শৈবাল

ছড়া : মেঘের ছেলে

Decrease Font Size Increase Font Size Text Size Print This Page

মেঘের কায়ায় বিকেল হলো গোলাপবর্ণ

চোখের মায়ায় তুলো রঙের অরণ্য

নীলছে কুলায় জিরোয় ডানা ফের সায়াহ্ন

পেঁজা পাতায় রাখা আছে পদচিহ্ন

রাখে ফিরায় যতো কথা নোনা উষ্ণ

কী ! গান শুনায় চোখ বুজে যায় চৈতন্য

কে তন্তুবায় ! মায়া মাখা স্বাধীন স্বপ্ন

আকাশ কাঁথায় শব্দ বুনে করে যত্ন

হেথায় সেথায় আলোর খেলা বিস্তীর্ণ

ডানাঝাপটায় কাব্য করে মতিচ্ছন্ন

সেই কবিতায় বৃষ্টি হবে এমন লগ্ন

সব ছুঁয়ে যায় মেঘের ছেলে রাজন্য …

[ প্রিয় কবি রাজন্যের জীবন মেঘের মতোই হোক … সুখী স্বাধীন সুন্দর , ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা , শুভ জন্মদিন কবি ]

একটা পছন্দের গান শুনবেন …http://www.youtube.com/watch?v=8qFMCP1xjWA&feature=related

শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।


13 Responses to ছড়া : মেঘের ছেলে

  1. mahirmahir3@gmail.com'
    আহমেদ মাহির নভেম্বর 1, 2011 at 10:20 অপরাহ্ন

    বাতাসে নিকোটিনের স্বাদ যেন মাঝরাত্তিরের আঁধারকে কিছুটা সহনীয় করে তুলেছে । সদ্য বানানো চা’র কাপে কুয়াশার মতন ধোঁয়াদের চঞ্চলতা । আবহ সঙ্গীতেরও অভাব নেই । মারিও পূজোর লেখা ‘ দ্যা গডফাদার’ এর আবহ সুর বাজছে । শীতের শুরুওটাও এবারে জম্পেস হল । ঝুল-কালি মাখা এ শহরেও অনুভুত হচ্ছে কিছু । আর তার সাথে কায়েস ভাইয়ের লেখা । জমে গেল । :-)
    রূহানী ভাইকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা রইল ।

    • rabeyarobbani@yahoo.com'
      রাবেয়া রব্বানি নভেম্বর 2, 2011 at 2:24 পূর্বাহ্ন

      শীতের সকালগুলোতে তোমার এমন মুক্তলেখা পড়লে আরো জম্পেস হবে ভাইয়া ।

    • imrul.kaes@ovi.com'
      শৈবাল নভেম্বর 2, 2011 at 8:06 পূর্বাহ্ন

      মাহির ভাইয়ের সকালটুকু চায়ের মতোই উষ্ণ আঁচে অনুভব করেছি , রিকসায় যেতে যেতে … শীতের আমেজ এলো বলে সূর্যের আড়াআড়ি রশ্মিগুলো কাছ ঘেঁসেই ছিল এই অল্প পথটা তখন শুধু গায়ে মেখে নিয়েছি হসপিটাল থেকে ফিরেই ভালোবাসা জানাচ্ছি মাহির ভাই ।

      আপনার কবিতা চিঠির ছবির অপেক্ষায় আছি তো ।

      • mahirmahir3@gmail.com'
        আহমেদ মাহির নভেম্বর 3, 2011 at 3:04 অপরাহ্ন

        সব ছেড়ে গ্যাছে কায়েস ভাই । সব … ওসব ছাড়াও চলে যায় । ওসব ছাড়াও কেটে যায় , যায় না কি ?

        • imrul.kaes@ovi.com'
          শৈবাল নভেম্বর 3, 2011 at 6:07 অপরাহ্ন

          যায় বৈকি । কিন্তু আমার ভালো লাগে না এমনটা । রাগ করে একবার লিখেছি


          ছেড়ে যাচ্ছি , ছেড়েইতো যাচ্ছি সেই কবে থেকে

          ছেড়ে যাচ্ছি যেতে যেতে সব ছেড়ে যাচ্ছে

          একে একে বিষন্ন হলদে পাতার মতো

          কখনো নিখিলে বিহারী বিহঙ্গের মতো

          পাঁচিল ছেড়ে প্রিয় কাকটাও ছেড়ে গেলো

          যাচ্ছি বলে …

          ঠিক আছে , কিন্তু যাই বলতে নেই বলো আসি !

