রিপন কুমার দে

ওয়াও, মি.ইউনুস!

Decrease Font Size Increase Font Size Text Size Print This Page

১. বেশ কয়েকবছর আগে একটা ঈশপের গল্প পড়েছিলাম। গল্পটি অনেকটিই এরকম:

একটি জঙ্গলে একটি ধূর্ত শিয়াল থাকত। একদিন ওই শিয়ালটি খাবারের উদ্দেশ্যে বের হল। তখন সামনে হঠাৎ একটি হাঁসের ছানা এসে পড়ল। ক্ষুধার্ত শিয়ালটি লোভনীয় দৃষ্টি নিয়ে ছানাটির দিকে তাকাল। কিন্তু ছানাটি আকৃতিগত দিক দিয়ে অতিমাত্রায় ছোট হওয়ার কারনে বড়, মোটাতাজা হওয়ার পরই খাবে বলে শিয়ালটি ওর ঘরে নিয়ে গেল।

ছানাটি দিন দিন বড় হতে লাগল। অন্যদিকে ছানাটি শিয়ালটিকে মায়ের মত দেখতে লাগল। মায়ের যাতে কষ্ট না হয়, সেজন্য সেই মায়ের জন্য প্রতিদিন বাইরে থেকে খাবার নিয়ে আসতে লাগল। আদরে আদরে ভরিয়ে দিতে লাগল মাকে। ওদিকে ছানাটি যতই বড় হচ্ছে, শিয়ালটির লোভনীয় চোখ দুটি ততই উজ্জ্বল হচ্ছে।

একদিন লোলপ শিয়ালটি আর সইতে না পেরে ছানটিকে হাতের মুঠিতে ধরে গোগ্রাসে গিলে ফেলার উপক্রম করছিল। কিন্তু মুখের কাছে নিতেই তার হাত দুটি কেঁপে কেঁপে উঠল। ভিতরের এক অকৃত্রিম মমত্ববোধ, কৃতজ্ঞতাবোধ চরমভাবে বাধা দিল। সে ব্যর্থ হল। হাঁসের ছানটিকে নদীতে ছেড়ে দিয়ে আসল ধূর্ত শিয়ালটি।

২.
কয়েক মাস আগে কানাডার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএ হিসেবে কাজ করছি, ক্লাস শেষে, একজন ছাত্র এসে জিজ্ঞেস করল, আপনি কোন দেশের? বললাম বাংলাদেশের। সে কোনভাবেই চিনে উঠতে পারল না, আমার দেশটি! বললাম, ড. ইউনুসের নাম শুনেছ? আমি সেই দেশে থাকি! হেসে বলল, ওয়াও, মি.ই্উনুস! হি ইজ দ্যা গ্রেট! ইউ আর রিয়েলি এ প্রাউড সিটিজেন!

আজ সেই গ্রেটকে নিয়ে আমাদের দেশের “অক্ষরে অক্ষরে রাষ্ট্রিয় নিয়মনীতি-মানা (!) আদর্শবান নেতারা ” নিয়ম-শুদ্ধ করতাছন। এই গ্রেটের তেল বের করার জন্য নিজেদের তেল গলে ঘি করে ফেলতেছেন!

আজ এই “”অক্ষরে অক্ষরে রাষ্ট্রিয় নিয়মনীতি-মানা আদর্শবান নেতা (!)” দের প্রতি পূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্মান রেখেই বলতে চাই, “বৃদ্ধ অকৃতজ্ঞ মাথামোটারা”, তোমরা কি জান, তোমরা যে কাজ ৪০ বছরেও করতে পার নাই, সেই লোকটা কয়েকবছরে তা করে দেখিয়েছে, যে কাজ তোমরা হাজার লোক দিয়েও করতে পার নাই, সেই লোকটা একা তা করে দিয়েছে! আগের মত তোমাদের কারনে আজ আর আমাদের মুখ লুকিয়ে হাটতে হয়না! বুক ফুলিয়ে হাটতে পারি আমরা!

