কিছু আলো, কিছু আঁধারঃ (কক্সবাজার)

বিষয়: : ছবিশৈলী |

(শুরুতেই বলে নেই আমি ভালো ক্যামারাম্যান নই।সবগুলো ছবি সাধারন লেন্সের ডিজিটাল ক্যামারায় আমিই তুলেছি।এটা ঠিক ফটোগ্রাফি না।ছবি তোলায় ট্রুটি মনে হলে ক্ষমা করবেন।)

কক্সবাজার-

কলাতলী বিচঃ-
দূর পাল্লার ভ্রমনে সারা রাত নির্ঘুম যাওয়ায় পৌঁছেই ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পরেছিলাম,ঘুম ভাঙ্গল একেবারে সন্ধ্যায়।চোখ মেলে তাকিয়েই দেখলাম সূর্যাস্ত হচ্ছে,হোটেল কর্তৃপক্ষ কে মনে মনে ধন্যবাদ না দিয়ে পারলাম না। লোকেশনটি এমন ভাবে করা হয়েছে যাতে চার তলা থেকে ঘরের ভিতর শুয়ে শুয়েই সূর্যাস্ত দেখা যায়।বারান্দায় দরজার বদলে গ্লাস দেয়া যাতে ভিউ ভালো হয়। বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখলাম মানুষে মানুষে সৈকতটা ভরে গেছে। সন্ধ্যার মনোরম আলো,আকশের সাথে তাল রেখে সমুদ্রের রঙ ও কিছুটা ছাইরঙা। কোথাও ডিজিটাল ফুল ভলিউমে গান চলছে মনে হচ্ছে যেন আকাশ থেকে ভেসে আসছে। হাল্কা কমলা রোদ,শান্ত সাগর,তার সাথে রুপমের দরদ দিয়ে গাওয়া লাইনগুলো,
“আকাশে তোমায় রাখি/মাটিতে তোমায়/ভিতর-বাহির,কাছে-দুরে/যতনে রাখি তোমায়/তুমি আমার ভীষন খড়ায় মরা নদীর ঢেউ/তুমি ছাড়া পৃথিবীতে নেই আমার আর কেউ রে”।


ছবিগুলো আমার বারান্দা থেকে তোলা।


সুর্যাস্তের কমলা আলো।

সব মিলিয়ে বাকরুদ্ধ একটা অনুভুতি। সৌন্দর্য আর সংগীত একসাথে যে আবেগ তৈরী করতে পারে তা যে মানুষকে নিথর করে দেয় তাই বেশ বুঝতে পারলাম।
উপর থেকে অনেকটা জায়গা একসাথে দেখা যাচ্ছিল,দূর থেকে দেখে মনে হচ্ছিল মানুষগুলো যেন এই অলৌকিক সুন্দরের কাছে স্তব্দ হয়ে আছে।
গানটা শেষ হয়ে বিজ্ঞাপন শুরু হয়।এবার উৎস খুজতে গিয়ে অবাক হতে হয়েছিল।কলাতলী বিচের প্রবেশ মুখে খুব ছোট দুইতলা ঘরের বাইরে হলো-গ্রাফিক টিভি স্ক্রিনে গানের সাথে ভিডিও ও দেখা যাচ্ছিল। পরে আশেপাশের মানুষদের জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম, এটা ব্যাক্তি মালিকানায় তৈরী,এটাকে বোর্ড ঘর বলা হয় আঞ্চলিক ভাবে।এখানে আঞ্চলিক বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি আবহাওয়ার বিজ্ঞপ্তিও দেয়া হয়।
আস্তে আস্তে সূর্য্য ডুবে যায়।মানুষের ভীড় ও কমে যায় তীর থেকে। জানুয়ারী মাসের উপকূলীয় শীত সন্ধ্যা হতেই ঝেঁকে বসতে শুরু করেছিল।


সূর্য্য ডুবে যাওয়ার পর কিছুক্ষণ।

হঠাৎ একটা বড় লাল ফানুস আকাশে ভেসে যেতে দেখা গেলো। ফানুস! আমি ভীষণ আলোড়িত হয়েছিলাম।কারন সেটাই ছিল আমার সচক্ষে দেখা প্রথম ফানুষ।সন্ধ্যার সূর্য্য ডোবা আকাশে লাল ফানুস দেখছিলাম যতক্ষণ দেখা যায়। রাত নয়টার মধ্যে জোয়ার চলে আসে। হোটেলের পনেরশ্ ফুট দুরত্ব পর্যন্ত ঢেউ এগিয়ে আসে। সে কি গর্জন!তার সাথে বড় বড় পাথর দেয়া বাধের উপর কিছু ছেলে হাততালি দিয়ে কোরাস গাইছিল।ঢেউয়ের গর্জনে মাঝে মাঝে তাদের গানের আওয়াজ চাপা পড়ে যাচ্ছিল।
সন্ধ্যার শান্ত সমুদ্র চেহারা পালটে কেমন রুদ্র,মাতাল রুপ নিয়ে নিয়েছিল। প্রবল বেগে আছড়ে পড়া এই শব্দ শুনতে আর দেখতে আবার মানুষের ছোট খাট জটলা রাস্তার দিকে।এক একটা ঢেউ আছড়ে পড়ার শব্দ যেন বুকে বাজছিল। আবিষ্ট হয়ে গিয়েছিলাম অবাধ্য,দামাল সমুদ্রের আলোড়ন দেখতে দেখতে।
পরদিন সমুদ্রের কাছে গিয়ে মনে হলো আসলে আকাশের প্রতিফলন ছাড়াই এই বিচের পানি বেশ ঘোলা।এটা বহুল ব্যবহৃত বিচ।এখানে মানুষের চাপও খুব বেশি।তবে বেড়াতে আসা সকল শ্রেনীর মানুষগুলোকে দেখতে ভালো লাগছিল।এদের মধ্যে মধ্যবিত্তের চেহারার আনন্দ চোখে পড়ার মত।

