দৃশ্যগল্প- শূন্য চেয়ার

বিষয়: : এলোমেলো,ভালবাসার গল্প |

শুণ্য চেয়ার
(একটি দৃশ্যগল্প)
রাবেয়া রব্বানি

স্থান-এই শহরের একটি ছিমছাম গলি। একটি দোতালা বাড়ির ঝুল বারান্দা। একটি কালো চেয়ার।
চরিত্র-
(একটি ছেলে) ছেলেটি-একটি পঁচিশ বছরের ছেলে।
(একটি মেয়ে) মেয়েটি-একটি বাইশ বছরের মেয়ে।

দৃশ্য এক –
শীতের অলস দুপুর।একটি ঝুল বারান্দায় একটি কালো চেয়ার।একফালি তেছড়া রোদ গায়ে মেখে ছেলেটি সেখানে বসে আছে। তার হাতে একটি গিটার। কোলে উলটো করে রাখা কবিতার বই। সে ভাবনায় বুদ হয়ে তাকিয়ে আছে পাশের পথচলা গলিটার দিকে। গলিটায় থেকে থেকে ফেরিওয়ালাগুলো তীক্ষ্ণ চিৎকার করে যাচ্ছে তার পাশাপাশি কিছু মানুষের টুকরো টুকরো কথোপকথণ আর আরো চলছে রিকশাওয়ালাগুলোর সরব প্রতিযোগীতা। ছেলেটির হঠাৎ মনে হলো এই সব কোলাহল আর তার ভাবনার ভোতা গুঞ্জন ঠেলে একটুকরো কোমল নিরবতা যেন পায়ে হেটে আসছে। সে আরো একটু ঝুকে দেখতে লাগল মেয়েটির গায়ের কফি রঙের শীত পোষাক,মাথায় হাল্কা করে টানা ঘোমটা,কাধের কালো ব্যাগ। মেয়েটিও পূর্ণ দৃষ্টি মেলে তাকালো দোতালাটির বারান্দাটিতে। প্রকট চোখাচোখিতে ছেলেটিই প্রথম চোখ ফেরালো। তার মনে হলো এই মূহুর্তে তার সাথে গ্রীলে ঝুলে থাকা বোগেনভিলিয়ারাও বুঝি সব পুড়ে খাক হয়ে গেছে ।
দৃশ্য দুই-
ফাগুন তার বাতাসে হৃদয়গুলোতে মিষ্টি আমেজ ছড়িয়ে দিচ্ছে। বাতাসের বুক চিড়ে একটা রিকশা যেন নৌকার তালে দাড় টেনে আসছে।একটা সবুজ জামায় মেয়েটি আজ কিছুটা অগোছালো।হাল্কা ব্যাগটাও যেন কোলে পড়ে আছে অবহেলায়। রিকশাটা আরো কাছে আসতেই আড়ষ্ট হতে থাকে ছেলেটি। তবুও অবাধ্য চোখ বার বার চলে যেতে চায়,দেখতে চায় একপলক । ভাবতে ভাবতেই একজোড়া কালো কৌতুহলী চোখে থমকে গেল তার কিছু মূহুর্ত। পাগলা বাতাসে মেয়েটার ভেজা চুলও এলোমেলো হতে চাইল,ছেলেটির এলোমেলো চুল আরো এলোমেলো হয়ে গেল। রিকশাটা ছেলেটির একরাশ ভালো লাগা বোঝাই করে ছুটে চলল দ্রুত।