যে “কৃতজ্ঞতাবোধটা” একটি ধূর্ত শিয়ালের মনেও আসে, এটা কি তোমাদের মনে কখনই আসে না?

৩.
জানি তোমরা এই গ্রেটের কিছুই করতে পারবে না আজ। অনেক ভারী আজ এই গ্রেট। এই গ্রেটের গলায় শুধু আমাদের পুরো বাংলাদেশটাই না, পুরো পৃথিবীটাই আজ ঝুলানো। শুধু আমাদেরকেই আগের মত মুখ লুকিযে হাটতে বাধ্য করবে তোমরা!! শেইম!

শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।


13 Responses to ওয়াও, মি.ইউনুস!

  1. রাজন্য রুহানি মার্চ 5, 2011 at 9:36 পূর্বাহ্ন

    :-bd

    আজ সেই গ্রেটকে নিয়ে আমাদের দেশের “অক্ষরে অক্ষরে রাষ্ট্রিয় নিয়মনীতি-মানা (!) আদর্শবান নেতারা ” নিয়ম-শুদ্ধ করতাছন। এই গ্রেটের তেল বের করার জন্য নিজেদের তেল গলে ঘি করে ফেলতেছেন!

    বেশ বলেছেন। আরেকটু ক্ষুরধার হলে আরও ভালো হতো বৈকি!

    • রিপন কুমার দে মার্চ 5, 2011 at 2:19 অপরাহ্ন

      দেশের ইদানিং কালের কিছু ঘটনা মনকে বিষিয়ে তুলেছে। লজ্জাজনক হারের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের গাড়িতে কাপুরুষের মত হামলে পড়া, এর পক্ষে আবার ক্রিড়ামন্ত্রির সাফাই গাওয়া, জাফর ইকবালের দিগন্ত টিভির ঘটনা, তিউনেসিয়া, মিসরে কয়েকজন বাংলাদেশির মুত্য সত্ত্বেও দেশের হতকর্তাদের নির্লিপ্ততা, সব মিলিয়ে মেজাজ খুবই চড়া!….. বাধ্য হয়েই সাহিত্য ব্লগেও রাজনীতি নিয়ে পোস্ট দিলাম…. :((

      কিছু মনে করবেন না রাজন্য ব্রাদার।

  2. dr.daud@ymail.com'
    ড. দাউদ মার্চ 5, 2011 at 10:45 পূর্বাহ্ন

    সহমত স্যার
    ১০০% সহমত

    • রিপন কুমার দে মার্চ 5, 2011 at 2:22 অপরাহ্ন

      সহমত প্রকাশের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। মনিহার এর পর আপনার নতুন কোন লেখা পাচ্ছি না!!! ব্যাপাির কি? খুব ব্যস্ত নাকি???

  3. rabeyarobbani@yahoo.com'
    রাবেয়া রব্বানি মার্চ 6, 2011 at 4:02 পূর্বাহ্ন

    রিপন ভাই পোষ্টটির জন্য সাধুবাদ।নোবেল বিজয়ের সম্মানটা দেশের মানুষই নষ্ট করে দিল ও দিচ্ছে।কি হতাশা!

    • রিপন কুমার দে মার্চ 6, 2011 at 5:10 পূর্বাহ্ন

      অনেক ধন্যবাদ রাবেয়া সিস্টার। আপনার একলা (পর্ব-২) টি কবে পাব আমরা? লিখা কি হচ্ছে নাকি ব্যস্ত খুব?

