রাজন্য রুহানি

ভাবসংগীত

Decrease Font Size Increase Font Size Text Size Print This Page

নিজের ভিতর ডুব দিয়ে মন
নিজেকে কর অন্বেষণ;
তোরই হাতে সোনার চাবি
খুললে তালা দেখতে পাবি
অপরূপের দর্শন।

জগতজোড়া ছুটছে ঘোড়া;
লুটে করে নেয় ওই ছয়চোরা
সম্পদ যত,
নিঃস্ব হয়ে ছুটিস কোথা
কার চরণে রাখিস মাথা
বোকার মতো?
দৃষ্টির ভিতর উঠলে রবি
অদৃশ্যেরই দৃশ্য পাবি
সিদ্ধ হবে জীবন।।

ধর্ম ধর্ম করে সবাই;
দিবানিশি ধর্মের দোহাই
দিস কেন রে?
আপন ধর্ম করে সৃজন
হরহামেশা করলে ভজন
মন-মন্দিরে,
স্বর্গের সুখ পাবি সেথা
ঈশ্বররূপ দেখবি তথা
নিজ-নূরে বিরাজন।।

২০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪১৮

শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।


24 Responses to ভাবসংগীত

  1. সালেহীন ইয়াজুয নির্ভয় জুন 5, 2011 at 3:14 পূর্বাহ্ন

    •আপন ধর্ম করে সৃজন
    হরহামেশা করলে ভজন
    মন-মন্দিরে,
    স্বর্গের সুখ পাবি সেথা
    ঈশ্বররূপ দেখবি তথা
    নিজ-নূরে বিরাজন।

    একটি সজীব কোষ থেকে জন্ম হয় লক্ষ কোষের, পূর্ণ হয় আমার দৈহিক রুপ। এই কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত ডিএনএ বলে দেয় আমার দৈহিক গঠনের আদ্যোপান্ত। লক্ষ কোষ এর সমন্বয় ও ডিএনএ’এর সরল কোডিং আমার দেহ গঠন করে, তাহলে দেহ ব্যতিত আমার রুপ কেমন ? কীভাবেই বা গঠিত হয় এই রুপ ?

    •ঈশ্বররূপ দেখবি তথা
    নিজ-নূরে বিরাজন।

    ঈশ্বররুপ নিজ-নূরে বিরাজন (?)
    এটা কখনও সম্ভব নয়, কারণ তাহলে আমি পরমেশ্বর হয়ে যাচ্ছি। আমি কখনও পরমেশ্বর নয়।
    •নিজরুপ দেখবি তথা
    ঈশ্বর-নূরে বিরাজন।

    প্রিয় ভাবুক একটু ভেবে দেখবেন !!!

    • রাজন্য রুহানি জুন 5, 2011 at 4:36 পূর্বাহ্ন

      ঈশ্বররূপ দেখবি তথা
      নিজ-নূরে বিরাজন।।

      নিজস্ব প্রজ্ঞা বা আলোতেই ঈশ্বরের রূপ বিরাজমান। ধ্যানস্থ অনুভবে এই দেখার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। চেতনে বা অবচেতনে হোক ঈশ্বররূপনাম আমারাই সৃষ্টি করেছি আমাদের মনোজাগতিক শান্তি আর নির্ভরতার জন্য। মারফতে এ বিষয়ে অনেক তত্ত্ব আছে, হকিকত আর তরিকতেও আছে এবং শরীয়তে বিষয়টি রূপক আকারে বিধৃত। যেমন— বাতাস বা জলকে আমরা বেলুন বা অন্যকোনো মাধ্যমে আলাদা করতে পারি; অবমুক্ত করলেই আর চিহ্নিত করা যায় না কোন অংশটি আমরা আলাদা করেছিলাম, তখন সব এক আকার।
      মেডিটেশন বা ধ্যান বিষয়ভিত্তিকের উপর করা হলে তখন আমিই ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তা বা প্রকৃতির খন্ডিত অংশ; যা নিয়ন্ত্রিত হয় আমা দ্বারা। তখন যা কল্পনা করা হয় নিজ-নূরে তা-ই আলোকিত হয়, পরমেশ্বরসহ। অর্থাৎ আমার দৃষ্টিভঙ্গি এক্ষেত্রে আমাকে আলাদা করে আবার সংযোজিতও করে।
      ……..
      ওভাবে দেখলে আমি পরমেশ্বরেরই অংশ, পরমেশ্বর আমার অংশ চিন্তাচেতনায়।
      ……..
      কল্যাণ হোক।
      শান্তি।

