মুরাদুল ইসলাম

ডিজিটাল হৈমন্তী

Decrease Font Size Increase Font Size Text Size Print This Page

বরের বাপ সবুর করতে পারতেন কিন্তু কন্যার বাপ সবুর করতে চাইলেন না।তিনি দেখলেন, ইদানীং যে হারে মেয়েটা ইতস্তত ঘোরাঘোরি,বয়ফ্রেন্ড নিয়া ফাস্টফুডের দোকানে দৌড়াদৌড়ি করছে তাতে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোন রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হয়ে গেছে।

আমি ছিলাম বর।সুতরাং বিবাহ সম্পর্কে আমার মত যাচাই করা অতি আবশ্যক ছিল।কিন্তু আমার পূর্ববর্তী প্রেমিকা অভিভাবকদের কাছে আমার সম্পর্কে কিছু কানকথা শুনিয়েছিল।যাহা রটে তাহা কিছুমাত্র ঘটে।তাই বুকে হাত দিয়া বলিতে পারি না আমার সহিত ওই মেয়েটির কোন সম্পর্ক ছিল না।তবে মেয়েটি যে নির্লজ্জের মত তাহা আমার অভিভাবকদের কাছে বলিয়া দিবে তাহা আমার কল্পনার অতীত ছিল।যাই হোক এজন্য অভিভাবক গন আমার বিবাহের জন্য উঠিয়া পড়িয়া লাগিয়া গেলেন।

আমাদের দেশে যে মানুষ একবার বিবাহ করেছে তাহাদের উদ্বেগ উৎকন্ঠা দেখিয়া আমার মনে ভয় জন্মিল।বাঘের দেখা পাইলে নিরীহ খরগোশ শাবকের যে অবস্থা হয় তাদের অবস্থাও একই।তবে আমি ডিজিটাল যুগের মানুষ এসব ভয় পাইলে কি আর চলে। বিবাহের পর আমার চিরজাগ্রত প্রেমিকসত্তা যে আর প্রেম করিতে পারিবে না ইহা মনে করিয়া মনে কিছুক্ষন সুখের মত ব্যথা অনুভব করিলাম।

এখন আমি কি করতেছি। ডিজিটাল হৈমন্তি লিখিতে বসিয়া উপন্যাসের মত হইয়া যাইতেছে।তবে আর কি ই বা করিতে পারি।মনে ছিল, কয়েক বৎসরের যে কালো মেঘ মনের মধ্যে জমিয়া ছিল তাহাকে বৈশাখসন্ধ্যার ঝোড়ো বৃষ্টির মত প্রবল বর্ষনে শেষ করিয়া দিব।কিন্তু মোর অন্তরে আজ আশা নাই, ভাষা নাই,রোদন করিবার অশ্রুটুকুও নাই।তবে একথাও ঠিক যে জৈষ্ঠ্যের খড়রৌদ্রই তো জৈষ্ঠ্যের অশ্রুশুন্য রোদন।

আমার সঙ্গে যাহার বিবাহ হয়েছিল তাহার সত্য নামটাই দিব।যাতে আপনারা এই নামটি বিষয়ে বিশেষ অবগত হয়ে থাকতে পারেন।তাহার নাম হ। শুনেছি ছোটকালে তার পিতৃদেব হৈমন্তি নামটি রাখিয়াছিলেন।তবে নামটি তাহার পছন্দ হয় নাই।তাই নিজের নাম নিজেই ডিজিটাল করে রাখছে “হ”।তাহার নামটা শুনিয়াই তাহার প্রতি আমার আগ্রহ জন্মিল।

হ এর পিতৃদেব অনেক অনেক যৌতুকের ব্যবস্থা করিয়াছিলেন।তার ওপর হ তাহার পিতার একমাত্র সন্তান।ইত্যাদি কারনে আমার অভিভাবকবৃন্দ হ এর পূর্ববর্তী প্রেমকাহিনী কিছুটা জানিয়া কিছুটা না জানিয়া বিবাহের আয়োজন করিলেন। হ ঠিক করিল থার্টি ফার্স্ট নাইটে বিবাহ করিবে।অগত্যা কি আর করা।সবার রাজি হইতে হইল।