          কাকটাও কর্কশ হেসে বলে – ঠিক আছে আসি

          জানি আসবে না

          আমিও যাইনি যা ছেড়ে এসছি আসি বলে

          আমার বয়েজ স্কুল রূপালি বিকেল দিগন্তে আজানা গ্রাম

          প্রিয় সাইকেল ক্রিং ক্রিং

          সব তো ছেড়ে এসছি আসি বলে

          আসি বলে চলে যাচ্ছি চলে যাচ্ছি

          কিছু সবুজ মুখ ভুলে গেছি যারা আসি বলে চলে গেছে

          সবাই যাচ্ছে নামতা পড়ে একে একে

          আমিও ফেরাই না পিছু ডাকে

          যাক সব জাহান্নামে যাক

          তাতে আমার কিচ্ছু আসে যায় না

          • mahirmahir3@gmail.com'
            আহমেদ মাহির নভেম্বর 5, 2011 at 11:18 পূর্বাহ্ন

            দারুন! এতটুকু তো বলতেই পারি ।

            আরেকটা কথা শৈলীর বর্তমান লে-আউট ভয়ঙ্কর রকমের খারাপ । :-(

            • imrul.kaes@ovi.com'
              শৈবাল নভেম্বর 6, 2011 at 4:11 পূর্বাহ্ন

              হুম ভাই । দারুণ শব্দটায় আমার আপত্তি নেই , ” অসাধারণ ” সম্ভাষণটাই আমার ব্যক্তিগত ভাবে পছন্দ নয় । এই অ উপসর্গটাই বাংলায় ভালো খারাপ দুটোতেই একচেটিয়া ভাব মেরে যাচ্ছে যেমন অমানুষ , কেমন যেন abnormal ঠেকে … আমার বিচ্ছন্ন একাকিত্ব শঙ্খবাস প্রিয়তা দেখে ছেলেবেলা থেকে অনকেই বলতে শুনি ছেলেটা কেমন যেন abnormal ! যদিও abnormal , paranormal শব্দগুলো গায়ে খুব মাখিয়ে নিই একটুও জ্বালা করে না এখন আর ।

              শৈলীর পরিবর্তিত এই লে আউট টা প্রথম প্রথম আমার চোখেও আঁশটে আঁশটে লাগতো , এখন মানিয়েছে অভ্যেসে , তবে এখন লোড হতে কম সময় নেয় , অনেক ফুরফুরে

  2. rabeyarobbani@yahoo.com'
    রাবেয়া রব্বানি নভেম্বর 2, 2011 at 2:22 পূর্বাহ্ন

    বাহ মেঘের ছেলে রাজন্য ভাই ! আমাদের রাজন্য ভাইএর নামের মত তার সব স্বপ্ন যেন রাজকীয়তা পায় জন্মদিনে এই দোয়া করলাম ।মাহিরের কমেন্টস পড়ে শীতের সকালটা আবার চেয়ে দেখলাম হ্যা তাই তো ! এমন সুন্দর একটা দিন আমাদের কবি রাজন্যের জীবনে নতুন মাত্রা বয়ে আনুক ।কবি শৈবাল কায়েসকে বিশেষ ধন্যবাদ আর কি দেব ! বিস্মিত হতেই হয় ।

  3. imrul.kaes@ovi.com'
    শৈবাল নভেম্বর 2, 2011 at 8:22 পূর্বাহ্ন

    ভাবলাম কবি রাজন্য আগে বলুক তারপর আমি হাজিরা দিবো । কবি তো এলেনই না , নির্ঘাত নেট ঝামেলা …

    আপনাকে আবার নিয়মিত দেখে ভীষণ ভালো লাগছে আর প্রিয় কবি রাজন্যের জন্মদিনে প্রিয় লেখিকা রাবেয়া রব্বানির অভিনন্দন এই ছোট্ট ছড়াটুকুকে আমার কাছে অনেক বড় করে তুললো যে ।