      • rabeyarobbani@yahoo.com'
        রাবেয়া রব্বানি জুন 5, 2011 at 5:54 অপরাহ্ন

        ঈশ্বরনাম আমরা সৃষ্টি করেছি এই কথার সাথে একমতে গেলাম না । তবে ঈশ্বর নুর যে আমি তে বিরাজন হতে পারে এটাতে একমত ।

        • রাজন্য রুহানি জুন 6, 2011 at 11:12 পূর্বাহ্ন

          আপনি একজন মা; এই ‘মা’ নামের কৃতিত্ব কিন্তু আপনা-আপনিই সৃষ্টি হতো না, যদি না রিদি জন্ম নিত। তাহলে মা নামের সার্থকতা রিদির কল্যাণেই। তবে আমার জানা মতে, পৃথিবীতে বস্তু-অবস্তু যা-ই আছে সবকিছুরই নাম নির্ধারণ করেছে এই মানুষই। এ নিয়ে কথা বলতে গেলে প্রসঙ্গত অনেক বিষয় এসে যাবে যা ডেকে আনবে বিতর্ক। এটি ভাবসংগীত; ভাবগত বা আধ্যাত্মবাদ দৃষ্টিকোণের নিরিখেই গানটি লেখা। ভিন্ন মত হতেই পারে নানা মত ও দৃষ্টিভঙ্গির বিচারে, এজন্য দায়ী আমার জ্ঞানগত উপলব্ধি।
          …….
          যখন আমার ‘আমি’কে চেনা যায় তখন ঈশ্বর আর আমার মধ্যে কোনোই ভেদ থাকে না। হয় আমি ঈশ্বরে লীন হই, নতুবা ঈশ্বরই আমাতে লীন হয় কিংবা দুটোর কোনোটাই নয়; আমার চেতনা ও কার্যপোলব্ধি অনুযায়ী একমাত্র আমিই মাঝি আমার জীবনতরীর। প্রকৃতিগত যে অনুরণন আমার ভিতর যোগ-বিয়োগের খেলা খেলে তা আমারই তৈরি; চেতনের একাগ্র ইচ্ছেখায়েশ (ইতিবাচক বা নেতিবাচক) অবচেতনে নির্দেশিত হয়, অবচেতন সে-অনুয়ায়ীই কাজ শুরু করে দেয়, চেতনে তার শুধু বহির্প্রকাশ ঘটে মাত্র। কেননা— মানুষ যা পায় আর যা হারায় তার কৃতিত্ব ও দায়ভার একান্ত তারই।
          …….
          শান্তি।
          :rose:

  2. shamanshattik@yahoo.com'
    শামান সাত্ত্বিক জুন 5, 2011 at 3:47 পূর্বাহ্ন

    ভাবসঙ্গীতই বটে। শুভ কামনা। :-)

