আমার প্রথম ইভ টিজিং বিরোধী আন্দোলন এর গল্প।

বিষয়: : মানবতা,সংস্কার |
ইভ টিজিং ব্যাপারটা বুঝতে পারি একটু বড় হওয়ার পর। মেয়েদের সাথে সবসময়ই একটা অস্বাভাবিক দূরত্ব ছিল, তাই ক্লাস টেনে উঠার আগ পর্যন্ত আমি ইভ টিজিং ব্যাপারটা ঠিক উপলব্ধিই করতে পারিনি। মাঝে মাঝে বাসার জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখতাম নিচে, গলির মোড়ে, মেয়েদের উত্যক্তকারী কিছু বখাটে ছেলে, যাদের সাথে একদম ছোট্টবেলায় গলির ভেতর ফুটবল খেলতাম, কিন্তু ক্লাস ফোরের পর ওদের আর পড়াশোনা আগায়নি, দূরত্বও বেড়ে গিয়েছিল আমার সাথে ক্রমশ। ওরা, সকাল হোক কি বিকেল, সবসময়ই কেউ না কেউ দাঁড়িয়ে থাকত গলির মোড়ে, আমি যখনই পড়তে পড়তে ক্লান্ত হয়ে নিচে তাকাতাম, ওদের জোরে জোরে গালিগালাজের শব্দ শুনতে পেতাম। ওরা বখাটে, এটা জানতাম, ওরা ইভ টিজার, এটা জানতাম না। কারণ, ইভ টিজিং ব্যাপারটাই বুঝতাম না তখনও।

দিনটা আমার এখনও মনে আছে, ১৫ই এপ্রিল ২০০৩। পেপার খুলে একটা ছবি দেখে থমকে গেলাম। অসম্ভব শান্ত চেহারার একটা মেয়ে, চোখ দুটোতে একটা অস্বাভাবিক সৌন্দর্য, নজর কেড়ে নিতে বাধ্য করে।
কিন্তু আমি থমকে যাইনি ঐ ছবিটা দেখে, থমকে গিয়েছিলাম তার নিচের ক্যাপশনটা দেখে- বখাটেদের অত্যাচারে পহেলা বৈশাখে আত্নহননের পথ বেছে নিল খুলনার কিশোরী রুমী।

আমাকে অসম্ভব আলোড়িত করেছিল ঐ খবরটি, পহেলা বৈশাখে কেউ আত্নহত্যা করে ফেলেছে তার চেয়েও বেশি আলোড়িত হয়েছিলাম কারও অত্যাচারে কেউ আত্নহত্যা করে ফেলতে পারে ভেবে। কিন্তু সেটাই সত্যি ছিল। হয়তো ব্লগের অনেকেই এই মর্মস্পর্শী ঘটনাটার কথা জানেন। রুমীর আত্নহননের বিষয়টি নিয়ে আলোড়ন উঠেছিল দেশে, কারণ, সেটা ছিল বখাটেদের অত্যাচারে আত্নহত্যা করার একেবারে শুরুর দিককার ঘটনা, যেটা এখন প্রতিদিনের পেপারেই দেখার দুর্ভাগ্য আমাদের হয়েছে।

দুটো দিন খুব অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গেল, কেউ গ্রেফতার হল কি না, কেউ শাস্তি সত্যি সত্যি পাবে কি না, সত্যি সত্যি আমার ছোট্ট ভুবন জুড়ে এই ভাবনাগুলোই বারবার চলে আসছিল। বিকেলে ঘরে বসে পড়তে আর ভালো লাগত না এরপর থেকে, পৃথিবী যে পঙ্কস্তূপের মতোই কদর্য সেটা সেদিন থেকে বুঝতে শুরু করেছিলাম। বাইরে যেতাম বিকেলে, বুয়েটের সামনে দিয়ে হাঁটতাম, কারণ, রুমীর ভাই বুয়েটে পড়তেন তখন(পেপার থেকে জানা), আমার মনে হতো, মানুষ হিসেবে তাঁর কাছে আমার ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিৎ, যদি কোনদিন তাঁকে পেয়ে যাই সামনাসামনি। আমার বাসা বুয়েটের খুবই কাছে, আজিমপুরে, প্রতিটা বিকেল আমার অস্থির হয়ে যেতে লাগল।