পঞ্জিকার পাতা উল্টাইতে থাকিল।দু একটা করে মাস চলিয়া যায়।অবশেষে আসিল সেই শুভক্ষন থার্টি ফার্স্ট নাইট।

বিবাহের চারিদিকে হট্টগোল।আতসবাজি দিয়া বিবাহ উদযাপন না থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন হচ্ছে কিছুই বুঝিতে পারিলাম না।মাঝে মাঝে গান শোনা যাইতেছে, “আইজ আমরার কুসুমরানীর বিবাহ হইব, বিবাহ হইব”।হ নাকী খুব হুমায়ুন আহমেদের ভক্ত।এর প্রমান এই গানের মাধ্যমে কিছুটা পাইলাম।

এমন গান হইচই হট্টগোলের মধ্যে হঠাত কন্যার হাতখানি হাতখানি আমার হাতের উপর পড়িল।উত্তপ্ত কড়াইয়ে পানির ফোটা পড়িলে যেমন ছ্যাত করিয়া উঠে তেমনি অবস্থা হইল আমার।কারন যে হাতখানা পড়িয়াছে তাহা অত্যন্ত শক্ত ঠেকিতেছে।আড়চোখে ঘটনা কি বুঝিতে তাকাইয়া দেখি কন্যা গ্লাভস পড়িয়া আছেন।আমার যেন ঘাম দিয়া জ্বর ছাড়িল।মন বার বার করিয়া বলিতে লাগিল,”পাইছি রে পাইছি,আমি ইহারে পাইছি।“

কন্যার বাপ গৌরিসঙ্কর আমাকে ডাকিয়া বলিলেন, আব্বাজান কন্যা আমার অতি ভাল।একটু বেশি খরচাপাতি করে।তা সমস্যা না।তুমি তো ভগবানের কৃপায় ভালই কামাই রোজগার কর।কি আব্বাজান ঠিক বলেছি না?

আমি আস্তে আস্তে বলিলাম, ঠিক বলেছেন,অতি সত্য কথা।কিছু খরচাপাতি করা ভাল।কিন্তু মনের মধ্যে অথবা বুকের মধ্যে চিনচিনে ব্যথা অনুভব করিলাম।

শ্বশুরমশাই তাহার কন্যার কাছ থেকে বিদায় লইবার জন্য বলিলেন, আম্মাজান, অনুমতি দেন।যাই।

কন্যা বলিল, যাইবা না তো থাকবা নাকি! বিরাট আশ্চর্য।আব্বাজান আপনে মাথার ডাক্তার দেখান।কথাবার্তা কি বলেন তার ঠিক নাই।আর শুনেন আমার ডিজুস সিমটা রাইখ্যা আসছি।ওইট্যা পাঠাইয়া দিবেন।

কন্যার কর্কস কন্ঠের এহেন কথাবার্তা শুনে আমি টাশকি কাহিলাম।মনে হইল মাথা ঘুরাইয়া পড়ে যাব।অনেক কষ্ঠে নিজেকে সামলাইলাম।

বন্ধুদের অনেককেই তো বিবাহ করিতে দেখিলাম।এমন কন্যা আমি জীবনেও দেখি নাই।মন্ত্র পড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রী নামক বস্তূটি পুরুষ জাতিকে গ্রাস করে।তারপর আস্তে আস্তে হজম হয়।হজম ভাল হইলে স্বামীর সদগুন প্রকাশিত হয় স্ত্রী রত্নের মুখ হইতে।আর বদহজম হইলে বর বাবাজির শনির দশাতেই কেটে যায় পুরো সপ্তাহ, মাস,বছর এবং গোটা জীবন কাল।তবে আমি মনে মনে বলিলাম, আমি তাহার সম্পত্তি নই,সম্পদ ও নই।আমার গায়ে হাত দিলে আমিও কম যাই না।এই বলে মনে মনে নিজেকে স্বান্তনা দিলাম।

বাসর রাত্রি তে আমি গিয়া দেখি সে কাহার সাথে যেন মোবাইল ফোনে কথা বলিতেছে।আমি অপেক্ষা করিতে লাগিলাম।কিন্তু তাহার কথা তো আর শেষ হয় না।কিছুক্ষন পর সে সিম চেঞ্জ করিতেছে দেখে বলিলাম, হ আপনার কথা কি শেষ?

