নীল নক্ষত্র

বিলাতের সাত সতের-১

Decrease Font Size Increase Font Size Text Size Print This Page

[মুখবন্ধঃ  ভ্রাতৃ প্রতিম জুলিয়ান সিদ্দিকী তার মেইলে একটা লিঙ্ক দিয়ে এই সাইট ভিজিট করার অনুরোধ জানিয়েছিল। তার অনুরোধের প্রেক্ষিতে সাইটটি ভিজিট করে তাকে এখানে দেখে বেশ ভাল লাগল এবং নির্মল শীল্প সাহিত্য সংক্রান্ত সাইট দেখে প্রায় সাথে সাথেই এখানে ভর্তির আবেদন জানালাম।কয়েক দিন আগেই শৈলী কর্তৃপক্ষ তাদের সাথে মেলা মেশা করার অনুমতি দিলেন কিন্তু কাজের ব্যস্ততার জন্য শুধু কিছু কিছু পোস্ট পড় দুই একটাতে মন্তব্য করেছি নিজে  কোন পোস্ট দিতে পারিনি। আজ দুরু দুরু কম্পিত চিত্তে যাত্রা শুরু করলাম, নতুন বন্ধুরা কি ভাবে গ্রহন করবেন জানি না তবে এ টুক আশা করছি অন্তত পাশে বসতে দিতে আপত্তি করবেন না]

(এই কাহিনী ধারাবাহিক ভাবে চলবে তবে এর ফাকে মাঝে মাঝে ভিন্ন স্বাদের কিছু পোস্ট দিতে পারি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে আমার এই সব লেখা গুলি ইতোপূর্বে আমার নিজ ব্লগ সহ বিভিন্ন ব্লগে প্রকাশ করেছি)

সকালে ঘুম ভেঙ্গে গেল, উঠতে ইচ্ছা করছিল না, ভারী কম্বল গায়ে অনেক ক্ষন শুয়েই রইলাম। গত কয়েক দিন থেকে তুষার পাত হচ্ছে। আমার আবার গাড়ি নেই। কঠিন ডায়াবেটিসের রুগী বলে নাকি আমি গাড়ি চালাতে পারবো না তাই আর লাইসেন্স রিনিউ করেনি, সঙ্গে কয়েক এক বস্তা উপদেশ দিয়ে ফেরত দিয়ে দিয়েছে। নিজেকে ভীষন অক্ষম মনে হয়েছিলো। মনটা ভাঙ্গি ভাঙ্গি ভাব ধরেছিল। আচ্ছা বলুন তো বিলাতে কি গাড়ি ছাড়া চলে?যাক গাড়ি না থাকার উছিলায় ডায়াবেটিস রোগীর হাঁটা হাটি করা হবে এই মনে করে মনকে প্রবোধ দিলাম।

এক সময় তো উঠতেই হবে তাই লাফ দিয়ে উঠেই পরলাম। সকালের কাজ কর্ম সেরে কিচেনে গেলাম। কি খাই? ব্রেড? কর্ণ ফ্ল্যাক্স? পরিজ? মজলি? নুডলস? কিছুই যে আর খেতে ভালো লাগে না। মনে হচ্ছিল এই তুষার সকালে ভাজা ইলিশের সাথে গরম খিচুড়ি হলে, আপনারা কি বলেন? না ভাগ্যে আছে টোস্ট ব্রেড বাটার আর তার সাথে কিছু বেকড বিনস। তাই খেয়ে চায়ের কাপটা হাতে ঘরে এসে জানালার পর্দা সরিয়ে দেখি ঝুর ঝুর করে স্নো ঝরছে। রাস্তায় অন্তত ৬ ইঞ্চি জমেছে। কোন গাড়ি দেখলাম না, এই বরফের মধ্যে গাড়ি চলেই বা কি করে। ঘড়ির সাথে লাগানো মিটারে দেখলাম ঘরের ভিতরে তাপ ১৪ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে অথচ রাতে শোবার আগে ২৩ ডিগ্রী দেখেছিলাম, কি পরিমান ঠান্ডা! পর্দা সরিয়ে আলগা হিটার টা টেবিলের নিচে রেখে চেয়ারে বসলাম। গরম ধোয়া উঠা চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছি, দৃষ্টি চলে গেল সামনের রাস্তা পেরিয়ে ওই দূরের জঙ্গলের দিকে। ঝাপসা ঝাপসা দেখা যাচ্ছে। চারিদিকে বরফ জমে সব কিছু হালকা মরি মরি ভাবের নীলে মেশানো সাদায় ভরে আছে। কেমন একটা মায়া ভরা দৃশ্য। কাল রাতে ডিউটি শেষে ফেরার পথে নাক দিয়ে নিশ্বাসের সাথে পেটের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসা গরম বাষ্প, চোখে স্নো ছিটে এসে জ্বালা ধরানো পানি বের হওয়া আর শীতের ভাব দেখেই বুঝেছিলাম এই স্নো আর কদিন থাকবে কে জানে। বাস থেকে নেমে সামনে যে পাব সেখানে ভীড় নেই, কে আসে এই বরফ বিছানো রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে? সবাই যার যার ঘরে হিটারের কাছে বসেই বিয়ারের গ্লাস নিয়ে বসেছে।

