কোচিং সেন্টারের রাহুগ্রাসে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা

বিষয়: : প্রবন্ধ,শিক্ষা |

দেশের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় কোচিং সেন্টার বহুল আলোচিত একটি নাম। শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের নামে এটি এখন চাতুরি ব্যবসায়  পরিণত। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠেছে এ ব্যবসা। নজরকাড়া বিজ্ঞাপন ও প্রশ্নপত্র ফাঁস করে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিতরণ করায় লেখাপড়ার মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে কোচিংকে চিহ্নিত করা মোটেও অযৌক্তিক নয়। ব্যাপারটা এমন দাঁড়িয়েছে, কোচিংয়ে পড়লেই পরীক্ষা পাশ অনিবার্য।মেধা থাকুক বা না থাকুক, এ নিয়ে বিচলিত নন কেউ।

ভালো ফলাফলকারীরা যে এ সমাজে অবশ্যই প্রশংসনীয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অভিভাবকেরাও সন্তুষ্ট হন যখন তাদের ছেলেমেয়েরা ভালো রেজাল্ট করে। কিন্তু এর পিছনে তাদের সন্তানদের কতটুকু মেধার বিকাশ ঘটল তা খতিয়ে দেখার কেউ নেই। আর খতিয়ে দেখারই বা কী প্রয়োজন, যখন সরকারি-বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রেও অসামান্য অবদান রাখছে এই কোচিং। যদিও জ্ঞানার্জনের প্রধান উদ্দেশ্য চাকরি পাওয়া নয়, তবু একটি চাকরি সমস্যাসঙ্কুল জীবনে চলার পাথেয়। আর এই মেধাহীন, মেরুদন্ডহীন জীবনকে অন্তসারশূন্য করার কারিগর বর্তমান কোচিং নামধারী এক ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠান শিক্ষার নামে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে দেশের গোটা শিক্ষাব্যবস্থাকে। প্রকৃত জ্ঞানার্জন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, যদের ওপর ভর করে আমাদের এই সোনার বাংলা এগিয়ে যাবে বহুদূর। অথচ, কোচিং সেন্টারের বদৌলতেই জাতির মেরুদন্ড আজ বিপর্যস্ত।

কোচিং ব্যবসার অন্তরালে চলছে নানা অনৈতিক কার্যক্রম। প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ এ প্রতিষ্ঠান তাদের সুনাম বৃদ্ধির জন্য হয়ে ওঠে ভয়ানক রকমের বেপরোয়া। প্রতিযোগিতামূলকভাবে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের মেধাবী শিক্ষকদের লোভনীয় টাকার অঙ্কে সংশ্লিষ্ট করে নেয় কোচিং সেন্টারের মালিকরা। ফলে, রিডিং পিরিয়ডে রীতিমতো কিংবা মানসম্মত লেখাপড়া এখন আর হয় না। কোচিং সেন্টারের সমৃদ্ধি ও নিজেদের আর্থিক উন্নতির জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা ছাত্রছাত্রীদের এমনকি অভিভাবকদের পরামর্শ দেন কোচিংয়ে ভর্তির জন্য। আবার দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্কুলগুলোতে ক্লাস শুরুর আগে ও ছুটির পর স্কুলের ভিতরেই শুরু হয় এক বিশেষ কোচিং ক্লাসের। জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ও এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এ কোচিংক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়। এজন্য জনপ্রতি ৩শ থেকে ৫শ টাকা পর্যন্ত মাসিক ফি নিতেও কুণ্ঠাবোধ করেন না স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই কোচিংক্লাসে যদি কোনো শিক্ষার্থী পড়তে না চায় তবে কোচিংয়ের জন্য নির্ধারিত ফি পরিশোধ শেষেই পরীক্ষার প্রবেশপত্র দেওয়া হয়। অর্থাৎ ধার্যকৃত ফি প্রদান বাধ্যতামূলক, কেউ পড়ুক না পড়ুক। এমন অনৈতিকতার মধ্যেও অনেক শিক্ষক তার ক্লাসে ছাত্রছাত্রীদের পড়া তৈরি না হলে পুনরায় বুঝানোর পরিবর্তে চালান বেত্রাঘাত—অমানবিক নির্যাতন। লাভের মধ্যে একটাই লাভ, অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থী ওই শিক্ষকের প্রাইভেট টিচিং হোম অথবা কোচিং সেন্টারের শরণাপন্ন হতে বাধ্য।

