শূন্যসালের দশটি কবিতা

Filed under: ‌কবিতা |

১. সমস্ত বেদনাশ্রু

সময়ের স্রোতে গা ভাসিয়ে সারসের মতো
সবাই চলে গেছে সাগর-সঙ্গমে,
স্বপ্নহারা শুধু আমিই পড়ে আছি বরফরাতে একা।
সনির্বন্ধ চোখের দৃষ্টি সখ্য পায় না কোথাও;
স্ববান্ধব বুকের যাতনা কেবল সন্ত্রস্ত রাখে আমায়।

স্বতীত্ব লুট হওয়া শেষে আমি কোনো সন্তপ্ত কুমারীর সাধ;
সমাজের কাছে একঘরে— মৃত্যুর সম্ভাব্য কুটুম।
সময়ের কষাঘাত এই অন্তর্ভেদী আয়ুষ্কালের ভিতর
সলিল-সমাধির ইতিহাস রচনা করে যায়
সমস্ত বেদনাশ্রু।

১৯ এপ্রিল ২০০০


২. প্রতারণার ফাঁদ

নীরবে প্রতারণার জাল বিছিয়ে চলে গেছো আড়ালে কখন
পাই নি টের
যখন নড়বার বিন্দুমাত্র যো নেই
খোলা নেই কোনো পথ
বুঝলাম
তোমার মায়াবী চাতুরতা
সত্যিই ঈর্ষণীয়

নাহয় মানুষ ব্যবহার করে মোক্ষম অস্ত্রবিদ্যা
শত্রুর জন্য
আমিও কী শত্রু ছিলাম
অলখে পেতে গেছো মৃত্যুফাঁদ

অই ফাঁদে আটকে পড়া আমি এক অসহায় শিকার

২৭ এপ্রিল ২০০০


৩. এ কোন পাপের ঋণ

নিয়তির বাগানে যেন আমি এক ঘাসফড়িং;
উড়ে বেড়ালাম কত— গুণে গেলাম
সূর্যের বয়স
ফুলের কলঙ্ক কপালে বেঁধে গেলাম মেঘের ওপারে—
চাঁদের বুড়ির চোখেও বিষাদের নীরবিন্দু,
ঘুরেই চলছে হাতে প্রায়শ্চিত্তের চড়কা

পাথরে পাথর ঘষে আগুন ধরালাম নিজের দেহে
তবু শেষ হয় নি দেনা—– ঘিরে ধরেছে কেবলই
অমাবস্যা রাতের রিপু
বাস্তু থেকে উদ্বাস্তু হলাম
পথের খোঁজে হারালাম পথ…
তবে এ কোন পাপের ঋণ শোধ করে যাবো রক্তে
এক রক্তখেকো দেবতার কাছে?

১৭ মে ২০০০


৪. যেদিন ওঠে আসবে শঙ্খনীল

দু:সহ বেদনার তীরে যেদিন ওঠে আসবে শঙ্খনীল
কোনোকালের শেষ বিপ্লবের চোখরঙা ভোরে,
রূপকথার মধুচন্দ্রিমায়
গাঁজাখোরের মতো বুঁদ হয়ে
রঙে রঙে ছবি আঁকবে যৌবনা প্রজাপতি।
শব্দভুক চিল উড়বে না আকাশে— বৃষ্টির পালকে আর
কালোক্রোধের বজ্র ধরাবে না জল্লাদাগুন;
দু বাহু বাড়ায়ে উড়ে যাবে মেঘে মেঘে বাঙলার মানচিত্রের রং,
বর্ণখেকো দানবের চোখ ঘেঁষে পঙ্গপালের মতো
নি:শেষ হবে কুক্ষিগত বৃত্তাধীনতা— সমস্ত অপশক্তি।

শঙ্খনীল ওঠে আসবে যেদিন
এক পুনরুত্থানের মতো স্বকীয় মহিমায়,
মাতৃস্নেহের ছায়ায় বসে শুনবো সমুদ্রের সুকান্ত গর্জন
চারদিকে
ধ্বনিত হবে শান্তি… শান্তি… শান্তি…

১৫ জুন ২০০০


৫. চতুষ্কোণ

চতুষ্কোণ সময়ের বেলেল্লা চোরাবালির ব্যাপ্তি
মঙ্গলদীপ নিভিয়ে দেয় ক্রমাগত
ক্রমিক সমানুপাতী পূণ্য শূন্যতা পাপের মতন;
বাড়ন্ত সূর্যের ভিতর নববধূরাত নগ্ন হয়ে
চারদিকে ছড়ায় প্রাগৈতিহাসিক ধ্বংসগীতির বুদ্বুদ—
চকিতে চাক্ষুস চোখে দেখা দেয়
স্নায়ুবিক সত্যতার রূপ— ঈশ্বরের এপিটাফ।

৩ জুলাই ২০০০


৬. পাজরহীন মরুবাসর

যে জন ভেঙে গেছে বুকের পাজর অবলীলায়—
মৃত স্বপ্নবাসর— বিষবৃক্ষের কাটার উৎপাতে
মরণোম্মুখ এই নাগরিক জীবন।
দৈবাৎ সুখপাখি
কবেকার স্মৃতির তৃণলতা এনে কখন বুনেছিল
জীর্ণ থুত্থুরে বাসা,
আটপৌরে দ্যোতনাহীন হাওয়ার হল্কায়
পুড়ে ছাই বর্ণমালাহীন আদিমে—

