সকাল রয়

এই নগরের ছন্নছাড়া

Decrease Font Size Increase Font Size Text Size Print This Page

এক.

মোড়ের দোকান থেকে সিগারেটটা জ্বালিয়ে নিয়ে একরাশ ধোয়া ছাড়ে নিশীথ।
ছন্নছাড়াদের জীবনেও সুখ আছে। অদ্ভুত রকমের সুখ। নিশীথের ভাবনারা সবে মাত্র ডালপালা মেলতে শুরু করেছে। সকালে একটা ভাবনা ছিলো; এখন আরেকটা জেঁকে বসেছে।
ফানফুট রাস্তার পাশটায় আসতেই পেছন থেকে রিকসার ঘন্টির আওয়াজ পেল নিশীথ, পিছু ফিরে দেখার আগ্রহটা কাজ করেনা আর আজকাল।
– এই নিশীথ দা, কেমন আছেন?
কন্ঠটা পরিচিত!! পিছু ফিরবার আগেই সামনে এসে দাড়ায় রিক্সাযাত্রী রুমকি। তা এই ভর দুপুরে কোথায় চললেন ? বলে রুমকি দাড়ালো।
এই ভর দুপুরে সে,যে মাছির মতো ঘুড়ছে আধকানা মেয়েটা বোধহয় দেখেও দেখছে না। আর দেখলেও ভাবনার ভাবাকাশে ভাবতে পারেনি। নিশীথ তাকায় রুমকির দিকে, তোমার মা যেতে বলেছে তো; আমি সন্ধ্যের দিকে আসবো।

দুই.

নিশীথ দীর্ঘ ছয় বছরের বাসিন্দা এ নগরের। জীবনে বড়কিছু হবার আশাটা কৈশোরেই মরে গিয়েছিলো। মামা,কাকা,দাদা, সবাই মূর্খের দল কি,না। জীবনের চাকা পাংচার হতে, হতে শেষ মুহুর্তে গ্যারেজে পড়ে থাকবে তবু চাকরি হবেনা; জেনেই নিশীথ নিজ থেকে আর বেশিদূর আর এগোয়নি।
হায়ার সেকেন্ডারিটা পাশ দিয়েছে কোনরকম। কলেজ থাকতেই স্থানীয় সাহিত্য পত্রিকায় লেখালেখি করতো। বড় এক কবি একদিন বললেন, কবিতায় কি পেটের ক্ষিদে মিটবে। তোমার মতো হা-ভাতের এসব মানায় না।
সেই থেকে তার কবি হবার বাসনা মরে গিয়ে ভূত হয়ে গিয়েছে। আজকাল তাই মধ্যরাতে জেগে উঠে দু’এক চরণ লিখবে বলে তাও পারেনা। বিদ্যুত নামের চাঁদটা দীর্ঘ বিরতি দিয়ে দিয়ে শেষে মধ্য রাতে জলসায় যায় ড্যান্সিং করতে।

ভাড়াবাড়িতে থাকে নিশীথ। রান্নার ঝামেলা ভাড়া ওয়ালাই নিয়েছে। ও খালি সকাল-দুপুর খেয়ে যায়। চারটি টিউশনি করে আর একটা কোচিং সেন্টারে ভর দুপুর বকবকানির চাকরি নিয়েছে। নিজে এলেবেলে যাই হোক না কেন, ছাত্রদের জ্ঞান দিতে সদা প্রস্তুত।
ছ’বছর আগে গণ্ডগ্রাম ত্যাগ করে এই শহরে ঠায় নিয়েছিল নিশীথ,পকেটে তখন দুই হাজার টাকা ছিলো মাত্তর। আটশ ঘর ভাড়া, বারোশো খাওয়া খরচ, এই বলে বাড়িওলা ওকে ভাড়া দিয়েছে। বড্ড ভালো লোক। তবে তাকে দিয়ে ফাউ ছেলেমেয়ে পড়িয়ে নিচ্ছে আর কি। সেটা অবশ্যি ফাউ বলা চলেনা। বছরে দুইবার নতুন কাপর চোপর তেল সাবান দিচ্ছে, এও বা কম কি,সে। ভালোই চলে যায় ওর। মাসিক আয় সাড়ে তিন হাজার টাকা। কোন একাউন্ট নেই, মরে গেলে পড়ে থাকবে, ভেবে করা হয়না। লোকে বলে ভবিষ্যত !! দুর ছাই ছন্নছাড়াদের আবার ভবিষ্যত কি!!

