আমার দেখা শেনানদোয়া

বিষয়: : প্রবাস কথা,বিনোদন,ভ্রমণকাহিনী |
বরাবরই সমুদ্র আমাকে ততটা আকর্ষণ করে না যতটা করে পর্বতমালা। তাই পর্বতমালা দেখার কোন পরিকল্পনা হলেই আমি সেই পরিকল্পনার অগ্রভাগে থাকি। ভার্জিনিয়া আসার পর থেকেই শেনানদোয়া (Shenandoah) এবং ব্লুরিজ মাউন্টেন-এ (Blue Ridge Mountains) যাবার ইচ্ছা ছিল। অবশেষে বন্ধু  এবং বন্ধু-পত্নী শাহেদ-রুমকী-কে নিয়ে সেখানে যাবার একটা পরিকল্পনা করেই ফেললাম। আমি আমার আম্মি (মা) এবং শাহেদ-রুমকি।শাহেদ-রুমকীকে সংগী হিসেবে পাবার সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো, তারা দুজনেই কোথাও যাবার ব্যাপারে আমার মতই  অশঙ্কনীয় ।

এখানে শেনানদোয়া সম্পর্কে সামান্য বলার প্রয়োজন বোধ করছি। শেনানদোয়া তার বিচিত্র সব পশু-পাখী (ভল্লুক থেকে শুরু করে অতি ক্ষুদ্র প্রজাতি) সম্পন্ন আরণ্য, সুউচ্চ সারি সারি পর্বতমালা, প্রাকৃতিক কেভার্ণ-এর (Cavern) জন্য বিখ্যাত। এখানে আছে বিশাল লম্বা  ট্রেইল, যেখানে পায়ে হেটেঁ পাহাড়ি বন্যতা অনুভব করা যায়। কিছু কিছু ট্রেইলে বাই-সাইকেলেরও অনুমতি দেওয়া আছে।এখানে আছে ৩০০ বর্গমাইলের ব্লুরিজ মাউন্টেইন যেখানে স্টোনিম্যান এবং হক্সবিলের শিখর ৪০০০ ফুট উচ্চতা ছাড়িয়ে গিয়েছে।জনারণ্য ছেড়ে কিছুদিনের জন্য প্রকৃতিকে অনুভব করার জন্য শেনানদোয়া নিখুঁত একটি জায়গা।