দৃশ্য তিন –
সূর্য্য যেন তার পুরোটা উত্তাপ ঊপুর করে দিচ্ছে। বারান্দার মেঝেতে পা ফেলা যাচ্ছে না। তবু গরম ছাপিয়ে আজ পথের মানুষগুলোর মুখে পহেলা বৈশাখের উপচে পড়া আনন্দ। ছেলেটিও উত্তপ্ত চেয়ারে বসে ঠায় চোখদুটো পথের ধুলোতে মিশিয়ে দিতে চাইছে। অপেক্ষার গুনিতক গুনতে গুনতে তার হৃদয় মরুভুমিতে বার বার মরীচিকা খুজছে। তার তৃষ্ণার্ত চোখদুটোকে আরাম দিয়ে দুর থেকে একটা লাল বিন্দু আস্তে আস্তে বড় হতে থাকল। যেন একটা যুগ অতিক্রম করল তা স্পষ্ট হতে। হুড খোলা রিকশায় অন্য একটা মেয়ের সাথে লাল শাড়িতে আসছে মেয়েটি। কিছুটা উচ্ছল ভঙ্গীতে সাথের মেয়েটির সাথে সে হাত নেড়ে নেড়ে কথা বলছে। চোখ ভরা কাজল ছোট্ট লাল টিপ,কিছুটা লম্বা চুলের মেয়েটিকে নিয়ে চলমান রিকশাটা একটি দলছুট দখিন হাওয়ার মতোই ছেলেটিকে প্রশান্তি দিয়ে যেতে লাগল। ছেলেটার চোখে অপার মুগ্ধতা, আজ সে লজ্জা পেতে ভুলে গেছে। ছেলেটির এমন দৃষ্টিতে মেয়েটিও যেন জমে একটি পাথরের পরীর মত নিষ্পলক কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো।

দৃশ্য চার-
ছেলেটির ইচ্ছে হচ্ছে বৃর্ষাকালকে তেড়ে বিদেয় করে দিতে। সে বুঝতে পারছে না বিধাতা কি মনে করে বর্ষাকাল পৃথিবীতে দিয়েছেন আর তার কি উপকারিতেই বা আছে। কেননা গত দু দিন সে বারান্দায় বসে থেকেও মেয়েটিকে দেখতে পারেনি। হুড উঠানো পলিথিনে ঢাকা রিকশাগুলোর ভেতরটা বোঝা যায় না। আজ ও সেই নির্ধারিত সময় বৃষ্টি পড়ছেতো পড়ছেই। তবু ছেলেটি ছাতা মাথায় বসে আছে চেয়ারটায়। পানির তোড়ে পুরোটাই ভিজে যাচ্ছে সে।হঠাৎ বিরক্ত হয়ে ছাতাটা ছুড়ে ফেলে দিল।অঝোর ধারার বৃষ্টির পানি বার বার তার চোখ ঝাপসা করে দিচ্ছে। সে বার বার চোখ মুছছে, ভিজতে ভিজতে পথের দিকে তাকিয়ে আছে এক অসামান্য অপেক্ষায়।

দৃশ্য পাচ-
পৃথিবী এত সুন্দর কথাটা যেন আজই বুঝেছে ছেলেটি। তার গীটারের সুর প্লাবনের মত ছেয়ে ফেলছে আশপাশ। মন্ত্রমুগ্ধ পথিকরা হাটার গতি শ্লথ করে দিচ্ছে কিছুটা। শরতের নীল আকাশ ও যেন গালে হাত রেখে কিছুটা ঝুকে এসেছে সুরের মূর্ছনায় । আজ একটু আগে মেয়েটি তার দিকে তাকিয়ে একটু হেসেছে। সেই হাসিই যেন এখন চোখের তারায় বন্ধি করে সে চোখ বুজে গাইছে,
“একটি অপেক্ষার ভুলই জীবন আমার
মাশুল দিবো কি?মরন আমার”?

দৃশ্য ছয়-
বৃষ্টি আর রোদ আজ পালা বদল করছে। ছেলেটি যথারীতি একটু ঝুকে বসে আছে। মেয়েটি আজ পায়ে হেটে আসছে। মাথার চুল চুড় করে বাধা,ব্যাগটা কাধে না নিয়ে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরা। দুর থেকেই সে ছেলেটির দিকে তাকিয়ে আছে। ছেলেটি কিছুটা অবাক আর শিহরীত। কলজেটার নাড়া চাড়া যেন মুঠিতে চেপে রেখে সে তাকায় মেয়েটির চোখাচোখি। মেয়েটিও তাকিয়ে বরাবর দৃষ্টিতে একটুও চোখ নামিয়ে নিচ্ছে না কিন্তু সেখানে মুগ্ধতা আর কৌতুহল নেই,যেন একটি তীক্ষ প্রশ্ন আর অভিযোগ ছেলেটির বিরুদ্ধে।যেন সে বলছে,”তুমি কি ভীতু না কাপুরুষ” ছেলেটির এতদিনের খেলার বালিঘর যেন একটি সশব্দ ঢেউ ভেঙ্গে দিয়ে গেলো। অভিযুক্ত ছেলেটি প্রশ্নটা আর তার অপরাধ বুঝতে পারল যেন।সে নিস্কম্মা জড় পদার্থের মত নিরুত্তর চোখ নামিয়ে নিল।