হ ঝংকার দিয়া কহিল, কথা শেষ মানে কি? আমি বোবা হয়ে যাব?আমার কথা শেষ না টাকা শেষ।তুমি যাও তো এই নাম্বারে ৫০০ টাকা ফ্লেক্সি করে আস। আর শোন আমারে আপনি করে বলছ কেন?লোকে শুনলে কি বলবে?তুমি করে বলবা?।এখন যাও।

আমি উত্তরে কিছু বলিতে সাহস করিলাম না।জলদি টাকা ফ্লেক্সি করে আসিলাম।তাহার কথা চলিতে লাগিল আর আমি ঘুমাইয়া গেলাম।ওই রাতে স্বপ্নে দেখিলাম একটা অজগর সর্প আমাকে গিলিয়া খাইতেছে,আর আমি তারস্বরে চেচাইতেছি।

এমন সময় রাস উৎসব উপলক্ষে দেশের কুটুম্বরা আমাদের বাড়িতে আসিলেন।তাহারা কেমন করিয়া যেন হ এর পূর্ব প্রেমকথার কিছু কিছু জানিতে পারিয়াছিলেন।তাহাদের মধ্যে কানাকানি শুরু হইয়া গেল।

এক দিদিমা বলিয়া উঠিলেন, অহ মাই গড! নাতবউয়ের নাকী ছয় ছয়টা বি এফ ছিল।

আর এক দিদিমাশ্রেনীয়া বলিলেন, বল কি! আর তোমার মাত্র দুইটা বিএফ ছিল বলে বিয়ে দিতে কত ঝামেলা হয়েছিল।আমাদের অপু তাহলে ভাগ্যবান। বলিয়া উচ্চস্বরে তাহারা সকলে হাসিয়া উঠিলেন।

আমার মা খুব জোরের সহিত বলিলেন,এসব মিথ্যা কথা। বউমার আসলে বিএফ ই নাই।থাকলে একটা হয়ত ছিল।এসব তো এখনকার মেয়েদের একটা-আধটা থাকেই।

দিদিমারা বলিলেন, আমরা যে ফেইসবুকে দেখলাম ওর বি এফ দের সাথে ছবি।এসব কি মিথ্যা?

মা বলিলেন, ফেইসবুকে ফেইক একাউন্ট দিয়ে কত কি হয়!

কথাটা সত্য কিন্তু হ এর একাউন্ট টা ফেইক ছিল না।

প্রবীনেরা বলিলেন, ফেইসবুক কি আমরা আজ থেকে ইউজ করি?আমরা বুঝতে পারব না কোনটা ফেইক একাউন্ট আর কোনটা ঠিক।

এই লইয়া জোর তর্ক এমনকি বিবাদ হইয়া গেল।

হঠাৎ সেখানে হ আসিয়া উপস্থিত।কোন এক দিদিমা জিজ্ঞাসা করিলেন, নাতবউমা তোমার বি এফ কয়টা ছিল বল তো?