তিন.

গেট খুলে ভেতরে চলে যায় নিশীথ। সোফায় বসতেই রুমকির মা সদা হাস্যময়ী এসে হাজির।
তা নিশীথ কি ভাবলে, বলে জিজ্ঞেস করে রুমকির মা। নিশীথ এ, কদ্দিন শুধু ভাবছেই। আজকাল মানুষ গুলো কেমন যেন হয়ে যাচ্ছে খালি কব্জা করতে চায়। টাকা মানুষকে কল্পনায় এভারেষ্টের চূড়ায় উঠায়।
কদ্দিন আগে রুমকির মা পথে পেয়ে যা বললেন তা শুনে খানিকটা তন্দ্রাপুরে চলে গিয়েছিলো নিশীথ। বলে কি মহিলা।
রুমকি আর চুমকি দু বোন । চুমকি বড়।
সুশ্রী শিক্ষিতা। রুমকির মা লজ্জা শরম হাতের মুঠোয় নিয়ে বলে ফেললো চুমকি তোমাকে খুব পছন্দ করে । আমরা তাই চুমকি কে তোমার হাতে তুলে দিতে চাই তুমি কি বলো।
নিশীথের ঘরজামাই হবার ইচ্ছে নেই। তার উপর ভালোলাগা জাতীয় বিয়ে, পর সময়ে দ্বন্ধ লাগা দাম্পত্য জীবন মোটেই সুখকর না। সেটা খুব ভালো করেই জানে ও। মনবাগান পুড়ে ধোয়া উঠার সে সব দিন রাস্তার সারমেয় সন্তানরা খেয়ে ফেলেছে। এখন কাট কাট লাইফ।
আর ঘর জামাই নাহ্ ভাবতেই পারে না নিশীথ। সে ঘামছে তাই।
ঘামতে ঘামতেই বলে দেয় সে;
আমি যে ছন্নছাড়া সেটা কি জানেন? চাল নেই চুলো নেই। মাথা গোজার ঠাঁই নেই। রুমকির মা কথার মাঝখান থেকে বলে উঠলো নেই, হয়ে যাবে।
নিশীথ সেটা বুঝতে পেরেছে কিভাবে হবে। সে খুব ভালো করে জানে ঘর জামাই হলেই হয়ে যাবে সেটার সহজ সমাধান। কিন্তু তার পক্ষে সেটা সম্ভব নয় সেটা বলতেও অস্বস্তি।

চার.