দৃশ্য সাত-
হাল্কা একটা নিম্নচাপেই শীত ঝেকে বসেছে আজ।। গায়ে বড় চাদরটা জড়িয়ে ছেলেটা কাঠ হয়ে বসে আছে বারান্দায়। তার পুরো চেহারা হতাশার আগাছায় ঢাকা। গীটারটা ঘরের এক কোনে অবহেলায় পড়ে আছে। কবিতার বইটা হাতে ভাজ বব্ধ করে রাখা। অনেকদিন হয় মেয়েটি এই পথ দিয়ে যায় না।সময় যেন আবার সেই ঘুন ধরা পোকার মত ডেকে যাচ্ছে। তবুও সে এখন চোখদুটো পাথর বানিয়ে পথে বসিয়ে দিতে চাচ্ছে, বুকে হাত দিয়ে বুঝতে চাচ্ছে শীতার্ত ফাটা চৌচির হৃদয়টায় আশা আর কতটুকু বাকি।

দৃশ্য আটঃ-
দামাল বাতাস বেহায়া বেলাজের মত আজ আবার বারান্দা ছাপিয়ে যাচ্ছে। সেখানে বসতে বেশ অসুস্থ বোধ করছে ছেলেটি। বাতাসের রূপ নিয়ে কিছু সুন্দর মূহুর্তের স্মৃতি তাকে গলা টিপে মেরে ফেলতে চেয়েও যেন মারছে না,তাড়িয়ে তাড়িয়ে কেবল কষ্ট দিয়ে যাচ্ছে। ছেলেটি অস্থির হয়ে নিচে নেমে এসে সদর দরজায় দাঁড়িয়ে থাকল কিছুক্ষণ। একটু হাঁটবে বলে পা বাড়াতেই সামনে তাকিয়ে আবার থমকে গেল সে।ঝাঁক ঝাঁক আলোর ভীমরূল যেন ছুটে আসছে তার দিকে। রূপহীণ রাস্তাটাকে আলোয় বন্যায় ভাসিয়ে একটি নীল শাড়ি,খুচরো কিছু গয়নার সোনালী চমক,চোখ ভরা কাজল ছেলেটার চোখ বহুদিন পর আবার ধাঁধিয়ে দিল। আলোর বন্যায় ডুবে যেতে যেতে ভেসে উঠা চেতনায় বুঝল মেয়েটি এখন যুগল ছবি। ঘোর ভাঙ্গল ছেলেটির।বাতাসের বিপরীত দিক থেকে আসায় রিকশাটার গতি এখন ধীর। মেয়েটিও তাকে বিস্ময় নিয়ে দেখছে।মেয়েটার চোখ অনুসরণ করে ছেলেটা নিজের পায়ের দিকে তাকালো এবার। ক্রাচে ভর দিয়ে আর এক পা এগিয়ে এলো মেয়েটিকে দেখতে নয়,বরং নিজেকে ভালোকরে দেখাতে। তার চোখে জমে উঠা পানিটা চিকচিক করার আগেই রিকশাটা তালে পেছনে ফেলে চলে গেল। ছেলেটি অপর দিকে ছুটে চলা রিকশাটা দেখতে থাকলো যতক্ষণ দেখা যায়।।ঘাড় পর্যন্ত এলোমেলো চুল,ধুসর টি-শার্ট, দুটো ক্রাচ,অচল পায়ের পাজামার বাতাসে উড়ন্ত ভঙ্গি যেন মানুষের অপারগতার চিরচেনা একটি বিষন্ন স্থির চিত্র হয়ে রইলো।
শেষ দৃশ্যঃ
ঝুম বৃষ্টি। শুন্য বারান্দা,কালো লোহার চেয়ারটা ভিজছে,তাতে ঝরে পড়ছে গন্ধহীন কিছু বোগেনভেলিয়া।