শুধু বুকে ভর করে চলা সরীসৃপের মতো
সময়ের সম্বিৎ—- পাজরহীন মরুবাসর।

১১ জুলাই ২০০০


৭. কবুতর

কোত্থেকে খড়কুটো এনে ঢাকতে চায় হৃদয়ের সুক্ষ্ম ফাটল
বিধ্বস্ত ঝড়ের রাতে ওড়ে যাওয়া কবুতরদের সংসারে
বড়ো বিপন্ন সময়ের কোনো অসতর্ক মুহূর্তে
বেঁচে থাকবার শেষ ব্যাকুল চেষ্টার টানে;
হয়তোবা গতজন্মের কবুতর প্রাণের রেশটুকু রয়ে গেছে
এই দেহখাঁচার ভিতর,
বারবার ফাটল ঢেকে তাই ভয়ঙ্করের হাত ধরে একদিন
জীবন সাজাতে চায়
মৃতস্বপ্ন জাগরিত করবার ধূসর চেষ্টায়
কম্পিত হাতের কারুকাজে দু:খের নকশিকাঁথায়।

২৮ জুলাই ২০০০


৮. স্মৃতি সংক্রান্ত
(কবিবন্ধু শৈবাল কায়েসের প্রতি উৎসর্গীকৃত)

স্মৃতিরা ক্রমশ ডেকে আনে দেহে কবন্ধ অন্ধকার;
কিছুই করার নেই আর
যখন ঘুমহীন বিষণ্ন রাতে হয় মরণযন্ত্রণা,
আনমনা
সমব্যথী পেঁচা ডুকরে কেঁদে ওঠে চাঁদের বুক চিরে—
হৃদয়ের বন্দরে শুধু কষ্টরাই ভিড়ে।

স্মৃতির সংসারে ওড়ে বিষ ও বিনাশ;
মুমূর্ষুর প্রাণে রয়ে যায় তাই দু:খের দীর্ঘশ্বাস।

৩১ জুলাই ২০০০


৯.  নিরীক্ষা

চৈত্রের আগুনে জ্বলে পুড়ে ছাই হওয়া
আরও একধাপ মৃত্যুর কাছে যাওয়া;
মৃত্যু ও জীবন যেখানে লীন
সেখানেই ভালোবাসা ফোটে অমলিন।

২ নভেম্বর ২০০০


১০. সোনা নয়তো অঙ্গার

কামারের হাতুড়ির নীচে আকৃতির অপেক্ষায় লাল হওয়া লৌহজীবন;
চিতার আগুন না জ্বললে বুকে— হয় না কিছুই— অনড় পড়ে থাকে
বাস্তবের আয়তন। পুড়ে পুড়ে সোনা খাঁটি হয়;
পাখি উড়ে উড়ে বুঝে যায় একদিন আলোর মাহাত্ম্য যত।

দূরে যাও শালিখ, এসো মাংসভুক শকুন আর চিল;
প্রাণটুকু রেখে নিয়ে যাও বাহ্যিক বড়াই— নিষ্পেষিত আঁধার
যতটা গুমবিদ্যা জানে, তারও অধিক তুমি শাশ্বত অগ্নি;

অগ্নিকে ভালোবেসে আমি খাদহীন সোনা হতে চাই,
নয়তো অঙ্গার।

১০ ডিসেম্বর ২০০০

শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।

42 Responses to শূন্যসালের দশটি কবিতা

  1. সব কয়টি ভাল লেগেছে । :rose: :rose: :rose: :rose: :rose:

    touhidullah82@gmail.com'

    তৌহিদ উল্লাহ শাকিল
    নভেম্বর 21, 2011 at 1:17 অপরাহ্ন

  2. শীতের এই সময়টায় নভেম্বর ডিসেম্বর করে স্কুলের ছুটি পাওয়া যায় ঐ সময়টায় নানুর বাড়ি বেড়াতে যেতাম । নানু যে ঘরটায় থাকতো তার কোণায় অনেক পুরাতন কাঠের তৈরী বড় একটা সিন্দুক ছিলো , আমি যখন যেতাম তখন নানু ঐ সিন্দুক খুলে একটা কাঁচের গোল বয়াম বের করতো তাতে থাকতো সরষে মাখা তেঁতুল , উফ ঐ বয়ামটায় একটা মোহ ছিলো আমার ।

    কী অদ্ভুত তাই না ! কিসের মধ্যে কী বলছি ! আপনার এই শিরোনামটা পড়তেই একটা গন্ধ নাকে এলো , ঐ যে সিন্দুকটা ছিলো তার দরজা খুললে এমন একটা গন্ধ নাকে আসতো ।
    জানেন কবি ছুটির ঐ কয়টা দিনের জন্য আমি একটা বছর অপেক্ষা করতাম যখন ভোর বেলা উঠে স্কুলে যেতে হবে না , বিকেলগুলো শুধু জানলায় দাঁড়িয়ে কাটবে না , হুজুরের আরবী পড়া থাকবে না , রাতের পড়াও না , নিষেধহীন ছুটোছুটি অনেক ছেলেপেলে … ধুলো মাখা একেকটা ভূত ।

