ও রুহু, দেখে যাও

Filed under: ‌কবিতা |

ও রুহু, দেখে যাও
দেবীহীন এক পূজারির কষ্টের কারুকাজ
অশ্রুপ্লাবনে ভাসিতেছে;
নিদ্রাহীন রাতের ভাষা আজ শব্দহীনতায়
ঝরে যাওয়া পাতার ইতিহাস
অর্থাৎ পৃথিবীব্যাপী আর কোনো আর্ত নেই
যা অনুভূতির দ্বার খুলে ডেকে আনে আকুলতা
আর কোনো ভাষা নেই— নির্বাক নিশ্চল…
গন্ধবিধুর ধূপের মতো তবু জ্বলে যাওয়া
কোনো বিচ্ছেদের আবহে

রুহু গো,
নিষ্প্রাণ দেহের কোটরে মরা শামুকের শ্বাস
মঙ্গলদীপ দিয়াছে নিভায়ে;
দেখে যাও, কী সযত্নে অঙ্গে তুলেছি ভুজঙ্গবিষ—
বিষাদের বীভৎস জীবন রচেছি
তোমার ষোলকলাপূর্ণ কঙ্কালের পাশাখেলায়

বোধের জমিনে ঘনঘোর তিমিরের ঢল…
ও রুহু, প্রাণভরে দেখে
সার্থক হয়ে যাও

শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।

47 Responses to ও রুহু, দেখে যাও

  1. বোধের জমিনে ঘনঘোর তিমিরের ঢল

    অসাধারন একটা মনের ভাব, অবিকল মনের কথা কি নিগুঢ় তার প্রকাশ

    mamunma@gmail.com'

    মামুন ম. আজিজ
    ফেব্রুয়ারী 17, 2011 at 7:51 পূর্বাহ্ন

  2. কবিতা তো নয়, যেন বেদনাবিধুর জীবনের আর্ত-স্বরলিপি। বসন্তের দখিনা হাওয়ায় নীরব রোদনের এ কবিতা বুক আরও ভারী করে দেয়, নিজের অজান্তেই এক দীর্ঘশ্বাস ঝড় হয়ে লন্ডভন্ড করে দেয় বোধের জমিন।
    #:-S

    bonhishikha2r@yahoo.com'

    বহ্নিশিখা
    ফেব্রুয়ারী 17, 2011 at 7:56 পূর্বাহ্ন

    • বিরহ-প্রেমের আঁকুতিভরা এই রোদন;
      চিরায়ত। চির অক্ষয়-অম্লান তার বোধন…

      রাজন্য রুহানি
      ফেব্রুয়ারী 18, 2011 at 3:43 পূর্বাহ্ন

      • :-bd
        প্রেমবিরহে উজ্জ্বলতর কবিতাটি ‘এক্সক্লুসিভ’ হবার যোগ্য। ইচ্ছে করলে প্রেম আখ্যা দিয়ে সঞ্চালক এটি নির্বাচিত করতে পারতো। এখানে তো অনেক অ-কবিতাই সঞ্চালক নির্বাচিত। :)) বেশি বললাম কি-না জানি না, কোন ভিত্তিতে এক্সক্লুসিভসঞ্চালক নির্বাচিত হয় তাও বোধগম্য নয়। আপনার কবিতা ভালো লাগে এজন্য নয়, মনের নিরেট কথাটিই বললাম, অনেক ভেবেচিন্তে।

        bonhishikha2r@yahoo.com'

        বহ্নিশিখা
        ফেব্রুয়ারী 18, 2011 at 4:10 পূর্বাহ্ন

        • বড়ো লজ্জায় ফেলে দিলেন। এ নিয়ে আমি ভাবি না কখনও। লোভও নেই। কর্তৃপক্ষের বিচক্ষণতা ও কান্ডজ্ঞানকে আমি শ্রদ্ধা করি সবর্দা। তাঁদের ব্যবস্থাপনা মেনে নিতে হয়, শৈলনীতির কারণেই।
          ………………
          কবিতাটি আপনার মনে রেখাপাত ঘটিয়েছে কি-না জানি নে, বিমুগ্ধ মনের সাহসী উচ্চারণ ও ভালোলাগায় যে মন্তব্য করেছেন তাতে ধন্যবাদ দিলেও মনে কেমন যেন এক অতৃপ্তির আড়ষ্টভাব থাকে, তাতে আর যা-ই হোক পূর্ণ প্রতিদান দেওয়া হয় না। তাই নিখাঁদ মনের শুদ্ধস্বর উড়িয়ে দিলাম আকাশে, ভরা পূর্ণিমায় দেখা যাবে এর নীলাভ বরণ, শুভ্র মেঘের ফাঁকে ঝলসানো বিদ্যুৎচ্ছটা; যা শুধুই দেখা যায়, ছোঁয়া যায় না।