………………………………………………………………………………………………………।।

ই বুক সৃজনে প্রকাশিত।
(এই গল্পটি নিয়ে আমার মনের মাঝেই খুব দ্বিধা আছে।দৃশ্যগল্প নামে কোন ক্যাটাগরী আদৌ আছে কিনা বা এই প্রক্রিয়ায় লেখা হয়েছে কিনা তাও জানিনা।দৃশ্যগুলো জুড়ে গল্পটা ঠিকঠাক দাঁড়িয়েছে কিনা তাও জানিনা।তবে এটা জানি গল্পটা লিখতে আমার বেশ ভালো লেগেছে।গল্পটার প্রেরনায় ছিল রুপ কুমার ড়াঠোরের একটা গজল।যদিও আমি জানি ব্লগে হিন্দি গান শোনা নিয়ে বিতর্ক আছে।তবু আমি লিঙ্কটা সাহস করে শেয়ার করব।ঠিক আত্মপক্ষ সমর্থণ না তবে একটু করে বলতে পারি।আমি বাংলা হিন্দি উর্দু ইংরেজী সব গান শুনি শুনব।তাতে দেশপ্রেমের সাথে কোন লেনদেন নাই।আমাদের পৃথিবীতে যদি এলিয়েন আক্রমন করত তবে হয়ত মানুষ ভাষার ব্যাপারে উদার হত বাংলা ভাষাকেও কেউ অবজ্ঞা করত না বা যারা য়ামাদের ভাষাকে অবজ্ঞা করে তাদেরও ঘৃনা করা হত না ।বাংলা গান শুনা মানে স্ট্যাটাস কমে যাওয়া ভাবতো না আর হিন্দি বা অন্যান্য গান শুনলে দেশপ্রেমে ঘাটতি পড়বে এমন ভাবতো না।আর কেউ যদি আমাদের ভাষাকে অসম্মান করল তবে আমি বলব তারা মূর্খ কিন্তু আমরা নই। যাই হোক এইকথাগুলো বললাম যাতে বিতর্ক না হয়।এখানে দুটো গানের লিঙ্ক দিলাম।একটা বাংলা আর একটা গজল।যারা গান শুনতে ভালোবাসেন তাদের ভালো লাগবে)

মেঘ জমে আছে মন কোনে।

পিয়া না রাহে মন বাছিয়া

rabeyarobbani@yahoo.com'
চারিদিকে দেখ চাহি হৃদয় প্রসারি , ক্ষুদ্র দুঃখ সব তুচ্ছ মানি ।প্রেম ভরিয়া লহ শুণ্য জীবনে ।আনন্দ ধারা বহিছে ভুবনে ।
শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।

26 টি মন্তব্য : দৃশ্যগল্প- শূন্য চেয়ার

  1. ই বুকে পড়েছি , ভালো হয়েছে এখন সব শৈলাররা পড়তে পারবে । ছোট্টগল্প দৃশ্যকল্প … সুন্দর লেখা ছলছলে , কৃতজ্ঞতা গল্পটা শৈলীতে ছাপালেন তাই । পিসিতে বসলে গানদুটো শুনবে তবে অর্থ না বুঝলে কিন্তু আপনাকেই বিরক্ত করবো ।

    imrul.kaes@ovi.com'

    শৈবাল
    নভেম্বর 12, 2011 , 10:06 পূর্বাহ্ন

    • অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।আসলে লেখাটা নিয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী নই।শেয়ার করা আর কি।:)

      rabeyarobbani@yahoo.com'

      রাবেয়া রব্বানি
      নভেম্বর 12, 2011 , 12:56 অপরাহ্ন

      • বা রে ! সে কি কথা ! আত্মবিশ্বাসী নই … এতো সুন্দর করে বলা গল্পটা ! এটা কী অস্বীকার করতে পারেন প্রতিটা কাঁচের দৃশ্য আর তাতে রোদের কাজগুলো অনুভব করে লিখেন নি , একটা একটা করে ?
        … এটা হয়তো স্থূল কোন গল্প নয় যা সমাজ বা রাষ্ট্র দেখাচ্ছে , তারপরেও ঐ ছেলেটা যদি সত্যিই থাকতো তার জন্য এটা খুবই ছোট্ট কিছু কী কিংবা ঐ মেয়েটার জন্যও !