      • rabeyarobbani@yahoo.com'
        রাবেয়া রব্বানি মার্চ 6, 2011 at 7:17 পূর্বাহ্ন

        ব্যস্ত ঠিকই কিন্তু ধারাবাহিক ব্যাপারটা থিতু হয়ে যাবে তাই কালকের মধ্যে পোষ্টটি দিয়ে দিব আশা করি। :-) ।আপনাকে প্রানঢালা ধন্যবাদ।

  4. rabeyarobbani@yahoo.com'
    রাবেয়া রব্বানি মার্চ 6, 2011 at 7:20 পূর্বাহ্ন

    ওহ একটা কথা তো বলা হয়নি।আপনার স্ট্যাটাসে লেখা কথাগুলো বেশ!আপনার লেখা নিশ্চয়ই।খাবি খেলাম। 8->

  5. sumhani@gmail.com'
    সুমাইয়া হানি মার্চ 6, 2011 at 7:43 পূর্বাহ্ন

    আমাদের মূল্যবোধ, আমাদের সম্মান বিকিয়ে দিচ্ছি কাদা ছোড়াছুড়ির খেলায়। এটা প্রতিহিংসা পরায়ণ মনোভাব। নইলে নোবেলের মর্যাদা বুঝতো এই রঙ্গভরা বঙ্গদেশের কর্ণধাররা।

    • রিপন কুমার দে মার্চ 6, 2011 at 2:29 অপরাহ্ন

      সুমাইয়া………….নিন্দা জানানোর ভাষাও আমাদের নেই। আমাদের জাতি কেন যে আত্মহননে সুখ পায়। হয়তো আমরা নিঃস্ব হয়ে বেঁচে থাকতে ভালবাসি। ইউনুস সাহেবের অতীতের রাজনৈতিক উদ্যোগটি হয়তো সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়। তার মাইক্রো-ক্রেডিট উদ্যোগের ফলপ্রসূতা নিয়ে পৃথিবীব্যাপী আলোচনা চলছে। আর আমরা যা করছি তা কেবলই প্রতিহিংসা। জাতীয় অর্জন, অহংকারের স্বেচ্ছায় বিসর্জন।

  6. mamunma@gmail.com'
    মামুন ম. আজিজ মার্চ 6, 2011 at 1:16 অপরাহ্ন

    নদীর দু’কূল হতে নদী একই রকম দেখা যায় না। কারন সেই দেখার সাথে সূর্যের আলোকপাত, ঢেউ এর গতি, বাতাসের প্রকৃতি, চোখের দৃষ্টি এবং দর্শকের মন মানসিকতা এমন নানা রকম উপাত্ত সংশ্লিষ্ট।

    এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেবো না। কারন আমি যতই গল্প কবিতা লিখি আর প্রকৌশলী বিদ্যা খসিয়ে জীবন ধারন করে চলি, আমি বিখ্যাত নই, আমি অতি তুচ্ছ, নোবেল আমার কল্পনাতিত।

    আমি তবে একটা জিনিস বুঝি মানুষ যে জিনিসের প্রয়োজন বোধ করে এবং যা তার প্রয়োজন তাহা যে ভাবে বা যেখানে মিলে যায় মানুষ তাতেই প্রশংসা করতে এবং মুগ্ধ হতে পছন্দ করে।
    এটা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। এখানে অস্বাভাবিক নেই।

    আর তাই আমি এমন এক সমাজ ব্যবস্থায় বাস করি, যেখানে ছোট থেকে দেখে আসছি এবং পড়ে আসছি একদল সুবিধাবাদী সর্বদাই রাজনীতি অথবা ব্যবসার নামে দরিদ্র , মুর্খ এবং দুর্বল এর দূর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে রাজত্ব গড়ছে। সে রাজত্ব কখনো ক্ষমতার , কখনো অর্থের আর কখনো রেষ্পেক্টের।
    এ কারনেই এ দেশে মহাজনী বিত্তবান তৈরী হয়, খুনী আসামী রাজনৈতিক তৈরী হয়, স্বল্প বেতন প্রদায়ী শিল্পপতি তৈরী হয় এবং এর সাথে এনজিও নামক প্রতিষ্ঠান গড়ে বৈদেশিক সাহায্য পুষ্ট হয়ে সেবার নামে দেশের টপমোষ্ট ধনীও হয়ে যায় কেউ, কেউ এমএলএম ব্যবসা করে মানুষের টাকায় কোটি পতি হয়ে ওঠে।