শেনানদোয়ার পথে

৩রা জুলাই, ২০১০।

সূর্যোদয়ের পরপরই প্রাতঃকৃত্য শেষ করেই চারজন রওয়ানা দিলাম শেনানদোয়ার উদ্দেশ্য। চালকের আসনে শাহেদ আর আমি তার সাহায্যকারী। আমাদের প্রথম বিরতি নির্ধারণ করলাম শেনানদোয়ার লুরে কেভার্ণ (Luray Cavern). লুরে কেভার্ণ আমার বাসা থেকে প্রায় দু’ঘন্টার ড্রাইভ। পথিমধ্যে বিরতি ও নাস্তা সহ প্রায় আড়াই ঘন্টা লেগে গেল। প্রায় দেড়ঘন্টা ড্রাইভ করার পর আমরা জনারণ্য ছেড়ে পর্বতারণ্যে প্রবেশ করলাম। দুই পার্শ্বের সারি সারি পর্বতমালা যে নৈঃশব্দের এক অতিপ্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরী করেছে তারই মাঝে ধেয়ে চলছে আমাদের সেডান। আমরা  আমেরিকার রাস্তায় উচুঁ ভলিউমে কখনো অঞ্জন দত্ত, কখনো জ়েমস-এর বাংলা গান বাজাচ্ছি। সেই গান দুইপার্শ্বে প্রতিফলিত হয়ে আরো তীক্ষ্ণ হচ্ছে।অনেকটা এরকম যেন আমারা শেনানদোয়ার সারি সারি পর্বতমালাকে জানান দিচ্ছি যে, আমারা এসেছি তোমাদের জাগাতে। অবশেষে আড়াই ঘন্টার ড্রাইভ শেষে যখন লুরে কেভার্ণে পৌছালাম, তখন রৌদ্রজ্জল  ঝকঝকে সকাল। লুরে কেভার্ণ বিশ্বের অন্যতম প্রাকৃতিক বিস্ময়গুলোর একটি। টিকিট কেটে আমরা রওয়ানা হলাম। তিনটি ধাপে আমাদেরকে প্রায় ৭০ টা সিড়িঁ বেয়ে নীচে নামতে হলো। নীচে নেমে ঠান্ডা অনুভব করলাম কারন সেখানে সারাবছরই তাপমাত্রা থাকে ফারেনহাইট স্কেলে  প্রায় ৫৪ ডিগ্রী । সেখানে গাইডেড ট্যুরের ব্যবস্থা আছে অর্থাৎ নামার পর পরই আমাদেরকে ৫-১০ মিনিটের একটা বক্তৃতা দেওয়া হলো — স্বাগতম বানী, কোথায় কীভাবে যেতে হবে, তারপর সবাইকে একটি করে হেডফোন এবং তা ব্যবহারের নিয়ামাবলী বলে দেওয়া হলো। প্রতিটি ফর্মেশনের কাছে গেলেই হেডফোনের নির্দিষ্ট বোতাম চাপ দিলে একটি বর্ণনা পাওয়া যাবে, এছাড়া আরো কিছু অতিরিক্ত ছিল হেডফোনে যা আমরা পরে টের পেলাম। সবকিছু নিয়ে, ক্যামেরা রেডী করে আমরা প্রায় সোয়া এক মাইল দীর্ঘ কেভার্ণে হাটাঁ শুরু করলাম। আমাদের জন্য বিস্ময়ের পর বিস্ময় অপেক্ষা করছিল। প্রকৃতি তার নিপুঁন হাতে পাথর শিলার বিভিন্ন রকমের  বিন্যাস (Formation)  ভাস্কর্য তৈরী করে রেখেছে। বেশীরভাগ কেইভ একইভাবে তৈরী হয়।চুনাপাথর, অম্লমিশ্রিত পানি আর কার্বন ডাই-অক্সাইডের সংমিশ্রণ লক্ষ-কোটি বছর ধরে জমে বিভিন্ন ধরনের বিন্যাস তৈরী হয়। লুরে কেভার্ণের অফিসিয়াল নথিপত্র থেকে জানা যায় যে, এটি একটি সক্রিয় কেভ এবং এখানে ১২০ বছরে ১ ঘন ইঞ্চি হারে নুতন আস্তরণ/স্তর জমা হয়।পুরো কেভার্ণটিই হলুদ, বাদামী আর লাল রংয়ের সংমিশ্রণে চমৎকার একটি আলোকসজ্জা তৈরী করে রেখেছে। টাইটানিয়াস ভেইল একটি বিন্যাস যেখানে শাদা রংয়ের আধিক্য থাকার ফলে এটাকে বলা হয় হোয়াইট ফর্মেশন। আমি এটাকে কী বলব, ছাদে অসম্ভব চমৎকার একটি প্রাকৃতিক ঝাঁড়বাতি। নাহ, পুরোপুরি হলো না।

লুরে কেভার্ণ

আসলে প্রকৃতির চমৎকার কারুকার্যের কাছে শিল্পীর ভাষা হারিয়ে যায়, এটা শুধু উপলব্ধির ব্যাপার! আবার আছে জায়ান্ট হল যেখানে ছোট-বড় অসংখ্য পাথরের কলাম দিয়ে তৈরী হয়েছে চমৎকার ইন্টেরিয়র।ডাবল কলামে আছে ৪৭ ফুট উচ্চতার একটি কলাম যা আধুনিক যেকোন স্থাপত্যকে হার মানাবে।ড্রিম লেকে গিয়ে তো স্থবির হয়ে গেলাম। ছাদের অনেক ফর্মেশনের সৌন্দর্য সম্পুর্ণভাবে বোঝা যায় না। এখানে খুব ছোট একটি লেকের মত, জানিনা এটা কীভাবে তৈরী হয়েছে কিন্তু সেই ছোট্ট লেকের অতি স্বচ্ছ পানিতে উপরের অসংখ্য বিন্যাস প্রতিফলিত হয়ে চমৎকার একটা ছবি তৈরী করেছে। এটাকে কী ক্যালেন্ডারের ম্যানহাটান শহর বলব। নাহ্‌ , প্রাকৃতিক কারুকার্যের কাছে মানব কর্তৃক সৃষ্ট কোনকিছুই তুলনাযোগ্য নয়। এভাবে অসংখ্য বিন্যাস আছে যা দেখার মাধ্যমে প্রকৃতিকে নুতনভাবে অনুভব করা যায়। আমাদের হেডফোনের আরেকটি কথা বলতে ভূলে গিয়েছি। আমাদের সেই হেডফোনটি নির্দিষ্ট বিন্যাসের কাছে গেলে শুধুমাত্র ধারা-বিবরণীই শোনায় না, এটি প্রতিটি বিন্যাস তৈরী হবার সময়কার শব্দগুলোও শোনায়। প্রকৃতির এই অপার সৌন্দর্য্যকে ধরে রাখার জন্য আমার ক্যামেরার ফ্ল্যাশ অনেকবারই জ্বলে উঠল। সেই সাথে শাহেদ-রুমকী, আম্মিরও অনেকগুলো পোট্রেটও আমার ক্যামেরায় জমা পড়ল । আম্মির এই পড়ন্ত বয়সে তাকে চমৎকার একটি জায়গা দেখাতে পারার জন্য আমি খুবই হ্যাপি। কেভার্ণ থেকে বের হয়ে দেখলাম দুপুর গড়িয়ে গিয়েছে। তারপর ম্যাগডোনাল্ডস-এ খাবার শেষ করে রওয়ানা দিলাম ডাইনোসর ল্যান্ড-এর উদ্দেশ্যে।