বিভিন্ন অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রসপেক্টাস আর নজরকাড়া বিজ্ঞাপন নির্ভর কোচিং সেন্টারের অন্তরালে সবচেয়ে বড় ধরনের বে-আইনি ব্যবসা হচ্ছে প্রশ্নপত্র ফাঁস। এর সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট বিভাগের অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। গত দশ বছরের খতিয়ান খুললেই পরিস্কার হয়ে যায় কোচিং ব্যবসার যথার্থ রূপ। এই সময়ের মধ্যে মাধমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিগ্রি পরীক্ষা, সমাজসেবা পরিদর্শক পদে নিয়োগ পরীক্ষা,  প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, সাব-ইন্সপেক্টর নিয়োগ পরীক্ষা, চারুকলা ইন্সটিটউটের পরীক্ষা এবং বিসিএস প্রিলিমিনারী পরীক্ষাতেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে অহরহ। সরকারি তদন্ত টিম সার্বিক অনুসন্ধান শেষে আঙুল তুলেছিল কিছু নামী-বেনামী কোচিং সেন্টারের উপর। যারা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই অসৎ কাজে প্ররোচনা দেয়। আর যেভাবেই হোক, যে মাধ্যমেই হোক প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যায় স্বপ্নে প্রাপ্ত ওষুধের মতো। ন্যাক্কারজনক এই কাজে কোচিং সেন্টারের যেমন দোষ আছে তেমনই দোষ আছে সরকারি বিধিমালা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে। জাতীয় শিক্ষাক্রমের আওতায় যেসব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় তার সিংহভাগই নস্যাৎ হয় টাস্কবোর্ড প্রণীত বিধিমালার যথার্থ প্রয়োগ না হবার জন্য। অপরদিকে, সরকারি ব্যবস্থাপনায় যে নিয়োগ পরীক্ষাগুলো হয়েছে তাতেও একাধিকবার অভিযোগ উঠেছিল। মোটকথা, সরকারের নজরদারিতে অবহেলা কোচিং সেন্টারের দৌরাত্ব্য বাড়িয়েছে বহুগুণ।

শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়ার সুবাদে এবং সরকারের নীরব ভূমিকার বদৌলতেই কোচিং ব্যবসার প্রসার ঘটেছে অতি দ্রুত। শিক্ষার সবক্ষেত্রেই কোচিংয়ের এখন সরব উপস্থিতি। শিশুশ্রেণি থেকে সর্বোচ্চ শিক্ষার পর্যায় পর্যন্ত কোচিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, ক্যাডেট কলেজ, বুয়েট, মেডিক্যাল, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, কারিগরি শিক্ষা ছাড়াও বিসিএস পরীক্ষাসহ সরকারি বিভিন্ন চাকরির লিখিত পরীক্ষার জন্য ছাত্রছাত্রীদের কাছে কোচিং পরম নির্ভরশীল এক মাধ্যম। এ ছাড়াও প্রতিটি ক্লাসে একাডেমিক কোচিং, সেনাবাহিনীতে ভর্তি, টোফেল, জিআরই ও জিম্যাটের জন্য কোচিংয়ের ব্যবস্থা থাকায় বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা প্রচন্ড হুমকির সম্মুখীন। কোচিংয়ের কুফল সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে ২০০৩ সালে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছিলেন— পরীক্ষা এখন বাণিজ্য হয়ে গেছে। টাকার বিনিময়ে সবকিছু হচ্ছে। কোচিং ব্যবসায়ীরা সেটাই করছে। কোচিং সেন্টার যে কারণে চলছে সেগুলো তুলে দিতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের ক্লাসনির্ভর হতে হবে। পরীক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন দরকার। অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ বলেছিলেন— শিক্ষকেরাই তো প্রথমে কোচিং শুরু করেছিল। এটি বর্তমানে এক ধরনের ব্যবসা। আইন দিয়ে কোচিং কিভাবে নিষিদ্ধ হবে, আগে তো একবার গাইড বই নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তা কি হয়েছে? শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন।

