শৈলী বাহক

শৈলী ঈদসংখ্যা – “কুটুমবাড়ি”র পরীক্ষামূলক-সংস্করন প্রকাশিত!

শৈলী ঈদসংখ্যা – “কুটুমবাড়ি”র পরীক্ষামূলক-সংস্করন প্রকাশিত!
Decrease Font Size Increase Font Size Text Size Print This Page

সুপ্রিয় শৈলারবৃন্দ,

আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আজ “শৈলী” ঈদসংখ্যা ই-বুক “কুটুমবাড়ি” পরীক্ষামূলকভাবে বের করা হচ্ছে। আগামী সাতদিনের মধ্যে সংশোধিত ভার্সনটি প্রকাশ করা হবে। এর মধ্যে শৈলারদেরকে বানানগত ভূল সংশোধনের জন্য শৈলী বাহককে (shoilyblog@gmail.com) আহবান জানানোর সুযোগ দেওয়া হবে।

কুটুমবাড়ির ঘোষনা ইতিমধ্যে শৈলী বাহক পোস্ট আকারে দিয়েছেন। ই-বুকটির সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সম্মানিত শৈলী টিমকে।

যারা যারা এ সংখ্যায় লেখা পাঠিয়েছেন তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ। তবে গুণগত মান রক্ষার্থে সকল সুজন সংযুক্ত করা হয়নি বলে আমরা অত্যন্ত দু:খিত।

এক নজরে:

ই-বুক শিরোনাম: “কুটুমবাড়ি”
লিখা পাঠানোর শেষ তারিখ ছিল: ১ লা জুন
যোগাযোগ: shoilyblog@gmail.com
বিষয় ক্যাটাগরী: সৃতিরোমন্থন, রম্যশৈলী, কবিতা, প্রবন্ধ, ছবিব্লগ, গল্প, ছোটগল্প, অনুগল্প সহ যেকোন ধরনের বিষয়।

শৈলী বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ শিল্প ও সাহিত্য ব্লগ পোর্টাল। জন্মকালের প্রথম দিন থেকেই শৈলী তার গুনগতমানের জন্য শুভানুধ্যায়ীদের বিপুল প্রশংসা পেয়ে আসছে। আমরা এর জন্য সকলের নিকট কৃতজ্ঞ। অনেক শ্রম, অনেক সাধনার বিনিময়ে তিলে তিলে বেড়ে উঠছে এই ভুবনটি। এর পেছনে সম্মানিত শৈলারদের মননশীল লেখনি প্রশংসার মূল ভাগীদার। শৈলী কুটুমবাড়ি ঈদসংখ্যার ভুলভ্রান্তিতে ক্ষমাসুন্দর মনোভাব প্রত্যাশা করে শৈলী।

শৈলীর ঈদসংখ্যা এটি । সে হিসেবে এই সংখ্যাটি যথেষ্ট তাৎপর্য বহন করে। একটা বিরাট আকাশের স্বপ্ন দেখি আমরা, দেখি অবারিত সফলতার সুর। পাশাপাশি সকল সম্মানিত শৈলারদের কাছে থাকবে আমাদের অপরিসীম কৃতজ্ঞতা এবং নিগুঢ় শুভেচ্ছা। এই ক্ষীন পথচলায় আমাদের অর্জন আপনাদের অকৃত্রিম ভালবাসা।

শুভ এবং মঙ্গলময় পরিভ্রমনের কামনায়। “রচনা পরিভ্রমন শুভময় হউক”।

অনলাইনে পড়তে হলে ক্লিক করুন: অনলাইন ভার্সন
সকলকে ফুল স্ক্রিনে দেখার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

বি:দ্র: সংশোধিত সংস্করন মূল পিডিএফসহ প্রকাশ করা হবে।

ধন্যযোগ!


