জাতিসংঘের নগ্ন অধিবেশন

Filed under: পদ্য,‌কবিতা |

মুড়ি মুড়কির মতন ভালোবাসা
খাচ্ছি-
চিবুচ্ছি।
এরপরে গতবাধা ছন্দে মানবদরদী বানী দিচ্ছি।

জার্নালিজমের ভুতগুলো সম্পাদকীয় কলামে স্থান পেলেও
তোমার নাভির সাথে সংযোগ খুজে পাইনা।
ব্যাপার না হে বত্স,
ধৈর্য ধর।
রক্ত খাবে?
কিংবা তামাটে রংগা বাশিটাকে-
যা কিনেছি অলিতে গলিতে চুরি যাওয়া রোজ বিক্রি করা মহিলাটার কাছ থেকে
সেও নাকি খোয়া যায়
রাত, দুপুরে আর সন্ধ্যায়।
বাদবাকি বিকেলের নি:স্তব্ধতা? সেটা আমার জন্যে বরাদ্দ

চোরের উপরে চোর!
উগ্র গন্ধ তাই জমা ছিল বাতাসে,
আর ছিলো তার এলোমেলো চাহনী।

আমিও তথৈবচ
সাড়া পাইনা – নাড়া পড়েনা।
অসাড় হৃদয় আমার!
অস্তিত্বের জানান দিতেই আমি
নাড়ির সন্ধান খুজি।

ঠিক তখনই
হলদে বমিগুলো হুড় হুড়িয়ে উদগীরন হয়,
যেন কোন সদ্য মৃত কোন আগ্নুত্পাত অসাড় হবার যন্ত্রনায়-
লাভাগুলো নিষ্তেজ হতে চেয়েও আবারো বিদ্রোহ করে বসে!
মুখ থেকে পেটে যাবার পরিবর্তে
পাকস্থলি থেকে আবারো মুখ দিয়ে ছিটকে বেরোয়-
মানুষ… অমানুষ… এরপরে প্রানী।

জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন শেষে মাননীয় রাষ্ট্রদূত আমার!
নিড়ের মাঝে টান দেয়- নাড়িতে টান পড়ে,
রক্ত বেরুয়-
এদের নাকে মুখে হলুদ আর লাল ছোপ ছোপ ফনার মতোন কি সব লেপ্টে গেলেও
আমার অষ্তিত্ব আর জানান দেয়া হয়না।

মুড়ি মুড়কির ভালোবাসা
আমার ভালোবাসা
আহা ভালোবাসা আমার!
বাতাসে মেলে
মেলে..
এরপরে আর মেলেনা!

শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।

14 Responses to জাতিসংঘের নগ্ন অধিবেশন

  1. ভাই অসাধারন লাগল ।

    rabeyarobbani@yahoo.com'

    রাবেয়া রব্বানি
    ডিসেম্বর 31, 2010 at 2:37 পূর্বাহ্ন

  2. ভাব ও বিষয়টা চমৎকার। উপস্থাপনের ভঙিমাটাও প্রথম ৩ স্তবকে শৈল্পিক-সুন্দরের হাতছানি দেয়। বানানের ভুল আর কিছু শব্দের অসতর্ক প্রয়োগ কবিতার শরীরে কালি মাখে, যদিও এ কালি সাবানে ধুলে জ্বলমলিয়ে উঠবে নেশালাগা রূপের আকর্ষণ, সন্দেহ নেই।
    ———————————————————————————–
    শান্তি।

    রাজন্য রুহানি
    ডিসেম্বর 31, 2010 at 3:47 পূর্বাহ্ন

    • যদিও কবিতাটি অসটর্কভাবেই লিখে ফেলেছি . কবিতার ভুলগুলো ধরিয়ে দিলে কৃতজ্ং থাকবো

      snmhoque@yahoo.com'

      আজিজুল
      ডিসেম্বর 31, 2010 at 10:41 পূর্বাহ্ন

  3. অনেক দিন পর শৈলীতে আপনার লেখা কবিতা পড়ছি ।যথারীতি মুগ্ধতার চেয়েও বেশি ।শুভ কামনা স্যার

    imrul.kaes@ovi.com'

    শৈবাল
    ডিসেম্বর 31, 2010 at 10:36 পূর্বাহ্ন

    • শৈবাল , আমি ছবিঘরে এ কবিতাতে তোমাকে টেগ করতে চাইলাম-পারলামই না :(

      snmhoque@yahoo.com'

