ে লাফিয়ে তাঁর চলা৷ নির্দিষ্ট কোন লক্ষ্য নেই, যেন কোন একদিকে […]

Continue reading …

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় গোলাম আযম রাজনৈতিক অবস্থান নেন ও পাকিস্তান বিভক্তির বিরোধীতা করেন এবং বারবার আওয়ামী লীগ ও মুক্তিবাহিনীকে বিচ্ছিন্নতাবাদী হিসেবে আখ্যায়িত করতে থাকেন। পরবর্তীতে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয় এবং ২৬ মার্চ, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। আযমের বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য ২৫ মার্চের পর থেকে জামায়াতের মুখপত্র বলে পরিচিত দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকায় […]

Continue reading …

জন্ম ও পারিবারিক ইতিহাস কাইয়ুম চৌধুরী জন্মেছিলেন ফেনীতে, ১৯৩৪ সালে। ক্ষয়িঞ্চু যে-জমিদার পরিবারে তাঁর জন্ম সেখানে বিত্তের পূর্বতন জৌলুস বিশেষ অবশিষ্ট ছিল না, কিন্তু এই পরিবারে শিক্ষা ও উদার মানসের ছিল জোরদার অবস্থান। চৌধুরী পরিবারের এক সদস্য আমীনুল ইসলাম চৌধুরী লিখেছিলেন নোয়াখালীর ইতিহাস। বিত্তের ঘাটতি ঘটলেও চিত্তের প্রসার বহাল ছিল এবং পরিবারের অনেক সদস্যই হয়েছিলেন […]

Continue reading …

নবযুগে সাংবাদিকতার পাশাপাশি নজরুল বেতারে কাজ করছিলেন তখন কাজী নজরুল ইসলাম। এমন সময়ই অর্থাৎ ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এতে তিনি বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন। তার অসুস্থতা সম্বন্ধে সুষ্পষ্টরুপে জানা যায় ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে। এরপর তাকে মূলত হোমিওপ্যাথি এবং আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু এতে তার অবস্থার তেমন কোন উন্নতি হয়নি। সেই সময় তাকে […]

Continue reading …

যুদ্ধ শেষে কলকাতায় এসে নজরুল ৩২ নং কলেজ স্ট্রিটে বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমিতির অফিসে বসবাস শুরু করেন কাজী নজরুল ইসলাম। তার সাথে থাকতেন এই সমিতির অন্যতম কর্মকর্তা মুজফ্‌ফর আহমদ। এখান থেকেই তার সাহিত্য-সাংবাদিকতা জীবনের মূল কাজগুলো শুরু হয়। প্রথম দিকেই মোসলেম ভারত, বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা, উপাসনা প্রভৃতি পত্রিকায় তার কিছু লেখা প্রকাশিত হয়। এর […]

Continue reading …

জন্ম ও পারিবারিক ইতিহাস কাইয়ুম চৌধুরী জন্মেছিলেন ফেনীতে, ১৯৩৪ সালে। ক্ষয়িঞ্চু যে-জমিদার পরিবারে তাঁর জন্ম সেখানে বিত্তের পূর্বতন জৌলুস বিশেষ অবশিষ্ট ছিল না, কিন্তু এই পরিবারে শিক্ষা ও উদার মানসের ছিল জোরদার অবস্থান। চৌধুরী পরিবারের এক সদস্য আমীনুল ইসলাম চৌধুরী লিখেছিলেন নোয়াখালীর ইতিহাস। বিত্তের ঘাটতি ঘটলেও চিত্তের প্রসার বহাল ছিল এবং পরিবারের অনেক সদস্যই হয়েছিলেন […]

Continue reading …

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ক্লাসরুম৷ ক্লাস শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই৷ ছাত্রছাত্রীরা দুরু দুরু বুকে অপেক্ষা করছে৷ কারণ ক্লাস নেবেন অধ্যাপক আহমদ শরীফ৷ ক্লাস শুরু হল৷ একেবারে পিনপতন নীরবতা৷ শুরুতে কয়েকজনকে ছোট ছোট কয়েকটা প্রশ্ন করলেন তিনি, বেশিরভাগই তাঁর প্রশ্নের কোন উত্তর দিতে পারল না৷ তখন তিনি বললেন, “তোমরা তো কোন লেখাপড়া করনি, কোনকিছু […]

Continue reading …

এই মুহূর্তে বোধকরি সবচেয়ে বড় মানসিক দ্বিধা-দ্বন্দ্বের কাজ হলো হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা সম্পর্কে খুব বেশি নেতিবাচক কিম্বা  খুব বেশি আক্রমণাত্নক সমালোচনা করা। একাধারে তাঁর অসুস্থতা, অন্যদিকে তাঁর প্রতি লেখক হিসাবে আস্থা-দাবি, আশা-আশাহতের দ্বন্দ্ব। তারওপরে আজকাল সময়ের এতো সংকুলান যে যা আমাকে বুদ্ধিবৃত্তি বা হৃদয়বৃত্তিতে সন্তুষ্ট বা তৃপ্ত করে না তার প্রতি কোন মনোযোগ দিতে […]

Continue reading …