হরিপদ কেরানী

বেহুলা-লক্ষিন্দর

Decrease Font Size Increase Font Size Text Size Print This Page

হতে পারি লক্ষিন্দর
যদি তুই হস বেহুলা আমার
খেতে পারি লক্ষ ছোঁবল
রেখে হাত কাল কেউটের ফণায়।

ভেলায় চড়ে অবলীলায়
ভেসে যাব কৈলাসে
প্রিয়তমা, তুই থাকিস যদি
বেহুলা হয়ে পাশে।

শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।


7 Responses to বেহুলা-লক্ষিন্দর

  1. রাজন্য রুহানি ডিসেম্বর 26, 2010 at 4:57 অপরাহ্ন

    দু-একটা শব্দের বসার স্থান যদি স্থানান্তর ও পরিপাটি করা হতো তবে আরো মার্জিতভাব চলে আসতো, যদিও অন্তঃমিলের গুরুত্ব-না-দেয়া ভিন্ন চেহারার ছন্দে ভালোই লেগেছিল।

    শান্তি।

    • imrul.kaes@ovi.com'
      শৈবাল ডিসেম্বর 26, 2010 at 11:15 অপরাহ্ন

      গাঁটছড়া অন্ত:মিল নাই ঠিকই তারপরেও যথেষ্ট আছে ! মিলবিন্যাসে যেমন

      ফণায় / অবলীলায় আবার কৈলাশে /পাশে , পড়তে বেশ লাগলো ।
      তাছাড়া অন্য লেখাগুলোর মতো হরিপদ দাদার এই কবিতাও চিরাচরিত ক্ল্যাসিক্যালের সুন্দর গন্ধটা পাওয়া যাচ্ছে ।

      • রাজন্য রুহানি ডিসেম্বর 27, 2010 at 6:32 পূর্বাহ্ন

        ধন্যবাদ শৈবাল, আমার মন্তব্যের উত্তর দেয়ার জন্য।

        ভাই, বিনীতভাবে জানাতে চাই : অন্তঃমিল নাই, এই কথা আমার বক্তব্যের বিরুদ্ধে যায়।

        আমি বলেছিলাম

        অন্তঃমিলের গুরুত্ব-না-দেয়া ভিন্ন চেহারার ছন্দে ভালোই লেগেছিল।

        একটু খেয়াল করবেন, প্রথম স্তবকে অন্তঃমিলশূন্য এক রকম চেহারা; প্রথম লাইন যেভাবে যত সহজে ঠোটের জড়তা ভেঙে আওড়ানো যায়, দ্বিতীয় লাইনে এসে ছন্দ সামন্য হোঁচট খাচ্ছে, মাত্রাও এখানে অঙ্কছাড়া, চতুর্থ লাইনের ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য।
        তবে ৪র্থ লাইনের সাথে ৫ম লাইনের অন্তঃমিলের প্রচেষ্টা, সুন্দর। কিন্তু ছন্দের অঙ্ক বা মাত্রাবিন্যাসে তা ধোপে টিকে না।
        দ্বিতীয় স্তবকের অন্তঃমিল ক্ষণমাত্র প্রভাবিত করে মনকে। ৫ম ও ৬ষ্ঠ লাইনের বিন্যাসমাত্রা যদি সামান্য রকমফের করা হতো তবে ছন্দের বিচারে তা হতো অনেকটাই শক্তপোক্ত।

        শুধু অন্তঃমিল থাকতে হবে, ছন্দের অঙ্ক মানতে হবে, মাত্রা ঠিকঠাক রাখতে হবে, নইলে ছন্দের কবিতা হবে না, এমনটিও আমি ভাবি না। আমি বলতে চাই— কোনো শব্দের চাল যদি বাক্যের স্বাভাবিক চলনকে আড়ষ্ট করে তবে ছন্দ নষ্ট হয়ে যায়। যেমন: শামুকের গতির সাথে যদি কচ্ছপের গতির মিল করতে চান তবে তা হবে খাপছাড়া। আবার যদি শামুক-কচ্ছপকে এক সুঁতোয় বেঁধে দেওয়া যায় তবে তা হবে অন্যরক বা ভিন্নভাবের গতি।

        অন্তঃমিলহীন অথচ অপূর্ব ছন্দের চাল আছে এমন একটি কবিতার একটি স্তবক পেশ করছি যা আমার বক্তব্যের সাথে তাৎপর্যপূর্ণ।

        ঝড়োরাত্রির খোলা জনালার মতো
        ঝাপটা হাওয়ায় তোমার দেহের
        দেয়ালে কুটেছি মাথা।
        বুক ভেঙে গেছে বিদায়ের করাঘাতে,
        ভাঙতে ভাঙতে দেয়ালে পলস্তারা
        খসে গেছে বালি শব্দের কড়িকাঠে।
        ভোর হয়ে গেছে পুবের আকাশে
        পাখিদের মুখে গান, ছাঁদ ডুবে গেছে
        মৃত্যুর মতো, শেষ-কথা তবু নেই?

        ( বই : নির্বাচিত ১০০ কবিতা, পৃষ্ঠা : ৫০, কবি : নির্মলেন্দু গুণ )

        • imrul.kaes@ovi.com'
          শৈবাল ডিসেম্বর 27, 2010 at 10:15 পূর্বাহ্ন

          জবাব দিতে গেলেই যে বিরুদ্ধচরণ হবে , সেই জাননে ঐ পথে পা দিতাম না ! সত্যি বলি শৈলীতে কথাজুড়ার ক্ষেত্রে “জবাব দিন ” লেখা থাকেও এইখানে আমি যতটুকু বলেছি তা আপনার বিরুদ্ধবাদী হয়ে নয় বরং সমর্থন করেই ।হরিপদ দাদার এই কবিতা নিয়ে আমিই বলেছি গাঁটছড়া অন্তমিল না থাকলেও যেখানটায় আছে যতটুকু আছে ততটুকুতে বেশ লেগেছে , কপাল আমার যে আপনার সুরেই বলতে চাইছি কিন্তু আপনি বললেন বিরুদ্ধে যাচ্ছে হতেই পারে ভুলটুকু আমার কারণ আপনার মতো ভাল করে বলতে জানি না । স্বীকার করি দাদার এই কবিতার পূর্ণ পর্বে চার মাত্রা থাকলেও অনেক জায়গায় ভেঙ্গেছে অনায়াসে … হোঁচট খেয়েছি কী গড়িয়ে গিয়েছি বোদ্ধার মতো বলবো না ,ভাই আমি যে নিজেই হাঁটতে পারি না । তবে শুধু এইটুকু বলি আমার কাছেও ভিন্নতাটুকু ভাল লেগেছে ।আর নির্মলেন্দু গুণের কবিতাটির জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

  2. juliansiddiqi@gmail.com'
    জুলিয়ান সিদ্দিকী ডিসেম্বর 26, 2010 at 6:13 অপরাহ্ন

    হরিপদ কেরানী
    -দেখলে আমার ইচ্ছে হয় না পোস্টে ক্লিক করি।
    মনে হয় হরিপদ কেরানীর জীবনটাকে নিয়ে ঠাট্টা করা হচ্ছে।
    (সরি!)

You must be logged in to post a comment Login