পরদিন সকালে জেলেরা মাছ ধরছে।

হোটেলের ঠিক বাইরেই একি রকম দেখতে কিছু রেষ্টুরেন্ট যেগুলো কাঠের তৈরী।কাঠের পায়া দিয়ে এমন ভাবে তৈরী করা যে জোয়ার এলে পানির উপর ভেসে থাকে।উত্তাল সমুদ্রের ঢেউ দেখতে দেখতে খাওয়া যায়।খাওয়ার জন্য না শুধু বসে থাকতেই মন চাইবে। চার পাচ দিন একটানা গিয়েছিলাম তাই একরকম মায়াও পড়ে গিয়েছিলো। আমি টিভির খবর আর সংবাদপত্র দুটোই পড়ি না বললেই চলে তাই অনেক কিছুই ইদানিং জানিনা,যেমন পরে ঢাকায় এসে হঠাৎ একটা টিভি প্রতিবেদন চোখে পড়ল তাতে জানতে পারলাম ওগুলো অবৈধ স্থাপনা। যে জায়গায় রেস্টুরেন্টগুলো স্থাপিত তা সংরক্ষিত এলাকার মধ্যে পড়ে কিন্তু ব্যবসায়ীদের এগুলো দেখার বিষয় না তারা জায়গাটা দেখেছে মার্কেট হিসাবে যেখানে সঠিক ভোক্তা পাওয়া যাবে।আমার মনে হয় শুধু বাংলাদেশ না অনেক দেশেই টাকার লোভে সব কিছুরই তেরোটা বাজানো যায় আর সংরক্ষিত এলাকা একটা ব্যাপার!


এগুলো সেই হোটেল।


ভাটার সময় সমূদ্র একটু দূরে চলে যায়।

ওখানে খেতে গিয়ে পরদিন দু,একজন ছেলে কাছে এসে জিজ্ঞেস করল,”আফা গান শুনবেন”।আমি বুঝতে না পেরে বললাম,মানে? ছেলে দুটো সাথে সাথে চমৎকার সুরে গান শুরু করল। যেকোনো গানই এরা গাইতে পারে।দশ বিশ টাকার জন্য গলা ফুলিয়ে এদের কণ্ঠ ভারী করে গাওয়ার চেষ্টা না দেখলে বোঝা যাবে না। ভেবেছিলাম এই এলাকায় এই ছেলে দুটোই বুঝি গান গায় আর ভালোও লেগেছিল বেশ!তাই পরদিন রাতে ওদের খোজ করলাম কিন্তু দেখলাম এখানেও মার্কেট।দুই তিন গ্রুপ চলে এসেছে। কক্সবাজারে এত ক্ষুদেগানরাজ আছে দেখে অবাক হলাম।এ ওকে বলছে, “না তরে না আমারে ডাকছে”।ওদের ঝগড়া থামিতে দিয়ে বললাম, “আচ্ছা সবাই দুটো করে গাও”। কেউ তেমন সন্তুষ্ট হলো না, মনে হলো টাকা ভাগ হবার ভয় ছিল হয়ত।আসলে ক্ষুধার বাজার সবসময়ই প্রতিযোগিতামূলক।
সবার গলাই যে ভালো তা না। কিন্তু রাত দশটায় সবারই ঘুম ঘুম চোখ,গানে অমনোযোগিতা, চেহারায় ময়লা মনে হচ্ছিল দায়ে পড়ে গাইছিল অনেকটা দ্রুত।হয়ত তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরার তাড়া, হয়ত ক্ষুধার।আমিও গানে অমনোযোগী হয়ে ওদের দেখতে লাগলাম।