          রাজন্য রুহানি
          ফেব্রুয়ারী 18, 2011 at 6:05 পূর্বাহ্ন

          • :-bd
            বাহ, খুব সুন্দর বলেছেন তো! কৃতজ্ঞতার বহির্প্রকাশ কী নিদারুণ পঙতিমালায় `জ্বলিছে উজ্জ্বলি’।
            (*)

            bonhishikha2r@yahoo.com'

            বহ্নিশিখা
            ফেব্রুয়ারী 23, 2011 at 8:48 পূর্বাহ্ন

            • 8-}
              নতুন কি লিখলেন?
              …………..
              শুভ কামনা।

              রাজন্য রুহানি
              ফেব্রুয়ারী 23, 2011 at 8:56 পূর্বাহ্ন

              • অনেকিদন যাবৎ কিছুই লিখতে পারছি না। অগোছালো কিছু লেখা আছে। দেখি ঠিকটাক করে শৈলীতে দেয়া যায় কি-না।
                সুস্থ হয়েছেন?

                bonhishikha2r@yahoo.com'

                বহ্নিশিখা
                ফেব্রুয়ারী 23, 2011 at 9:03 পূর্বাহ্ন

  3. কবিতায় অর্থাৎ ব্যবহার বাহুল্য বলেই মনে করি। একান্ত অনিবার্য না হয়ে উঠলে কারণ শব্দটিও।

    ঝরে যাওয়া পাতার ইতিহাস
    পৃথিবীব্যাপী আর কোনো আর্ত নেই

    -বুঝতে তো তেমন কষ্ট হচ্ছে না!

    • আপনার কথাতে আমিও একমত। কিন্তু ভাই, এই অর্থাৎ অনিবার্য কারণ বশতই। একটু খেয়াল করুন—
      নিদ্রাহীন রাতের ভাষা আজ শব্দহীনতায়
      ঝরে যাওয়া পাতার ইতিহাস
      এখানে যে অর্থ বোঝানো হয়েছে, বাক্যের ব্যাপ্তি তার পরিসমাপ্তি ঘটায়। অথচ এ দু লাইনকে আরও পূর্ণাঙ্গ, আরও অর্থবহ করে তুলতেই
      অর্থাৎ পৃথিবীব্যাপী আর কোনো আর্ত নেই
      যা অনুভূতির দ্বার খুলে ডেকে আনে আকুলতা
      বাক্যে অর্থাৎ সতর্কভাবেই ব্যবহৃত শব্দ। এখানে আগের দু লাইনকে গভীরতাসহ প্রাণবন্ত করতেই বাক্যটিকে বৈধ করা হয়েছে এই অর্থাৎ দিয়ে। নইলে আগের দু লাইন ও পরের দু লাইনের অর্থ এক হয়ে গিয়ে বাহুল্য বাড়াত কবিতার। আমি দেখেছি অর্থাৎ কেটে দিলে একই কথার অর্থপূর্ণ পরিণতি দু বার হয়ে যেত। এখনও দু বার হয়েছে, কিন্তু এই অর্থাৎ দিয়ে দু বারের বাহুল্যতা কাটিয়ে স্তব্ধতা, নির্জীবতা ও ভোঁতা অনুভূতিকে ত্বরান্বিত করার চেষ্টা করেছি মাত্র।
      …………
      আপনার বিচক্ষণতা ও পাঠক্রিয়ায় সুচারু প্রতিফলনের জন্য সাধুবাদ।

      রাজন্য রুহানি
      ফেব্রুয়ারী 18, 2011 at 2:59 পূর্বাহ্ন

  4. ঝাপসা চোখে আঁকা কষ্টের আলপনা । এমন হাহাকার মেখে দিয়েছেন যে গন্ধবিধুর ধুপের মতই জ্বলছে পাঠক হৃদয় ।

    rabeyarobbani@yahoo.com'