    সেই সরষে তেল মাখা তেঁতুলের স্বাদ পেয়েছি ” সমস্ত বেদনাশ্রু ”
    ” প্রতারণার ফাঁদ ” ” এ কোন পাপের ঋণ ” ” কবুতর ” ” সোন নয়তো অঙ্গার ” এই কবিতাগুলোয় অন্য এক ছবি দেখেছি আপনার নাকে নিচে ছোট্ট ছোট্ট গোঁফ এলো চুল , চোখে কমলা রোদ । অপূর্ব রাজন্য ভাই আপনার লেখা এতো নিটোল কবিতা আগে পড়িনি এতো সহজ এতো সুন্দর অন্য রকম …

    বাঁকি কয়টায় আপনার বিজ্ঞরূপের গম্ভীর প্রকাশ যাতে আপনি আমাদের রাজন্য রুহানি ।

    অনেক কথা বলি কবি , বলতে পারেন সহজ হয়ার ভান ধরি কারণ আমি সহজ থাকতে চাই , এতো কথা বলা হয়তো ঠিক না তাও বলি নিজের উচ্ছাস কে ধরে রাখতে পারি না আপনার , আপনাদের লেখা পড়ে , মনের মানুষ বলে হয়তো বেশি অনুভব করি কিংবা মুখোশ পরে থাকি তবে কি জানেন ! মুখোশটা যে আমার মনেই আঁটা ।
    ক্ষমা করবেন আমার বাতুলতাকে ।

    আরেকটা খটকা আমি জানি সখ্যতা শব্দটাতো ভুল বিশেষ্য হলো সখ্য আর বিশেষণে সখী , আপনিও লিখেছেন সখ্যতা আবার অনেক প্রিয় কবির কবিতায়ও পড়েছি , এই নিয়ে কি কিছু বলতে পারবেন ?

    একটা জিনিস চাইতে ইচ্ছে করছে খুব আপনার কাছে , ” স্মৃতি সংক্রান্ত ” যদি বিশেষ কাউকে উত্‍সর্গ করা না হয়ে থাকে এরই মধ্যে , ঐ কবিতাটা আমাকে দিবেন কবি ?

    imrul.kaes@ovi.com'

    শৈবাল
    নভেম্বর 21, 2011 at 2:49 অপরাহ্ন

    • বাহ, দারুণ মিল তো! আমি আজ জংধরা পুরাতন ট্রাংকটাকে ফেলে দিতে মনস্থির করি। ডালা খুলে কাগজপত্র, ডায়েরী, লিটল ম্যাগসহ দরকারি কিছু দস্তাবেজ অন্যত্র সরাই। এক ফাঁকে চোখে পড়ে শূন্যসাল নিয়ে তৈরি করা ১০টি বাছাই কবিতার পাণ্ডুলিপি। পাণ্ডুলিপিটি তৈরি করেছিলাম সে সময়ে আমাদের জেলার ৫জন তরুণ কবির ১০টি করে মোট ৫০টি কবিতা নিয়ে একটি বই বের করার জন্য। যিনি উদ্যোক্তা ও বুদ্ধিদাতা ছিলেন, তার কাছে টাকাও জমা দিয়েছিলাম আমরা। একটি দুর্ঘটনায় পড়ে তিনি আমাদের দেওয়া টাকা খরচ করেও বিশাল ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দিন যাপন করছিলেন। আমরা সবাই তাকে সম্মান করতাম এবং কাছের লোকও ছিলেন তিনি আমাদের। বইটি বের হবে না বুঝতে পেরে, মুখ ফুটে জোর গলায় কিছু বলতেও বাধে, এমন অবস্থা যখন, একদিন তার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে আমার পাণ্ডুলিপিটি নিয়ে এসেছিলাম। সেই থেকে ওটা ট্রাংকেই পড়ে ছিল। সে অনেক কথা, স্মৃতিময় ও তারুণ্যমুখর দিনগুলি মুহূর্তেই ভেসে উঠলো চোখের পর্দায়। কোনোকিছু ভাবনাচিন্তা ছাড়াই নষ্টালজিক মন্ত্রচ্ছন্ন কী এক মায়ার টানে শৈলীতে দিলাম পোস্ট করে। যাক, পাণ্ডুলিপিটি তো প্রকাশযন্ত্রণা থেকে অন্তত মুক্তি পেল।
      আপনার ধারণাই ঠিক। সখ্যতা ভুল। কবিরা কেন লেখে, তাও অজানা। আমার স্বাভাবিক ছন্দে এটি এসে পড়েছে, পড়ে মনে হলো, তাই তো! দিলাম পরিবর্তন করে।
      …..
      আপনাদের ভালোবাসায় সিক্ত হই রোজ। না না বন্ধুবর, এরই মধ্যে অন্য কেউ নেই; “স্মৃতি সংক্রান্ত” কবিতাটি আপনার নামেই উৎসর্গ করলাম।
      …..
      উষ্ণতা পাঠালাম। :heart:

      রাজন্য রুহানি
      নভেম্বর 21, 2011 at 5:15 অপরাহ্ন

  3. হুম উষ্ণতা পৌঁছে গেছে , এমনি আজ চাপ বেশি সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে লিখছি … কৃতজ্ঞতা জানাবো না , আদায় করে নিয়েছি যে , আপতত আসি নাইট ডিয়্যুটি

    imrul.kaes@ovi.com'

    শৈবাল
    নভেম্বর 21, 2011 at 5:48 অপরাহ্ন

  4. ডিউটির ফাঁকে আবার যেন মাথায় কাব্যচিন্তার উদয় না হয়। ডাক্তার আর কবি, দুটো ভিন্ন কাজ কিন্তু। :laugh:
    আপনার চেষ্টায় রোগীরা সুস্থতা ফিরে পাক, সবুজ হোক তাদের বেঁচে থাকবার সাধ, এই কামনায় শুভ রাত্রি।
    [-O<

    রাজন্য রুহানি
    নভেম্বর 21, 2011 at 6:12 অপরাহ্ন

    • কাব্য চিন্তা ! তা আর বলতে , এখনই সকালের নাস্তা করতে করতে যেন দম ফেলার অনুভূতিটা টের পাচ্ছি … ভয়াণক কাটলো একে তো রুগী তার সাথে সিনিয়রের ইয়া মোটা একটা বই খুলে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা পড়ে যাওয়া , এর মধ্য অন্য ভাবের জায়গা কোথায় !
      সুপ্রভাত …

      imrul.kaes@ovi.com'

      শৈবাল
      নভেম্বর 22, 2011 at 2:13 পূর্বাহ্ন

      • খুশি হলাম; যখন যে কাজ সেটি ঠিকঠাক মতো করেছেন জেনে। কবিদের তো মতিগতি বোঝা দায়! আর কাব্যদেবী কখন-কিভাবে যে আছর করে, তা আমি হাড়ে হাড়ে জানি। এক সময় সাইকেল চালাতে চালাতে যখন মাথায় পোনা মাছের ঝাঁক উঁকি দিতো, কোনো গাছের ছায়ায় বসে নোটপ্যাডে টুকে রাখতাম দু-একটি ছত্র অথবা আস্ত একখান কবিতা। নৌকায় নদী পার হবার সময়, ট্রেনে-বাসে যাত্রাপথে কত্ত লিখেছি। একবার মজার এক কাণ্ড হয়েছিল— ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিচ্ছি, বাংলা প্রথম পত্র, প্রশ্নের উত্তর লিখতে লিখতেই মাথায় চাড়া দিয়ে উঠলো কবিতার বর্ণমালা, আসছে তো আসছেই, আমি উত্তর লেখা ভুলে যাচ্ছি। উপায় না দেখে লুজপেপার নিয়ে তক্ষুণি লিখে ফেললাম কবিতার কয়েকটি ছত্র। পাতাটি ভাজ করে পকেটে ঢোকানোর সময় দেখে ফেললেন ম্যাজিস্ট্রেট। আমি কেঁদে ফেলেছি, বারবার বলছি ওটা নকল নয়, আমার লেখা কবিতার কয়েকটি ছত্র। একে তো বাংলা পরীক্ষা, তার উপর ছান্দিক কাব্যচরণ, ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব কিছুতেই বুঝতে রাজি নন। আমি খাতায় লেখা উত্তরের সাথে কবিতার চরণ মিলিয়ে দেখার অনুরোধ করলাম, কিছুতেই কাজ হলো না। খাতায় বহিষ্কার স্বাক্ষর করবেন, এমন সময় পাশের রুম হতে হন্তদন্ত হয়ে ছুটে আসলেন বাংলা বিষয়ের প্রিয় অধ্যাপক কবি জাওয়াদুল হক স্যার। তিনি আমাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন, আমার পাগলাটে ভাবের জন্য। তাঁর হস্তক্ষেপে সে-যাত্রায় বেঁচে যাই।
        ……
        হা, আসলে আমি তো কম পাগল নই। বেশি বকে ফেললাম, বাতুলতা হলে ক্ষমা করবেন বন্ধুত্বের মায়ায়…।
        ……
        হয়ে যাক এক কাপ :coffee:

        রাজন্য রুহানি
        নভেম্বর 22, 2011 at 5:43 পূর্বাহ্ন

  5. চমৎকার আপনার শব্দ চয়ন। অদ্ভুত আপনার প্রকাশের ধরনঃ
    অগ্নিকে ভালোবেসে আমি খাদহীন সোনা হতে চাই,
    নয়তো অঙ্গার।

    আমরা আছি আপনার সাথে।

    quazih@yahoo.com'

    কাজী হাসান
    নভেম্বর 22, 2011 at 2:45 পূর্বাহ্ন

    • কাজী ভাই, সাহস পেলুম মনে। সবাই যদি পাশাপাশি হাঁটি, হাতে রেখে হাত, ফেলে দিয়ে ভয় তাড়ানোর লাঠি, চষি আঁধার রাত, ফুলের সুবাস আসবে ভেসে, কোনো পয়মন্ত বাতাসে, শৈলীর শুদ্ধ আড্ডার উঠোনে।
      ….
      কৃতজ্ঞতা
      ….