অপ্রিয় হলেও সত্যি, একদা সরকার পক্ষ থেকে গাইড বই বন্ধের রব উঠেছিল। সরকারি বিধিমালা বাস্তবায়নে প্রশাসনিক উদ্যোগ অদ্যাবধি তথৈবচ। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভুল করেও এ ব্যাপারে এগিয়ে আসার জন্য পা মাড়ায় নি। এ ঘটনা দেশের জন্য খুবই হতাশাজনক। বারবার ঘোলাটে পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশাসনের অনাগ্রহ ও ব্যর্থতা কোচিং ব্যবসাকে আরো সুদৃঢ় করেছে দিনের পর দিন। এর মূল কারণ হলো— কোচিংনির্ভর নানা সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এলাকার উচ্চ পর্যায়ের সরকারি আমলা, ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী ও এমপি-মন্ত্রীদের প্রধান-বিশেষ অতিথি রেখে কার্যক্রম চালায় এবং তাদের মূল্যবান উপহার সামগ্রী ছাড়াও নানা অনুষঙ্গে পদকের ব্যবস্থা রাখে চতুর কোচিং মালিকরা। এমনকি কোনো কোনো কোচিং দেশের রাঘব-বোয়ালদের উপদেষ্টা বা কার্যকরী কমিটিতেও স্থান দেয়। এতে যেমন কোচিং ব্যবসা রাজনৈতিক রোষানলমুক্ত ও অবস্থানগতভাবে সুদৃঢ় হয়, অপরদিকে নেতাকর্মীরা থাকেন তুষ্ট। আর এভাবেই শিরদাঁড়া খাড়া করে এখনো ডালপালা ছড়াচ্ছে কোচিং ব্যবসা। আসলে সবকিছুর পিছনেই রয়েছে রাজনৈতিক মদদ ও স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা। দেশের কলুষিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নিরপেক্ষতা ও মননশীলতা যেমন জরুরি তার চেয়েও জরুরি রাজনীতিকদের মধ্যে দেশপ্রেম, যার ছোঁয়ায় সব সেক্টরই হবে শুদ্ধ। জাতীয় জীবনেএর গুরুত্ব অপরিসীম। বিশ্বায়নের এই যুগে শিক্ষা শুধু জাতির মেরুদন্ড নয়, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে নিজের স্বতন্ত্র-সত্ত্বা সমুন্নত রাখার গৌরব। এ গৌরব টিকিয়ে রাখার জন্য নিরপেক্ষ রাজনীতির ধারায় সবার আগে শিক্ষাব্যবস্থাকে আগাছামুক্ত করা দরকার। কোচিং সেন্টারের রাহুগ্রাস থেকে শিক্ষার পরিবেশ ও মান ছিনিয়ে এনে স্কুল-কলেজমুখী করাটাই এখন সবচেয়ে জরুরি।

bonhishikha2r@yahoo.com'
যদি কারো জ্বালায় আমি জ্বলি, সে আগুনে তাকেও পোড়াতে দোষ কোথায়?
শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।

22 টি মন্তব্য : কোচিং সেন্টারের রাহুগ্রাসে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা

  1. বেশ দরকারী একটি পোস্ট। এরকম পোস্টও আশা করি।

    রিপন কুমার দে
    ফেব্রুয়ারী 7, 2011 , 6:04 পূর্বাহ্ন

  2. শিক্ষকরা যদি আদর্শের আলোয় আলোকিত হন, স্কুল-কলেজগুলোতে রিডিং পিরিয়ডে মানসম্মত লেখাপড়া হয় তবে শিক্ষার্থীদের কোচিং বা প্রাইভেট নির্ভর হতে হয় না। আর্থিকভাবে লাভজনক হওয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চেয়ে কোচিং বা প্রাইভেট টিচিংয়ে বেশি মনোযোগী এখনকার শিক্ষকরা। দেশে এত ভালো ভালো স্কুল-কলেজ এবং মেধাবী শিক্ষক থাকতেও কেন কোচিং-নির্ভর হতে হয় শিক্ষার্থীদের, তা এ প্রবন্ধেই বর্ণিত।
    একটি জাতির মানদন্ড হলো শিক্ষা। দেশের সমৃদ্ধি এবং সুশাসন বজায় রাখতে হলে সর্বাগ্রে সুশিক্ষা প্রয়োজন। এটি দেশতরীর হালও বলা চলে। এই তরীর মাঝি যদি বিবেকবান ও মহৎ না হয় তবে তা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে না।
    আমরা যা শিক্ষা পাচ্ছি, যাপিত জীবনে তারই বহির্প্রকাশ ঘটবে তাতে সন্দেহ নেই। তাহলে দেশের এই দুর্বৃত্তায়ন-দুর্নীতি, কলুষময় রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির পিছনে রয়েছে কুশিক্ষা বা স্বার্থান্বেষী শিক্ষার ফল। তাই আমার মতে, শিক্ষকদের নৈতিকতা যদি সমুন্নত রাখা যায়, তারই প্রতিফলন ঘটবে শিক্ষার্থীদের উপর। মেধায় মননে যে আলো জ্বলবে তাতে দূরীভূত হবে সকল কালিমা।
    ……………..
    যুগোপযোগী লেখার জন্য সাধুবাদ।
    …………….
    =D>