        মাফ করবেন এভাবে বলা ঠিক না , শুধু গল্প ভেবে পড়ে গেলেই বেশ হতো , একটু অনুভব করে পড়তে চেয়েছি বলেই অযাচিত আবেগ পেয়ে বসেছে আর তাই ঐ জোড়ার পক্ষ থেকে জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি …

        আমি গল্প লিখতে পারি না বুঝিও না হয়তো অনেক কিছু তারপরেও হেঁজিপেঁজি বলে বিরক্ত করি , বিষ নেই তার কুলোপানা চক্কর এই আর কি !

        তবে জানেন উলটো পালটা যাই বলি তা আরেকবার পড়েই বলছি ঐ কালো চেয়ারটায় বসে … যখন মেয়েটা আসছিল বুকে টিপটিপ করছিল এটা মিথ্যে না …

        যে কেউ পড়ুক লেখাটা ভালো বলবেই … যদি কেউ পড়ে ! যদি বলছি কারণ শৈলাররা এখন শীতের ভয়ে নিজ ঘরের বাইরে একটা পাও ফেলে না , জানলা খুলে প্রতিবেশীদের বাগানের গোলাপটাও বোধহয় দেখতে চায় না , এইধরণের কথা বলার অভ্যেস আমার নেই … নতজানু হয়ে মাফ চাচ্ছি পুরাতন শৈলার যারা আসেন না আর নতুন শৈলার যারা নিজ পোস্ট ছাড়া অন্য পোস্টে চোখ মেলেন না , সবার জন্য শুভ কামনা ।

        আর কি আপনার কাছে অনুরোধ লিখি যাবে পড়ে থাকুক না এই শুন্য চেয়ার এই শৈলী , আমি পড়বো

        imrul.kaes@ovi.com'

        শৈবাল
        নভেম্বর 12, 2011 , 3:39 অপরাহ্ন

        • অনেক ধন্যবাদ অনুপ্রাণিত হলাম।
          হ্যা ভালো থাকুন।
          আসলেই অনেক শৈ্লার ছিলেন তাদের মিস করি। সবাই যাতে আবার ফিরে আসেন এই কামনায়…………।।

          rabeyarobbani@yahoo.com'

          রাবেয়া রব্বানি
          নভেম্বর 13, 2011 , 3:44 পূর্বাহ্ন

  2. অন্যরকম লেখা তাই খুটিয়ে খুটিয়ে পড়লাম আর দৃশ্য গুলো নিজের চোখে ধরা দিল খুব সহজে , ভালবাসার মিষ্টি প্রেমের গল্প । নতুন সব কিছুকেই সাধুবাদ জানাই । আপনার চেস্তাকে ও । অনেক শুভকামনা রইল ।

    তৌহিদ উল্লাহ শাকিল
    নভেম্বর 13, 2011 , 2:58 পূর্বাহ্ন

    • শাকিল ভাই ধন্যবাদ।আসলে নতুন পুরাতন জানিনা ঠিক গল্পটা আমার কাছে এভাবেই এসেছে।আমি দৃশ্যগুলোই দেখতে পেয়েছি আলাদা আলাদা ভাবে।আর লিখে ফেলা।আপনার কমেন্টস এ অনুপ্রাণিত হলাম।
      শুভ কামনা। :)

      rabeyarobbani@yahoo.com'

      রাবেয়া রব্বানি
      নভেম্বর 13, 2011 , 3:40 পূর্বাহ্ন

  3. আগেই পঠিত; কোথায় পড়েছি, মনে পড়ছিল না ঠিক। শেষাংশে বন্ধনীতে আপনার কথন পড়ে চট করেই স্মরণে এলো, হ্যাঁ, গল্পটি সৃজনে প্রকাশিত।
    ……….
    আলাদা এক মাত্রার ভাব ও অনুভূতির মিশেলে গল্পটি সত্যিই চমৎকার। প্রত্যেক সিক্যুয়েন্সই যেন কোনো অপার্থিব স্বপ্নদৃশ্যের বর্ণন, যে বোধ পৃথিবীর প্রকৃতিতে মিলেমিশে একাকার। জোড়া দিলে বর্ণিল এক আমেজ পাওয়া যায় অনুভবে, চলমান প্রবাহের গতিময়তায়।
    ………
    সময় পেলে গান দুটো শোনার আশা রাখছি।