    আমিও প্রার্থনা করি রাজন্য ভাইয়ের জীবন শীতের সকালের মতোই নিরঞ্জন হোক রাতের আঁধার বরফকাঁচের মতো ভেঙে পড়ুক যেখানটাতেই কবির প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা সূর্যের আলো ছুঁবে ।

  4. রাজন্য রুহানি নভেম্বর 2, 2011 at 7:37 অপরাহ্ন

    কবি, আপনার ভালোবাসার কাছে আমি হেরে যাই প্রতিবার। বাউণ্ডুলে মন মানে না শাসন-বারণ, অকারণ কি কারণে খোঁজে আপন-সাধন। উড়ে উড়ে চলা; ওহ হো, মেঘের ছেলে তো উড়বেই, ভাসবেই বাতাসে… চলিষ্ণু মেঘ… ঐ উঁচুতে… ঐ উঁচুতে… তাই হয়তো ঝড়ের ঝাপটার মতো আচমকা উদয়াস্ত, তবে পারতপক্ষে পাশ কাটিয়ে যাই না কারো ঘরবাড়ি। এ অনিয়মটুকু যে কবুল করতে হবে ভাই।
    …………….
    সারাদিন টইটই করে ঘুরে বেড়িয়েছি। বেশ রাতে নেট খুলেছি। আপনার সৃজনের প্রতি মুগ্ধ চোখে চেয়ে থেকেছি।
    ……………..
    অন্তর ছুঁয়েছো কবি;
    উঠেছে রবি
    অন্তরতম স্থানে,
    সচল হয়েছে ছবি
    গতিময় সবই
    শুদ্ধতার আহ্বানে।

  5. imrul.kaes@ovi.com'
    শৈবাল নভেম্বর 3, 2011 at 12:06 পূর্বাহ্ন

    আপনি আসবেন জানি এতো রাত করে বাড়ি ফিরেন বেশ মজা তো ! বাউণ্ডুলে লোভ লাগলো খুব । এতোক্ষণ দেখতে পারিনি ঘুম কাটলেও চোখের একটা হাঁটুভাঙা ভাব থেকেই যায় পুরোনো দরজার মতো … কিছুটা তন্দ্রা কিছুটা কাজ এখন এসে পুরো হসপিটালটাই যেন কাঁথার ওম নিচ্ছে বাচ্চাগুলোর কান্নাকাটিও শুনছি না … আবার দেখে এলাম সারা রাত কাঁদতে কাঁদতে জিরিয়ে নিচ্ছে , কী বলবো একজন থামলেই আরেকজন শুরু এইসপ্তাহটা একটু কষ্টই হচ্ছে ঈদের তিন দিন ছুটি তাই রোস্টারে একটু কড়া ভাব । তাও ভালো লাগে , যখন লিখতে শুরু করি তখন আলো ছিলো না , ডক্টরস রুমের জানলায় বলছি খড়িস ; মেটো সাপের মতো বাঁকা রাস্তা শরীরগোপন করছিল একপাশে সারি করা লেম্পপোস্টের আলো থেকে , জানেন এই রাস্তাটা আমার ভীষণ প্রিয় ৬টা বছর ভোর সকাল দুপুর সন্ধ্যা রাত সব রূপেই দেখা বলতে পারেন প্রতিটি খাঁজ মুখস্ত পাশে ছোট পাহাড় দুটো , একটাই ছিলো নাকি পরে পাহাড়ের মাঝ কেটেই হোস্টেল আর হসপিটালে সাঁকোর মতো এই রাস্তাটা । তখন অন্ধকারে পাহাড়ের চূড়ার কালো রঙটা মনে হচ্ছিল কোন পাগলের উস্কুখুস্কু চুল ওপারে লাল আভা দক্ষিন পাশ সূর্য না ওটা চিটাংপোর্ট অনেক দূর তাও আভাটুকু নিরবেই জেগে ওঠে অন্ধকার থেকে যেমন জেগে ওঠে ভালোবাসা , এর মধ্যেই বেশ কয়েকবার উঠে গেলাম আবার লিখছি লিখতে ইচ্ছে হচ্ছে , কেন জানি একলাইন দুলাইন করে লিখে যাচ্ছি মনে মানুষটাকে খুব কী মনে পড়ছে নাকি এই কলেজটা । ভালোবাসা কিনা জানি না আমার অনুভূতিগুলো এমন হয়ে যায় মাঝে মাঝে ভালো লাগছে না খারাপ বুঝতে পারি না তবে ভিন্ন কিছু অনুভব করি আমাকে সহজ হতে বলে । কাক ডাকছে হঠাত্‍ অনেক অনেক কেন জানেন …