হাতে চায়ের কাপ আর চোখে সামনের ঝুর ঝুর তুষার পরার দৃশ্য। মনটা উদাস হয়ে চলে গেল আষাঢ় মাসে। আষাঢ়ের সাথে এই তুষারের তুলনা চলে না তবুও মন যখন ভেবে নিয়েছে কি করি মনের সাথে আমিও চলে গেলাম। টিনের চালের বারান্দায় বসে চোখ চলে গেল বাড়ির সামনে বাগানে কামিনী গাছে ফোটা ফুল বৃষ্টির ভার সইতে না পেরে ঝড়ে পরেছে তা ছাড়িয়ে নদীর ওপাড়ে তাল গাছের মাথায়। টিনের চালে বৃষ্টির রিম ঝিম সুর আর নদী থেকে ভেসে আসা ভেজা বাতাসে সেদিনও এমনই ভাব হয়েছিল। কত বত্সর হবে? হ্যা তা প্রায় আঠারো বত্সর তো হবেই, খুকু যখন চার বছরের। ভেজা বারান্দায় দাঁড়িয়ে বাইরে হাত বাড়িয়ে বৃষ্টি ধরে ধরে এনে আমাকে দিচ্ছিল, বাবা দেখ বিত্তি এনেছি কি সুন্দর না বাবা?হ্যা মা সুন্দর, খুবই সুন্দর। দেখ মা ওই যে তাল গাছটা একা কেমন করে ভিজছে। ও ভিজছে কেন বাবা? ঘরে আসতে পারে না?সেদিন তাল গাছের ঘরে আসা না আসা নিয়ে খুকু কে কোন জবাব দিতে পারিনি। সেই খুকু কাল বিলাত আসছে। আমার প্রথম সন্তান। আমার খুকু, শারমিন আশরাফী। কাল আমাকে লন্ডনে হিথ্রো এয়ারপোর্টে যেতে হবে। তিন দিনের ছুটি নিয়েছি। এই বরফ বিছানো পথে কোচ কি চলবে? মনে একটা প্রশ্ন এলো। এখানকার রাস্তায় তো কোন গাড়ি চলছে না, কি জানি মটর ওয়েতে কি হয়ে রয়েছে কে জানে। যদি না চলে তাহলে খুকু কি করবে? হিথ্রো এয়ারপোর্টে নেমে ইমিগ্রেশন, লাগেজ কালেকশন, কাস্টমের ঝামেলা ছাড়িয়ে যখন বাইরে এসে দেখবে বাবা নেই তখন কি করবে? নিজে যাচ্ছি বলে কাউকে বলাও হয়নি যে সে গিয়ে নিয়ে আসবে। আজ রাতের কোচে যাবার কথা। কি হবে কে জানে। ওকে রিসিভ করে বাসায় উঠিয়ে, কলেজে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় সব কিছু দেখিয়ে চিনিয়ে দিয়ে আসবো, এই রকমই ভেবে রেখেছি। কত দিন পরে দেখবো খুকু কে, মনটা স্বাভাবিক ভাবে একটু চঞ্চল হয়েই ছিল। এই এতো বছর পরে বাবাকে দেখে খুকু কি করবে, খুকু কে প্রথম দেখে কি ভাবে বুকে জড়িয়ে ধরে এতো দিনের জমা মরু তৃষার মত পিতৃ স্নেহ কি ভাবে নিবারিত হবে এই নিয়ে কত কি ভেবেছি। সেদিনের বিত্তি ধরে আনা খুকু আজ একা একাই বিলাত আসছে, পড়তে। লন্ডনে একাই থাকবে। ভাবতে ভাবতে কখন যে বাইরের স্নোর সাথে চোখের স্নো টপ টপ করে গলে গলে পরতে শুরু করেছে বুঝিনি।