      রাজন্য রুহানি
      নভেম্বর 22, 2011 at 6:03 পূর্বাহ্ন

  6. আপনার কবিতার কথা নতুন করে বলার কি? তবে সব ২০০০ সালের কবিতা,এগুলোর এডিটিং কি বর্তমানে করা নাকি একেবারে এন্টিক্স পিস।:D
    সবগুলোতেই অন্যরকম স্বাদ পেলাম মনে হচ্ছে আলাদা । ২০০০ সাল লিখে না দিলেও আপনার রেগুলার পাঠকরা কিছুটা ধরতে পারত। তিন আর সাত অতি অতি এবং অতিরিক্ত ভালো লেগেছে।যদি কাল বিবেচনা করেন আপনার লেখা ২০০০ সাল হতে এখন অনেকটাই রুপক আর আবরনের ভেতর চলে গেছে।এটা আমার ব্যক্তিগত মত।তবে শব্দ এখন আরো চমকপ্রদ আর আলাদা যা আপনার স্বকীয়তা নির্দেশ করে।
    ভালো থাকুন।শান্তি।
    আচ্ছা আপনার কি কোন কাব্যনাটক আছে?

    rabeyarobbani@yahoo.com'

    রাবেয়া রব্বানি
    নভেম্বর 22, 2011 at 4:36 পূর্বাহ্ন

    • শৈলীতে পোস্ট করার পর দু-চারটে শব্দের রকমফের করেছি মাত্র। ওটুকু বাদ দিলে, এক্কেবারে মাস্টার পিস। :D
      এডিটিং করতে বসলে পোস্ট দেওয়া হতো না আর। চেহারার সাথে সাজ-সজ্জারও পরিবর্তন হতো। অতীত পাল্টে গিয়ে বর্তমান রূপ নিতো। যদিও এই দশটি কবিতার মধ্যে একটি কবিতা ছাপা হয়েছে বেশ ক’বার, কিছুটা পরিবর্তিত রূপ নিয়ে। কিন্তু শৈলীতে অতীতের চেহারাটাই প্রস্ফূটিত করেছি, তখন আর এখনের মধ্যে কতটুকু পার্থক্য বিরাজিত, কতটা উত্তোরণ হয়েছে, তা নিরূপণের জন্যও। :B
      বেশ আগে লেখা, যখন নাকের নীচে গোঁফ উঁকি দিচ্ছিল, সে সময়কার লেখা দুটি কাব্যনাটক আছে, পরবর্তীতে কাটাকুটি করতে করতে বিপর্যস্ত অবস্থা। পরিমার্জিত রূপ পায় নি আর। যদি মন চায় তবে সংশোধন শেষে প্রকাশিত হতে পারে বৈকি! :sun:
      (ভালো কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন, খুঁজে বের করে সময় হাতে নিয়ে বসতে হবে একদিন।)

      রাজন্য রুহানি
      নভেম্বর 22, 2011 at 6:32 পূর্বাহ্ন

  7. কবিতাগুলো আবার পড়লাম।আপনাকে স্ট্যান্ডিং অডিশন দিতে মন চাইল।দাঁড়িয়ে সম্মান দেখালাম।

    rabeyarobbani@yahoo.com'

    রাবেয়া রব্বানি
    নভেম্বর 22, 2011 at 4:38 পূর্বাহ্ন

  8. ভীষণ বাঁচা বেঁচেছেন , সরকারী কাগজে কবিতা লিখে তা আবার ভাঁজ করে পকেটে লুকালেতো মেজিট্রেট ধরবেই । পরীক্ষার হলে কবিতা লেখার ইতিহাস মনে পড়ছে না , তবে সার্জারি পরীক্ষার ঠিক আগের দিতো এত্তো এত্তো পড়া জমা , হিসেব মিলছে না কি করে শেষ করবো … এরমধ্য এক বন্ধু নিজের পড়া শেষ এলো এক সাথে আলোচনা করতে , এসে দেখে বাংলায় তিন লাইন তিন লাইন করে লিখছি আর কাটঁছি পেনসিলে , তখন হাইকু ছন্দটা প্রথম শিখি হঠাত্‍ হঠাত্‍ পেয়ে বসতো তারপর বন্ধুটাকে হাইকু বুঝাতে চাইলাম ভয়াণক মেধাবী ছেলেটা একবার বলতেই বুঝে গেলো । পরীক্ষা দিয়ে এসেই শৈলীতে পোস্ট করেছি ” সত্‍কার ”
    কাজের মাঝে এমনটা হয়না তবে রেস্টরুম থেকেও অনেক লিখেছি , তখন প্রথম একেইবারেই প্রথম দিকে তখন গাইনি তে রোস্টার … সারারাত নাইট ডিয়্যুটি দিয়ে , বাড়তি সকাল বেলায় রিকসায় করে ফিরছি তখন মোবাইলটা বের করে কাকে যেন লিখতে ইচ্ছে হলো , প্রথম প্রথম তো নাইট করে ক্লান্ত হয়ে পড়তাম খুব এমন কি এপ্রনটাও খুলা হয়নি গা থেকে , কিছু পুরোন চিঠি উলটাতে উলটাতে খেয়াল করলাম এপ্রনের হাতায় রক্ত কয়েক ফোঁটা , সাদার মধ্য খুব ফুটে আছে
    তখন প্রিয় মানুষটাকে তখন লিখলাম আমার নীলপকেটের খসড়ার একটি খসড়া তখনি জন্ম নিলো …

