হরিপদ কেরানী

অণুগল্পঃ নিষিদ্ধ সন্তরণ

সকালটা বাসায়। সারাদিন অফিসে। বিকেলটা কফির মগে। সন্ধ্যেটা বিলিয়ার্ড টেবিলে। ক্লাব-পার্টি- টুংটাং -চিয়ার্স। কখনও বাগান বাড়ীতে মক্ষিরাণী শিখিয়ে যাচ্ছে জীবনের সংগা-”লাইফ ইজ…….”। চারপাশে রঙ্গীণ কাঁচের দেয়াল। অফিসে। বাড়ীতে। গাড়ীতে-সর্বত্র। এর মাঝেই ব্যস্ত জীবন কেটে যাচ্ছে জীবনের খোঁজে। কর্পোরেট-সোস্যাল লাইফে আমার … Read more »

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদেয় এলো বান ……………

আজ আষাঢ়। আজ বর্ষার প্রথম দিন। সবাইকে বর্ষার শুভেচ্ছা। আজ বৃষ্টি হলে খুব ভালো হতো। খুব ভিজতে ইচ্ছে হচ্ছে। "বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদেয় এলো বান শিব ঠাকুরের বিয়ে হবে তিন কণ্যে দান" অনেকের মতে বর্ষার সেরা কবিতা এটা। আমারও তাই ধারনা। তবে শৈশবে পড়া আরও একটা কবিতা আমাকে খুব টানে । কখনও কখনও মনে হয় এটাই ...

অণুগল্পঃ এনকাউন্টার

রাত্রির তৃতীয় প্রহর। রফিক অপক্ষো করছে। যে কোন সময় তাঁকে দৌঁড়াতে বলা হবে। আশ্বিনের শুরুর এই সময়টা দারুণ এক সময়। হালকা হালকা শীত। সামান্য কুয়াশা। গড়াই নদীর ফুরফুরে হাওয়া মনটা মাঝে মাঝে উদাস করে দেয়। জীবনটাকে মনে হয় খুব সহজ … Read more »

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

ভালোবাসার ইশতেহার

প্রণযের কক্ষপথে ঘুরে যদি মন তোমাকেই ঘিরে হবে সেই আবর্তন। হৃদয় নদীতে যদি আসেগো প্লাবন প্রেম হবে সেই জল তুমি সে শ্রাবণ।। প্রেমের পানসি বেয়ে ঘুরে দেশান্তরে নোঙর ফেলেছি আজ তোমার বন্দরে। তোমাকেই ঘিরে প্রিয়া আমার আধার তুমিহীন এ জীবন বিরান পাথার।। বৈরাগীর প্রাণে দিলে ঘরমুখী গান (তবে) ভালোবেসে ছুঁয়ে দাও পরাণে পরাণ। বারবার মনে পড়ে মায়াবী সে চোখ পিদিমের আলো ঘেরা সেই প্রিয় মুখ।। আসো যদি ...

এলোমেলো স্মৃতিকথা-১: রেলগাড়ী ঝমঝম

(আমার এই সিরিজের লেখাগুলো প্রচলিত অর্থে কোন আত্নজীবনী নয়। এর কোন ধারাবাহিকতাও নেই। জীবনের বিভিন্ন সময়ের কিছু কিছু ঘটনা যা আমাকে আজও কোনও না কোনও ভাবে নাড়া দেয় এসব তারই বর্ণনা মাত্র।) আর কদিন পরেই বাড়ী যাব। প্রত্যেক বছর ডিসেম্বর মাসের এই সময়টাতে আমাদের সব ভাইবোনের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হয়। তারপর লম্বা ছুটি। ...

তুমি কই?

তুমি কোথায়? শহরের অনেক খবর তোমাকে জানানো দরকার তুলোউড়া মেঘে ছেয়ে গেছে পুরোটা শহর সোনার দামে মিলছে শীতের শবজি। সামনে ইলেকশন-দুঃখ ঘুচে যাবে হাড়জিরজিরে মানুষের তারা পরিণত হবে সুমো কুস্তগীরে। কদিন পর ফুটবে আমের মুকুল আনন্দে হাসবে বুড়ো রবীন্দ্রনাথ বজরা ভাসাবেন গড়াই নদীর বুকে। জমে উঠবে জলসাঘর শহরের বনেদী এলাকায় বাঈজীর নাচে মাতাল হবেন শহরের বনেদী সন্তানেরা। এই তো কদিন পর আগুন লাগবে শহরের বড় বড় বস্তিতে পুড়ে মরবে ...

বেহুলা-লক্ষিন্দর

হতে পারি লক্ষিন্দর যদি তুই হস বেহুলা আমার খেতে পারি লক্ষ ছোঁবল রেখে হাত কাল কেউটের ফণায়। ভেলায় চড়ে অবলীলায় ভেসে যাব কৈলাসে প্রিয়তমা, তুই থাকিস যদি বেহুলা হয়ে পাশে।

অণুগল্পঃ শিঁকড়

আজও কি তোমাদের গাঁযে পুঁথির আসর বসে? আলাওলের পদ্মাবতী পড়তে পড়তে আজও কি তোমাদের রাত পোহায়? যমুনায় কি আজও গয়না নৌকা চলে? একজন দাঁড় বায়- আরেকজন ধরে হাল। পুবালী বাতাসের তালে উড়তে থাকে বাদাম। ছৈ এর ভেতরে বসে মিটিমিটি হাসতে … Read more »

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

বিশ্বস্ত স্বর্ণকার

আমার হাতে রাখিস যদি ভালোবেসে তোর হাত জীবনে গড়া কাঁকন দিব বাজাবি দিনরাত।

নষ্টালজিয়া

শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথী চৈত্রের দুপুরের ধুলোউড়া পথ অনেক মানুষ আজ পথে। সবার হাতেই হরেক সওদা শরীরে ক্লান্তি, চোখে-মুখে আনন্দ। আমার বাম পকেটে লাল মুরালি ডান পকেটে কদমা বাম হাতে শক্ত করে ধরা বাবার তর্জণী ডান হাতে টমটমের রশি। দুপুর রোদ গায়ে মেখে টমটম বাজিয়ে সিন্দুরমতির মেলা থেকে বাড়ী ফিরছি - মনে মনে!