    রাবেয়া রব্বানি
    ফেব্রুয়ারী 18, 2011 at 1:06 পূর্বাহ্ন

    • পরিষ্কার চোখেই আঁকতে গিয়ে কষ্টের আলপনা,
      ঝাপসা হয়েছে চোখ;
      বারবার মুছতে গিয়ে স্তব্ধ-নীরব যাতনা
      ভিজে গিয়েছে মুখ।

      তাই কি আর করা—
      য্যান ঘাটের মরা
      ঘাটেই পড়ে আছি অনন্তকাল;
      সামনে যায় যারা,
      পিছে রয় কারা
      তার হিসেব নেয় না তো কেউ ক্ষণকাল।

      আর, হাহাকার
      করে ছারখার
      মনের বসতভিটা;
      পাঠক-দ্বারে
      কড়া নাড়ে
      তার ছিটেফোটা।

      রাজন্য রুহানি
      ফেব্রুয়ারী 18, 2011 at 3:26 পূর্বাহ্ন

      • :-bd
        ছড়ায় গড়া কমেন্টখানি
        পছন্দ করেছে সুমাইয়া হানি :D

        sumhani@gmail.com'

        সুমাইয়া হানি
        ফেব্রুয়ারী 19, 2011 at 3:41 পূর্বাহ্ন

      • এই যদি ছিটেফোটা হয় তবে তো পুরোটা বিরাট কৃষ্ণগহবর।
        কবিতার কবি তাতে হারিয়ে যান নি তো? =D>

        rabeyarobbani@yahoo.com'

        রাবেয়া রব্বানি
        ফেব্রুয়ারী 20, 2011 at 9:02 পূর্বাহ্ন

        • নিজেকে হারায়েই তো খুঁজি
          নিজেরই আপনঘর;
          জগৎ-পরিপাশে মুখ গুঁজি
          তা কৃষ্ণগহ্বর?

          হয়তো তাই নিত্য বৃত্তজালে
          প্রাণ বন্দি হয়ে যায়;
          ছুটছি, যেমন ছুটে পাগলে
          পড়ে গোলক-ধাঁধায়।

          আপনারে চেনা হলো না
          আপনাতে চষেও;
          বৈসাদৃশ্য জানা হলো না
          দুই নয়নে দেখেও।

          রাজন্য রুহানি
          ফেব্রুয়ারী 20, 2011 at 4:59 অপরাহ্ন

          • নিজেকে হারায়েই তো খুঁজি
            নিজেরই আপনঘর;
            জগৎ-পরিপাশে মুখ গুঁজি
            তা কৃষ্ণগহ্বর?
            বাহ! :rose: %%-

            rabeyarobbani@yahoo.com'

            রাবেয়া রব্বানি
            ফেব্রুয়ারী 22, 2011 at 1:06 অপরাহ্ন

            • আহ…..!! :D

              আপনের ধন আপনাতেই পেলে
              যাপনের মন আপনাকেই ফেলে
              যায় শুদ্ধপুর;
              দায় : যুদ্ধ দূর…
              :rose: %%-

              রাজন্য রুহানি
              ফেব্রুয়ারী 22, 2011 at 1:50 অপরাহ্ন

  5. কবিতার ভাবে আর কল্পে মুগ্ধ ।একটি দুটো শব্দ বেশি চওড়া মনে হলো যেমন
    ভাসিতেছে ,
    দিয়াছে
    নিভায়ে

    ভাসছে , দিয়েছে , নিভিয়ে নয় কেন ! কিন্তু বাঁকিটায় তো চলিতই ছিলো যেমন
    দেখে
    রচেছি …

    দেখিয়া কিংবা রচিয়াছি নয় কেন ! এইটুকো শব্দের চওড়া আর খাটো ভাব কী কাব্যিক ভাব আনতেই …

    imrul.kaes@ovi.com'

    শৈবাল
    ফেব্রুয়ারী 18, 2011 at 8:46 পূর্বাহ্ন

    • আমি জানতেম, বিচক্ষণ পাঠকের সাধু-চলিতের এই দূষণীয় মিশ্রণের কথা মনে আসবেই, এ অবধারিত। অথচ, কাব্যিক ধারা বজায় রাখার জন্য ছান্দিক যে দ্যোতনার অনুরণন, তা সাধু রূপ নিয়েছে ছন্দের গতি ঠিক রাখার খাতিরেই। শব্দগুলো চলিত রূপ নিলে বাক্যগুলোর প্রাণস্পন্দন যেন থমকে পড়ে কিছুটা।

      আপনি ঠিকই ধরেছেন—এইটুকু শব্দের চওড়া আর খাটো ভাব কাব্যিক ভাব আনতেই ।

      কেমন আছেন কবি?