এমন সময় আমি, এক বিকেলে প্রথমবার দেখতে পেলাম আমার গলির মোড়ে দাঁড়ানো বখাটেগুলো কীভাবে উৎপাত করছে যাতায়াতকারী মেয়েদের। আজিমপুর গালর্স স্কুলের অনেক মেয়েই বিকেলে ঐ পথে বাসায় যেত, বা কোচিং এ যেত, অনেকেই ওয়েস্ট এন্ড হাই স্কুলে বিকেলে গান শিখতে আসত। কেউই রেহাই পেত না ওদের হাত থেকে। বিষয়টা আমি যেদিন প্রথম বুঝতে পারলাম, সেদিন ওদের দল থেকে আমি একজনকে ডেকে আনলাম। এলাকার ছেলে, তাই পরিচিত, জানতে চাইল, কী হয়েছে? আমি সংক্ষেপে ওকে বললাম দেখ, তোর বোন যদি রাস্তা দিয়ে কোথাও যায়, আর তাকে যদি কেউ এভাবে নোংরা কথা বলে, তাহলে তোর কেমন লাগবে? সে উত্তর দিল, আমার বোনরে কেউ কিসু কইলে ওর টেংরি ভাইঙ্গা হাতে ধরায়া দিমু! আমি বললাম, ঠিক এমনিভাবেই, যাদের তোরা বিরক্ত করছিস, ওরাও তো কারও না কারও বোন, ওরা যদি তোকে মারতে আসে? ঐ বখাটে ছেলে আমার কথায় হেসে খুন। বলল, পারলে আইতে কইস।

যাইহোক, এভাবে হবে না বুঝতে পেরে আমি তারপর ব্যক্তিগতভাবে ওদের সবাইকে বোঝাতে চেষ্টা করলাম, এবং নিরাশ হলাম। কেউ কেউ বলল, ক্যান? যেই মাইয়ারা যায় তুই হি হ্যাগো ভাতার লাগস নি?

প্রতিটা রাতে ঘুমাতে গিয়ে চোখ বন্ধ করলেই চোখে ভেসে আসত রুমীর ঐ ছবিটা, মনে হতো ও কাতর স্বরে আমাকে বলছে, আর কেউ যেন গলায় ওড়না না প্যাঁচায়, মরতে বড় কষ্ট। আমি ধড়ফড় করে উঠে বসতাম। ধীরে ধীরে আমার একটা ক্রোধ সৃষ্টি হতে লাগল গলির ছেলেগুলোর প্রতি। একদিন ভাবলাম, এবার সামনা সামনি আটকাতে হবে। আমি সবসময়ই ভালো ছেলে ছিলাম, সকালে মা চুলে তেল দিয়ে চিবুক ধরে চুল আঁচড়ে আমাকে স্কুলে পাঠাতেন, বখাটেদের সাথে লাগার মতো মানসিকতা আমার তখনও ছিল না, কথা বলারই আগ্রহ বোধ করিনি কোনদিন, কিন্তু রুমীর ছবিটা আমাকে বাধ্য করেছিল। সেটা ছিল প্রথমবার আমার বালক পরিচয় ছেড়ে বেরিয়ে আসা, সত্যিকার অর্থে বড় হয়ে ওঠার আন্দোলন।

সেদিন বিকেলে, আমি নিজেই গিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম গলির মোড়ে। যখন একটা মেয়ে আসল, একটা ছেলে শিষ দিল জোরে। তখন আরও কয়েকজন গিয়ে ঘিরে দাঁড়াল ওকে। একজন নোংরা একটা কমেন্ট করাতে অন্যজন উৎসাহ দিল- আন্দাজে কওনের দরকার নাই, খুইল্যা দেইখ্যা ক। তখন আরও একজন ঐ মেয়ের ওড়না ধরে টান দিতে চেষ্টা করল। আমি তখন আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলাম না, গায়ের জোড়ে ওদের কয়েকজনকে ঠেলে ঢুকে গেলাম ওদের চক্রের ভেতর, চিৎকার করে উঠলাম, থাম তোরা! কী শুরু করেছিস এইসব? যেতে দেয়ে এই মেয়েকে।