    সাদা জামাটায় ছোট ছোট রক্তের তিলক

    অযত্নে জমেছে যত্রতত্র ,খোঁজ রাখেনি ব্যস্ততা

    হয়ত জন্মের চিহ্ন কিছু , কিছু আবার মৃত্যুর

    আমি অবতার নই কিংবা অযাচিত যমদূত

    আমি শুরুর কেও না ,আর শেষেও থাকবো না

    তবুও জমে রক্ত জমাট রক্ত খোঁজ রাখি না ,

    শুধু জমাট বাঁধে না কয়েক ফোঁটার নীল রক্ত

    বিষাক্ত ক্ষরণ হৃদপকেট থেকে তোর যত্নের ক্ষত …

    imrul.kaes@ovi.com'

    শৈবাল
    নভেম্বর 22, 2011 at 8:06 পূর্বাহ্ন

    • জেনে খুশি হলাম। ‘এক উড়নচণ্ডী আউলা বাউল’র অন্তঃপুর উষ্ণতায় ভরে গেছে আজ সুন্দরমনা বন্ধুদের ভালোবাসায়।
      :rose:

      রাজন্য রুহানি
      নভেম্বর 22, 2011 at 8:33 পূর্বাহ্ন

  9. নয় নম্বরটি মনে গেথে গেল:

    চৈত্রের আগুনে জ্বলে পুড়ে ছাই হওয়া
    আরও একধাপ মৃত্যুর কাছে যাওয়া;
    মৃত্যু ও জীবন যেখানে লীন
    সেখানেই ভালোবাসা ফোটে অমলিন।

    এবং মনে গেথে থাকবে!

    রিপন কুমার দে
    নভেম্বর 22, 2011 at 11:24 অপরাহ্ন

    • আপনার ভালোবাসায় নতুন করে জেগে উঠি বরাবরের মতোই। সবসময় ভালো থাকুন, এই কামনা।
      %%- :rose: %%-

      রাজন্য রুহানি
      নভেম্বর 24, 2011 at 5:43 পূর্বাহ্ন

  10. প্রায় এক যুগ আগের লেখা! আবেগঘন কয়টি, বাকী কয়টিতে আপনার বর্তমান ধারার লেখায় পৌঁছুনোর ইঙ্গিত আছে।

    স্বতীত্ব লুট হওয়া শেষে আমি কোনো সন্তপ্ত কুমারীর সাধ;
    সমাজের কাছে একঘরে— মৃত্যুর সম্ভাব্য কুটুম।

    একটা নারীর এমন এক মানসিক অবস্থার বর্ণনা, যার হয়েছে সেই জানে। তখন সব মিলিয়ে মনে হয় একটাই সাধ থাকে, সেটা মৃত্যু কামনা বা আত্মহত্যা। বর্তমানে চোখে পড়ছে এমন ঘটনা।

    স্মৃতির সংসারে ওড়ে বিষ ও বিনাশ;
    মুমূর্ষুর প্রাণে রয়ে যায় তাই দু:খের দীর্ঘশ্বাস।

    কবি শৈবাল কায়েসকে উৎসর্গ করা এই কবিতার পঙতি দুইটা নিরীক্ষামূলক না কাল্পনিক? প্রথম লাইনের পর দ্বিতীয় লাইনের আনুমান বা কল্পনা, গভীর সত্যরূপে ধরা দিয়েছে।

    চৈত্রের আগুনে জ্বলে পুড়ে ছাই হওয়া
    আরও একধাপ মৃত্যুর কাছে যাওয়া;
    মৃত্যু ও জীবন যেখানে লীন
    সেখানেই ভালোবাসা ফোটে অমলিন।

    এখানেও প্রথম লাইনদ্বয়ের সাথে শেষ লাইন দুটি মিলে এক গভীর বোধের সৃষ্টি করেছে।
    :-bd
    ধন্যবাদ কবি।

    bonhishikha2r@yahoo.com'

    বহ্নিশিখা
    নভেম্বর 23, 2011 at 8:10 পূর্বাহ্ন

  11. সৃজনটিকে “শৈলী এক্সক্লুসিভ” মযার্দা প্রদান করা হল। আপনাকে অভিনন্দন!