সাত সকালে কোকিল ডাকছে।
নেরুদা এসে বললো নিশীথ কোকিল ডাকছে,কি মিষ্টি সে সুর। নিশীথ উদাস হয়ে বললো তো কি করবো এখন ? নেরুদা উৎসাহ বাড়িয়ে বললো কোকিল ডাকলে নাকি বিয়ে হয় !! নিশীথ চমকে উঠে বললো বিয়ে হয় এ কথা কে বলেছে আপনাকে ? কোন কবি যেন তার এক বইয়ে লিখেছিলো। কিন্তু মনে আসছে না বলেই, উঠে দাড়লো নেরুদা।
কথা আরো কিছুদূর গিয়ে ডালপালা মেলতো, কিন্তু গেট খোলার আওয়াজে সেটা থমকে গেল।
গেট পেরিয়ে চুমকী ঢুকছে।
নিশীথ মনে মনে বলে উঠলো এই রে সেরেছে। সাত সকালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে গেছে চুমকীর মুখে। নিশীথ না দেখার ভান করে উত্তরে দিকের সেলফের বইয়ে হাত বোলাতে গিয়ে গেয়ে উঠলো ..হে ক্ষণিকের অতিথী, এলে প্রভাতে কারে চাহিয়া……
পেছন থেকে আপনাকে চাহিয়া বলে, দাড়ালো চুমকি।
চুমকি পাশের সোফায় বসে বললো নেরু দা আপনি একটু বাইরে যান তো আমার একটু কথা আছে। নেরুদা মুখে ভাবনার আকাশ ফুটিয়ে বাইরে বেড়িয়ে গেলো।
নিশীথ জানে আজ চুমকী তাকে ঝাড়বে তাই হাই-হ্যালো প্রসঙ্গটা এড়িয়ে চুপ মেরে গেলো। চুমকী নিশীথের সামনে এসে বললো আপনার সমস্যটা কোথায় বলুন তো ? নিশীথের কথা মুখ থেকে কথা আসলো, আসলে চুমকী সত্যি বলতে কি আমার বিয়ে করবার ইচ্ছে নেই।
-কেন আপনি কি নপুংসক নাকি?
কথা শুনে হকচকিয়ে যায় নিশীথ, এভাবে বলছেন কেন? ওর ঝাঁঝালো উত্তর, তো কিভাবে বলবো। আমি তো ছন্নছাড়া; বলে থেমে যায় নিশীথ।
বিয়ের আগে সবাই কমবেশি ছন্নছাড়া থাকে। ঘর সংসার হলে সব ঠিক হয়ে যাবে। আর আমি তো আছি; ছন্নছাড়া ভাব ঘুচিয়ে দেব আপনার, একটানে কথা বলে দেয় চুমকি। নিশীথ বলে উঠে, বিয়ে জিনিসটা একটা ফালতু ব্যাপার; তাছাড়া বিয়ে করে গাধা’রা আমি গাধা হতে পারবো না। হাত উচিয়ে চুমকী বলে আপনাকে গাধাই হতে হবে।
চুমকী কথার স্রোতে ভাসিয়ে দেয় নিশীথ কে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত থেমে যায় নিশীথের এই কথায়; আমি কোন মেয়ের সাথে অ্যাডজাস্ট হতে পারিনা।

পাঁচ

পরদিন বেরুতে যাবে বাড়ীওলা ডেকে বললো নিশীথ শুনলাম তুমি নাকি বিয়ে
করছো ? ও সিড়ি থেকে নামতে নামতে বললো আপনার কি মনে হয়; আমার গাধা হবার শখ জেগেছে। থমকে গিয়ে বাড়ীওলা বলল কি বলছো যারা বিয়ে করে তারা কি তবে গাধা হয়ে যায়; ক্ষাণিকটা তাই হয়, বলে নিশীথ সোজা,হেটে গিয়ে রাস্তায় নামলো।
নিশীথ বুঝতে পেরেছে শনি-রবি সবক’টাই ঘাড়ে চেপেছে। মোড়ের দোকানের রাশেদভাই বলল; নিশীথ তোমার যে বিয়ে; একটি বার ও তো বললে না। হতবাক হবার আর বাকী থাকেনা ওর। পাশ ফিরে জিজ্ঞেস করে খবরটা কে দিলো আপনাকে। কে আর দেবে তুমি মাষ্টার এ পাড়ায়; তুমি বিয়ে করছো সেটা শুনতে কি আর কারু বাকী আছে।

বিরক্তি মুখে নিশীথ বলে ফেলে মর জ্বালা; এরই মধ্যে খবরটা চাউর হয়ে গিয়েছে; অথচ ও কিন্তু বিয়ে করবে কি-না তাই বলেনি। ফান ফুটের সামনে আসার পর যখন প্রেশের বড়কর্তা বললেন নিশীথ বিয়ে করছো ভালোকথা বিয়ের কার্ডটা কিন্তু আমায় ছাপতে দিও। এ খবর তিনি কিভাবে জানলেন প্রশ্ন করতেই গড়গড় করে প্রেশের বড়কর্তা জানালেন,
কাল বিকালে গলির মুখ থেকে চুমকী কে বেড়িয়ে যেতে দেখে; জিজ্ঞেস করতেই বলে দেয় যে, নিশীথের সাথে বিয়ের কথা বলতে এসেছিলো। তারপর এ কান ও-কান এই ভাবে ছড়িয়েছে।
এই রকম আকাশভাঙ্গা চিন্তা মাথায় নিয়ে পথ চলাটাও বিরক্তিকর সারা সন্ধেটা তিতা টাইপের স্বাদ নিয়ে ঘুড়ে বেড়িয়েছে ও। মনে মনে বলে কি ঘটছে এ,সব । মা মেয়ে উঠে পড়ে লেগেছে। বিয়ে না ছাই !! ঘরজামাই করে সারা জীবন গাধার মতো খাটাবে। সারা জীবন একটা মেয়ে ওর উপর কতৃত্ব করবে। ভাবতেই কিরকম জানি লাগে নিশীথের।