    মাইক্রোক্রেডিট ব্যবস্থা প্রচলন করে গ্রামীন ব্যাংক বা আর যা যা করা হয়েছে তার মাধ্যমে ক’জন গরীব মানুষ প্রকৃত অর্থে বিত্তবান হয়েছে বা সচ্ছলই হয়েছে তা সব পরিসংখ্যান তো বলতে পারব না, তবে কর্ণধাররা কিন্তু ঠিকই বিত্তথেকে বিত্তশালী হয়েই গেছে।

    এ খানেও কোন দোষ নেই, পুঁজিবাদী সিস্টেমটাই তো এই। একদল অল।প লোক পুঁজি কুক্ষিগত করবে আর বাকী সব লোক তাদের গোলামী করে একদু মুঠো তো খেয়ে পরে বাঁচতে পারবে।

    নোবেল বিজয়ী মানুষও আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়। তবে আবার যারা আইন নিয়ন্ত্রক এবং ক্ষমতাধর তারাও কেউ প্রশ্নাতিত ভাবে নিরপেক্ষ প্রমানিত নয়।

    আপনি রিপন দা, বিদেশে থাকেন, ছোট এবং অপরিচিত দেশটা নোবেল বিজয়ের কারনে সেখানে পরিচিত পেয়েছে। এই কারনে আপনি মুগ্ধ।
    এই কারনটা আমার কাছে মুখ্য না হওয়াটাই স্বাভাবিক যেহেতু আমি দেশে থাকি।

    আমি ৭১ বছর বয়সেও একজন শান্তিতে নোবেল বিজয় করার মত বিখ্যাত এবং শান্তিময় ব্যাক্তির উচ্চপদে আসীন থাকার নিরীহ লোভটাকে পছন্দ করতে পারছি না।
    হয়তো এটা আমার অখ্যাত এবং মধ্যবিত্ত হবার দোষ।

    আমার দুঃখ বোধ আরেকটা জায়গায়
    এ দেশে নোবেল শান্তি পুরষ্কার বিজয়ী ব‌্যাক্তি রয়েছেন, অথচ সরকার জনগনের শান্তি প্রদানের সঠিক উপায় বছরের পর বছর এক্সপেরিমেন্টালী এটা সেটা করেও খঁুজে পায় না।

    শান্তিতে নোবেল পাওয়া একজনের কিন্তু অনেক ক্ষমতা। আমি তার সর্বোত্তম ব্যবহার চাই।
    ক্ষমতার জন্য তার কোর্ট কাচারী করাটা সাজায় না।
    (এ সব আমার ব্যক্তিগত অভিমত , কেউ কিছূ মনে করবেন না, আমি তর্ক পছন্দ করি না। আমি শান্তি কামী।)