আমি থাকি নিউ ক্যাসেলের পাশে ছোট্ট সাউথ শিল্ড শহরে। ও যা পড়তে আসছে নিউক্যাসেল বা তার আশে পাশে ডারহাম, সান্ডারল্যান্ড ইউনিভার্সিটিতে তা অনেক বেশি খরচ। এতো খরচ যোগান দেবার সামর্থ্য কলিম আশরাফী নেই, তাই বাবা আর মেয়ের একত্রে থাকার ব্যবস্থাও নেই। খুকু বলেছিল তাহলে আর আমি গিয়ে কি করবো? আমি বিলাতে থাকবো আর তোমাকে রান্না করে খেতে হবে তাই যদি হয় তাহলে এতো টাকা খরচ করে গিয়ে কাজ নেই। এ কথা শুনে গিন্নী মা মানে মেঝ মেয়ে শায়লা আশরফী বলেছে তাই কি, তুমি যাও। বাবা মাঝে মাঝে আসবে আর বাবা যা খেতে পছন্দ করে তুমি রান্না করে খাওয়াবে যাবার সময় সাথে কিছু দিয়ে দিবে যাতে কয়েক দিন খেতে পারে। মানুষে ভিসা পায় না বলে যেতে পারে না আর তুমি এতো সহজে ভিসা পেয়ে সে সুয়োগ হাত ছাড়া করবে কেন?তবুও তো মাঝে মাঝে বাবাকে দেখতে পাবে, আমরা যে কবেই বাবাকে দেখবো, বাবার ছবি না থাকলে বাবার চেহারাটাই ভুলে যেতাম। তুমি যাও বড় আপু বাবাকে দেখে রেখো। ওদের মা যামিনী, সেও খরচের কথা ভেবে আসতে দিতে চাইছিল না।

যামিনী যেদিন আমার জীবনে প্রথম এসেছিলো সেদিনের কথা এই পঁচিশ বছরেও ভুলি নি আজো পরিষ্কার মনে আছে। কেমন যেন একটা ঝড়ের মত ব্যপার হয়ে গেল। স্কুলের মাষ্টারি করে প্রাইভেট ছাত্রী পড়িয়ে বাড়ি ফিরছিল। সেদিনও ছিল এমনি ঝড় জলে মাখানো এক মায়াবী রাত। আগে দেখেছি রাস্তা দিয়ে যেতে আসতে, কখনো কথা হয়নি তবে ওরা খ্রিষ্টান এটুকুই জানতাম। মনে কি কখনো কিছু উদয় হয়েছিলো কিনা তখন বুঝিনি। তখন পড়াশুনার পাট শেষ করে মাত্র চাকরিতে ঢুকেছি, খুলনা শহরের এক পাশে ছোট একটা রুম ভাড়া নিয়ে থাকি। সাত কুলে কেউ নেই কারো জন্য মায়া দয়া ভালোবাসা বা পিছুটান বলতে কিছুই নেই। মরিয়ম এসে রান্না করে রেখে যায় তাই খাই, যা দরকার একটা কাগজে কোন রকম আকার ইকার ছাড়া লিস্ট লিখে টেবিলের উপরে রেখে যায়, আমি আবার সেই লেখা দেখে যা উদ্ধার করতে পারি তা কিনে এনে রান্না ঘরে রেখে দিই, ওর সাথে আমার দেখা হয় না বললেই চলে। সেদিন অফিস থেকে ফিরে রাতে ঘরে চৌকিতে শুয়ে দিনে না পড়া কাগজটা দেখছিলাম। হঠাত্ একটা নারী কণ্ঠের চিৎকার শুনে চমকে এদিক ওদিক তাকিয়ে বুঝতে পারলাম রাস্তার দিক থেকেই এসেছে শব্দটা। গুরুত্ব দিলাম না, সঙ্গে সঙ্গে আবার একটু আস্তে সেই চিৎকার বাঁচাও! কি ব্যপার, এরকম তো কখনো শুনিনি, এলাকাটা ভালো না জানি তবুও কখনো এরকম শুনিনি। কি করি ভাবছি, মনে হোল ভাবা ভাবির কি আছে দেখি না কি হচ্ছে। সঙ্গত কারনেই পুরুষ মানুষের সাহস নিয়ে দরজাটা খুলেই দেখি আমার ঘরের দিকে সেই মহিলা দৌড়ে আসছে চিনতে পারলাম, পায়ে স্যান্ডেল নেই, শাড়িটা ভিজে চুপ চুপে কাদা জল ছিটিয়ে ঝড়ের মতই বারান্দায় এসে দাঁড়ালো, হাঁপাচ্ছে, আমাকে বাঁচান।