ডাইনোসোর ল্যান্ড আমাদের প্রাথমিক নির্বাচিত জায়গাগুলোর মধ্যে ছিল না। যেহেতু ডাইনোসোর ল্যান্ড লুরে কেভার্ণ এবং আগে থেকে বুক করা ডেইস ইন-এর (Days Inn) কাছাকাছি ছিল, তাই সেখানে গেলাম।ডাইনোসোর ল্যান্ড মুলতঃ বড় একটি পার্ক যেখানে প্রিহিস্টোরিক যুগের সব প্রানী থেকে শুরু করে কিংকং পর্যন্ত বিশাল দেহের অধিকারী সব প্রানীর অবিকল কপি তৈরী করে রাখা হয়েছে। যেমন এখানে আছে স্টেগোসারাস, মেগালোসারাস, ডাইলোফোসারাস, জাইগান্টোসারাস, অভির‍্যাপ্টর ইত্যাদি। এছাড়াও আছে ম্যামোথ, বিশফুট কোবরা, কিংকং ।

ডাইনোসর ল্যান্ডে কিংকং -এর হাতে বন্ধু শাহেদ ও বন্ধু-পত্নী রুমকী

আমরা এখানে প্রচুর মজা করলাম, ছবি তুললাম, তারপর ক্লান্ত হয়ে হোটেলে ফিরে গেলাম। হোটেলে ফিরে ফ্রেশ হয়ে ডিনারের উদ্দেশ্যে বের হলাম। ডিনারের কথা বলছি কারন এখানে মজার একটি ব্যাপার আছে। রুমকী হঠাৎ বেকেঁ বসল যে, তাকে ডিনারে ভাত খাওয়াতে হবে। ভাত ছাড়া সে অন্যকিছু খাবে না। স্ত্রীর ইচ্ছা বলে কথা, শাহেদকে একথা মানতেই হবে। সমস্যা হলো আমেরিকার এই পাহাড়ী এলাকায় কোথায় পাব ভাত ? ম্যাগডোনাল্ড, উইন্ডিস ছাড়া কিছুই চোখে পড়েনি। তাছাড়া, রাতও একটু বেশী হয়ে গিয়েছে যেজন্য রেস্টুরেন্টগুলিও বন্ধ। আশে-পাশে জিজ্ঞাসা করে জানতে পারলাম যে, মাইল খানেক দূরে চাইনীজ আছে। চাইনিজ রেস্টুরেন্টগুলোতে হোয়াইট/ব্রাউন রাইস পাওয়া যাবে। আমি শাহেদকে বললাম, এত রাতে এত দূর না গিয়ে এখানে যা পাই তাই খেয়ে নিই। নাহ, স্ত্রীর আবদার, শাহেদকে মানতেই হবে। গাড়ী নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। প্রায় ঘন্টাখানেক ঘোরাঘুরি করেও চাইনিজ পেলাম না। অবশেষে ম্যাগডোনাল্ড দিয়েই আমাদের ডিনার সারতে হলো।