    রাজন্য রুহানি
    নভেম্বর 13, 2011 , 3:55 পূর্বাহ্ন

    • রাজন্য ভাই, অনেক অনুপ্রাণিত হলাম আসলে।আমি ঠিক বুঝতে পারিনি পাঠক এটা কিভাবে নিয়েছে বা নিবে।সাহস করে এমন কিছু ভাবনা লিখতে পারবো তাহলে।অনেক শুভকামনা।শীতের সকালের রোদের নরম উষ্ণতা প্রবাহিত হোক জীবনে।

      rabeyarobbani@yahoo.com'

      রাবেয়া রব্বানি
      নভেম্বর 13, 2011 , 4:10 পূর্বাহ্ন

  4. লেখা নিয়ে experiment করছেন। খুব ভাল। ব্লগেতো এই চাই।

    quazih@yahoo.com'

    কাজী হাসান
    নভেম্বর 14, 2011 , 2:32 পূর্বাহ্ন

    • :)
      এক্সপেরিমেন্ট ঠিক ইচ্ছাকৃত না এভাবেই এল গল্পটা।কৃতজ্ঞতা গল্পটি পড়ে সহযোগীতার জন্য।
      নিরন্তর ভালো থাকুন।

      rabeyarobbani@yahoo.com'

      রাবেয়া রব্বানি
      নভেম্বর 14, 2011 , 9:27 পূর্বাহ্ন

  5. Bha,dharun!!!!!!!!!!!

    mannan200125@hotmail.com'

    চারুমান্নান
    নভেম্বর 14, 2011 , 5:56 পূর্বাহ্ন

  6. লেখকের অনেক স্বাধীনতা থাকে। দৃশ্য কল্প সেটার একটা উদাহরণ । এটা আপনার স্টাইল। ….একটা সাদামাটা গল্প উপমার উপর কি অসাধরণ হয়ে ওঠে এটা কিন্তু তার উদাহরণ।

  7. অনেক দিন পরে এলেন।বেশ ভালো লাগল।আপনার অনুপ্রেরনায় সব সময় সাহস পেয়েছি।আজ ও পেলাম।সতত শুভকামনা।

    rabeyarobbani@yahoo.com'

    রাবেয়া রব্বানি
    নভেম্বর 14, 2011 , 9:30 পূর্বাহ্ন

  8. আপনার চেষ্টাসমূহ প্রাণময়। প্রথম থেকেই দেখে আসছি আপনার ভেতরে সৃষ্টিশীল এক স্বত্ত্বার নিবাস। প্রকাশটা তাই এত বিন্যস্ত, শিল্পের আঙিনা ছুঁই ছুঁই। আপনি পারবেন। গল্পের জন্য ভালবাসা।

    bonhishikha2r@yahoo.com'

    বহ্নিশিখা
    নভেম্বর 16, 2011 , 8:22 পূর্বাহ্ন

    • অনেক দিন পর এলেন বহ্নি আপা।চেষ্টাগুলো মনের আনন্দের জন্য ।অনেক অনুপ্রেরণা পেলাম আর পাই।ভালো থাকুন।নতুন পোষ্ট দিন।শুভ কামনা।

      rabeyarobbani@yahoo.com'

      রাবেয়া রব্বানি
      নভেম্বর 17, 2011 , 3:18 পূর্বাহ্ন

  9. পড়লাম। পড়া শেষ হলে স্তব্ধ হয়ে রইলাম। বোঝার চেষ্টা করলাম লেখকের মনোঃজগৎটাকে। একসময় মনে হলো, ছেলেটি কি প্রথম থেকেই পঙ্গু ছিল? না কি কিছু একটা ঘটে গেছে গল্পের মাঝামাঝি সময়কালীন? ঠিক বলছি তো।