      রাজন্য রুহানি
      ফেব্রুয়ারী 18, 2011 at 2:12 অপরাহ্ন

      • কখনো ভাবি কবিতার মজাতো এখানেই এই খাটো এই চওড়া এই গুরু এই সরু কখনো খেয়ালী কখনো আবার খেপামো … আবার কখনো ভাবি নিয়ম কানুন সব ঠিক আছে তো , তখন ছন্দ কোমল হাতে মুখে চেপে মিষ্টি স্বরে বলে … এই থামো তো , আর কিচ্ছু না এসো আমার সাথে ভাসো ।

        ভালো আছি কবি , এই তো বেশ আছি !

        imrul.kaes@ovi.com'

        শৈবাল
        ফেব্রুয়ারী 18, 2011 at 3:13 অপরাহ্ন

        • ছন্দ কোমল হাতে মুখে চেপে মিষ্টি স্বরে বলে … এই থামো তো , আর কিচ্ছু না এসো আমার সাথে ভাসো ।

          এটা আমার ক্ষেত্রেও হয়। প্রথা ভাঙার এক প্রবল ইচ্ছে আমাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খায় অষ্টপ্রহর। যখন ভাঙি, সমালোচিত হই; সংখ্যালঘু হিসেবে তখন অনুশোচনায় দগ্ধ হয় যাপিত সময়। যখন নিয়মের মধ্যে থাকি তখন কী এক অসহ্য একঘেয়েমিতা আর বুনো মহিষের পালের শোভা হয়ে নত হতে হতে মাটির সাথে লেগে যায় উন্নত-উদ্ধত-নিয়ম না-মানা শিরদাঁড়া।
          দ্বন্দ্বে থাকি;
          স্কন্ধে রাখি
          এই টানাপোড়েন—
          রন্দ্রে আঁকি
          চন্দ্রপাখি
          প্রথা যে ভাঙেন…
          (এমনই করে আমার অসুস্থতা বাড়ে-কমে, কবি)

          রাজন্য রুহানি
          ফেব্রুয়ারী 20, 2011 at 5:17 পূর্বাহ্ন

  6. প্রেম। বিচ্ছেদ। বিরহ। মধুর।
    রুহু কোনো মানবী না আত্মা, জানতে মন চায়।

    sumhani@gmail.com'

    সুমাইয়া হানি
    ফেব্রুয়ারী 19, 2011 at 3:37 পূর্বাহ্ন

    • রুহু কোনো মানবী না আত্মা, জানতে মন চায়।

      আপনি কি মনে করেন? কাব্যের মর্মার্থে খটকা লাগে, এই তো? মাথা খাটান, পেয়ে যাবেন।
      ………..
      পড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা।

      রাজন্য রুহানি
      ফেব্রুয়ারী 20, 2011 at 5:21 পূর্বাহ্ন

      • আর্তনাদ যে চরিত্রের মাধ্যমে উদ্ভাসিত হয়েছে সে তো মানবিক গুণ সম্পন্ন। সেজন্য এটুকু অনুমান করা যায় যে, চরিত্রটি নারী। আপনি যদি আত্মা বলেন তা হবে পাশ কাটিয়ে যাওয়া।

        sumhani@gmail.com'

        সুমাইয়া হানি
        ফেব্রুয়ারী 26, 2011 at 4:42 পূর্বাহ্ন

        • হয়তোবা…। :D
          (আমার কাছে এ কবিতাটিও প্রিয়, সময়-অসময়ে মনের মাঝে উঁকি দেয়, শুষে নেয় রক্তবীজের রস, যাতনা দেয় কার্পণ্যহীন, তবু যেন কষ্টমধুর সুরে হৃদয়-গভীরে লালন করি অনন্ত বিরহগাঁথা।)

          রাজন্য রুহানি
          ফেব্রুয়ারী 26, 2011 at 6:35 পূর্বাহ্ন

  7. ও রুহু, দেখে যাও
    ——— এটা আকূল আবেদন ।
    রুহু গো,
    ———-এটা আত্ম চিৎকার ।

    কিন্তু কেন ?