জীবনেও ওরা বাধা পায়নি, ওরা এতে অভ্যস্ত ছিল না, হতচকিত হয়ে গেল আমার হঠাৎ প্রতিবাদ দেখে। হয়তো আশাও করেনি আমি প্রতিবাদ করতে পারি। কিছুটা সময় নিল ওরা হতভম্ব ভাব থেকে ফিরে আসতে, এই ফাঁকে আমি মেয়েটাকে টেনে বের করে আনলাম, বললাম, আপনি যান, তাড়াতাড়ি চলে যান। মেয়েটার চোখে হয়ত কৃতজ্ঞতা ছিল, সেটা দেখার সময় হয়নি, আমার চোখে ভেসে উঠছিল রুমীর ছবিটা, মনে হচ্ছিল ও ধন্যবাদ জানাচ্ছে আমাকে।

এমন ব্যবহারের ফলাফল যেমন হওয়ার কথা তেমনি হল। ওরা আমাকে মারতে আসল। কলার ধরে চেপে ধরল দেয়ালের সাথে। একজন ঘুষি তুলল। আমার কপাল ভাল, ঠিক তখন ওদের কোন একজনের বাবা আসছিলেন গলি দিয়ে, ওরা দ্রুত আমাকে ছেড়ে সরে গেল। আমি লম্বা করে কয়েকটা শ্বাস নিলাম, তারপর, যেই ভদ্রলোক আসছিলেন, এক বখাটের বাবা, তাঁকে খুলে বললাম কী ঘটনা। সম্ভবত ঐ বখাটের উপর দিয়ে কিছুটা চড়-থাপ্পড় চালিয়েছিলেন উনি সেরাতে, সেটা বুঝতে পারলাম, পরের দিন সন্ধ্যায় আমাকে ওরা আটকাল আজিমপুর কলোনির ভেতরে, স্যার সলিমুল্লাহ এতিমখানার পেছনে। একজনের হাতে ছিল একটা মাঝারি সাইজের ধারালো অস্ত্র।

উপস্থিত বুদ্ধির জোড়ে সেদিনও বেঁচে গেলাম, আমাকে আঘাত করার আগে বললাম, আমি কিন্তু পুলিশকে জানিয়ে রেখে এসেছি তোদের কথা, আমার কিছু হলে পুলিশ তোদেরকেই ধরবে, ভেবেচিন্তে কাজ করিস।
ওরা সামান্য বখাটে, পুলিশি ঝামেলায় যাওয়ার কথা ভাবেনি কখনও, আর তাছাড়া আমার মতো শান্ত শিষ্ট ছেলে হঠাৎ করে আগের বিকেলে যেই ঘটনা ঘটিয়েছে, ওরা ঠিক বিশ্বাস করতে পারল না যদিও আমাকে, তবে অবিশ্বাসও করল না আমার মিথ্যা কথা। পুলিশের কাছে আমি আদৌ যাইনি, পেপারে দেখেছিলাম, রুমীর মৃত্যুতে পুলিশের উদাসীনতার গল্প, ঘেন্না ধরে গিয়েছিল আমার এই পুলিশ শব্দটার উপর। আমি বাসায়ও কেউকে জানাইনি আমাকে নিষেধ করবে ভয়ে। কিন্তু নিজের মাঝে সব চুপ করে রেখে দিয়ে আমি তো বসে থাকতে পারিনি। কারণ, রুমীর বুয়েট পড়ুয়া বড়ভাই প্রথম আলোতে লিখেছিলেন- আমার বোনকে আমি ফিরে পাব না জানি, কিন্তু আমাদের, কারও বিপদে, দরজা বন্ধ করে জানালা দিয়ে দেখার এই মানসিকতা পরিবর্তন করা উচিৎ। আমাকে ভীষণ আলোড়িত করেছিল সেই কথা।