— শৈলী বাহক,
(ই-বুক কমিটি)
আড্ডা হোক শুদ্ধতায়, শিল্প আর সাহিত্যে।

শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।


26 Responses to শৈলী ঈদসংখ্যা – “কুটুমবাড়ি”র পরীক্ষামূলক-সংস্করন প্রকাশিত!

  1. rabeyarobbani@yahoo.com'
    রাবেয়া রব্বানি আগস্ট 26, 2011 at 4:16 পূর্বাহ্ন

    হ্যা আমরা বড় আকাশের স্বপ্ন দেখি আর শৈলীকে ভালবাসি । তাই শৈলীর উত্তরা উত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি ।সাথে কিছু প্রয়োজনীয় সংস্করণ আর প্রচারণার দাবি করছি ।জয়তু শৈলী ইবুক ।

  2. imrul.kaes@ovi.com'
    শৈবাল আগস্ট 26, 2011 at 10:09 পূর্বাহ্ন

    বাহ খুব সুন্দর !

    কিন্তু ভিতরের পাতায় আমার কবিতার নামটা কাটা পড়েছে , আর শেষের দুটো লাইন


    এক মুঠো রোদ এক ফোঁটা নোনতা জলের দামে

    আমি শহরের একমাত্র সুলভ রোদ বিক্রেতা ।

    [ রোদ বিক্রেতা / শৈবাল কায়েস

    উত্‍সর্গ : আমার শব্দশূন্য দিনের সঙ্গী আবারও হুতুম ]

    বানান অসঙ্গতীগুলো মেইল করে পাঠাবো যদি চোখে পড়ে ।

    • imrul.kaes@ovi.com'
      শৈবাল আগস্ট 26, 2011 at 11:28 পূর্বাহ্ন

      অন লাইন ভার্সনে আবার ঠিক আছে । প্রেজেন্টেশন ফাইলেই অমন দেখাচ্ছে অনেক পৃষ্টাতেই , স্কেলের নিচে লাইন চলে যাচ্ছে , উপরে নিচে আর ছবির পিছে কথা কাটা পড়ছে …

      ছিমছাম খুব চমত্‍কার ছবি পৃষ্টা নকশা চোখ লেগে থাকার মতো , বানানের আশঁও পাতায় আঁটছে না …

      বিনম্র সালাম সুহৃদ রিপন দা , শ্রদ্ধেয় জুলিয়ান সিদ্দিকী , আর আমার দখিনা বাতায়ন শৈলী কে

    • শৈলী বাহক আগস্ট 26, 2011 at 3:00 অপরাহ্ন

      ধন্যবাদ আপনাকে! আমরা মুল সংস্করনে তা সংশোধনে সচেষ্ট হব!

  3. mannan200125@hotmail.com'
    চারুমান্নান আগস্ট 27, 2011 at 10:30 পূর্বাহ্ন

    জয়তু শৈলীর কুটুমবাড়ি,
    মন ভরে গেল :rose: :rose:

  4. juliansiddiqi@gmail.com'
    জুলিয়ান সিদ্দিকী আগস্ট 27, 2011 at 11:20 পূর্বাহ্ন

    হা কুটুম্বাড়ি অবশেষে! :-)

    • শৈলী বাহক আগস্ট 27, 2011 at 11:59 পূর্বাহ্ন

      সম্পাদকমন্ডলীর একজন সদস্য আপনিও। আর ঈদসংখ্যা হিসেবে বের করাটাই বিলম্বের মুল কারন।