      আজিজুল
      ডিসেম্বর 31, 2010 at 10:43 পূর্বাহ্ন

    • শৈবাল, লেখা আমি থামাইনি। শৈলিতে যেহেতু সাহিত্যচর্চা হয়, তাই সমকালীন রাজনীতি-দেশ-মুক্তিযুদ্ধ-ইতিহাস নিয়ে আমি ‘একুশেব্লগে’ টুকিটাকি লিখেই চলেছি। তবে প্রতিদিন বারকয়েক শৈলিতে আসা হয় :)

      snmhoque@yahoo.com'

      আজিজুল
      ডিসেম্বর 31, 2010 at 9:16 অপরাহ্ন

  4. আমারই আসলে খুঁজে পড়ার উচিত্‍ ছিল , তেমনটাইতো হয়ে আসছিল কিন্তু আজকাল সময়ে সবকিছু আর সবকিছু থাকছে না … ব্যস্ততায় পৃথক হয়ে পড়ছি ভালো লাগা থেকে ।

    কবিতার ছবিটাও বেশ সুন্দর , কে তুলেছে , সাবরিনা নাকি আপনি !

    imrul.kaes@ovi.com'

    শৈবাল
    ডিসেম্বর 31, 2010 at 3:03 অপরাহ্ন

  5. হলদে বমিগুলো হুড় হুড়িয়ে উদগীরন হয়,
    যেন কোন সদ্য মৃত কোন আগ্নুত্পাত অসাড় হবার যন্ত্রনায়-
    লাভাগুলো নিষ্তেজ হতে চেয়েও আবারো বিদ্রোহ করে বসে!
    মুখ থেকে পেটে যাবার পরিবর্তে

    .
    এখানে ছন্দের ধারাবাহিকতা হোঁচট খায়, আগের স্তবকের ছন্দের চেয়ে বিন্যাস ভিন্নতর হওয়ায়।
    এছাড়া বাক্যের কাঁধে বাড়তি বোঝা (শক্তপোক্ত শব্দ) দেওয়া হয়েছে, ইচ্ছে করলেই ওজনে হাল্কা অথচ কাজে পাকা শব্দ বসিয়ে অনায়াসে বহন করা যেত।
    .

    এদের নাকে মুখে হলুদ আর লাল ছোপ ছোপ ফনার মতোন কি সব লেপ্টে গেলেও
    আমার অষ্তিত্ব আর জানান দেয়া হয়না।

    .
    বাক্যটি কেমন যেন কাব্যরসহীন, খসখসে।
    .
    বানান যদি শুদ্ধ হয়, দেখতে ভালো লাগবে নিশ্চয়।
    .
    মুড়ি মুড়কির ভালোবাসা
    আমার ভালোবাসা
    আহা ভালোবাসা আমার!
    বাতাসে মেলে
    মেলে..
    এরপরে আর মেলেনা!

    আহা!
    .
    নিজের মতো ধরা ভুল যদি অভিসম্পাতের কারণ হয়, ক্ষমা দিতে হবে অবশ্যই।
    .
    শান্তি।

    রাজন্য রুহানি
    ডিসেম্বর 31, 2010 at 5:26 অপরাহ্ন

    • হলদে বমিগুলো হুড় হুড়িয়ে উদগীরন হয়,
      যেন কোন সদ্য মৃত কোন আগ্নুত্পাত অসাড় হবার যন্ত্রনায়-
      লাভাগুলো নিষ্তেজ হতে চেয়েও আবারো বিদ্রোহ করে বসে!
      মুখ থেকে পেটে যাবার পরিবর্তে

      এটাতে আমিও একমত। বিশেষত ১ম তিন লাইন। আমি এক্ষেত্রে পরিবর্তনের আশ্রয় নিবো ভাবছি।

      এদের নাকে মুখে হলুদ আর লাল ছোপ ছোপ ফনার মতোন কি সব লেপ্টে গেলেও
      আমার অষ্তিত্ব আর জানান দেয়া হয়না।

      এখানের ১ম লাইনটাই যতসব নষ্টের গোড়া :(

      snmhoque@yahoo.com'

      আজিজুল
      ডিসেম্বর 31, 2010 at 7:48 অপরাহ্ন

      • আমি আর বেশি কিছু না বলি। কবির জন্য শ্রম জরুরি!
        কবিতাটা কিন্তু খুবই চমৎকার!

        juliansiddiqi@gmail.com'

        জুলিয়ান সিদ্দিকী
        জানুয়ারী 1, 2011 at 7:37 অপরাহ্ন

মন্তব্য করুন