    যার জন্য তোমার ভুজঙ্গ সাঝ
    অতঃপর !
    বিষাদের বীভৎস জীবন
    সে কি তোমার দ্রোহ বেদনা বুঝতে পেরেছে !?
    অথবা সে কি আদো জানে
    কোনো বিচ্ছেদের আবহে
    কীভাবে হংস বীণা বাজাতে হয়___

    বোধের জমিনে ঘনঘোর তিমিরের ঢল…
    তোমারই বোধগম্মহীনতায়
    অশ্রুপ্লাবনে ভাসিতেছে;

  8. সুন্দর কবিতা

    sokal.roy@gmail.com'

    সকাল রয়
    ফেব্রুয়ারী 22, 2011 at 12:57 অপরাহ্ন

  9. অনেকদিন পর এলাম শৈলীতে। নিতান্তই পাঠক বলে মাঝেমধ্যে এসে পড়ে যাই। কারও লেখা খুব আলোড়িত করে, কারো লেখা আশা জাগায়। পড়তে পড়তেই কেউ প্রিয় হয়ে যায়। দেরি হয়ে গেল কবি, প্রিয় কবি। :rose:

    বৈশাখী
    ফেব্রুয়ারী 26, 2011 at 10:33 পূর্বাহ্ন

    • কমেন্টে মুগ্ধ আমি।
      যে-রকম নিকষ যামী
      দূর হয় রোদের আভাসে,
      তেমন উজ্জ্বল মন হাসে। :D
      ………………….
      কবিতা কেমন লাগলো, সে-কথা বলেন নি তো!

      রাজন্য রুহানি
      ফেব্রুয়ারী 26, 2011 at 10:45 পূর্বাহ্ন

      • তাৎক্ষণিক লিখিত কমেন্টকাব্য! :-bd
        আপনার কবিতা যেমন শৈল্পিক, মন্তব্যও তেমন ছবির মত, অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকলেও দৃষ্টি ঘোর লাগেনা।
        :rose:

        বৈশাখী
        ফেব্রুয়ারী 26, 2011 at 10:53 পূর্বাহ্ন

        • কৃতজ্ঞতা।
          :rose: %%- ~O)

          রাজন্য রুহানি
          ফেব্রুয়ারী 26, 2011 at 10:59 পূর্বাহ্ন

          • আইসো কবি আমার বাড়ী
            পথ ভুলে যাই যদি,
            আওলা মনে আলো জ্বেলে
            পার করিও নদী।
            আমিও লিখলাম, কেমন হৈছে কবি? :D

            বৈশাখী
            ফেব্রুয়ারী 26, 2011 at 11:23 পূর্বাহ্ন

            • :-bd
              খুব ভালো হয়েছে বৈকি!
              আপনার পোস্টের প্রতীক্ষায় রইলাম। আসুন, আড্ডা হোক শুদ্ধতায়, শিল্প আর সাহিত্যে…

              রাজন্য রুহানি
              ফেব্রুয়ারী 26, 2011 at 11:46 পূর্বাহ্ন

    • বাহ :rose:

      rabeyarobbani@yahoo.com'

      রাবেয়া রব্বানি
      ফেব্রুয়ারী 26, 2011 at 12:23 অপরাহ্ন

  10. কবিতার প্রশংসা তো অনেক হলো কবি, কমেন্টসেরও,
    দুটোতেই তুমি যোগ্য দাবীদার এ কথা আমারও।

    কমেন্টসগুলোর মধ্যে থেকে সাই নির্ভয় এর প্রশ্নের সাথে আরও দুটি প্রশ্ন জুড়ে দিলাম….

    রুহু কেন দেখে স্বার্থক হয়ে যাবে?আর
    রুহু থেকেই কি রুহানি…?

    ভালো থেকো…

    masudranaa@gmail.com'

    Rana Masud
    আগস্ট 3, 2011 at 2:56 অপরাহ্ন

  11. অসম্ভব খুশি হয়েছি মাসুদ, এখানে দেখতে পেয়ে। নিয়মিত দেখা হবে, আশা রাখি।

    আর ওটা রহস্য হয়েই থাক না! সব কথা বলা হয়ে গেলে পড়ে থাতে থোক থোক নীরবতা। ওটুকু রহস্যকথা জমা করে রাখলাম তাই। :D

    রাজন্য রুহানি
    আগস্ট 3, 2011 at 5:13 অপরাহ্ন

    • কাউকে খুশি করতে পারলে কার না ভালো লাগে।
      আমারও ভালো লাগলো।
      কবির নীরবতাকে সায় দিলাম। :-h

      masudranaa@gmail.com'

      রানা মাসুদ
      আগস্ট 4, 2011 at 2:20 অপরাহ্ন

মন্তব্য করুন