৪ জুলাই, ২০১০।

পরবর্তী দিন আমাদের পরিকল্পনায় ছিল ন্যাচারাল ব্রিজ (Natural Bridge) । লুরে কেভার্ণ থেকে ন্যাচারাল ব্রিজের দূরত্ব ১০০ মাইলের বেশী অর্থাৎ আমাদের যেতে প্রায় ২ ঘন্টা লাগবে। যাবার রাস্তাটি নয়নাভিরাম দৃশ্যে ভরা। এই পর্বতনগরীতে এসে মনে হচ্ছে অন্যরকম একটি পৃথিবীতে চলে এসেছি।কখনো রাস্তায় গাড়ী দাড়ঁ করিয়ে চমৎকার দৃশ্য অবলোকন, ক্যামেরায় ছবি তোলা, উৎফুল্ল শাহেদ-রুমকীর চিৎকার-চেচামেচি এভাবেই আমাদের দুঘন্টা কেটে গেল। আমরা ন্যাচারাল ব্রিজে চলে এলাম।টিকেট কেটে ১ মাইলের চেয়ে বেশী পায়ে হাঁটা লম্বা ট্রেইলের ভেতরে ঢুকে পড়লাম। বুঝতে পারছি যে, আম্মি পুরোটা হাঁটতে পারবেনা, তবুও যতটুকু দেখা যায়। ন্যাচারাল ব্রিজের ইতিহাসে দেখা যায় যা, ১৭৭৪ সালে টমাস জ়েফারসন এই ন্যাচারাল ব্রিজসমেত ১৫৭ একর জায়গা কিং জর্জ়, তৃতীয়-এর কাছ থেকে ২০ শিলিং-এর বিনিময়ে কিনে নেন। টমাস জ়েফারসনের ভাষায় , “the most Sublime of nature’s works”. টমাস জেফারসন পরবর্তীতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন।আমরা ট্রেইল ধরে হাঁটছি। ট্রেইলের পাশ দিয়ে চলে গিয়েছে একটি সরু খালের মত। পানি অসম্ভব স্বচ্ছ। বিভিন্ন প্রজাতির পাখ-পাখালির কিচির-মিচির, বয়ে যাওয়া পানির হাল্কা একটি সুর, আরামাদায়ক একটি বাতাস (ইংরেজীতে যাকে বলে , gentle breeze) যখন ব্রিজের বাইরে তাপমাত্রা ৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইটের উপরে – সবমিলিয়ে চমৎকার একটি পরিবেশ। আমরা সবচেয়ে বেশী বিস্মিত হলাম যখন সেই প্রাকৃতিক ব্রিজটির কাছে চলে এলাম। প্রায় ২০ তলা উঁচু (২১৫ ফুট) পর্বত দুপাশ থেকে বেঁকে এসে একসাথে মিশে গিয়ে চমৎকার একটি ব্রিজ তৈরী করেছে।

ন্যাচারাল ব্রিজ

মাঝে তৈরী হয়েছে একটি টানেল যার নীচ দিয়ে আমারা হেঁটে যাচ্ছি। প্রকৃতি নিজেই এখানে স্থপতি যার সুনিপুঁন হাতের ছোয়ায় এটি তৈরী হয়েছে।গোধুঁলীলগ্নে যখন এখানে  রংধনু খেলা করে (আমাদের দেখার সৌভাগ্য হয়নি), তখন নাকি এক বিচিত্র স্বর্গীয় পরিবেশের তৈরী হয়।  এই ব্রিজের কারুকার্য এবং তার সৃষ্টি প্রক্রিয়া ব্যাখ্যার উর্দ্ধে। আমরা এই ব্রিজটিতে অনেকটা সময় ছিলাম। এর পাশে থেকে, একে স্পর্শ করে এর সৌন্দর্য উপভোগ করলাম। তারপর একটু হেঁটে সামনে এগুনোর পর দেখলাম ৩০০ বছরের পুরোনো আমেরিকান ভিলেজ। ৩০০ বছর আগে নেটিভ আমেরিকানরা কেমন করে বাস করত, তাদের জীবিকা নির্বাহের ব্যবস্থা কেমন ছিল, তাদের পারিবারিক ব্যবস্থা কেমন ছিল তা চমৎকারভাবে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। আমি অবাক হলাম যে, এ এযেন ঠিক আমাদের গ্রাম্য পরিবেশ।

৩০০ বছর আগের আমেরিকান গ্রাম

বছরের পরিক্রমায়, উন্নয়ন প্রক্রিয়ায়, নুতন নুতন আবিষ্কার দিয়ে আজকের যে আমেরিকা তা একদিন আমাদেরই মতন ছিল। এর মানে আমাদের বাংলাদেশও সঠিক পরিকল্পনা ও সঠিক নেতা পেলে আজকের আমেরিকার পর্যায়ে চলে যাবে অথবা চিরতরে একটা ফেইল কান্ট্রি হয়ে যাবে।কিছু আমেরিকান ৩০০ বছরের আগের পোশাক পরিধান করে সেখানে আছে, আমাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে, কেউবা বাশেঁর কঞ্চি কেটে কিছু একটা বানাচ্ছে, কেউবা মাটির হাড়িঁ-পাতিল বানাচ্ছে যাতে নাকি ৩০০ বছরের আগের পরিবেশটা তৈরী হয়। এভাবেই আমাদের ঘন্টা তিনেক কেটে গেল।