  3. obibachok@hotmail.com'
    অবিবেচক দেবনাথ জুন 5, 2011 at 4:54 পূর্বাহ্ন

    দৃষ্টিদানে উঠলে রবি
    অদৃশ্যেরই দৃশ্য পাবি
    সিদ্ধ হবে জীবন।।

    :rose:
    ——–জগতে মঙ্গল সাধিত হোক আত্ন ভাবস্থতায়।

    • রাজন্য রুহানি জুন 6, 2011 at 11:16 পূর্বাহ্ন

      তোরই হাতে সোনার চাবি
      খুললে তালা দেখতে পাবি
      অপরূপের দর্শন।

      ——–শান্তি———–শান্তি———-শান্তি।

  4. mannan200125@hotmail.com'
    চারুমান্নান জুন 5, 2011 at 6:18 পূর্বাহ্ন

    নিজের ভিতর ডুব দিয়ে মন
    নিজেকে কর অন্বেষণ; :-bd :-bd :rose: %%-

  5. sokal.roy@gmail.com'
    সকাল রয় জুন 5, 2011 at 2:40 অপরাহ্ন

    ভাবিতে ভাবিতে তার হলো ভাবনার পাহাড়
    ভাবনাটা ফেলে দিলে রবে অনাহার

  6. rabeyarobbani@yahoo.com'
    রাবেয়া রব্বানি জুন 5, 2011 at 6:08 অপরাহ্ন

    সালেহীন ,
    ডি এন এ , নিওক্লিয়াস , মাংস , রক্ত , জীববিজ্ঞানে পড়ে ।স্পিরিট বা নুর বা দেহহীন মানব অবয়বের গঠনতত্ত এখনো বিজ্ঞানে ধোয়াশা , আপনি বলতে পারেন মন বা মগজের কথা ,নুর ব্যাপারটা বিজ্ঞানের তত্তে বোঝা সম্বভ না ।আর বিজ্ঞান নিজেই এখনো ধোয়াশা আর প্রতি মূহুর্তে পরিবর্তনশীল ।

  7. rabeyarobbani@yahoo.com'
    রাবেয়া রব্বানি জুন 5, 2011 at 6:53 অপরাহ্ন

    ভাবসংগীতটিতে মানবধর্মের প্রচার করা হয়েছে ।সুর দিলে আরো ভালো হবে ।প্লাস দিলাম ।
    তবে পাপের ভয় ছাড়া ছয়চোর কেন এক চোরকেই মানুষ পাহাড়া দিতে পারবে না । সহজাত বৈশিষ্ঠ্য অনুযায়ী নিজ ধর্ম তৈরী করতে গিয়ে মানুষ অধর্ম ই ডেকে আনে ।কতিপয় লোক ই কেবল পারে । কি বলেন কবি?

    • রাজন্য রুহানি জুন 6, 2011 at 11:38 পূর্বাহ্ন

      জৈবিকতার বেড়াজালে আবদ্ধ মানুষ। সখ্যতা করে তাই রিপুরা। আর ‘পাপ’ তো একটা ধারণামাত্র; ভয়টাও। আর পাপের সংজ্ঞাও পাল্টে যায় মানুষে-মানুষে, ভৌগলিক বিচারে, মনগত কারণে নয়তোবা।

      যখন আমার ‘আমি’কে চেনা যায় তখন অধর্ম তৈরি করা যায় না; উপলব্ধ জ্ঞানের আলোতে মানবতার কল্যাণে কাজ করে যায় নিবেদিত প্রাণ।

      • রাজন্য রুহানি জুন 6, 2011 at 11:57 পূর্বাহ্ন

        তবে পাপের ভয় ছাড়া ছয়চোর কেন এক চোরকেই মানুষ পাহাড়া দিতে পারবে না

        আমার মনে হয়, ভয় দিয়ে যা আদায়ের চেষ্টা বা করার ইচ্ছে থাকে তাতে ভালোবাসা থাকে না, স্বতঃস্ফূর্ততা থাকে না। নিজস্ব তাগিদ, যত্ন আর ভালোবাসা দিয়ে যে কাজ করা হয় তাতে সাফল্য আসেই।

        কোনো একদিন একটা গান শুনেছিলাম, এখন পুরোটা মনে নাই। গানাটির সারমর্ম এরকম— দোজখের ভয় আর বেহেস্তের লোভ দেখাইয়া যদি ইবাদত করতে বলো সাঁই, তবে তোমার বেহেস্ত নিয়া তুমি থাকো আমার দরকার নাই। :D

