জুলিয়ান সিদ্দিকী

ধারাবাহিক উপন্যাস: কালসাপ – ৭

Decrease Font Size Increase Font Size Text Size Print This Page

মমতার সঙ্গে জুলেখারও ভালো সখ্য রয়েছে। কিন্তু মমতা জুলেখার মত অতটা সহসী নয়। সে কেবলই কাঁদে। চান্দভানু মমতার মাথায় হাত বুলিয়ে বলে, কান্দিস না মা! মনে করিস আমার চক্ষে তুইও জুলেখা। জুলেখা বাঁচলে তুইও বাঁচবি।!

প্রতিদিনই নানা প্রান্ত থেকে খারাপ খবর আসতে থাকে। মাঝে মাঝেই দূরের কোনো কোনো গ্রামে হঠাৎ হঠাৎ আগুন জ্বলে উঠতে দেখা যায়। দূর থেকে আকাশের দিকে উত্থিত কালো ধোঁয়া চোখে পড়ে। বড়বড় নৌকা চড়ে বাঙালী সহযোগীদের সহযোগিতায় পাকি সৈন্যরা বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে নানাবিধ অত্যাচার চালাচ্ছে। ইচ্ছেমত মানুষ মারছে। মেয়েদের সম্ভ্রম নষ্ট করছে।

মজিবর মাস্টার স্কুলের গেম টিচার বলে, সে লাঠি আর ফুটবলে খেলায় বেশ পটু। রাতের অন্ধকারে গামছায় মুখ ঢেকে এসে হোসেন মৃধাকে বললো, মৃধা, তোমার ঘরে কি ট্যাটা-বল্লম কিছু্ আছে?

বর্ষার সময় মাছ মারার জন্য সবার ঘরেই দু’একটা কোচ ট্যাটা থাকে। হোসেন মৃধার মাছ মারার শখ ছিলো বলে, যোগাড়ও করেছিলো। তাই মজিবর মাস্টারকে জানালো, আছে।

তাইলে শোনো, চাইরো দিগে মাইয়া মানুষের উপরে জুলুমের কথা যেমন শোনা যাইতাছে, হেই দিগটা ভাইব্যা সব মাইয়াগোরই নিজেরে রক্ষা করার লাইগ্যা কিছু একটা শিখা উচিত বইল্যা মনে করি। তা ছাড়া ইস্কুল ঘরে যদি ঘাঁটি বানায় তো আমাগো কারো বউ-মাইয়াই নিরাপদ না। তার লাইগ্যা নিজেরে রক্ষা করতে লাঠি-বল্লম আর কোচ-ট্যাটা ক্যামনে চালাইতে হইবো কিছু কিছু কইরা শিখাইতাছি।

হোসেন মৃধা হেসে্উঠে বললো, মাইয়া মানুষ কি আর করতে পারবো!

মজিবর মাস্টার বলে উঠলো, বোকার মতন কথা কইয়ো না তো! ইজ্জত বাঁচাইতে তাগোরে ফাইট দিতে হইবো। গুলি খাইয়া মরলে শহিদ আর বাঁচলে মান-সম্মান লইয়া বাঁচবো!

কথাগুলো পছন্দ হলেও খানিকটা অবিশ্বাসও হয়তো মনের ভেতর পাক খায় মমতার। যে কারণে সে অকস্মাৎ বলে উঠতে পারে, বন্দুকের লগে কোচ-ট্যাটা দিয়া কেমনে পারমু?

এইডার নামই কৌশল! মজিবর রহমান ঠিক একজন শিক্ষকের মতই কথা বলে ওঠে। শত্রু বেশি হইলে পলাইয়া জান বাঁচানিডাই হইবো আসল কাজ। শত্রু কম হইলে কাজ সারতে হইবো কৌশলে।

তখনই যেন ভিন্ন কোনো প্রসঙ্গ মনে পড়ে যেতেই সে ফের বলে উঠলো, আরেকটা কথা, শুনতাছি কয়েক দিনের মধ্যেই নৌকা ভইরা মিলিটারি আইবো ইস্কুল ঘরে। তহন রাইতের বেলা কেউ ঘরে থাইকো না!

মমতা বললো, কবে থাইক্যা ট্রেনিং দিবেন স্যার?

কাইল! আইজ কেবল খবরটা জানাইতাছি সবতেরে!

মজিবর মাস্টার চলে গেলে হোসেন মৃধা চান্দভানু জুলেখা আর মমতা মিলে গোপনে শলা-পরামর্শ করতে ঘর-দরজা বন্ধ করে নৌকা নিয়ে বিলের প্রায় মাঝামাঝি চলে যায়।

চান্দভানু নৌকার পাশে হাত দিয়ে পানি তুলে মুখে নেয়। কুলকুচা করে। তারপর ফের পানি নিয়ে মুখ ধোয়। আঁচলে মুখ মুছতে মুছতে বলে, কি বুদ্ধি করন যায়, ভাবছেন কিছু?