ব্লুরিজ মাউন্টেনে যাবার ইচ্ছা থাকলেও আমাদের আর যাওয়া হল না। রওয়ানা দিলাম বাসার উদ্দেশ্যে যদি রাত  ৯ টার মধ্যে ওয়াশিংটন ডিসিতে ফিরতে পারি, তবে ৪ঠা জুলাইয়ের ফায়ারয়ার্কস দেখতে পাব। ভাগ্যক্রমে আমরা ৯টা মধ্যে ফিরলাম এবং বিস্ময়কর আতশঁবাজি দেখার মাধ্যমে আমাদের শেনানদোয়া ট্যুর শেষ করলাম। হয়তোবা কোনএকদিন আবার সেই ব্লুরিজ মাউন্টেন-এ যাব কারন পর্বতমালা সবসময়েই আমাকে নিঃশব্দে  কাছে ডাকে।

সঞ্চয় রহমান, ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।

sonchoy@gmail.com'
আমার প্রিয় নানাভাইয়ের আমাকে দেওয়া উপদেশ, “উপকার করার দরকার নাই, অপকার না করলেই চলবে; পাপও নাই, পূণ্যও নাই, সবকিছুই কর্ম, শুধুমাত্র সময় পাস্‌।” ……হ্যাঁ, আমি শুধু এই পৃথিবী, এই বিশ্বে সীমাবদ্ধ নই, কে জানে আরো একটি, অনেক মাল্টিভার্সে, আরেকটি ডাইমেনশনে হয়তবা আমার আরও একটি অস্তিত্ব আছে কারণ, প্রতিটা ম্যাটারের অ্যান্টিম্যাটারও আছে।
শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।

5 টি মন্তব্য : আমার দেখা শেনানদোয়া

  1. আমার সবসময়ই উল্টো। সমুদ্রের প্রতি আমার অন্যরকম ভালোলাগা, যা পাহাড়গুলো থেকে পাই না। প্রথমবার যখন সমুদ্র দেখতে যাই, আমি হতবাক হযে তাকিয়ে ছিলাম সমুদ্রের ঢেউয়ের দিকে, এমন বিশালতার সামনে দাড়িযে নিজেকে খুব তুচ্ছ মনে হয়েছিল সেদিন।

    আপনার এই ভ্রমনকাহিনীর মধ্য দিয়ে আমরাও খানিকটা বিনা টাকায় ঘুরে এলাম।… :-bd

    রিপন কুমার দে
    ফেব্রুয়ারী 17, 2011 , 2:08 পূর্বাহ্ন

  2. আপনার টেক্সগুলো এমন হয়ে যাচ্ছ কেন? আপনি নোটপ্যডে পেস্ট করে তারপর পোস্টে দিয়ে দেখতে পারেন।

    রিপন কুমার দে
    ফেব্রুয়ারী 17, 2011 , 2:15 পূর্বাহ্ন

  3. ধন্যবাদ রিপন। আমি অভ্র কীবোর্ড ব্যবহার করি। আপনার কথামত নোটপ্যাডে পেষ্ট করে তারপর পোষ্ট দিয়ে দেখব। বাংলা টাইপ করে শান্তি পাইনা। লিখি ‘আমার’ সেটা হয়ে যায় আমর। আবার ধরুন অনেক লাইন পোষ্ট করার পর দেখি কতগুলো আয়তক্ষেত্র হয়ে গিয়েছে। আমি বলব না যে আমার বানান কখনো ভূল হয় না কিন্ত প্রায়ই টাইপের জন্য বানান ভূল হয়ে যায়। আসলে বাংলায় একটা ওয়ার্ড প্রসেসর বানাতে হবে।

    sonchoy@gmail.com'

    সঞ্চয় রহমান
    ফেব্রুয়ারী 17, 2011 , 3:07 পূর্বাহ্ন

  4. ভালো লাগলো। তবে গ্রাম সব সময় সব দেশেই বোধ হয় একই রকম।

  5. ধন্যবাদ জুলিয়ান সিদ্দিকী ।

    sonchoy@gmail.com'

    সঞ্চয় রহমান
    ফেব্রুয়ারী 19, 2011 , 3:46 পূর্বাহ্ন

মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে। Login