পিছনে ওই রাস্তার দিক থেকে দেখলাম দুই জন ষণ্ডা মার্কা লোক কি সব বলতে বলতে ফিরে যাচ্ছে। ঘটনা বুঝতে কিছু বাকী রইলো না। পিছনে ঘুরে দেখি যামিনী ঘরের ভিতরে দাঁড়িয়ে থর থর করে কাঁপছে। কি হয়েছে? কোন জবাব নেই। বুঝলাম একটু শান্ত না হলে কিছু বলতে পারবে না। দরজাটা বন্ধ করবো না কি করবো ঠিক করতে পারছিলাম না। ওই এগিয়ে দরজাটা বন্ধ করে দিল। তোয়ালে টা হাতে ধরিয়ে চেয়ারটা দেখিয়ে দিলাম।  তোয়ালে হাতে অনেক ক্ষন দাঁড়িয়েই রইলো। সেদিন যেন যামিনী কে ভিন্নভাবে আবিষ্কার করলাম। যাক, এই হোল সেই যামিনী যে যামিনী ছিল যামিনী গোমস, এখন সে যামিনী আশরাফি। সেই এখন আমার স্বপ্ন, সাধ, আহ্লাদ, শক্তি, জীবন, আমার সব। আমার জীবনে যা কোন দিন ছিল না তা সব দিয়েছে, কানায় কানায় পরিপূর্ণ করে দিয়েছে। মাঝে মাঝে নিজে নিজেই বলি, আমার যামিনী আছে তাই আমার চেয়ে সুখি ভবে কে আছে?

যা বলছিলাম, খুকুর কথা। শেষ পর্যন্ত গিন্নী মার কথাই বহাল রইলো। টিকিটের ব্যবস্থা হোল। পূর্ব লন্ডনের স্টেপনি গ্রীনের এক বাঙ্গালি পরিবারের সাথে থাকার ব্যবস্থা হয়েছ, ছোট্ট একটা রুম ৮ ফুট বাই ১০ ফুট সাইজ তাতে থাকবে সপ্তাহে পঞ্চাশ পাউন্ডের বিনিময়ে। ছোট ভাইয়ের এক বন্ধু আরিফ খোজ খবর করে ব্যবস্থা করে রেখেছে। আর খাবার ব্যবস্থা এখনো ঠিক হয় নি, ও আসুক, কিছু দিন দেখে গুছিয়ে নিয়ে যা ভাল মনে করে তাই করবে, আপাতত এদের সাথেই খাবে এ জন্য আলাদা পনের পাউন্ড। খুকুর জন্য টি মোবাইলের একটা পে এজ ইউ গো ফোন কিনে রেখেছি, সাথে আর যা যা লাগবে বাড়ি থেকে যাতে বোঝা টেনে আনতে নাহয় তার সবই কিনে গুছিয়ে রেখেছি। যাবার সময় সাথে নিয়ে যাব।

দুপুরের পর স্নো থেমে গেল, মনে একটা জোড় পেলাম। রাত ১০টায় কোচ। হয়ত অত ক্ষণে মোটর ওয়েতে যা বরফ জমেছে তা সরে যাবে বা সরিয়ে ফেলবে। মোটর ওয়ে কি আর বন্ধ থাকলে চলে?[চলবে]

শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।


13 Responses to বিলাতের সাত সতের-১

  1. juliansiddiqi@gmail.com'
    জুলিয়ান সিদ্দিকী সেপ্টেম্বর 3, 2010 at 7:09 অপরাহ্ন

    লেখার মাঝামাঝি কিছু অনাবশ্যক ইংরেজি শব্দাবলী আছে। অ্যাডমিন প্যানেলে ক্লিক করে পোস্ট-এ ক্লিক করে লেখাটির শিরোনামের নিচে পাবেন সম্পাদনা। এডিট করে ডানদিকে পাবেন আপডেট। শুভ ব্লগিং :heart: :rose:

  2. নীল নক্ষত্র সেপ্টেম্বর 3, 2010 at 7:11 অপরাহ্ন

    প্রয়োmouseover="window.status='প্রোফাইল জানার জন্য ক্লিক করুন এডমিন'; return true" onmouseout="window.status=''; return true" onclick="ddub_popup('http://shoily.com/wp-content/themes/calotropis/ddub-template.php?ddub=4', 350, 400)">

    সুপ্রিয় ব্লগার বন্ধু গন এই পোস্টের মাঝা মাঝি উপরের এই কোড কি করে এলো বুঝতে পারলাম না। এর সমাধান কারো জানা থাকলে জানিয়ে সমাধানের ব্যবস্থা নিতে সাহায্য করবেন আশা করছি।

  3. juliansiddiqi@gmail.com'
    জুলিয়ান সিদ্দিকী সেপ্টেম্বর 3, 2010 at 8:12 অপরাহ্ন

    ইমেজ দুইটা দেখেন। শিরোনাম শো করলে সেখানে কার্সর নিলেই সম্পাদনার প্যানেল দেখাবে।

    ১<img src="<a href="http://shoily.com/wp-content/uploads/2010/09/000000000001.bmp&quot; rel="nofollow">" alt="" />

  4. রিপন কুমার দে সেপ্টেম্বর 3, 2010 at 8:14 অপরাহ্ন

    আপনাকে ব্লগে স্বাগতম। আপনার সহজ-সরল ভায়ায় আপনার প্রবাসজীবন বর্ণনা আমাকে ভাবাবেগ করে তুলেছিল। একটা লেখার কাছে এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া। যে লেখা ভাবায়, আবেগতাড়িত করে তুলে সেই লেখাই স্বার্থক। আপনাকে অশেষ কৃতজ্ঞতা, প্রবাসের অব্যক্ত অভিব্যক্তির সাথে মিলে যায় এরকম একটা লেখা সবার সাথে শেয়ার করেছেন বলে। আমি নিজেও এখন প্রবাস জীবনযাপন করছি। আপনি যখন তুয়ারের সাথে ঝুর ঝর বৃষ্টির তুলনা করছিলেন তখন আসলেই আমার মনে হয়েছিল আমিই বোধহয় এখন বাংলাদেশে এই দৃশ্যপটে আছি, আমিই বোধ হয় চার বছরের খুকুটি হয়ে মায়ের সাথে কথা বলছি, আমিই বোধ হয় নদী থেকে ভেসে আসা ভেজা বাতাসে ভিজতেছি!

    মাকে দেখিনা অনেকদিন। খুব মনে পড়ে গিযেছিল তখন। স্বার্থক আপনার লেখা, স্বার্থক আপনার অভিব্যক্তি।

  5. শৈলী সেপ্টেম্বর 3, 2010 at 8:21 অপরাহ্ন

    সম্মানিত শৈলার, একটি বিশেষ কারেক্টারের জন্য উক্ত অপ্রত্যাশিত টেক্সগুলো দেখাচ্ছিল। এখন সংশোধন করা হয়েছে। ধন্যবাদ।

  6. নীল নক্ষত্র সেপ্টেম্বর 4, 2010 at 3:25 পূর্বাহ্ন

    ধন্যবাদ ভাই।

  7. প্রদীপ সেপ্টেম্বর 4, 2010 at 5:11 পূর্বাহ্ন

    ভালো লাগলো , আরো লেখা চাই।

You must be logged in to post a comment Login