যাইহোক, এরপর বুঝে গেলাম, এভাবে হবে না। একদিন বসে টাইপ করে ফেললাম বাসার কম্পিউটারে আমার মনের কথাগুলো, এলাকাবাসীর প্রতি বেনামী সেই চিঠিতে তুলে ধরলাম বখাটেদের নাম সহ তদানীন্তন কার্যাবলীর বিবরণ। নিজের পকেটের পয়সা দিয়ে ফটোকপি করালাম সেটা, অনেকগুলো, তারপর সকালে খবরের কাগজ দিতে আসা হকারকে এক ভোরে সেগুলো গুঁজে দিতে বললাম কাগজের ভেতর, যেমন করে প্রায়ই এলাকার কোচিং সেন্টার বা ডিশ কানেকশনের এড দিত, এবং কাগজগুলো বিলি করে দিতে বললাম।

সেদিন ছিল শুক্রবার। জুমার নামাজের পর মহল্লার মসজিদে ঝড় বয়ে গেল সমালোচনার, গলির ভেতর আড্ডাবাজী বন্ধে জোর আবেদন উঠল এলাকার মানুষদের পক্ষ থেকে। পুরোনো ঢাকায় যেটা হয়, মুরুব্বীরা সিদ্ধান্ত নিলেন বখাটেদের আড্ডা বন্ধ করার, এবং সেদিন থেকে বন্ধ হল বখাটেদের পদচারণা আমাদের গলিতে, অন্তত ২০০৭ এর মার্চে আমি ঢাকা ছেড়ে আসার আগ পর্যন্ত। সেদিন খুব তৃপ্তি পেয়েছিলাম, মনে মনে রুমীকে বলছিলাম, অন্তত একটি গলিতে আমি ইভ টিজিং বন্ধ করেছি, অন্তত একজন মেয়েকে আমি বাঁচিয়েছি, অন্তত একজনকে আমি তোমার মতো মরতে দেইনি।

এই কথাগুলো অনেক সংক্ষেপে বললাম, তবু লম্বা হয়ে গেল পোস্ট। উল্লেখ করলাম এই জন্যে যে, তখন আমি দশম শ্রেণীর ছাত্র, আমার পক্ষে যা করা সম্ভব/উচিৎ ছিল আমি তার চেয়ে কিছু বেশিই করেছিলাম। তখন আমি ব্লগিং কী তা জানতাম না, কিছু হলেই পোস্ট দিতে পারতাম না, সমস্যার সমাধান চাইতে পারতাম না। যাঁরা কয়েকদিন ধরে মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করছেন পোস্টের পর পোস্ট দিয়ে, তাঁদেরকে আমি ধন্যবাদ জানাই। সেই সঙ্গে অনুরোধ করি, নিজে নামুন পথে, অন্তত একটি উদাহরণ সৃষ্টি করুন বখাটেদের প্রতিরোধে। তাহলে একদিন এই দেশ থেকে এটি বন্ধ হবে, শুধু পোস্ট দিয়ে কিছুই হবে না। পহেলা বৈশাখকে তাচ্ছিল্য করে, রুমীর আত্নহনন আটকাতে পারেনি বলে একটি অপরিণত হাতের কবিতা লিখেছিলম তখন, সেটার শেষ দুটো লাইন উল্লেখ করছি-
“সর্বজনীন উৎসব ছেড়ে আজ পরিণত হও শোকে
প্রতিবাদী শত বিবেকের ঝড় দেখি কোন বখাটেরা রোখে!’

hasanpoet@hotmail.com'
সবকিছু ভেঙে পড়ে
শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।