আমাদের ক্ষুদে (ক্ষুধার) গানরাজ।

ছেলেটি গাইছিল ভালোবাসো কিনা বাসো বন্ধু টেরাই কর আমারে………………

হিমছড়ি

হিমছড়ি গেলাম জিপে করে।ওখানে হোটেলগুলোর সামনেই জিপ ভাড়া পাওয়া যায়।কলাতলী থেকে হিমছড়ি যেতে খুব সুন্দর পথ পড়ে।লাল মাটির পাহাড় তাতে হাল্কা সবুজ,কখনো গাড় সবুজ ছোট ছোট গাছ,অপর পাশে নীল সমুদ্র,সৈকতের সাদাটে বালি, মাঝে মাঝে পানের বরজ গাড় খয়ের রঙ্গের, আকাশ খুব নীল।মনে হয় অঙ্গগুলো প্রাকৃতিক না যেন আরোপ করা হয়েছে।কোন শিল্পী ইচ্ছেমত রঙ দিয়ে এঁকেছে।অদ্ভুত সব রঙ এর কারুকাজ।
হিমছড়িতে মানুষ খুব আয়োজন করে যায় তবে হতাশ হবার মতই ঝর্নাধারা।খুব ছোট ধারার একটা ঝর্না তবে দর্শনীয় স্থান হিসাবে প্রচলিত হওয়ায় এই অপূর্ণতা ধামাচাপা দিতেই কিংবা ব্যাবসায়ীকে পুজি হিসাবে কিছু জিনিস কৃত্রিম স্পট তৈরী করা একে ঘিরে।পাশের পাহাড়ে সিঁড়ি দিয়ে উপরে মোটেল আর রেষ্টুরেন্ট শুনলাম আছে তবে যাওয়া হয় নি।
ঝর্না টিতে অযত্নের ছাপ স্পষ্ট হলেও একে ঘিরে ব্যাবসায়িক যত্নের কোন অপূর্ণতা নেই। বরং ওটা সাড়ে ষোলো আনা।তবে মানুষের আনন্দ দেখে ভালো লাগল।দেখলাম শীতের সময়ও কিছু তরুন এই ঝর্নার পানিতে গোসল করছে।


অযত্নের ছাপ স্পষ্ট।

আনন্দিত তরুনদল।

ঝর্নাটি

ইনানী-
ইনানী সৈকতটা অনেকটাই প্রাকৃতিক।অনেক বড় বেলাভূমি পানি ভীষন স্বচ্ছ আর নীল।আশেপাশে বসতি নাই।একেবারে সঠিক উপকূলীয় আবহাওয়া এখানে।এখানের পানিতে নামলে উঠতে ইচ্ছা করবে না।কলাতলী আর লাবনী বিচ এ পানি ঘোলা অনেকটা বালি আর ময়লা ভাব আছে।কিন্তু এখানে পানি বেশ নির্মল।


ইনানী বিচ এ অনেকটা হেটে যেতে হয় মাঝে এই সেতুটা পড়ে।

ইনানী বিচের স্বচ্ছ পানি আর বেলাভূমি।

লাবনী বিচ
সমুদ্রে এটা আমার প্রথম ভ্রমন নয়।সৌভাগ্যজনক ভাবে এই পর্যন্ত তিন বার আসা হয়ে ছিল এই স্বপ্ন নগরে। আমি প্রথম বার যখন আসি তা প্রায় দশ বছর আগে,সে বার লাবনী বিচ এ ছিলাম। তখন এতটা বুঝতে চাওয়ার বয়স ছিল না।তবে মনে পড়ে,লাবনী বিচটা একটু শুনশান হয়ে যেত ভর দুপুর আর সন্ধ্যার পর। ফাকা রাস্তা গুলোতে রিকশাই ছিল একমাত্র বাহন যা অসুবিধা সাপেক্ষেই নেয়া হতো,আর চোখেও পড়ত হাতে গোনা।তখন রাস্তায় হেটে আমার মনে হয়েছিল এত সুন্দর হয় এত নিরিবিলি কোন রাস্তা হয়!মানুষের কোন তাড়া নেই রিকশাওয়ালাদের মাঝেও সহানুভূতি আর গল্প বলার প্রবণতা দেখেছিলাম।
তখন আমরা যারা একসাথে এসেছিলাম সমবয়সী বোন,ভাগ্নী তাদের অনেকেই এখন দেশের বাইরে।এই বিচ এর স্মৃতিগুলো খুব সুন্দর ছিল তাই এখানে আসলেই নস্টালজিক হয়ে পড়ি।কিন্তু সন্ধ্যার দিকে এসে পুরোদমে হতাশ হতে হলো,
মানুষের ফুচকা বিলাস দর্শনীয় কোন স্থান ছাড়েনি জানতাম কিন্তু তা যে সমুদ্রকে ও কব্জা করে ফেলবে জানতাম না।যতদূর চোখ যায় সারী সারী ফুচকার দোকান। এই বিচেও দেখলাম বোর্ড ঘর।তাতে ফারুকীর নাটক চলছে,অনেক মানুষ জড়ো হয়ে নাটক দেখছে।
সন্ধ্যার দিকে এই সৈকতে মানুষ না থাকলেও বিচ লাগোয়া মার্কেটগুলোতে মানুষ উপচে পড়ছে।মার্কেটের সাথের খাবারের দোকানগুলোতে সী-ফুড নেই বরং ফুসকা আর কাবাব জনপ্রিয় মনে হলো।কাপড়ের দোকানগুলোতে এখানকার ঐতিহ্যবাহি কাপড়ের চেয়ে ঢাকাইয়া কাপড় বেশি চোখে পড়ল।শুধু শোপিস গুলোতে ওখানকার ছাপ।
আর ঝিনুকের দোকানের সংখ্যা হাতে গুনে শেষ করা যাবে না।কিন্তু এখানে খরিদ্দার নেই বললেই চলে।তবু সারি সারি দোকানে স্বল্প জীবী মানুষ ঠিক ঠায় বসে আছে।