মা তাহাকে চোখ টিপিয়া ইশারা করিলেন কিন্তু হ এসব পাত্তা না দিয়ে বলিল, বি এফ তো স্কুল লাইফে ছিল দুইটা,কলেজ লাইফে তিনটা আর ভার্সিটি লাইফে সবমিলিয়ে সাতটা হবে।তবে নামগুলো ঠিক বলতে পারব না গ্রান্ড মম।আমার ফেইসবুকের নোটে আছে দেখে নেবেন।

দিদিমারা পরস্পর গা টেপাটেপি করিতে লাগিলেন।

মা ব্যস্ত হইয়া বলিলেন, তুমি তো জানো না।

হ কহিল, আমি জানিনা তো কে জানে আম্মাজান?ওরা অনেকে এখনো আমার গুড ফ্রেন্ড।আপনি ইচ্ছা করলে একদিন দাওয়াত করে খাওয়াতে পারেন।তবে সবাইকে পাবেন না।দুইজন সুইসাইড করেছে শুনেছি।

বধূর নির্বোদ্ধিতায় মা রাগিয়া উঠিয়া বলিলেন, তুমি তো সব জানো।তোমার বাবা যে বলিলেন নাই।

হ যেন শ্বাশুরীর নির্বোদ্ধিতায় ততোধিক চমকিয়া উঠিল।সে অট্টহাসিতে সারা ঘর আলোকিত করিয়া কহিল, আম্মাজান আপনি বিরাট আজিব মহিলা।বাবার কথা বিশ্বাস করেছেন।উনি কথায় কথায় মিথ্যা বলেন।মিথ্যা বলা উনার স্বভাব।তারওপর তখন তার ছিল কন্যাদায়। আমার একটা গতি করার জন্য তার মাথা ছিল আউলা।আম্মাজানকে কি বোঝাতে পেরেছি?

এরপর মা দ্বিরুক্তি না করিয়া প্রস্থান করিলেন।ঝড়ের বেগে সারা পাড়ায় রটিয়া গেল হ এর কথা।তাহার শ্বশুর মশাই তাকে ডাকিয়া বলিলেন, আইবড় মেয়ের হাজারটা বিএফ,এটা কি খুব একটা গৌরবের কথা,যে সবাইকে বলিয়া বেড়াইতে হইব।

এই কথায় হ যেন ফাটিয়া পড়িল।সে বলিল, আব্বাজান হাজারটা না মাত্র সাতটা।আগের গুলা যোগ করলেও হয় মাত্র বারোটা।হাজারটা হতে এখনো ৯৮৮ টা বাকী।আর হাজারটা বিএফ অতি গৌরবের বিষয়।আপনি কয়টা মেয়ে দেখাইতে পারিবেন যে হাজারটা বিএফ আছে?

এমন অবস্থা চলিতে ছিল।আমাকে প্রতিরাতে হ এর জন্য ফ্লেক্সি করিতে যাইতে হত,সারারাত তাহার কন্ঠস্বর ভাঙ্গা রেডিওর মত বাজিতে থাকিত।আমি একবার ভাবিলাম একখানা রোমান্টিক বই আনিয়া দিয়া তাহার মন পাইবার চেষ্টা করিব।বাজার হইতে “রোমিও এন্ড জোলিয়েট” কিনিয়া আনিলাম।তাহাকে দিতেই সে ছুড়িয়া ফেলিয়া দিল।সঙ্গে এও শুনাইয়া দিল, হাড় কিপটা এইগুলা কি আনছস?দূর দূর।মাথা গরম হইয়া গেল।
সেইদিন তাহার মাথা গরম ছিল অনেকক্ষন।তারপর থেকে আমি আর তার সাথে ভাব ভালবাসা করিতে যাই নাই।