হোসেন মৃধা লগি নামিয়ে আড়াআড়িভাবে কোলের উপর রেখে গলুইয়ের ওপর বসে বললো, কথাবার্তা আস্তে কইতে হইবো। পানির উপরে কথা কইলে তা অনেক দূর থাইক্যা হোনা যায়।

মমতা প্রায় ফিসফিসিয়ে বললো, কাকা, আমরা যদি অন্য কোনো গ্যারামে গিয়া থাকি তাইলে কেমন হয়?

হোসেন মৃধা কিছু না ভেবেই বললো, তাইলে তো খুবই ভালা হইতোরে মা!

ঠিক তখনই যখন হোসেন মৃধা ফের কথা বলে উঠতে পারে, তখনই জুলেখা বলে, তাইলে আমরা ক্যান বাইত্যে পইড়া আছি?

বাইত্যে পইড়া আছি কি আর সাধে! বলতে বলতে একটি দীর্ঘশ্বাস ফেলে হোসেন মৃধা। তারপর আবার বলে, এই বাংলার কোনো গ্যারাম আর নিরাপদ নাই। সব গ্যারামেই মতিউর রহমানের মতন মানুষেরা আছে। শান্তি কমিটি বানাইয়া তারা নিজেগো নাম দিছে রাজাকার। এই নিমক হারামেরা যে কোন গ্যারামে নাই তা কেউ কইতে পারে না।

তাইলে তো দেখতাছি উপায় বুদ্ধি নাই!

চান্দভানুর কণ্ঠে হতাশা ঝরে পড়ে যেন।

আর তখনই দূরের কোনো গ্রামে হয়তো দাউদাউ করে আগুন জ্বলে উঠেছে। সেদিকের আকাশটা যেন ঠিক সন্ধ্যার সূর্যাস্তের মতই লালচে দেখা যায়। সেই সঙ্গে বিচ্ছিন্নভাবে অস্পষ্ট গুলি অথবা বোমার বিস্ফোরণের শব্দ ভেসে আসে। সেদিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে, খানিকট অনিশ্চিত কণ্ঠে হোসেন মৃধা বলে, উপায়-বুদ্ধি দুইডাই আছে!

তারপর আরো খানিকটা ঝুঁকে পড়ে বললো, উপায় হইলো একটা নিরাপদ জাগায় পলাইয়া থাকন আর সুযোগ সুবিধা মতন পাইক্যাগো নয়তো তাগো হুকুমের গোলাম কোনো রাজাকার পাইলে জাগা মতন শেষ কইরা দেওয়া।

চান্দভানু তেমনি হতাশ কণ্ঠে বলে, আমরা কি পারমু?

পারমু!

হোসেন মৃধার কণ্ঠে আত্মবিশ্বাসের সুর গোপন থাকে না। সে আবার বলে, আমরা চাইরজনে মিল্যা কি একজনরে কাইত করতে পারমু না!

পারমু!

মমতার কণ্ঠে জোর না থাকলেও মানসিক দৃঢ়তা ঠিকই ফুটে ওঠে তাতে।

হোসেন মৃধা বললো, এইবার আমার কথা তোরা মন দিয়া হোন।

হোসেন মৃধার কথার সঙ্গে সঙ্গে নারী তিনজন বেশ টানটান হয়ে ওঠে যেন। তিনটি মুখের দৃষ্টিই নিবদ্ধ হোসেন মৃধার মুখের ওপর। যেন কথক তার শ্রোতাদের তার প্রতি নিবিষ্ট দেখতে না পেলে যেন তার গল্প বলা হয়ে উঠবে না। তিনটি মুখের ওপরই তার দৃষ্টি ঘুরিয়ে বললো, আমাগ বাড়ির পিছনে যেই বেঁতের জঙ্গলা আছে, ভিতরের দিগে কিন্তু পানি আছে কিছু। বর্ষার সময় দেহছনাই পানি কেমন উত্তুরের গাঙের দিকে বয়, হেই জাগাডা আমাগ পলানের লাইগ্যা খুব ভালা একটা জাগা হইতে পারে।

চান্দভানু বলে উঠলো, পানির ভিতরে কতক্ষণ খাড়াইয়া থাকন যাইবো? একদিন একটা মুরগির ছাও বিচরাইতে গিয়া হেই জঙলার পানিতে কিছুক্ষণ খাড়াইয়া আছিলাম, পরে শুকনায় উইঠ্যা দেহি আমার দুই পায়ে না হইলেও কুড়ি বাইশটা জোঁক আর চাট্টায় ধইরা রইছে!