লাইট না থাকার কারনে ভালো আসেনি ছবিটা।ফুসকার দোকানের সারি।

মাঝখানে যেবার এসেছিলাম প্রায় তিন-চার বছর আগে,সেবার এত কিছু খেয়াল করতে পারিনি সময় কম ছিল।কিংবা পরিবর্তনের গতি একটু কম ছিল তাই চোখ সওয়া ছিল কিছুটা তবে এইবার গতিটা মনে হলো চাকার পায়ে ভর করেছিল তাই বেশ চোখে লাগল।
এবার রাস্তাগুলো তেমন আলাদা করতে পারলাম না।সবখানে মানুষ, ভ্রাম্যমান মনোহারী দোকান।প্রচুর নতুন দোকান।সবখানেই মানুষের বাড়তি চাপ।ব্যবসায় টা কক্সবাজারকে একেবারে কব্জা করে ফেলেছে।এখানে কর্মসংস্থানের একটা উৎকৃষ্ট বাজার হয়ে গেছে। সবচেয়ে খারাপ লেগেছে দেখতে সেটা হলো অসংখ্য বিল্ডিং এর কঙ্কাল তৈরী হচ্ছে।কলাতলী থেকে লাবনী যেখানেই চোখ যাবে শুধু আন্ডার কন্সট্রাকশন হোটেল যার বেশির ভাগই অবৈধ।অসুন্দরের ছবি তুলতে ইচ্ছে হয় নি তাই তুলিনি।এত বড় বড় ব্যাবসায়ীদের মধ্যে গান গাওয়া ছেলেরা, ঝিনুকের মালা হাতে নিয়ে বেচা ছোট ছোট মেয়েরা আর ছোট খাট দোকানে বসে থাকা খরিদ্দারের জন্য অপেক্ষা করতে থাকা মানুষগুলোকে উদাস দেখা যায়।

এত বৈ্রীতা দেখেও আসার দিন খুব কষ্ট হলো।সমুদ্রকে ফেলে আসতে আমার ধারনা সবারই কষ্ট হয়।সমুদ্রের সামনে দাঁড়ানোর আনন্দ আর ফেলে আসার কষ্ট একি মাত্রার। মনে মনে বললাম ,“ আবার দেখা হবে সমূদ্র”।


উপর থেকে কক্সবাজার শহর।কুয়াশার কারনে স্পষ্ট না।


বাথরুমের পানি ভর্তি বালতি নয়ে খেলার অনুমতি পায় না যে হঠাৎ সমূদ্রের সামনে পড়ে সে যে উচ্ছাসিত হয়ে ছিল সেই ছবিটাই খুজে পেলাম না।এখানে পানিতে নিমগ্ন আমার মেয়ে।

rabeyarobbani@yahoo.com'
চারিদিকে দেখ চাহি হৃদয় প্রসারি , ক্ষুদ্র দুঃখ সব তুচ্ছ মানি ।প্রেম ভরিয়া লহ শুণ্য জীবনে ।আনন্দ ধারা বহিছে ভুবনে ।
শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।

46 টি মন্তব্য : কিছু আলো, কিছু আঁধারঃ (কক্সবাজার)

  1. একটা সুন্দর জায়গা সবাই মিস করে কক্সবাজার গেলে। আপনিও করেছেন। ইনানী যাবার পথে নিশ্চয় একটা লোহার ব্রীজ পড়েছিল। ওটার নাম রেজু খাল ব্রীজ। এলাকাটার নাম সোনার পাড়া।
    আবার গেলে ব্রীজ পার হয়ে একটা টং দোকান পাবেন , ওখানে গাড়ী থেকে নেমে ঝাউ বন পেরিয়ে বীচে নামবেন। সুনশান বীচ এলাকাটা বেশ লাগবে।

    ..আসলে দুই বছর ( চাকুরী জীবেনর প্রথম দুইবছর আমার পোষ্টিং ছিল সাবমেরিন কেবল , কক্সবাজার এ) কক্সবাজার তন্ন তন্ন করে ঘুরেছি। ….আমার জন্য সবেচেয় কষ্টকর সে দুইবছর সবচেয়ে আনন্দের ও ।

    কক্সবাজারেরর ভ্রমন কাহিনী শুনলে আমার সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়ে । নষ্টালজিক।

    আপনি সুন্দর ছবি তুলছেন। আসলে মন লাগে । আপনার মন তো গল্পগুলোতেই প্রকাশিত।

    • হ্যা হ্যা।রেজু খাল।নামটা মনে পড়ছিল না তাই লিখিনি । জীপ থেকে দেখা একটুকরো নীল জড়ীর কাপড়ের মত লাগছিল রোদ্রের দিন যে কেউ দূর থেকে অবাক হবে এটা পানি না জড়ীর কাপড়।
      না!সোনার পাড়ার নাম শুনিনি।এর পরের বার সৌভাগ্য হলে অবশ্যই যাব।

      আমার জন্য সবেচেয় কষ্টকর সে দুইবছর সবচেয়ে আনন্দের ও

      ।বেশ বলেছেন।
      শেষ লাইনে এসে ফুলে ফেপে উদ্বায়ী হয়ে গেলাম।
      :rose: %%-
      মঙ্গল হোক পিতৃ-পথযাত্রা।

      rabeyarobbani@yahoo.com'