      • juliansiddiqi@gmail.com'
        জুলিয়ান সিদ্দিকী জুন 9, 2011 at 3:28 অপরাহ্ন

        এখানে আমার বোঁচা নাকটা একটু বাড়াই।

        পাপ আর অপরাধ একই কথা। এখন কেউ যদি কোনো একটা কাজ করে নিজকে অপরাধী না ভাবেন, তবু আমরা তাকে পাপী বলি। তার পেছনে কাজ করে ধর্মানুশাসন। আর মানুষ খুন করে আদালত থেকে নিরপরাধ প্রমাণিত হলে তা আর অপরাধের আওতায় পড়ে না। কিন্তু পাপ (বলতে আমরা যার যার ধারণাই হোক না কেন) আক্রান্ত মানুষটি আদালত থেকে মুক্ত হলেও নিজের মন থেকে নিরপরাধ হতে পারে না। আমি মনে অনুতাপ বোধ না করলেই যে, তা পাপ নয় তাও কিন্তু নয়। ধরে নিলাম পাপ একটা ধারণা মাত্র। তাহলে আপনি জোর করে কারো জীবনের শান্তি হরণ করেও অনুতপ্ত নন- তাহলে আপনি পাপী নন? এ সূত্রে একজন ডাকাত (রবিনহুড হলেও) কি কোনোদিন অনুতপ্ত না হলে সে নিরপরাধ বলে মনে করেন?

        • রাজন্য রুহানি জুন 11, 2011 at 8:16 পূর্বাহ্ন

          আপনার লিখিত মন্তব্যের ভিতরেই লুকিয়ে রয়েছে কাঙ্ক্ষিত উত্তর। আপনার মনোজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গির দার্শনিক চেতনায় আবদ্ধ অবস্থা এক্ষেত্রে অবশ্যই তৎপর; যোগমনে নিবদ্ধ হয়ে উত্তর খুঁজুন, পেয়ে যাবেন।

          …আপনার সার্বিক উন্নতি, কল্যাণ, সুস্বাস্থ্য ও শান্তি কামনা। ভালো থাকুন নিরন্তর।
          শান্তি।
          :rose:

  8. imrul.kaes@ovi.com'
    শৈবাল জুন 6, 2011 at 2:58 অপরাহ্ন


    সবলোকে কয় লালন কী জাত সংসারে

    লালল কয় জাতের কী রূপ দেখলাম না এই নজরে ।।

    সুন্নত দিয়ে হয় মুসলমান
    নারীলোকের কী হয় বিধান
    বামুন চিনি পৈতে প্রমাণ বামনী চিনি কিসেরে ।।

    জগত জুড়ে জাতের কথা
    লোকে গল্প করে যথাতথা
    লালন বলে জাতের ফাতা ডুবিয়েছি সাধবাজারে ।।

    লালনের এই কথায় ধর্মকে অস্বীকার করা হয়নি এটা বুঝতেই বুঝা যাবে লালন ঈশ্বরের বিপক্ষে নয় , এখানে উচ্চারণ হলো দেশকলাভাষার বিবর্তনে ইন্দ্রিয় রিপু তথা খণ্ডখণ্ড আমিত্বের স্থূল প্ররোচনায় মানুষে মানুষে ভেদাভেদের বিপক্ষেই । লালন কখনো ধর্মের বিপক্ষে নয় বরং সত্যধর্ম এক ইশ্বর এক ধর্মের কথা বলেছেন মূলের সন্ধান করেছেন
    এক স্রষ্টা এক জাতির …

    ” নিশ্চই মানবজাতি একজাতি আর আমি তোমাদের রব তাই আমারই উপাসনা কর ।এবং মানুষ তাদের কার্যকলাপ দিয়ে পরস্পর বিভেদ সৃষ্টি করে । নিশ্চই আল্লাহর দিকে প্রত্যেকের প্রত্যাবর্তন ” [আলকুরআন সূরা আম্বিয়া ৯২-৯৩ ]

    লালনতত্ত্বে দুটো বিষয় এক হলো বস্তু তথা দেহ আরেক হলো বিষয় তথা আত্মা , দেহের কর্মে আত্মায় ফল আসে , ফারসি দার্শনিক René Decart বস্তুকে বলে an existent thing which requires nothing but itself in order to exist ”