পানি আর কদ্দুর আছে? ঠিক যেন ঠোঁট উল্টিয়ে বললো হোসেন মৃধা। আর কথার ধরনে চান্দ ভানুর কাছে এমনই মনে হলো।

হোসেন মৃধা ফের বলতে লাগলো, খুব বেশি হইলে বিঘত খানেক। তার তিন-চাইর হাত ভিতরের দিকে যদি গর্ত কইরা পলানের ব্যবস্থা করতে পারি, তাইলে উপর দিয়া গুল্লি দেউক আর বোম ফালাউক, আমাগ কিছ্ছু হইবো না! আর পানি তো টান ধরছে দুই একদিনের মইধ্যেই এই পানি নাইম্যা যাইবো!

জুলেখা বললো, কারুরে না জানাইয়া কাজডা করতে গেলে তো গোপনে করতে হইবো। আর রাইতে রাইতে মাটি কাটার কাম করতে হইলে কষ্ট কিন্তু অনেক করন লাগবো বাবা!

মেয়ের কথায় সমর্থন জানাতেই যেন মৃধা বলতে দ্বিধাহীন বলে, কষ্টের কথাডা সত্যরে মা! কিন্তু গুল্লি খাইয়া মরা আর পাইক্যাগো লাত্থি-উষ্টা, বন্দুকের পাড়-গুতার কষ্টের থাইক্যা বেশি না! আমাগো হাতে অহনও দশ-বারোদিন সময় আছে, যা করনের পানি শুকানের আগেই করতে হইবো!

কিছুক্ষণ ঝিম মেরে বসে থাকার পর হঠাৎ মাথা তুলে চান্দভানু বললো, কামডা কেমনে করতে চান?

মাটি কাটনের আর তুইল্যা দেওয়ার কামডা আমি করলাম, আর বাকি তিনজনে হাতে হাতে হেই মাটি বাড়ির দক্ষিনের ঢালে নিয়া ফালাইতে হইবো!

তা বুঝলাম কাকা! দীর্ঘ নিরবতার পর হঠাৎ করেই যেন সরব হয় মমতা। খানিকটা শঙ্কিত কণ্ঠে আবার বলে, তয় মনে করেন কোনোরহমে গর্তের মুখে মিলিটারি আইয়া পড়লো। আর গর্তে মানুষ থাকতে পারে মনে কইরা যদি গুল্লি দেয় নয়তো ভিতরে আগুন দেয়, তাইলে তো ইন্দুরের মতন মরণ ছাড়া পথ দেহি না!

কথা ঠিক আছে! সঙ্গে সঙ্গেই যেন মমতার যুক্তি বোধগম্য হয় হোসেন মৃধার। আর তাই হয়তো মেনে নিতেকেোনো সমস্যা হয় না তার। তারপর আবার বলে, এই দিগও ভাইব্যা দেখছি আমি। মিলিটারি কও আর শান্তি কমিটি না রাজাকার কও, গর্তের ভিতরে আগুন, বোম আর গুল্লি দিতে পারলেও মনে করি গর্তে নামনের সাহাস কারো হইেো না। গর্তের উপরে টাট্টিঘরের মতন বেড়া দিয়া দিমু। কেউ দেখলে মনে বুঝবো নতুন টাট্টি ঘর দিছি। তা ছাড়া বাইরে দিয়া দরজায় তালা দেওনের ব্যবস্থা রাখমু!

হোসেন মৃধার পরিকল্পনা মোটামুটি পছন্দ হলেও গর্ত থেকে প্রয়োজনে প্রাণ নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার বিকল্প কোনো পথ নেই বলে সংশয় মুক্ত হতে পারে না মমতা। তাই সে আবার বলে ওঠে, গর্তের কি আরেকটা মুখ থাকবো?

থাকবো। বলে হোসেন মৃধা মাথা দোলায়। তারপর খানিকটা ইতস্তত করে আবার বলে, যদি গর্তের দুই মুখই আটকাইন্যা হয় তাইলে কি বাইর হওন যাইবো? নতুন কইরা আরেকটা গর্ত খুইড়া কি বাইর হওন যাইবো। তারপরে যা থাকে কপালে!