      রাবেয়া রব্বানি
      মে 22, 2011 , 6:16 পূর্বাহ্ন

  2. বর্ণন সবলীল । সাগর সূর্য জল আকাশ পাহাড়ের কথা , অনুভব সেঁচা হলে পড়তে পড়তেও একবার ঘুরে আসা যেতো । ভেবে লেখেরা চেয়ে দেখে লেখায় স্পর্শের চেতন বেশি স্পষ্ট হয় … আশা করি সামনের বার কাগজ কলম নিয়ে যাবেন সাথে করে আর আমার মাহির ভাইয়ের ক্যামেরাটা । ভালো থাকবেন ।

    imrul.kaes@ovi.com'

    শৈবাল
    মে 22, 2011 , 10:00 পূর্বাহ্ন

    • আমি কী বলি?! প্রিয় কবি শৈবালই ‘আশা করি..’র আগের লাইনগুলিতে আমার মনের কথা বলে দিয়েছেন। :D
      ………..
      আসলে ভ্রমণকাহিনী এটাচ ছবিব্লগ যা-ই হোক না কেনো, লেখকের চোখ দিয়েই সমস্তটা দেখতে চায় পাঠক। পরিশীলিত লেখা আর লেখক-অনুভূতির তীক্ষ্ণ- সাবলীল প্রকাশই পাঠককে নিয়ে যেতে পারে অদেখা রাজ্যের রোমাঞ্চকর পরিবেশে, সেখানে যাওয়া হোক বা না-হোক; পাঠকই তখন লেখক হয়ে যায়, মনের চোখে সবকিছু দেখে বুঁদ হয়ে যায়।
      ………….
      পরিশেষে শান্তিসহ :rose:
      …………

      রাজন্য রুহানি
      মে 22, 2011 , 10:20 পূর্বাহ্ন

      • @রাজন্য ভাই।ওরকম করে লিখতে চাইনি যদিও।তবে আগামীতে চাইব।প্রিয় শৈলারদের জন্য।
        তবে আত্মপক্ষ সমর্থনে কিছু বলার নাই।ইচ্ছে করেই হয়ত লিখিনি। :-SS

        rabeyarobbani@yahoo.com'

        রাবেয়া রব্বানি
        মে 22, 2011 , 11:31 পূর্বাহ্ন

    • @কায়েস ভাই।তা ঠিক।তবে আমি মনে হয় ক্যাটাগরী নির্বাচন করতে ভুল করেছি।এটা ভ্রমন কাহীনি ঠিক যাচ্ছে না।দেখি পালটে কি করা যায়।
      মাহির ভাইয়ের ক্যামারা হাতে নিলেই কি আমি মাহিরের মত তুলতে পারব!!!
      এটা একটা শেয়ার ধরে নেন।হারিয়ে যাওয়া ছবি উদ্ধার করে কাজে লাগালাম।আর ছবি প্রাসঙ্গীক কথাগুলোই এখানে দিয়েছি।
      হ্যা তবে পরের বার কাগজ কলম নিয়েই যাব।
      এটা ভালো বুদ্ধি।
      ধন্যবাদ।
      ভালো থাকবেন।আবার আসবেন আমার বাড়ি।

      rabeyarobbani@yahoo.com'

      রাবেয়া রব্বানি
      মে 22, 2011 , 11:27 পূর্বাহ্ন

  3. :-bd কবির দারুন সফর, ছবিগুলো একটু আলো কম হইছে মনে হয়,
    আমি আবার ছবি বুঝিতো :rose: :rose: %%-

    mannan200125@hotmail.com'

    চারুমান্নান
    মে 22, 2011 , 10:23 পূর্বাহ্ন

    • উপরেই কিন্তু লিখছি যে ছবি তোলায় ভুল হইলে ক্ষমা।এটা আপনাদের সাথে শেয়ার ধরেন।পন্ডিতি টাঈপ ফটোগ্রাফি না।
      তবে ফটোগ্রাফি জানলে এ নিয়ে একটা পোষ্ট দিলে উপকৃত হব।প্লিজ।
      আমার বাড়ি আবার আসবেন।
      এই বৃষ্টির বিকেলে গরম এক কাপ চা।
      ~O)

      rabeyarobbani@yahoo.com'

      রাবেয়া রব্বানি
      মে 22, 2011 , 11:35 পূর্বাহ্ন

  4. “আকাশে তোমায় রাখি/মাটিতে তোমায়/ভিতর-বাহির,কাছে-দুরে/যতনে রাখি তোমায়/তুমি আমার ভীষন খড়ায় মরা নদীর ঢেউ/তুমি ছাড়া পৃথিবীতে নেই আমার আর কেউ রে”।
    গানটি আমারও ভালো লাগে। পড়তে পড়তে শুনতে মন চাইল। অনেক খুঁজলাম; কোন ফোল্ডারে যে রেখেছি, মনে পড়লো না মোটেও। পরে না চাইতেই পেয়ে যাবো, জানি। আপাতত মুখে মুখেই…. :-” :-“