    বস্তুরটিকে থাকা অর্থহীন যখন বিষয় অবহেলা করা হয় ,পরকালের কথা লালন বলেন
    ” এনে মহাজনের ধন বিনাশ করলি ক্ষ্যাপা ।
    শুদ্ধ বাকির দায় যাবি যমালয় হবেরে কপালে দায়মাল ছাপা ।। ”
    বুঝা যায় লালন পরকালকেও অস্বীকার করেননি বরং সর্তক করেছেন ।
    ২য়টা হলো বিষয় আত্মা যাতে ঈশ্বরকে অনুভব করা হয় , আর এতেই ঈশ্বরের নূর মাটির মানুষে আলোকিত করে

    ” নিশ্চই আল্লাহ থেকে এক উজ্জ্বল নূর এবং সুস্পষ্ট একটি উজ্জ্বল নিদর্শন তোমাদের কাছে এসেছে ”
    [আলকুরআন সূরা মায়েদা ১৫ ]

    আর সেই নূরের খোঁজেই খুঁজি আসল ভজনগীত ,
    লালন বলে
    “অজান খবর না জানিলে কিসের ফকিরি ।
    যে নূরে নূরনবি আমার তাঁহে আরশবারি ।।

    বলবো কি সেই নূরের ধারা নূরেতে নূর আছে ঘেরা ।
    ধরতে গেলে না যায় ধরা যৈছেরে বিজরি ।।

    মূলধারের মূল সেহি নূর নূরের ভেদ অকূল সমুদ্দুর ।
    যার হয়েছে প্রেমের অঙ্কুর ঝলক দেয় তারই ।।

    সিরাজ শাঁই বলেরে লালন আপন দেহের করো অন্বেষণ ।
    নূরেতে নীর করে মিলন থেকোরে নিহার ”

    আরকি বলি কবি লালন ঈশ্বরকে অস্বীকার করেনি নবীকে অস্বীকার করেনি ধর্মকেও না , তা হলো এক ঈশ্বর এক ধর্মের আলাপ , সাধনা মনের চক্ষু খুলো নিরাকার কে আকারের হয়ে ভক্তি করা ।

    … শান্তি শান্তি শান্তি !

    • রাজন্য রুহানি জুন 8, 2011 at 10:35 পূর্বাহ্ন

      কৃতজ্ঞতা কবি। :rose:
      প্রচলিত ধর্ম তো আছেই, এর ভিতরে বুঁদ হয়ে আছে মানুষজন আবার নির্বোধের ভিতরেও। সেসব উপলক্ষ নয়; ধর্মের দোহাই দিয়ে যারা নিজেকে চেনার বাইরে থেকে যায়, চিন্তাশক্তি আর বাস্তবতার নিরিখে নিজের মানসিক উৎকর্ষতা হারিয়ে দিগ্বিদিক ছুটে বেড়ায়, তারা যদি মনোযোগী বা মেডিটেশন বা আত্মধর্ম সৃষ্টি করে তবে জাগতিক কল্যাণ সম্ভব (প্রচলিত ধর্মও মানুষ আর জগতের কল্যাণকামী)। অথবা লক্ষ্য (আপন ধর্ম) স্থির রেখে এগুলে সফলতা আসে নিশ্চিত। নিজস্ব প্রজ্ঞা বা আলো বা নূরেই দ্যুতি লাভ করে তার চেতনা। তাই বলা—
      আপন ধর্ম করে সৃজন
      হরহামেশা করলে ভজন
      মন-মন্দিরে,
      স্বর্গের সুখ পাবি সেথা
      ঈশ্বররূপ দেখবি তথা
      নিজ-নূরে বিরাজন।।
      …..
      শান্তি। শান্তি। শান্তি।

  9. bonhishikha2r@yahoo.com'
    বহ্নিশিখা জুন 8, 2011 at 9:42 পূর্বাহ্ন

    ‘চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে, আমরা ভেবে করব কি, আবার ঝি এর পেটে মায়ের জন্ম তারে তোমরা বলবে কি’

    ভাবসংগীত ভাল লাগল।

You must be logged in to post a comment Login