    রাজন্য রুহানি
    ফেব্রুয়ারী 8, 2011 , 4:05 পূর্বাহ্ন

    • সবকিছু যখন অর্থের মানদন্ডে মাপে সভ্যতা, যখন মুল্যবোধ দিয়ে ব্যর্থ হয় মানুষ তার প্রিয়দের তুষ্ট করতে তখন শিক্ষক কেন সবাই মানবতা ছাড়ে কমবেশি।শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি বর্তমান জীবন যাত্রায় অর্থের মূল্যের সাথে শিক্ষকরা খাপ খাওয়াতে পারছে কিনা কর্তিপক্ষের তাও দেখা দরকার।যাতে কেউ অর্থের অভাবে শিক্ষক হতে ধীরে ধীরে ব্যবসায়ী না হয়ে উঠে।ভূল বললাম রাজন্য ভাই? :-)

      rabeyarobbani@yahoo.com'

      রাবেয়া রব্বানি
      ফেব্রুয়ারী 8, 2011 , 12:13 অপরাহ্ন

    • গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
      বিষয়টি কিন্তু সত্যিই উদ্বেগের।

      bonhishikha2r@yahoo.com'

      বহ্নিশিখা
      ফেব্রুয়ারী 9, 2011 , 6:05 পূর্বাহ্ন

  3. আপনার পোষ্টটির জন্য ধন্যবাদ।এই সমস্যাটা ভোগ করেছি তাই এটা প্রায়ই ভাবায়। :rose:

    rabeyarobbani@yahoo.com'

    রাবেয়া রব্বানি
    ফেব্রুয়ারী 8, 2011 , 12:15 অপরাহ্ন

  4. পুরানো সমস্যা । যথারীতি জবাবে হতাশা । আমার আবার মজার অভিজ্ঞতা কোচিং গিয়েছিলাম বেশ কয়েক দিন , স্যার দুঃখিত ভাইয়াদের দেখে আমার মজারু মনে হতো প্রতিদিন একটা করে মডেল টেস্ট , আর বেখাপ্পা কথা বার্তা ছেলেপুলেও হেসে খুন মেয়ে সহপাঠীকে বলতে শুনি আহা ভাইয়া কী কিউট ! আসলেই কী কিউট একটা চ্যাপ্টার পড়েই পড়াতে আসে আর তাও পারে না শুধু বকবক আর গুলমারা , প্রশ্ন করলে বলতো ভাই এতো আঁতেল হইও না , তাতেই সহাপাঠীদের দাঁতের পাটি আবার খুলে যেত , তিন দিনের পর ঐ সারকাস দেখতে আর ইচ্ছে হলো না ।
    তারপর আবার বাসায় ফোন করে বলে আপনার ছেলেকে আমারা আশাবাদী কিন্তু সেতো তিন দিন এসে আর আসছে না …

    রেজাল্টের পর আবার তাদের প্রসপেক্টাসেই ছবি চলে এলো , এতে আমার আপত্তি নেই , আপত্তি ছিলো একবছর পরে ঐ সারকাসের জোকার হতে …

    imrul.kaes@ovi.com'

    শৈবাল
    ফেব্রুয়ারী 8, 2011 , 1:29 অপরাহ্ন

  5. আবার লেখা পাবো কবে?

    রাজন্য রুহানি
    ফেব্রুয়ারী 27, 2011 , 4:10 পূর্বাহ্ন

  6. চমৎকার !! গল্প-উপন্যাস-কবিতার পাশাপাশি এ ধরণের লেখা খুবই জরুরী। আমাদের দেশটিকে বাঁচাতে হবে সবার আগে।

    sonchoy@gmail.com'

    সঞ্চয় রহমান
    ফেব্রুয়ারী 27, 2011 , 4:07 অপরাহ্ন

মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে। Login