  5. রাজন্য রুহানি আগস্ট 27, 2011 at 11:33 পূর্বাহ্ন

    সার্বভৌম বাংলাদেশের বাংলা ভাষাভাষীদের একটি নিয়মের মধ্যে রাখতে (বিশেষ করে লেখালেখির ক্ষেত্রে) বাংলা একাডেমী নামে যে প্রতিষ্ঠানটি তৎপর ও কানুনের কর্ণধার, সে হিসেবে ওই প্রতিষ্ঠান প্রণীত ব্যবহারিক বাংলা অভিধানই অনুসরণ করা উচিত। একটিকে সূত্র হিসেবে মেনে নিলে বহুধাবিভক্তি কমবে অনায়াসেই, অন্তত আমার তাই মত। সর্বশেষ যে বানানরীতি প্রণয়ন করেছে এই একাডেমী তাতে প্রমিতমান ও চলিতমান দুটোই আছে, প্রমিতমানের পক্ষে আমি।
    …………..
    কুটুমবাড়ি নামে যন্ত্রগ্রন্থে যেসব বানান ভুল আমার চোখে পড়েছে, নীচে পেশ করলাম সেসব।
    …………..
    (অনলাইন ভার্সনে যেসব বানান অসঙ্গতি চোখে পড়লো)
    পৃষ্ঠা ১।
    কুটুমবাড়ির দূরত্ব নিদের্শক লোগোতে লেখা কুটুমবাড়ি ০ কিঃ মিঃ। বাংলা একাডেমীর মতে কোনো সংক্ষিপ্ত শব্দের আদ্যক্ষরের পর . (ফুলস্টপ) ব্যবহার হবে। সেমতে ওটা হওয়া উচিত— কুটুমবাড়ি ০ কি. মি.

    পৃষ্ঠা ৫।
    নির্বাহী সম্পাদনা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা য়, এখানে অক্ষরটি শব্দের সাথে একত্রে বসবে, কোনো স্পেস থাকবে না।

    তত্বাবধান এবং অলংকরনে, এখানে অলংকরনে শব্দটি হবে অলঙ্করণে

    কিছু ছবি অনলাইন থেকে সংগ্রকৃত বাক্যে হয় সংগ্রহ করা হবে, নয়তো সংগৃহীত হবে। সংগৃহীত শব্দই খাঁটি এবং ভালো মানায়।
    ……………..
    (সম্পাদকীয়)
    ……………..
    দ্বিতীয় লাইনে গুনগতমান শব্দের ‘ন’ শব্দটি হবে ‘ণ’ অর্থাৎ প্রকৃত শব্দ হবে গুণগতমান

    তৃতীয় লাইনে ‘আমরা এর জন্য…’ বাক্যে ‘এর জন্য’ না ব্যবহার করে এজন্য ব্যবহার করলে বাক্যটি তুলনামূলক ভালো হতো।

    চতুর্থ লাইনে ‘এর পেছনে সম্মানিত…’ বাক্যে পেছনে শব্দটি হবে পিছনে

    পঞ্চম লাইনে ‘মননশীল লেখনি…’ বাক্যে লেখনি শব্দটির অর্থ কলম। তাই এখানে লিখন নয়তো লেখা শব্দ ব্যবহার করা সমীচীন। আর যদি “লেখনি” শব্দটিই সম্পাদকের কাছে যুক্তিযুক্ত হয় তবে বলবো, শব্দটির প্রমিত রূপ লিখনি

    দ্বিতীয় প্যারার প্রথম লাইনের দ্বিতীয় বাক্যে ‘কিন্তু তবু বিধ্বংসী দুঃস্বপ্নের পামাপাশি…’ লেখা হয়েছে। এখানে কিন্তু ও তবুর অর্থ একই। তাই যে কোনো একটি শব্দ ব্যবহার করলে বাহুল্য কমবে এবং ‘পামাপাশি’ শব্দটি হবে পাশাপাশি
    দ্বিতীয় লাইনে

    তৃতীয় প্যারার তৃতীয় লাইনে নিগুঢ় শব্দটি নিগূঢ় হবে অবশ্যই। চতুর্থ লাইনে ‘এই ক্ষীন পথচলায়..’ বাক্যে ক্ষীন শব্দটি ক্ষীণ হবে।