    শৈলী
    নভেম্বর 24, 2011 at 4:21 পূর্বাহ্ন

  12. এক্সক্লুসিভ অভিনন্দন , দশটার জন্য দশবার আলাদা করে , অভিনন্দন অভিনন্দন অভিনন্দন অভিনন্দন অভিনন্দন অভিনন্দন অভিনন্দন অভিনন্দন অভিনন্দন অভিনন্দন ।

    ও কবি একবার চেয়ে দেখুন তো আমাদের কমেন্টসএর উপরে ! দেখতে পাচ্ছেন ? এই পযর্ন্ত ৮৮ শেয়ারিং , শুধু আমরা কেন ! অনেক অনেক পাঠক আপনাকে ভালোবাসে ভালোবাসবে আপনার কবিতাকে ।

    imrul.kaes@ovi.com'

    শৈবাল
    নভেম্বর 24, 2011 at 10:31 পূর্বাহ্ন

    • আজ শৈলীতে এসে আপ্লুত হচ্ছি । বলেছি না ! আপনার লেখা এতো সহজ এতো নিটোল এতো অন্যরকম সুন্দর লেখা আগে পড়িনি , দেখলেন তো আমি মন্দ পাঠক না , শুধু শুধুই বাড়িয়ে বলি না , আমি পড়ে যা বলি পরে তো তাই ঠিক হয় … আজ পাঠকের ভালোবাসা প্রমাণ করলো তা , এই পোস্টটা শৈলীর ইতিহাস হয়ে রইবে ।
      আমার খুব ভালো লাগছে কেন যেন ! বারবার এসে শেয়ারিং কাউন্ট করছি , ৯৩ … অভূতপূর্ব ! বুঝাতে পারবো না কতোটুকু আনন্দ লাগছে আমি আমাদের শৈলীকে কখনো এতো জমজমাট দেখি নি ।

      একটা কথা স্বীকার করি আজ , রাগ করলে করুন আপত্তি নেই … আজ স্বীকার করতেই হবে । প্রথম প্রথম আপনার পোস্টের শেয়ারিং দেখে ঠিক হিংসে না হলেও কিঞ্চিত অবাক হতাম এতো শেয়ারিং কী করে !

      আজ আমি জবাব পেয়ে গেছি যদি ভালো লিখা যায় পাঠক পড়বেই যদি সত্যিই ছোঁয়া যায় পাঠক ভালোবাসবেই । একটা অনুরোধ কবি আপনি আরো লিখবেন এমন নিটল সহজ প্রিয় কবিতা সবার জন্য …

      আজ নতজানু হয়ে সালাম জানাই কবি রাজন্য রুহানি কে । ভালো থাকবেন খুব ভালো । শান্তি শান্তি শান্তি

      imrul.kaes@ovi.com'

      শৈবাল
      নভেম্বর 24, 2011 at 4:47 অপরাহ্ন

      • :cry:
        ভালোবাসা যদি জলবাষ্পচক্র হয়
        মনাকাশে আবেগের মেঘ জমে হঠাৎ;
        ভয় নেই বন্ধু—
        বৃষ্টি শেষেই ঝলমলিয়ে ওঠে রোদ্দুরের রং।
        আপাতত কান্নায় উর্বর করি
        ফাটল-চৌচির এই দেহজমিন।
        :((

        রাজন্য রুহানি
        নভেম্বর 25, 2011 at 8:00 পূর্বাহ্ন

  13. অভিনন্দন আপনাকে!

    রিপন কুমার দে
    নভেম্বর 24, 2011 at 2:58 অপরাহ্ন

    • অনেক পুরান লেখা, ২০ বছরের বয়সে লেখা এই কবিতাগুলি যে পাঠকপ্রিয়তা পাবে, তা ছিল আমার কল্পনাতীত। মনেপ্রাণে কবি হতে চেয়েছি তবু নিয়মমাফিক চর্চা বা লেখা কোনোটাই হয় নি ঠিকমতো। হুটহাট করেই লিখতাম এবং এখনো এই হুটহাট প্রক্রিয়াতেই অভ্যস্ত ও সাবলীল আমার কাব্যপরিক্রমা। রিপন দা, আপনাদের ভালোবাসায় আমি আপ্লুত। চেষ্টা থাকবে এই হুটহাট করেই ভালো কিছু দেবার।
      ……..

      ভালোবাসা হাত বাড়ালে আমিও ছুটে যাই প্রকৃতিবদ্ধ নিয়মে।
      বৃত্তান্তখোঁজা দল আর চতুর বণিকের ফতুর হবার ভয়
      আঁকড়ে থাকে আলোর স্তন— আঁধারের অভিসম্পাত হতে বাঁচার আকুতি
      উচ্চগামী করে অবলা হাতের দীনতা, মনবইয়ের অচিন ভাষা ফেলে
      চোখভাষার মায়ায় হন্তদন্ত যাত্রী দেখি আজ জীবন-নদীর নৌকায়।
      মজ্জমান আঁধারপাঠ শেষে আলোর আশায় থাকা নাবিকের চোখ
      নবজন্মের যে বোধ আনে, তার বর্ণনা থাকে না কোনো;
      ভালোবেসে ডাকলে বিষধর সাপের গলাতেও পরাই মালা
      দ্বিধাহীন; কেউ না বুঝুক, আমি তো জানি—
      জীবন ও মরণের সঙ্গমেই জন্ম নেয় ভালোবাসা নামের শিশুটি

      (এইমাত্র মনের খেয়ালিপনায় এখানেই জন্ম হলো আরেকটি কবিতার। শিরোনাম পরে দেবো, যদি পারেন আপনি-শৈবাল-রাবেয়া যে কোনো বন্ধু শিরোনাম দিয়ে সহযোগিতা করতে পারেন। রিপন দা, এই কবিতাটি আপনার নামে উৎসর্গ করলাম। আপত্তি থাকলে জানাবেন।)