    রাজন্য রুহানি
    মে 22, 2011 , 10:33 পূর্বাহ্ন

    • ইউটিউবে বাঙ্গলা গান(আকাশে তোমায় রাখি) বলে সার্চ দেন। মিউজিক ভিডিও টা খারাপ না।
      তবে এটা নাকি মর্ফি সাহেবের ল,
      যখন যা খুব প্রয়োজন তখন হাতের কাছে পাওয়া যাবে না।যখন দরকার নাই তখন চোখের সামনে পড়ে থাকবে।
      গানটা তো ভালোই গাইলেন।
      বাহ!
      এক কাপ চা খেয়ে নেন এবার।
      ~O)

      rabeyarobbani@yahoo.com'

      রাবেয়া রব্বানি
      মে 22, 2011 , 11:40 পূর্বাহ্ন

      • ও মনে পড়েছে, ওটা তো আহমেদ রাজীবের গান, আকাশ-মাটি। :D

        রাজন্য রুহানি
        মে 22, 2011 , 4:04 অপরাহ্ন

        • [-X ।এটা রুপমের গান।

          rabeyarobbani@yahoo.com'

          রাবেয়া রব্বানি
          মে 23, 2011 , 2:30 পূর্বাহ্ন

          • :B জ্বি না মেম, ওটা আহমেদ রাজীবেরই গান। অবশেষে গানটি খুঁজে পেলাম। এ্যালবামের নাম মনে ছিল না, তাই পাই নি। :->
            ভিডিওসংটি দেখলেই বুঝতে পারবেন। o:-) গান টাইটেল হলো— আকাশ-মাটি, আর্টিস্ট— আহমেদ রাজীব, এ্যালবাম— যদিও, প্রোডিউজড বাই— অগ্নিবীণা। :-” :-” :-”
            ………….
            আরও নিশ্চিত হবার জন্য ইউটিউবে ঢুঁ মারলাম। গুগুলে সার্চ দিলাম। ইউটিউবে গানটি ডিসকো বান্দর এ্যালবাম দেখায়, গুগুলে আহমেদ রাজীব ও ডিসকো বান্দর দুটোই দেখায়। কিন্তু এটি আহমেদ রাজীবের এ্যালবাম, আমার সংগ্রহে আছে, কী করে বুঝাই। [..]
            …………
            পাবার পর থেকেই শুনছি প্রিয়মধুর গানটি। :-@ \:D/ ;;)
            ………..

            রাজন্য রুহানি
            মে 23, 2011 , 6:52 পূর্বাহ্ন

  5. ছবিগুলো সত্যিই সুন্দর !! সাথে লেখার বিষয়গুলো।

    তবে ছবি গুলোর সাইজ আর-একটু বড় হতে পারতো?
    কিন্তু আপনি শেয়ার যে করেছেন আমরা তাতেই খুশি…….
    কক্সবাজার যাওয়া হয়নি কখনো আপনার ছবিগুলো দিয়েই খানিকটা দেখে ফেললাম। ধন্যবাদ দিচ্ছি এই জন্য যে আপনার বর্ননা আসলেই মনে রাখবার মতো যদি কখনো ছবি ব্লগ দেই তাহলে আপনার বর্ননা গুলো পড়ে নেব।

    • সকাল দা,
      আরো ছবি ছিল কিন্তু নেট জনিত সমস্যার পাশাপাশি ছবি আপলোড হতে অনেক সময় লাগে।এই পোষ্ট টা করতে দুই দিন লেগেছে।পরের বার চেষ্টা থাকবে।
      না গিয়ে থাকলে অবশ্যই যাবেন।আমাদের দেশের এই সম্পদ আমাদের একবার অন্তত দেখা উচিত।
      শুভ কামনা।

      rabeyarobbani@yahoo.com'

      রাবেয়া রব্বানি
      মে 23, 2011 , 2:34 পূর্বাহ্ন

  6. আমি মোবাইলে তুলেছিলাম আপনার সুন্দর ছবির জন্য এই জায়গাটা উপহার দিলাম

  7. স্বপ্নের স্পর্শ পেলাম।
    :rose:

  8. আপু আপনার বাড়িতে যাবার সৌভাগ্য হয়তো কোনদিনই হবে না। তবে নিমন্ত্রন সানন্দে গ্রহন করলাম ^:)^ । ভালো থাকবেন সবসময়।

  9. ভালোবাসো কিনা বাসো বন্ধু টেরাই কর আমারে………………

  10. আহা! এই জীবনে বুঝি আর হলো না দেখা ঘর হইতে আরেক জেলায় গিয়া
    কত মানব-মানবী ঘুরিয়া ফিরিয়া দেখে প্রকৃতির নানা অনুষঙ্গ।

    (*) (*) (*) (*) (*) (*) (*)

    • আপনার নতুন আইকন দেখি সিনড্রেলা!!!!!!!!!!!!!
      ভাইজান,
      বেটার লেট দেন নেভার।
      আপনার এবারের বিডি ভ্রমন হোক পরিবার পরিজনসহ কক্সবাজার ভ্রমন এই কামনা।সন্তানের চোখের মুগ্ধতা দেখার এক অসাধারণ অনুভুতি পাবেন।
      আপনার জন্য নিচে আর একটি নতুন ছবি সংযোজন করলাম।
      মঙ্গল হোক সর্বাত্মক।

      rabeyarobbani@yahoo.com'

      রাবেয়া রব্বানি
      মে 24, 2011 , 6:23 পূর্বাহ্ন

      • হুম! এইবার মাইনাস দিলাম!
        ভাবছিলাম ধারাবাহিক হবে, তাই আর কারো ছবির বিষয়ে য়াগে কোনো আগ্রহ দেখাই নাই।
        আপনি একদিনই বাইরে বার হইসিলেন। আর সেইদিন্র ছবিগুলাই আউটডোরের প্রতিনিধি!