    চতুর্থ প্যারার প্রথম লাইনে ‘ পবিত্র ঈদোৎসব এবং সার্বজনীন শারদোৎসবের মেজাজের সঙ্গে অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে…’ বাক্যে ‘অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে’ শব্দটি অঙ্গাঙ্গীভাবে হওয়া অভিধান সম্মত।
    শেষ লাইনে দু স্থানে লিখিত ‘পরিভ্রমন’ শব্দটি হবে পরিভ্রমণ
    পৃষ্ঠা ৬। এক নজরে শৈলীর শেষ লাইনে ‘স্লোগান’ শব্দটি শ্লোগান হবে।

    পৃষ্ঠা ৭।
    কোনো লেখকের লেখা উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে মূল রচনায় যেভাবে আছে সেভাবেই উল্লেখ করা বাঞ্চনীয়। এছাড়া উদ্ধৃতাংশের ‘যে বা’ হবে যেবা ‘বিবাগি’ হবে বিবাগী, ‘দিঘল’ হবে দীঘল। তাই, জসীম উদদীন-এর বালুচর বইয়ের প্রতিদান নামে এ কবিতাটির বিন্যাস হওয়া উচিত ছিল এ রকম—

    আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর,
    আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।
    যে মোরে করিল পথের বিবাগী,
    পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি;
    দীঘল রজনী তার তরে জাগি ঘুম যে হরেছে মোর…
    –জসীম উদদীন

    পৃষ্ঠা ৮।
    শৈলীর শ্রদ্ধার্ঘ…… বাক্যের ‘শ্রদ্ধার্ঘ’ শব্দটি শ্রদ্ধার্ঘ্য হবে এবং কোনো অসমাপ্ত বাক্যের ক্ষেত্রে বা একাধিক ডট চিহ্ন না দিয়ে মাত্র তিনটি ডট চিহ্ন ব্যবহার করা অভিধান সম্মত।
    ……….
    সূচিপত্র
    ……….
    পৃষ্ঠা ৯।
    রোজন-মাচা নাকি রোজনামচা? যদি লেখক রোজন-মাচাই লিখে দিয়ে থাকেন তবে কোনো কথাই নেই।

    কবিতাশৈলী ক্রিকেটের উল্লাসে কাপাঁ… এখানে কাপাঁ শব্দটির প-এর উপরে চন্দ্রবিন্দুটি ক-এর উপরে বসবে। অর্থাৎ শব্দটি হবে কাঁপা

    সাক্ষাতকার মলয় রায় চৌধুরীর সাক্ষাতকার… এখানে ‘সাক্ষাতকার’ শব্দ দুটি সাক্ষাৎকার হবে এবং লেখক ‘মলয় রায় চৌধুরী’ শৈলীতে তাঁর নিকনেম এভাবে লিখেছেন— মলয় রায়চৌধুরী

    কার্টুন কাওসারের কার্টুন কাওয়ার মাহমুদ… এখানে ‘কাওয়ার’ নামটি কাওসার হবে নিশ্চয়।

    পৃষ্ঠা ১২।
    চতুর্থ প্যারার প্রথম লাইনে ‘প্রিয় কিছ মানুষকে…’ বাক্যে ‘কিছ’ হবে কিছু

    পঞ্চম প্যারার ২য় লাইনে ‘হিশেবে’ শব্দটি হিসেবে হওয়াই বাঞ্চনীয়। কিন্তু নিজস্ব স্টাইলে লেখক যদি ‘হিশেবে’ লিখেন তবে কোনো কথা নেই।

    পৃষ্ঠা ১৩।
    শেষ প্যারার তৃতীয় লাইনে ‘বয়োঃসন্ধি’ শব্দটি বয়ঃসন্ধি হবে।

    পৃষ্ঠা ১৫।
    দ্বিতীয় প্যারার বাক্য শুরুর আগে c অক্ষরটি ভুলবশত ছাপা হয়েছে, মুছতে হবে তা।
    চতুর্থ প্যারার প্রথম লাইনে ‘…এক প্রবীনের কালচারাল…’ বাক্যের ‘প্রবীন’ শব্দটি হবে প্রবীণ

