দেখী হাসাতে পারি কিনা? -২

বিষয়: : কৌতুক |

১) ভাষা বিভ্রাট-১:
এক পাঞ্জাবী এক বাঙ্গালীর দোকানে সওদা করে এল, সওদার দর কষাকষির এক পর্যায়ে বাঙ্গালীটি পাঞ্জাবী লোকটির উপর রেগে গিয়ে বলল- শালা ভোদাই।
শালা ভোদাই শব্দটির শুনেই পাঞ্জাবীর মনে হল বাঙ্গালী লোকটি তাকে গালি দিয়েছে, তাই সে রেগে গিয়ে বলল- আপকা তুমছে কেছে ভোদাই বাতায়ে? হুম, কেছে বাতায়ে…… ?
বাঙ্গালি লোকটি দেখলে পাঞ্জাবী তো ক্ষেপেছে, কিছু না করলেই নয়। তাই সে পাঞ্জাবী লোকটিকে বলল-
স্যার, আপকা চুপ যায়ে প্লিজ, মে তুমছে বাতায়ে, ভোদাই, মিন তুম বহুত বড় আচ্ছি আদমি হু, সমজে?
বাঙ্গালী লোকটির কথা শুনে পাঞ্জাবীর রাগ পড়ে গেল, সে খুশি মনে বলে, হাম কেছা ভোদাই হে? মেরা ফাফা বহুত বড় আচ্ছি ভোদাই হে।
২)ভাষা বিভ্রাট-২
সারাদেশ জুড়ে টানা ৪৮ ঘন্টার উত্তাল হরতাল চলছে…..
ফার্মগেইট হতে লোকজন তাই ঠেলাঠেলি করে গাড়িতে চড়ছে নিজ-নিজ গন্তব্যে পৌঁছার জন্য। হঠাৎ দুই ভারতীয় নাগরিক এসে গাড়িতে উঠে পড়ল, একজন ভিতরে গিয়ে
দাঁড়ালেও অন্যজন দরজায় এমনভাবে দাঁড়িয়ে আছে যে, অন্য আর সকল লোক তার জন্য গাড়িতে উঠতে পারছেনা।
এমন অবস্থায় বাহিরে থেকে উঠতে প্রচেষ্টারত একজন বলল- ভাই, ভিত রে যান আর উঠবারলাই জাগা দেন।
কিন্তু ভারতীয়টি ঠাঁই দাড়িয়ে রইল, তাকে ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বাঙ্গালীটি আবার বলল- ভাই, জাগা দেন, ভিত রে যান।
এবার ভারতীয় নাগরিকটি কি বুঝে ক্ষেপে গেল, ক্ষেপে গিয়ে বলতে লাগল- মে ভিত রে হু, মেরা ফাফা ভিত রে হু।
বাহিরে ভারতীয় লোকটির উত্তেজিত কথা শুনে, ভিতরের জন এগিয়ে আসল। এগিয়ে এসে সে ঘটনা জানতে চাইল, বাঙ্গালী লোকটি সহজ-সরল ভাবে কথাটি আবার জানাল।
ভিতরের লোকটি বাংলা ভাষা ভালো জানে এবং বুঝে, তাই সে বাহিরে জনকে বলল- তুম চুপ যাইয়ে প্লিজ, ইহে লোক তুমছে নেহি জুট বাতায়ে, ইহে আপকা
বাতায়ে, আপকা আন্দারছে জাইয়ে এন্ড হি ওয়ান্ট টু গো বাই দিস বাস।
একথা শুনে লোকটি লজ্জা পেয়ে ভিতরে চলে গেল।
৩) অনেক আগ থেকে হিন্দু ধর্মের লোকজনকে অন্য ধর্মের লোকজন “ঢেডা” নামে ডাকে, আর তাতে হিন্দু ধর্মের লোকজন ক্ষেপে যায়। কারণটা উদ্ধার করতে পারিনি আজও
তো ঘটনায় আসি:
আমার এক মামাত ভাই ভারত থেকে বাংলাদেশে অথাৎ আমাদের বাড়িতে এসেছে বেড়াতে, তার কথা বার্তা আর আচারণে বহুত পরিপক্ক, এককথায় বহুত সেনা পাবলিক।
একদিন আমরা মাঠে খেলতে গিয়ে মাঠে মুসলমান কয়েকটা ছেলের সাথে ঝড়গা বাঁধে আর তারা আমাদের “ঢেডা” বলে ক্ষেপাতে থাকে, আমরা
সবাই রাগে গরগর করছি দেখে আমার মামাত ভাই হেসে দিয়ে ওদের কাছে এগিয়ে গিয়ে বলল- আচ্ছা তোরা যে ওদের “ঢেডা” বলছিস, এর অর্থ জানিস?
একথা শুনে সবাই চুপ করে দাঁড়াল- আমার মামাত বলল শুন, আমাদের মধ্যে দুলাভাইদের “ঢেডা” বলে। এখন তোরা সবাইযে, চিৎকার করছিস সবার বোন আছে তো???
একথা শুনে ওরা সবাই চুপসে গেল, আমরা হাসতে-হাসতে বাড়ি ফিরে এলাম।

obibachok@hotmail.com'
অস্তিত্বহীন বস্তু নিয়ে বেশীরভাগ মানুয়ষরই কোন আগ্রহ থাকেনা, আমি সে রকম একটা অস্তিত্বহীন বস্তুমাএ। নিজের সমন্ধে এরচেয়ে বেশী বলা আমার জন্য অযৌক্তিক।
শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।

10 টি মন্তব্য : দেখী হাসাতে পারি কিনা? -২

  1. ভাল লেগেছে । ঈদ শেষে প্রথম এলাম শৈলীতে ।

    তৌহিদ উল্লাহ শাকিল
    নভেম্বর 11, 2011 , 11:32 পূর্বাহ্ন

  2. অবিবেচক ভাই, আপনার চেষ্টাকে সালাম।কিন্তু হিন্দি উচ্চারন আর কৌতুক বর্ণনায় খামতি আছে।তবু হাসতে চাই আরো।আরো লিখুন।পর্ব চলুক এগিয়ে।শুভ কামনা।

    rabeyarobbani@yahoo.com'

    রাবেয়া রব্বানি
    নভেম্বর 11, 2011 , 12:26 অপরাহ্ন

  3. বেশ কদিন পর আজকেই শৈলীতে আসলাম। খিলখিল হাসি না দিলেও মুচকি মুচকি হেসেছে মন। চেষ্টাকে সাধুবাদ।

    রাজন্য রুহানি
    নভেম্বর 13, 2011 , 4:05 পূর্বাহ্ন

  4. শিরোনাম পড়ে তেমনটাই ভেবে ছিলাম হো হো করে হাসবো … রাজন্য ভাইয়ের মতো আমিও মুচকি হাসলাম ।

    এটা বেশ যে নিজের জীবন থেকে নিয়েছেন সাধুবাদ , না হলে পুরোন জোকস শুনতে শুনতে ইদানিং জোকস শুনলেই ঠোঁটের ভাঁজ খুলার আগেই কপালে ভাঁজ নামে । দেবনাথ দা চেষ্টা চলুক …

    imrul.kaes@ovi.com'

    শৈবাল
    নভেম্বর 13, 2011 , 3:48 অপরাহ্ন

  5. প্রথম আর শেষ দুটি বুঝেছি। প্রথমটা পড়ে হাসলাম… :-) তবে আরও হাসির কিছু চাই ভাই দেবনাথ! :clover:

মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে। Login