তারপরের কথা অনেক।এত কথা বলিয়া লাভ নাই। হ এর মার্কেটিং এর জন্য টাকা যোগাইতে যোগাইতে আমি প্রায় ফতুর হবার অবস্থায় উপনিত হইলাম।বাড়ির সকলের সাথে তাহার ব্যবহার ছিল অতি রুঢ়।কেহ উনিশ হতে বিশ কিংবা পান হতে চুন খসালেই তাহার উপর মেঘগর্জনে হ গর্জিয়া উঠিত।কাজের মেয়েরা তাহার হাতের মার খাইয়া বাড়ি ছাড়িল।তাহার শ্বাশুড়ি কাজ করিতে গিয়া আচার খাইয়া পড়িয়া হাসপাতালে ভর্তি হইয়া রহিলেন।হ তাহাকে একবার গিয়া দেখিবার প্রয়োজনবোধ করিল না।তাহার শ্বশুর ও একদিন গ্রামের বাড়িতে বেড়াইবার নাম করিয়া গ্রামে গিয়া বসিয়া রহিলেন।আমি অতিষ্ট হইয়া থাকিলাম অথবা থাকিতে বাধ্য হইলাম।এই কিছুদিন আগে অফিস হইতে ফিরিয়া আসিয়াছি।ঘরের মধ্যে হ ছিল না।শান্তিমত বসিবার উদ্দ্যেশে আয়োজন করিয়া বসিতে গেছি এমন সময় মোবাইলে এক খানা এস এম এস আসিল।

আমি মহব্বত আলীর লগে চলিয়া গেলাম।ভাল থাকিও।আর আমারে আজ রাতে ৫০০ টাকা ফ্লেক্সি দিতে ভুলিও না।গুড বাই বেইবি।
“ হ”

শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।


7 Responses to ডিজিটাল হৈমন্তী

  1. imrul.kaes@ovi.com'
    শৈবাল জানুয়ারী 2, 2011 at 4:11 অপরাহ্ন

    হৈমন্তীরও ডিজিটাল সংস্করণ ! অতটুকো প্রগতিশীল ভাবুক এখনো হতে পারিনি । সবকিছুতে পরিবর্তন হলে তো চিরায়াতের উদ্বৃত্ত চিহ্নটুকোতেও চিড় ধরবে ।
    সংস্করণ শব্দের অর্থে বুঝি সংশোধন , বিশোধন … তাই এই সংস্করণে আপত্তি জানাচ্ছি , রবীন্দনাথেরও সংস্করণের প্রয়োজন বোধ করলে তো পুরো বাংলার সংস্করণ করতে হবে , পারবেন তো করতে !

    এর চেয়ে ভালো যদি বলতেন ডিজিটাল সংক্রমণ , তাহলে আপত্তি না করে আমিও বলতাম জাক্কাছ জটিল কারণ জোড়কপালে আমিও যে ডিজুস জেনারেশানের একজন …

  2. imrul.kaes@ovi.com'
    শৈবাল জানুয়ারী 3, 2011 at 8:55 পূর্বাহ্ন

    এ আর নতুন করে বলার কী আছে ! মতের “স” আপনার আমার কবে “অ” হয়েছে বলুন দেখি !

    আচ্ছা ছবিঘরে (ফেসবুকের বাংলা / শব্দার্থে : আজিজ স্যার ) আপনি নাকি খিল দিয়েছেন ! উঁকি দিয়েও নাকি ঘরের ভেতরটা দেখা যাচ্ছে না , আপনার মানসিক ও শারীরিক অবস্থা নিয়ে অনেকেই শঙ্কায় আছে … রহস্যটা কী জানতে পারি ?

    • mahirmahir3@gmail.com'
      আহমেদ মাহির জানুয়ারী 4, 2011 at 7:45 অপরাহ্ন

      কায়েস ভাই , ফেসবুক আমার আপন ঠিকানা । গুটিকয়েক প্রিয়জন আর আপনজন শুধু ওখানেই আছেন । শারীরিকভাবে সম্পূর্ন সুস্থ আছি ; মানসিকভাবে ক্লান্ত । অনেকদিন ধরেই ক্লান্তিটা অনুভব করছিলাম । তাই কিছুদিনের জন্যে ঘরে তালা দিয়ে নিজের মত করে সময় কাটানো । আশা করি , শীঘ্রই ফিরে আসব । প্রার্থনা করি , ভালো থাকুন ।

  3. mamunma@gmail.com'
    মামুন ম. আজিজ জুন 28, 2011 at 7:51 পূর্বাহ্ন

    অনেকদিন পরে ইহা পড়িলাম। কিন্তু আস্বাদ অপূর্ব লাগিল

You must be logged in to post a comment Login