    • রিপন কুমার দে মার্চ 6, 2011 at 2:27 অপরাহ্ন

      প্রথমেই ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনার অভিব্যক্তি সুন্দরভাবে প্রকাশ করার জন্য। এখানে ড. ইউনুস যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার এটা অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যায়, যখন দেখা যায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রি “প্রতিষ্ঠান” গ্রামীন ব্যাংকের বিরুদ্ধে কথা বলছেন না, বলছেন “ব্যক্তি” ই্উনুসের বিরুদ্ধে, গ্রামীন ব্যংকের বিতর্কিত সুদের পরিমিতিবোধ নিয়ে কথা বলছেন না, বলছেন প্রতিষ্ঠানের একজন ইনডিভিজুয়াল কর্মীকে। গ্রামীন ব্যাংক আজ সরকারী তালিকাভুক্ত ব্যাংক, যার হতার্কর্তা বাংলাদেশ ব্যাংক। গ্রামীন ব্যংক প্রতিষ্টানের নীতিগত কোন ত্রুটি যদি থেকেই থাকে, সেই দায়ভার সরকারী মহলেও বর্তায়, শেখ হাসিনাও এর বাইরে নন। আর ইউনুস এই সময়ক্ষেপন করে আছেন ১১ বছর ধরে। এতদিন পর কেন সরকারের মনে পড়ল উনার পদস্খলন করতে হবে???? আগে কেন মনে হল না?? এই তথ্যগুলোই কি প্রতিহিংসা, লেজুরবৃত্তি রাজনীতির দুরভিসন্ধি প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়?? দুনীতিতে প্রথম হওয়া আমাদের দেশ, হাজারে হাজারে দুনীতিতে মাথাব্যথা নাই সরকারের, মাথাব্যথা হয়ে যায়, বিশ্ব সম্মানীয় একজন বাংলাদেশকে চাকুরীচ্যুত করার জন্য!!

      এটা নিসেন্দেহে বলা যায়, ড. ইউনুস এখন বিশ্ব সম্মানিত ব্যক্তি। আমাদের গর্ব। সরকারের উদ্দেশ্য হয়তো ইউনুস গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সরে গেলে আওয়ামীলীগের কোন অর্থনীতিবিদ গিয়ে সেখানে বসবেন। প্রতিষ্ঠান তৈরী করলেন ইউনুস, আর সেখানে এখন কর্তা হবেন আওয়ামী কাকন দাসী।এনটারপ্রিনিয়ারশীপের মন্দার কালে এই ধরণের ঘটনা প্রতিষ্ঠান তৈরীতে নিরুতসাহিত করবে তরুণদের। দলবাজি করেই যদি অন্যের তৈরী করা প্রতিষ্ঠানে বস হওয়া যায়, তাহলে এতো কষ্ট করতে কে আর যাবেG।

      আওয়ামী লীগের এই শিক্ষিত নাগরিকদের অপদস্ত করার যে স্যাডিজম, তাতে মিডিওক্রেসীকে উতসাহিত করার সংক্রমণ ঘটছে।অর্ধশিক্ষিত টাকা আর পেশীওলা লমেকার নিয়ে যে ক্ষমতার মধুচন্দ্রিমা চলছে,তাতে বিরোধীদলের পোয়াবারো হবে,পৌর নির্বাচনে তারই প্রমাণ মিলেছে।

      ড. ইউসনুসের মাইক্রোক্রেডিট একটি নতুন ধারা, বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই এই মডেল আজ স্থাপিত। এত বছর ধরে চলে আসছে এই পদ্ধতি। তথ্যপ্রযুক্তির এই স্বণালী যুগে এতদিনেও কোন সাংবাদিক, মিডিয়ামাধ্যম এই পদ্ধতির কোন বড়ধরনের ত্রুটি ধরতে পারে নাই। কোন যুক্তিসঙ্গত কোন উদাহরন সামনে নিয়ে আসতে পারে নাই কেউ। তাহলে এই পদ্ধতির যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে এটা ভাবতে আমাদের দোষ কি??

      আর একটি খুব বড় প্রতিষ্টানের অনেক ধরনের ক্রুটি থাকতেই পারে, এটাই স্বাভাবিক, তাই কয়েকটি উদাহরনকে বেজ ধরে পুরো প্রতিষ্টানকে দায়ী করাও যায় না।

      আমি আজ দেশের বাইরে থাকলেও আমার মন পড়ে তাকে দেশে। তাই বিদেশের চাকচিক্যময় অভিজাত্যময় আবেগের বাইরে থেকেই কথাগুলো ব্যক্ত করেছি।

      আমি আবারও আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনার মন্তব্যের জন্য। প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।

You must be logged in to post a comment Login