        ———
        আপ্নের দোয়ার লগে লগে আমিন আমিন কইলাম! :D

        • না বাইর হইছিলাম প্রতিদিন আর বেলায় বেলায়।দুরে গিয়েছিলাম একদিন।কিন্তু অনেক ছবিই পিসি ক্রাশ করা আর সি ড্রাইভে থাকার কারনে হারিয়ে গেলো।সবগুলো ছবি একদিনের নয়।তবে এটা সত্যি মনে হইছিল।বারান্দায় সারাজীবন কাটায় দিলে মন্দ হয় না।দূরে যাওয়ার ইন্টারেষ্ট কম ছিল। :D
          আল্লাহু-আমিন।আমিও কইলাম। :D

          rabeyarobbani@yahoo.com'

          রাবেয়া রব্বানি
          মে 26, 2011 , 2:51 পূর্বাহ্ন

  11. শুরুতেই বলে নেই আমি ভালো ক্যামারাম্যান নই।
    – আমিও শুরুতেই বলে নিই, আপনি ক্যামেরাম্যান হবেন কোন দুঃখে, আপনি ভালো ক্যামেরাউইমেন হয়ে উঠুন, অথবা ক্যামেরাপারসন। :-)

    কক্সবাজারের প্রতি আপনার একটা খুঁটিনাটি আবেগ কাজ করছে, তা লেখাতে চমৎকার এসেছে। পাখির দৃষ্টিতে কিছু ছবি তুলে ফেলেছেন আপনি। সেগুলো ভালই ঠেকলো।

    ধন্য হলাম।

    shamanshattik@yahoo.com'

    শামান সাত্ত্বিক
    মে 24, 2011 , 2:35 পূর্বাহ্ন

    • :D :D
      ঠিক তো ক্যামারাম্যান কেমনে হব?!!!!!!!
      আপনার কমেন্টসটা দারুন লাগল।
      তবে শামান দা পাখির দৃষ্টি মানে কি?
      8-|
      :rose:

      rabeyarobbani@yahoo.com'

      রাবেয়া রব্বানি
      মে 24, 2011 , 6:25 পূর্বাহ্ন

      • এভাবে লিঙ্গান্তর করে ব্যবধান সৃষ্টি ব্যক্তিমানস বিরোধী। হতে পারে সে নারী—এটি দেহগত বা প্রকৃতিগত; প্রকৃতপক্ষে সে মানুষ, পুরুষের মতোই। আগে আমরা মানুষ; পরে পুরুষ-নারী, বিভাজন, পার্থক্য অথবা দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতর ক্রিয়া। চিন্তা বা চেতনার ক্ষেত্রেও কী লিঙ্গান্তর সম্ভব—আমার জানা নেই। আগে আমরা লেখিকা-সম্পাদিকা-জ্বনাবা-ডাক্তারনী ইত্যাদি বিভাজনে নারীজাতিকে সংস্কারবদ্ধ করে তুলতে বাধ্য করেছিলাম; বেশ প্রচলনও ছিল এই ভাবধারা। এখন তার অবসান হবার সময় এসেছে চিন্তাশক্তির প্রসারণের জন্যেই। নারীকে প্রাণসত্ত্বার খাতিরেই আগে মানুষ ভাবা শ্রেয়, পরে দেহগত বৈশিষ্ট্যের জন্য বা জৈবিক-ধারনায় সে নারী। চিন্তার উৎকর্ষতা ও মেধার বিকিরণে যে তীক্ষ্ণ আলোর প্রসারণ তার ভাগ হওয়া অসম্ভব; শুধু লেখা দেখেই বিচার করা দুরূহ যে, সে নারী না পুরুষ; যদি না লেখকের লিঙ্গনাম উল্লেখ থাকে। তাই ক্যামেরাম্যান হওয়াতে দোষ বা ভুল নেই। এই ম্যান মানুষজাতির প্রকাশ।
        মতের ভিন্নতা থাকবে এটিই স্বাভাবিক। বোধ আর প্রকাশশক্তির পার্থক্যও আশ্চর্য হবার নয়। উপর্যুক্ত মত আমার বোধবিবেচনার স্ফুরণ। এতে কারও মতের পার্থক্য উপলব্ধ হলে, সেটি একান্তই তার জ্ঞানপ্রসূত।
        ………………
        লেখাটি প্রিয়তে রাখলাম। কোনোদিন যদি ওখানে যাই কাজে দেবে। :D
        ……………..
        পরিশেষে সবার শান্তি কামনা।
        [-O<

        রাজন্য রুহানি
        মে 25, 2011 , 6:26 পূর্বাহ্ন

        • জনাব রুহানি:

          এখন আর mankind বলে না, বলে humankind।

          এখন বলে ক্যামেরাপারসন (cameraperson), যা আমি উপরেই রাবেয়া রব্বানী-কে বলেছি। বাকিটা আপনার বিবেচনা।

          ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

          shamanshattik@yahoo.com'

          শামান সাত্ত্বিক
          মে 25, 2011 , 9:45 অপরাহ্ন

        • আমিও আপনার জন্য শান্তি কামনা করলাম। [-O<

          rabeyarobbani@yahoo.com'

          রাবেয়া রব্বানি
          মে 26, 2011 , 2:52 পূর্বাহ্ন

      • পাখির দৃষ্টি:
        পাখীর এই দেখার চোখকে ইংরেজিতে, bird’s-eye view বলে। যে কোন অনেক উঁচু স্থান থেকে নীচে এভাবে আমরা পাখির চোখের মত দেখে থাকি।

        বিস্তারিত রয়েছে এই গল্পে, সরোজ পাখি হতে চেয়েছিল

        shamanshattik@yahoo.com'

        শামান সাত্ত্বিক
        মে 25, 2011 , 9:49 অপরাহ্ন

        • বুঝতে পেরেছি এবার।সিসিমপুরে এই বিষয়ক একটা গান আছে,
          লিংকটা সেভ করে রাখলাম।অনেক ধন্যবাদ।
          কত কিছুই জানিনা দুনিয়ার!!!!!!!!!!!!!!!

          rabeyarobbani@yahoo.com'

          রাবেয়া রব্বানি
          মে 26, 2011 , 2:55 পূর্বাহ্ন

  12. %%- :rose: %%-
    কিছু দৃশ্য কিছু আবেগ চোখ বুজে দেখে নিলাম।

    bonhishikha2r@yahoo.com'

    বহ্নিশিখা
    মে 24, 2011 , 6:05 পূর্বাহ্ন

    • নিজের চোখের আলোয় চোখের বাইরে দেখলেন আসলে।এমন দেখা লেখকরাই দেখতে পারে।কিন্তু লেখা দেখি না আপনার।
      কেন?
      কেন?
      কেন?
      একটা জাতীয় প্রশ্ন……।।
      :rose:

      rabeyarobbani@yahoo.com'

      রাবেয়া রব্বানি
      মে 24, 2011 , 6:27 পূর্বাহ্ন

      • আমি খুব কম লিখি। এতসব ঝক্কি-ঝামেলার পর ভাল্লাগে না কিছু। গদ্য নিয়ে আমার সংসার, পদ্য লেখাই সার।
        সামনের বার গল্প দেবার ইচ্ছে আছে।

        bonhishikha2r@yahoo.com'

        বহ্নিশিখা
        মে 24, 2011 , 6:53 পূর্বাহ্ন

  13. শেষ ছবিটায় ; তাছমিয়াকে বেশ ব্যস্ত দেখাচ্ছে । খুব সুন্দর ছবিটা । ওর জন্য আর্শিবাদ করি । সে দিন এই ছবিটা দেখতে পাচ্ছিলাম না মোবাইল থেকে আজ পি সি তে গিয়েই দেখছি । আর সূর্যস্পর্শী ছবিটাও অনেক ভালো লেগেছ , ও হ আমার ফেসবুক প্রোফাইলে দিয়েছিলাম ছবিটা অবশ্য ক্যামেরাম্যানের নাম বলেই নিয়েছিলাম তার কিছু পরে দেখি লাইক আর লাইক এতো লাইক দেখে ভয় পেয়ে আবার সরিয়ে ফেলেছি ।
    আমি ছবি বুঝি না কিন্তু ছবিটায় কী এক মাত্রিকতা টের পাচ্ছি মেঘের আস্তরণে সূর্য আস্তিনহীন হাতে আলোর ফোঁটা গড়িয়ে সোঁদা সাপের শরীর মতো নোনা পথে সরীসৃপ হয়ে যেন জলে নেমে যাচ্ছে … খেয়াল করিনি আপনার অনুমতি নেয়া হয়নি তাই আর দেরি না করে এখানে এসে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি !

    imrul.kaes@ovi.com'

    শৈবাল
    মে 25, 2011 , 4:15 অপরাহ্ন

    • হ্যা তাই।তাছমিয়া ব্যস্ত ছিল।
      অনেক ধন্যবাদ।
      তবে আমার মনে হয় ছবিটার এঙ্গেলেই বিরাট ভুল।হাতের গঠন এমন ভাবে আসা ভালো লাগছে না।সূর্য্যের ভীউটা ভালো তাই আলো আধারী দেখতে ভালো লেগেছে।এই আর কী।
      নাম বলে নিলে তো সমস্যা নাই ই আর এমনিতেও নাই। :D ব্লগার ভাই-বোনের ছবি নিলে দোষ কি।
      ছবি বা ফটোগ্রাফির সৌন্দ্রর্য আমার কাছে মনে হয় শ্রোডিনজারের বিড়াল অনেকটা। দেখলে আছে না দেখলে নাই।
      ভালো থাকুন।সতত মঙ্গল হোক।

      rabeyarobbani@yahoo.com'

      রাবেয়া রব্বানি
      মে 26, 2011 , 3:01 পূর্বাহ্ন

মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে। Login