এ কথা বললেও সে ভাবে, আর নতুন গর্ত খুইড়া বাইর হইলেই যে, বাইচ্যা যামু তার তো কোনো লেখাজোখা নাই! মিলিটারি-রাজাকার কি আগুন দিয়াই যাইেো গিয়া? আমরা শিয়ালের গর্তের দুই মুখেই আগুন দিয়া লাঠি হাতে খাড়াইয়া থাকি শিয়াল কোনদিক দিয়া বাইর হয় দেখনের লাইগ্যা।

আর এ কথা ভাবতে ভাবতেই তার পরিকল্পনায় যে বিশাল ত্রুটি রয়ে গেছে তা আবিষ্কার করতে পারলেও ব্যক্ত করে না সে।

চান্দভানুও ব্যাপারটা নিয়ে ভাবছিলো। কিন্তু তার মনে হয়েছে যে, পুরোটা ব্যাপারই ভাগ্য নির্ভর। বাড়ি-ঘর জনশূন্য দেখলে কেউ ধারণা করতে পারবে না যে, এমন বেঁতকাঁটার ঘন জঙ্গলের ভেতর কেউ লুকিয়ে থাকতে পারে। আর সম্ভাবনার কথা ভেবে বেঁতকাঁটার জঙ্গলে আগুণ দিলেও পুরো জঙ্গল পুড়তে সময় লাগবে। সেই সময়টাও হয়তো পালানোর একটা সুযোগ হতে পারে। তাই সে বললো, মাস্টরের লগে কি একবার পরামর্শ করবেন?

সর্বনাশ! সঙ্গে সঙ্গেই যেন আঁৎকে ওঠে হোসেন মৃধা। আমরা এই চাইরজন ছাড়া দুই কান্ধের দুই ফিরিস্তাও জানি না জানে!

এতক্ষণে যেন ব্যাপারটার গুরুত্ব উপলব্দি করতে পারে চান্দভানু।

হোসন মৃধা ফের বলে, ধান-চাইলের ডোল-মটকা যেমন আছে থাউক। নগদ ট্যাকা আর সোনা-রূপা-তামা-কাসা আরেকটা কোনো গর্তে লুকাইয়া রাখতে হইবো। এমন জাগায় লুকাইতে হইবো বছর শেষে ফিরা আইলেও জানি জাগা ঠিক থাকে।

মমতা বলে, তাইলে বাবারে কই ঘরের সোনা-রূপা আর পিতল-কাসার জিনিস আপনের এহানে দিয়া যাইতে?

না। হেইডা ঠিক হইবো না। হরি যেহানে জিনিসপত্র লুকাইবো তা জানি তোমারেই দেখাইয়া থোয়।

মমতা হোসেন মৃধার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকলেও ভেবে পায় না যে, তাদের বাড়িতে এমন কোন জায়গাটা আছে যেখানটা বছর শেষেও অক্ষত আর নিরাপদ থাকবে?

(চলবে)

শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।


5 Responses to ধারাবাহিক উপন্যাস: কালসাপ – ৭

  1. snmhoque@yahoo.com'
    আজিজুল অক্টোবর 14, 2010 at 1:39 পূর্বাহ্ন

    ভাই, এবারেরটা স্ট্রাটেজিক হয়েছে-যেখানে লেখকের সাহিত্য ভাব ছিলনা। এমন লিখায় এই সময়ে সাধারনত লেখক নিজেই এক্সাইটেড হয়ে লিখতে থাকেন।

    অন্যকোথায়, আমি বষ্টিবেলার সাথে একমত।

    • juliansiddiqi@gmail.com'
      জুলিয়ান সিদ্দিকী অক্টোবর 17, 2010 at 6:59 অপরাহ্ন

      তা ঠিক! তবে এ ক্ষেত্রে খানিকটা নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত সবার। ধন্যবাদ। :rose:

  2. juliansiddiqi@gmail.com'
    জুলিয়ান সিদ্দিকী অক্টোবর 15, 2010 at 7:06 পূর্বাহ্ন

    রাজাকাররা তো এখনও সক্রিয়।
    কিন্তু তাদের নৃশংসতা আরো বেশি ফুটাতে গেলে মূল বক্তব্যটা হারিয়ে যেতে পারে। তবুও আপনার কথা মনে রইলো। :rose:

  3. juliansiddiqi@gmail.com'
    জুলিয়ান সিদ্দিকী অক্টোবর 15, 2010 at 7:09 পূর্বাহ্ন

    তবে আমি এই উপন্যাসটি মনযোগ দিয়ে পড়ছি। পড়তে ভাল লাগছে বলেই পড়ছি।

    -এটাই সার কথা। ভালো লাগলেই আমার শ্রম সার্থক বলে মনে করি। :rose:

  4. juliansiddiqi@gmail.com'
    জুলিয়ান সিদ্দিকী অক্টোবর 17, 2010 at 6:57 অপরাহ্ন

    কিছু সমালোচনা থাকলেও বুঝতাম। এমন বললে, আমার ঠাঁট বেড়ে গিয়ে লেখালেখি ভুলে যেতে পারি! :D

You must be logged in to post a comment Login