Pictures from G Britain

 নীল নক্ষত্র

পৃথিবীর পথে পথে- ২

পৃথিবীর পথে পথে- ২
Decrease Font Size Increase Font Size Text Size Print This Page

১- গ্লস্টারের ফরেস্ট অফ ডীন এর ভিতরে কিছুটা কৃত্রিম এবং অনারম্বর সাজ সজ্জা।

গত কালের দেয়া এই পোস্টের প্রেক্ষিতে আপনাদের সাড়া এবং আগ্রহের প্রেক্ষিতে অবশিষ্টাংশ  আজ দিচ্ছি।

২- ফরেস্ট অফ ডীন এর ভিতরে  বাঁদরের পাঠশালা  বা ছোট বাচ্চাদের খেলাধুলার জন্য যাই মনে করুন এখানে আসলে তাই। বাচ্চাদের খেলার জন্য বা তাদের মনোরঞ্জনের জন্য যে এদের কত ভাবনা তা না দেখলে ভাবাই যায় না।

৩- বিখ্যাত হ্যারি পটার সিনেমা অনেকেই দেখেছেন তাই না? এই সিনেমার শ্যুটিং হয়েছে এই গ্লস্টার ক্যাথিড্রালে। এখানকার প্রায় শতাধিক ছবি তুলেছিলাম। প্রায় ১৫০০ বছর আগের নির্মিত এই ক্যাথিড্রাল বা চার্চ। অনেক ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে এই গীর্জায়।

৪-  আমার ছোট ভাই এর এক বন্ধুর লন্ডনের বাড়ির পিছনে আপেল গাছে আপেল ফুল।

৫- চিনতেই পারছেন এগুলি কি।

৬- হ্যা উপরের ৫ নম্বর ছবি এবং এই ছবিটা আপেলের ছবি।

৭- আল বোখারার নাম অনেকেই জানেন এবং খেয়েছেন। বিশেষ করে আমাদের দেশে কোন বিয়ে সাদীর অনুষ্ঠানে রান্নার জন্য বাবুর্চিদের বিরিয়ানি রান্নার মশলার তালিকায় শুকনো আল বোখারার চাহিদা থাকে। তবে আমাদের দেশে তাজা এই ফল পাওয়া যায় কি না আমার জানা নেই।

৮- গ্লস্টার শহরের এক প্রান্তে এমনি পাহাড়ি সবুজের মেলা।

৯- লন্ডনে যারা এসেছেন তাদের কেউ এই ডবল ক্যারেজ ২৫ নম্বর বাসে উঠেননি এমন খুব কমই আছে।

১০- পুরো বৃটেনের সামারে এক সাধারন দৃশ্য। এছাড়া ক্রিস্ট মাসের সময় এমন করে রাস্তার পাশে বা টিউব স্টেশনের ভিতরে কিংবা যে যেখানে সুযোগ পায়  একা বা দল নিয়ে এমন করে বাদ্য বা গান বাজিয়ে পথচারীদের কাছে কিছু আশা করে। তবে ভাববেন না যে এরা বুঝি পথের মানুষ। আসলে দেখা যায় এদের অনেকেই মিউজিক নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী নিয়েছে। এমন অনেকের সাথেই আমি দাঁড়িয়ে আলাপ করেছি। এমনকি আমার স্পস্ট মনে আছে এক বার আমি ২৩শে ডিসেম্বর প্রচন্ড শীতের মধ্যে রাস্তার পাড়ে দাঁড়িয়ে তন্ময় হয়ে প্রায় ঘন্টা খানিক ধরে এদের বাজানো গান এবং বাজনা শুনেছিলাম।

১১- হ্যা বাঙ্গালী যেখানেই যায় সাথে করে  একটা শহীদ মিনার নিয়ে যায়। প্রমান দেখতেই পাচ্ছেন। লন্ডন শহরেও এমন শহীদ মিনার আছে। আর থাকবেই না কেন? পৃথিবীতে এক মাত্র বাঙ্গালিই যে নিজের মায়ের ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছে।

১২- এখানে দেখছেন লন্ডনের বিখ্যাত ভিক্টোরিয়া কোচ স্টেশন। এর পিছনে এরাইভাল টার্মিনাল এবং এটা হচ্ছে ডিপার্চার টার্মিনাল। এখান থেকে ন্যাশনাল এক্সপ্রেসের কোচ গুলি আন্ত ইউরোপ রুটে যাতায়াত করে।

১৩- ভিক্টোরিয়া টিউব এবং রেল স্টেশন। বাকিংহাম প্যালেস রোডের এক পাশে কোচ এবং অপর পাশে এই স্টেশন। প্রতি দিন কয়েক লক্ষ মানুষ এই পথে যাতায়াত করে।

আজ এই পর্যন্তই রইল আগামী কাল নিউক্যাসেলের কিছু দেখবেন।

শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।


8 Responses to পৃথিবীর পথে পথে- ২

  1. রাজন্য রুহানি এপ্রিল 3, 2011 at 8:56 পূর্বাহ্ন

    কত অজানা রে… ~x(
    সেসব দেশে পারবো না যেতে কোনোদিন
    যতন করে মনের ঘরে তুলে নিলেম ঋণ
    :rose:

  2. rabeyarobbani@yahoo.com'
    রাবেয়া রব্বানি এপ্রিল 3, 2011 at 9:19 পূর্বাহ্ন

    বেশ ভালো লাগল। আপেল গাছই দেখিনি আবার ফুল!
    বেশ অবাক বিস্ময়ে দেখলাম।পড়তেও ভালো লাগল। বিদেশ ঠিক এখন পর্যন্ত যাওয়া হয় নি তাই ভালোই লাগে পড়তে।
    আমি ঘুরতে গেলে আপনার মত পোষ্ট করব :D উৎসাহ পেলাম।

    • নীল নক্ষত্র এপ্রিল 3, 2011 at 2:31 অপরাহ্ন

      আমার ধারনা হলো সেই বিদেশে যায় যে কিনা নিজ দেশে দুটি অন্নের সংস্থান করতে পারে না। তবে শিক্ষার জন্য বা বেড়াবার জন্য ভিন্ন কথা। এ সব কারনে যেতে পারলে খুবই ভাল। যেমন, যতই দেখিবে ততই শিখিবে।

  3. sokal.roy@gmail.com'
    সকাল রয় এপ্রিল 4, 2011 at 5:11 পূর্বাহ্ন

    আপনার ছবি তোলার ষ্টাইলটা কিন্তু অনেক সুন্দর

    • নীল নক্ষত্র এপ্রিল 4, 2011 at 1:48 অপরাহ্ন

      জ্বি রয় বাবু, আপনি কি কহিতে চাহিয়াছেন স্পস্ট না বুঝিলেও ইহা বুঝিয়াছি যে আমি কোন ছবিই ইচ্ছা করিয়া তুলিবার সুযোগ পাই না। অধিকাংশ ছবি চলন্ত বাস, কোচ বা ট্রেনে বসে নেয়া। অর্থাৎ হঠাত করেই আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয় যে এই ছবিটা নিতে হইবে। এমন অনেক ছবি তুলিবার সুযোগ পাইনি। পাস করে চলে গেছে। আর দ্বিতিয় বার সে পথে যাবার সুযোগ হয়নি।

  4. সাহাদাত উদরাজী এপ্রিল 20, 2011 at 3:03 অপরাহ্ন

    বাংলাদেশে আপেল হয় না কেন?

You must be logged in to post a comment Login