    আবার এলাম এখন অনেক আলো পর্দার কাজগুলোও জ্বলছে সকাল রোদে কাল মাহির ভাই কুয়াশার কথা বললো আমি দেখছি পাহাড়ের গোমটার ভিতরে কুয়াশা মুখের ভিতরে নাকের ভিতরেও …

    জমাট বেঁধে যায় এই যে থেমে থেমে লিখলাম পোস্ট করেই জমাট কিছু অর্থহীন কথা , প্রলাপ বলতে পারেন আমাদের বলার তৃষ্ণা আর শেষ হয় না । ভালো লাগা শেষ হয় আমাদের প্রতিক্ষা মনে পড়া কিচ্ছু শেষ হয় না … যতদিন আমার শেষ হচ্ছি না , কুয়াশা থেকে মেঘ হচ্ছি না জমাট বেঁধেই থাকতে হবে সেখান থেকেই বন্ধন বন্ধুত্ব ভালোবাসা …

    ছড়াটা ভালো হয় সময় দিতে পারিনি তাই আজ শেষ রাতটুকু আপনাকে দিলাম । কবি ভালো থাকুন আমার বাবা থেকে শিখেছি মন থেকে ভালো আছি বেশ ভালো বললেই ভালো থাকা হয়ে যায় অনেকটা ।
    উঠি খিদা পেয়েছে রাতে না খেয়ে থাকা যায় কিন্তু জেগে থাকা যায় না …

  6. juliansiddiqi@gmail.com'
    জুলিয়ান সিদ্দিকী নভেম্বর 4, 2011 at 8:55 অপরাহ্ন

    চোখের মায়ায় তুলো রঙের অরণ্য

    এই চরণে খানিকটা কমতি আছে লাগে।

    • imrul.kaes@ovi.com'
      শৈবাল নভেম্বর 5, 2011 at 4:32 পূর্বাহ্ন

      অনেকদিন পর এলেন বিনম্র সালাম । ঠিক ধরেছেন , ওটা শেষ পর্বে কমতি অপূর্ণ রেখেছি , আবহমান খুব প্রচলিত ছড়া ছন্দেই লিখেছি , প্রতি চরণ তিন পর্বে প্রতি পর্বে স্বরে চার মাত্রায় শেষ পর্ব কোথাও পূর্ণ কোথাও অপূর্ণ … কোথাও কোথাও সেই সুযোগটা নিয়েছি ।

      চোখের মায়ায় [ চো + খের = ২ , মায় + আয় = ২ > ৪ ]
      তুলো রঙের [ তু + লো = ২ , রঙ + এর = ২ > ৪ ]
      অরণ্য [ অ + রোণ + ণ = ৩ , অপূর্ণ পর্ব ]

      নীলছে কুলায় [ নীল + ছে = ২ , কু + লায় = ২ > ৪ ]
      জিরোয় ডানা [ জি + রোয় = ২ ডা + না = ২ > ৪ ]
      ফের সায়হ্ন [ ফের = ১ , সা + আহ + ন = ৩ > ৪ পূর্ণ পর্ব ]

      আবার আরেকটা অপূর্ণ পর্ব যেমন শেষ পঙক্তির শেষ পর্ব
      সব ছুঁয়ে যায় [ সব + ছুঁ + য়ে + যায় = ৪ ]
      মেঘের ছেলে [ মে + ঘের + ছে + লে = ৪ ]
      রাজন্য [ রা + জন + ন = ৩ , অপূর্ণ পর্ব ]

      আপূর্ণ পর্বে ১ থেকে ৩ পর্যন্ত সুযোগ তো আছেই ।

You must be logged in to post a comment Login