শেষ সন্ধ্যেয় একটা গানের কলি ভাজতে ভাজতে বাড়ির গেটে আসতেই নেরুদার সাথে দেখা। এই যে নিশীথ, ভেতরে যাও তোমার শাশুড়ী এসেছে। শাশুড়ী !! বিয়েই হয়নি । নিশীথ বুঝলো কপালে খারাবি আছে। এখন কি উল্টো পথে আবার চলে যাবে। নাহ্ তা অশোভন।
শেষ পর্যন্ত ভেতরে গেল। শুধু শাশুড়ীই না সাথে রুমকীও। বাড়ীওলা খুব হেসে হেসে কথা বলছেন। ওর স্টুডেন্টরা চোখ গোল গোল করে তাকিয়ে আছে ওর দিকে; যেন হঠাৎ করে স্যারকে বোকারাম মনে হচ্ছে। নিজের ঘরে এসে হতবাক হবার আর এক অধ্যায় দেখতে পেল নিশীথ; রুমকী বসে আছে।

রুমকী বলল নিশীথ দা তুমি নাকি বলেছো, বিয়ে করবে না। তোমার কি কোন গোপন প্রেম-ট্রেম আছে নাকি। নিশীথ বলল না। কি ,যে বলো না তুমি , ছন্নছাড়াদের আবার প্রেম হয় না,কি। রুমকি ঝাঝ কন্ঠে বলে আজকাল সব হয়;সত্যি করে বল দেখি নিশীথ কানে হাত দিয়ে বলে না। আবার ক্ষেপে যায় রুমকী তাহলে বিয়ে করবে না কেন তুমি। দিদিকে ভালো লাগে না তোমার।
ওদের কে বোঝাবে ঘরজামাই হবার লোক এই ছন্নছাড়া নিশীথ নয়।

ছয়

মাস তিনেক পর চুমকী’র বিয়ের একটা নেমন্তন্ন কার্ড পেলো। হয়তো নিশীথের ভেতরে একটা জেলাসী ভাব জাগাবার জন্য দেয়া; কিন্তু ছন্নছাড়াদের অতসব ভাবলে চলে না। টাকা থাকলে শেষ বয়সেও বিয়ে করা সম্ভব সেটা জানে ও; কিন্তু সময় চলে গেলে পথে পথে চিন্তাহীন ভাবে ছন্নছাড়াদের মতো ঘুড়ে বেড়ানো সম্ভব নয়।
চুমকীর মা আর রুমকী সেদিন চলে আসার পর বাড়ীওলা খুব করে বোঝালেও নিশীথ সেটা না বোঝার ভান করে থাকলো। সপ্তাখানেক পর আবার একদিন তাতেঁর শাড়ীর মার্কেটে দেখা। চুমকী বলে গেলে র্নিদ্বীধায় দেখুন আপনাকে আমার খুব ভালো লাগে বলেই আমি বলেছিলাম; ছেলেদেরতো অহংকার খুব কম হয় জানতাম;কিন্তু আপনি তার উল্টো, আজ না হয় কাল; এই মনটা তো একজনকে দিতে হবে না,কি।
নিশীথ এই কথাটা নিয়ে পরে কদ্দিন খুব ভেবেছে সত্যি কি ও অহংকারী হয়ে গেছে; মেয়েটা এতো করে ওকে কাছে টানতে চাইছে আর ও কি,না ….
আর যাই হোক শেষ সিদ্ধান্ত থেকে নিশীথ সরে দাড়ালো না। বিয়ে তার আদৈ সম্ভব নয় যদ্দিন না মাথা গোজার ঠাঁই হয়। ছন্নছাড়াদের জীবনে সময়ের কাজ সময়ে হয়না। আর বিস্তর ভেবে চিন্তে সংসার ,বাচ্চাকাচ্চা না এতোসব ভেবে জীবনের এই রকম একা থাকার আনন্দটা মাটি করা ঠিক হবে বলে মনে হয় না নিশীথের।
তছাড়া জীবনের পথে এই বয়সেই, চিন্তাতরীতে উঠে পড়লে আরো যে কিছু বিস্ময় আছে বাকী তা সারা জীবনই অপূর্নই রয়ে যাবে যে। তাই আরো পথ দিতে হবে পাড়ি ছন্নছাড়া হয়েই, বিয়ে করে গাধা হবার আরো কিছু দিন আছে বাকী তাই নিশীথ ছন্নছাড়াদের জয়গানে ভূলে গেলো তার জীবনেও ভালোবেসে এসেছিলো কোন এক নারী।