    পৃষ্ঠা ১৬।
    দ্বিতীয় প্যারার দ্বিতীয় লাইনে ‘লুন্ঠন/বানিজ্য’ শব্দ দুটি ‘ণ’ দিয়ে হবে। অর্থাৎ শব্দ দুটি হবে যথাক্রমে লুণ্ঠনবাণিজ্য

    তৃতীয় প্যারার দ্বিতীয় লাইনে ‘ধরণের’ শব্দটি হবে ধরনের

    পৃষ্ঠা ১৭।
    উদ্ধৃতাংশের চতুর্থ লাইনে ‘বিপ্লবাত্নক’ শব্দে ত-এর সাথে ম যোগ হয়ে বিপ্লবাত্মক হবে।

    পৃষ্ঠা ১৮।
    ১২ নম্বর লাইনে ‘বাড়ছে’ শব্দটি দু বার ছাপা হয়েছে, মুছে দিতে হবে একটিকে এবং ‘তেমঅনি’ শব্দটি তেমনি অথবা তেমনই হওয়া উচিত।

    পৃষ্ঠা ১৯।
    ৮ নম্বর বচনে ‘হুমায়ূন’ ও ‘দূর্ভাগ্য’ শব্দ দুটিতে হ্রস্ব-উ কার দিয়ে হবে। অর্থাৎ যথাক্রমে হুমায়ুনদুর্ভাগ্য হবে শব্দ দুটি।

    পৃষ্ঠা ২০।
    ১০, ১১, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৯, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০ নম্বরক্রমের পরে একটি করে স্পেস হবে।

    পৃষ্ঠা ২২।
    ২৬ নম্বরক্রমে . (ডট) ব্যবহার হয়েছে আর প্রত্যেকটিতে দেওয়া হয়েছে দাঁড়ি। তাই এটিও ডটের পরিবর্তে দাঁড়ি হবে এবং এই বচনবাক্যে ‘মানূষ’ শব্দটি হবে মানুষ। ২৮ নম্বরক্রমে ‘প্রেমাশক্তি’ শব্দটি হওয়া উচিত প্রেমাসক্তি

    পৃষ্ঠা ২৩।
    ৪০ নম্বরক্রমে ‘…রবীন্দ্রনাথকে অ-কবি বলে ফেলে পারে…’ বাক্যে ‘ফেলে’ শব্দটি ফেলতে হবে অবশ্যই। ৪৩ নম্বরক্রমে ‘নাস্তিকের সজ্ঞা হলো…’ বাক্যে ‘সজ্ঞা’ শব্দটি সংজ্ঞা হবে। ৪৪ নম্বরক্রমের শেষ তিন শব্দ ‘ঘুষ-দূর্নীতি-যজ্ঞ’ এর মাঝের ‘দূর্নীতি’ শব্দটি হবে দুর্নীতি

    পৃষ্ঠা ২৮।
    চতুর্থ লাইনে ‘…মাঠের কোনার দিকে ফড়িয়ের পিছু হাঁটতে হাঁটতে, ফড়িয়ের সঙ্গে…’ বাক্যে ‘কোনা’ হবে কোণা এবং দু স্থানে ব্যবহৃত ‘ফড়িয়ের’ শব্দটি হবে ফড়িংয়ের

    দ্বিতীয় প্যারার চতুর্থ লাইনে ‘সাননিধ্যে’ শব্দটি সান্নিধ্যে হবে।

    পৃষ্ঠা ৩০।
    পঞ্চম লাইনে ‘বোন-ভাগিনরা’ হবে বোন-ভাগ্নিরা

    পৃষ্ঠা ৩১।
    মলয় রায়চৌধুরীর সাক্ষাতকার… এখানে ‘সাক্ষাতকার’ শব্দটি সাক্ষাৎকার হবে, উদ্ধৃতাংশের দ্বিতীয় লাইনে ‘অনেক্ষন’ শব্দটি হবে অনেক্ষণ