      রাজন্য রুহানি
      নভেম্বর 25, 2011 at 9:11 পূর্বাহ্ন

      • বাহ ! সদ্যপ্রসূত কবিতাটি আপনার স্মারক বহন করলো , কবিতো বলেছিলেনই ” কবিতা মাত্রই উপমা ” আপনার কবিতাগুলো যেন অজান্তেই ঐধর্মের ভদ্র , এটা খুব সহজেই চোখে পড়ে আপনার কবিতার প্রতিটা চরণের প্রতিটা পর্বই একটা দৃশ্য । দৃশ্য থেকে দৃশ্যান্তর । এই মুহূর্তে ছোট্ট একটা উপমা দিচ্ছি , পর্বগুলো যেন অনেক চৌক জানালায় আঁটা একেকটা ভিন্ন দৃশ্য আর যদি তা চলতে শুরু করে ট্রেনের মতো সুরে ঝিক ঝিক ঝিক ঝিক আর পাঠক দাঁড়িয়ে দেখছে একেরপর এক জানলা একেকজন আলাদা মানুষ আলাদা দৃশ্য তবে গন্তব্য একটা একটা সিক্ত সত্যের দিকে ।

        কবিতাটির জন্য শিরনাম চাইছেন ,হা হা ওতে আমি একদম আনাড়ি ! আমার কবিতার মানসী ঠিক করে দিতো কখনো কখনো স্বপ্নে এসে … সে তো অনেক পুরোন কথা , এখন তো নিজের কবিতার নামগুলো আমার নিজেরই পছন্দ হয় না , আপনাকে কী করে পছন্দ করে দিবো !

        imrul.kaes@ovi.com'

        শৈবাল
        নভেম্বর 25, 2011 at 2:17 অপরাহ্ন

      • কবিতাটি আমার নামে??? ওহ মাই গড!! অনেক অনেক শুভাশিষ কবি আপনাকে, আমার মত একজন অধমের জন্যও একটি অসাধারণ কবিতা উৎসর্গ হল, কবিতাটি আমার পিসিতে সেইভ করে রাখলাম। সাহিত্য আকাশে সবসময় উজ্জ্বল তারা মত বিচরণ করুন…. ^:)^ ^:)^^:)^

        রিপন কুমার দে
        নভেম্বর 26, 2011 at 1:42 পূর্বাহ্ন

  14. একেবারে এক্সক্লুসিভ অভিনন্দন।

  15. অভিনন্দন ।তবে আমার কাছে আগেই এক্সক্লুসিভ ঘোষিত হয়েছে । যোগ্যের স্মারক সব সময়ই সুন্দর ।শুভ কামনা

    rabeyarobbani@yahoo.com'

    রাবেয়া রব্বানি
    নভেম্বর 25, 2011 at 3:27 পূর্বাহ্ন

    • আপনাদের ভালোবাসা-সহযোগিতা-সহমর্মিতায়
      আমি বারবার মধুরানন্দে হেরে যাই…।

      (ভালো থাকবেন।)

      রাজন্য রুহানি
      নভেম্বর 25, 2011 at 9:18 পূর্বাহ্ন

  16. আপনার শূন্য সালের কবিতাগুলো পড়লাম। কবিতা পড়তে সময় নেয়…তাই আরও একবার পড়তে হবে। কেননা আপনার সৃজনের উপলব্ধির সঙ্গে নির্মাণের অনুভব তৈরি এবং সমাঞ্জস্য খুঁজে বের করার জন্য পর্যাপ্ত মনোযোগ, নিবিড়তা এবং বোধগম্যতা দরকার। তারপরও সকল কথার একটি কথা খুব ভালো লাগল, যা হয়তো সকল লেখক/কবির মনের মাঝে রয়েছে তুষের আগুনের মতো:
    চিতার আগুন না জ্বললে বুকে— হয় না কিছুই— অনড় পড়ে থাকে
    ধন্যবাদ। এমন কতগুলো কবিতা উপহার দেয়ার জন্য।

    মাহবুব আলী
    নভেম্বর 25, 2011 at 12:30 অপরাহ্ন

    • পাঠের জন্য অশেষ ধন্যবাদ এবং পুনর্পাঠের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত হওয়ায় অপরিসীম কৃতজ্ঞতা।
      ……
      শুভ কামনা।
      শান্তি।

      রাজন্য রুহানি
      নভেম্বর 26, 2011 at 7:21 পূর্বাহ্ন

  17. আমার ভাল লেগেছে।
    মজার ব্যাপার হলো, আপনি যখন এই কবিতাগুলো লিখছেন, আমার তখন লেখার জগতে পদার্পণই ঘটেনি। সেই বয়সে এত গভীর বোধ এবং ভাষার কবিতায় সত্যি চমক লেগেছে। কবি মানসের এক পরিপক্ক উদ্দীপনায় মুগ্ধতা ছড়িয়েছে।

    আপনি আরো ভাল লিখবেন, লিখছেন এবং লিখে চলুন। সেই কামনাই করি নিরন্তর। শুভ কামনা জানবেন।

    shamanshattik@yahoo.com'

    শামান সাত্ত্বিক
    নভেম্বর 29, 2011 at 5:40 অপরাহ্ন

মন্তব্য করুন