সমাপ্ত 8tracks.com

শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।


8 Responses to এই নগরের ছন্নছাড়া

  1. juliansiddiqi@gmail.com'
    জুলিয়ান সিদ্দিকী মে 26, 2011 at 2:32 অপরাহ্ন

    আগে কোথাও পোস্ট করেছিলেন? কেমন যেন চেনা চেনা লাগছে।
    যাক, চুমকী আর নিশীথের এমন খোলাখুলি কথাবার্তা কলকাতাকেন্দ্রিক গল্প-উপন্যাসে বিস্তর আছে।

    • sokal.roy@gmail.com'
      সকাল রয় মে 28, 2011 at 12:28 অপরাহ্ন

      ধন্যবাদ
      আগে অন্য এক ব্লগে পোষ্ট দিয়েছিলাম।

      আপনি ঠিকই বলেছেন কথাবার্তা অনেকটা কলকাতা কেন্দ্রিক
      তবে বর্তমানে এ দেশেও এই ভাবটা চলে এসেছে

  2. rabeyarobbani@yahoo.com'
    রাবেয়া রব্বানি মে 26, 2011 at 3:28 অপরাহ্ন

    আগেই পড়েছি।
    ভালো লাগল।হ্যা আপনার লেখায় পশ্চিম বাঙ্গলার ধাচ আছে।ভালোই লাগে পড়তে।
    শুভ কামনা।
    নগরের ছন্নছাড়ার দল সুখি হোক।

    • sokal.roy@gmail.com'
      সকাল রয় মে 28, 2011 at 12:29 অপরাহ্ন

      ছন্নছাড়াদের জীবনে অদ্ভুত রকমের সুখ আছে…………….
      সেই সুখ নিয়েই যদি নিশিথের মতো আমি জীবনটা কাটাতে পারতাম।

      ধন্যবাদ
      ভালো থাকুন

  3. mannan200125@hotmail.com'
    চারুমান্নান মে 28, 2011 at 7:27 পূর্বাহ্ন

    :rose: :rose: :-bd

  4. obibachok@hotmail.com'
    অবিবেচক দেবনাথ মে 29, 2011 at 5:22 পূর্বাহ্ন

    ওগো অগত্য, তুমি প্রত্যয় দাও না
    আমি প্রসন্নচিত্তে জড়াব মোর কামনা
    নিশীথের ছন্নছাড়া জীবন, গাদা হওয়া না
    হয়ত ভালোবাসা মোহ ত্যাগের এক তীক্ষ্ণ বাসনা।

    দাদা সুযোগটা আমার জন্য আছে। আমি চেষ্টা করে দেখি নিশীথের অনুগামী হতে পারি কিনা।
    প্রান ছুঁয়ে যাওয়া কথারাশির সন্নিবেশন, অনেক ভালোলাগা রেখে গেলাম। :rose:

You must be logged in to post a comment Login