    আপনার ইদানীংকালীন গল্পগুলো পড়ে এতটুকু মনে হচ্ছে, আপনি গল্পের গভীরের লোক। শুধু শুধু সাহিত্য নিয়ে আগাননি। কিছু একটা শিল্প নির্মাণ করতে চান। চান সত্যিকারের আপনার লেখক সত্ত্বাকে জাগ্রত করতে। সেই দৃষ্টিভঙ্গিতে বলবো, অপূর্ব একটা গল্প। একটা শিল্প। চমৎকার ভাষার কাজ। প্লটটার নির্মাণও অপূর্ব। গান দু’টো শুনে মনে হলো, আপনি সুর এবং ছন্দের মাঝে থেকে এই গল্পটি নির্মাণ করেছেন। সে কারণেই গল্পের আরম্ভ, বিস্তার এবং সমাপ্তিতে একটা ছন্দময় সৌন্দর্য রয়েছে।

    আপনার আগের গল্পেরও মন্তব্য করে এসেছি কাল। দেখে নেবেন। ভাল থাকুন।

    shamanshattik@yahoo.com'

    শামান সাত্ত্বিক
    নভেম্বর 20, 2011 , 3:15 পূর্বাহ্ন

  10. শামানদা আপনার আগের দিনের কমেন্টস পড়ে আমি মুগ্ধ।হ্যা আসলে একটি ওয়েটিং রুম অনুভবের সমসাময়িক সময়ে লেখা।জুলিয়ান ভাই আর আপনার অভিজ্ঞ কমেন্টস থেকেই হয়ত চেষ্টা করছি শোধরানোর।
    আমার গল্প কষ্ট করে পড়ছেন আমি বিস্মিত আর নির্বাক।অযুত কোটি বার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
    এই গল্পের কথা বলতে গেলে,
    হ্যা আমার লেখা অনুযায়ী ছেলেটা প্রথম থেকেই পঙ্গু আর নিসঙ্গ ছিল তাই বারান্দায় অলস সময় কাটানো।আর তার সাদা কালো জীবনে একটুকরো রঙ্গীন সময় শুরু হলো মেয়েটার জন্য অপেক্ষা।ঋতু দিয়ে গননা করলে দেখবেন প্রায় একবছর ধরে ছেলেটা শুধু বারান্দায়ই অপেক্ষা করে কখনো নিচে নামে নি বা মেয়েটার সামনে দাঁড়ায় নি।এরকম ই বোঝাতে চেয়েছি কতটা পেরেছি জানিনা।আপনার কমেন্টস পড়ে মনে হচ্ছে অসমাপ্ত গল্পগুলো শেষ করে ফেলি।:D
    হ্যা গানটা শুনেই গল্পটা এভাবে লিখা।
    এতো মনোযোগ দিয়ে পড়েছেন!!! :rose: :rose: :coffee: :cake:
    নিরন্তর ভালো থাকুন।

    rabeyarobbani@yahoo.com'

    রাবেয়া রব্বানি
    নভেম্বর 20, 2011 , 3:39 পূর্বাহ্ন

  11. শৈলী গল্পটিকে “এক্সক্লুসিভ” মর্যাদা প্রদান করল। আপনাকে অভিনন্দন!

    শৈলী
    নভেম্বর 20, 2011 , 6:35 অপরাহ্ন

  12. শৈবালের পক্ষ থেকেও দৃশ্য গল্পটিকে এক্সক্লুসিভ অভিনন্দন ।

    এক্সক্লুসিভ হলে তো ঐ পোস্টকে প্রথমে পৃষ্ঠায় তুলা হয় তাতে খুঁজে পেতে সহজ , কিন্তু এটাতো এখনো আসেনি …

    imrul.kaes@ovi.com'

    শৈবাল
    নভেম্বর 21, 2011 , 3:14 পূর্বাহ্ন

  13. Exclusive congrats….

    quazih@yahoo.com'

    কাজী হাসান
    নভেম্বর 21, 2011 , 4:45 পূর্বাহ্ন

  14. অসংখ্য ধন্যবাদ হাসান ভাই।

    rabeyarobbani@yahoo.com'

    রাবেয়া রব্বানি
    নভেম্বর 21, 2011 , 5:25 পূর্বাহ্ন

  15. :rainbow:
    অভিনন্দন।
    :star:

    রাজন্য রুহানি
    নভেম্বর 21, 2011 , 5:56 পূর্বাহ্ন

মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে। Login