8 টি মন্তব্য : আমার প্রথম ইভ টিজিং বিরোধী আন্দোলন এর গল্প।

  1. দেশের প্রতিটি বিবেকবান মানুষ এই ছোট্ট পথ ধরে এগিয়ে আসুক এই কামনা।
    যারা এই উঠতি বয়সের ছেলে নামের শয়তানের বাবা হয়েছেন তারা নিজেদের বিবেককে একটু সাবধান করুন এই অনুরোধ। না হলে হয়তো এক দিন দেখবেন আপনার নিজের মেয়েও এদের থেকে রেহাই পায়নি।
    ধন্যবাদ মাহমুদ হাসান।

    নীল নক্ষত্র
    ফেব্রুয়ারী 24, 2011 , 9:36 পূর্বাহ্ন

    • তাঁদের খুব একটা দোষ নেই, তাঁরা নিজেরা নিশ্চয়ই এইসব বখাটেদের বখাটে হতে উৎসাহিত করেননি। বরং তাঁরা নির্যাতিত নিজ ছেলের কাছেই।

      আপনাকেও ধন্যবাদ।

      hasanpoet@hotmail.com'

      মাহমুদ হাসান
      ফেব্রুয়ারী 24, 2011 , 4:14 অপরাহ্ন

  2. কবিতাটা সুন্দর হয়েছে।
    আর আপনার প্রচেষ্টা অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য। ।অবশ্যই ।
    সবাই যদি বুঝত তাইলে আর কিছু করারই দরকার ছিলনা।

    mamunma@gmail.com'

    মামুন ম. আজিজ
    ফেব্রুয়ারী 24, 2011 , 12:14 অপরাহ্ন

    • অসংখ্য ধন্যবাদ।
      পোস্টটি শেয়ার করার একটাই কারণ- অন্তত একজন হলেও বুঝতে পারবে আমাদের করণীয় সম্পর্কে।

      hasanpoet@hotmail.com'

      মাহমুদ হাসান
      ফেব্রুয়ারী 24, 2011 , 4:14 অপরাহ্ন

  3. “সর্বজনীন উৎসব ছেড়ে আজ পরিণত হও শোকে
    প্রতিবাদী শত বিবেকের ঝড় দেখি কোন বখাটেরা রোখে!—ভাষা নেই! বাকরোধ হয়ে যায়! আমার দেশে যদি এমন ছেলে ঘরে ঘরে হতো!

    রিপন কুমার দে
    ফেব্রুয়ারী 24, 2011 , 7:14 অপরাহ্ন

    • প্লিজ ভাই এভাবে বলবেন না।
      আমার নিজেরই লজ্জা লাগছে…..অসংখ্য ধন্যবাদ মতামতের জন্য।

      hasanpoet@hotmail.com'

      মাহমুদ হাসান
      ফেব্রুয়ারী 24, 2011 , 9:46 অপরাহ্ন

  4. “সর্বজনীন উৎসব ছেড়ে আজ পরিণত হও শোকে
    প্রতিবাদী শত বিবেকের ঝড় দেখি কোন বখাটেরা রোখে!’

    বেশ। :rose:
    শুধু টিনেজার নয়, অনেক পরিণত-বোধসম্পন্ন পুরুষদেরও দেখেছি মেয়েদের টিজ করতে, মনের পশুকে জেগে ওঠতে অবলীলায়। এটা এক ধরনের বিকৃত রুচি, মানসিক সমস্যা। হোক না তা পারিবারিক অশিক্ষা, পারিপার্শ্বিক প্রভাব, সর্বজনীন শিক্ষার ব্যর্থতা; এই কুফল দূর করতে হবে অচিরেই। নইলে পরিবেশ আরো ঘোলাটে হবে সহজেই।

    রাজন্য রুহানি
    ফেব্রুয়ারী 25, 2011 , 5:11 পূর্বাহ্ন

  5. সহমত। ঠিকই বলেছেন….অনেক পরিণত পুরুষও এই জঘন্য কাজে লিপ্ত। ওদের জন্য থুতু ছাড়া আমার কিছু দেয়ার নেই।

    hasanpoet@hotmail.com'

    মাহমুদ হাসান
    ফেব্রুয়ারী 25, 2011 , 1:39 অপরাহ্ন

মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে। Login