    পৃষ্ঠা ৩২।
    কমাগুলোর আগে স্পেস পরিহার করা দরকার।
    দ্বিতীয় লাইনে ‘আঙুলের ব্যাথ্যা কি কমেছে?’ বাক্যে ‘ব্যাথ্যা’ শব্দটি হবে ব্যথা
    পঞ্চম লাইনে ‘না হে, আঠুলের ব্যথা…’ বাক্যে ‘আঠুলের’ শব্দটি হবে আঙুলের
    সপ্তম লাইনে ‘…ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ফেন কতটুকো তফাৎ…’ বাক্যে ‘কতটুকো’ শব্দটি হবে কতটুকু এবং ‘তফাৎ’ শব্দটি হবে তফাত

    পৃষ্ঠা ৩৩।
    প্রথম লাইনে ‘শৈলী প্রতিবেদক: কবিতা একধরণের…’ বাক্যে এক-এর পর স্পেস হবে এবং ধরণের শব্দটি ধরনের হবে। বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন দেওয়া আবশ্যক।
    …………
    আপাতত এ পর্যন্তই। ব্যস্ততার কারণে সম্পূর্ণ পাঠ ও বানান শুদ্ধি সংক্রান্ত মতামত দিতে পারলাম না বলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। পরবর্তীতে নজরে এলে দেবো অবশ্যই।
    ………..
    শৈলীর সাথে সম্পৃক্ত সকলকে বিনম্র শ্রদ্ধা ও সাধুবাদ।

    • শৈলী বাহক আগস্ট 27, 2011 at 12:03 অপরাহ্ন

      আপনার প্রতি শৈলী টিম বরাবরের মত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে। শৈলী ই-বুকের বানানগত সমস্যাসহ অন্যান্য দিকগুলোর প্রতি আপনার এগিয়ে আসার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ জানায় শৈলী। আপনার সকল সংশোধন নির্দেশনাগুলো টিমের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুভকামনা।

  6. রাজন্য রুহানি আগস্ট 27, 2011 at 12:01 অপরাহ্ন

    তাড়াহুড়া করতে গিয়ে আমিও ভুল লিখেছি, বাঞ্ছনীয়কে লিখেছি বাঞ্চনীয়। যদিও এটি যন্ত্রগ্রন্থের (ই-বুক) অংশ নয়, তবু ভুল তো ভুলই। সেজন্য ক্ষমার্হ।

    এছাড়া যন্ত্রগ্রন্থের বানান শুদ্ধ করতে গিয়ে আমিও যেটি ভুল করেছি তা শুদ্ধ করে আবার পোস্ট দিলাম।

    পৃষ্ঠা ৩১।
    মলয় রায়চৌধুরীর সাক্ষাতকার… এখানে ‘সাক্ষাতকার’ শব্দটি সাক্ষাৎকার হবে, উদ্ধৃতাংশের দ্বিতীয় লাইনে ‘অনেকক্ষন’ শব্দটি হবে অনেকক্ষণ

  7. sokal.roy@gmail.com'
    সকাল রয় আগস্ট 28, 2011 at 6:36 পূর্বাহ্ন

    ধন্যবাদ শৈলী টিম

    আমি বানানের ব্যাপারে অজ্ঞ

    সকাল রায় নয় হবে সকাল রয়

  8. mamunma@gmail.com'
    মামুন ম. আজিজ আগস্ট 28, 2011 at 3:21 অপরাহ্ন

    অনেক ভাল একটা প্রচেষ্টা। সেই কবে থেকে অপেক্ষায় ছিলাম। এল অবশেষে। বেশ। সুন্দর।

  9. শৈলী আগস্ট 28, 2011 at 7:08 অপরাহ্ন

    অনেক ধন্যবাদ

  10. baul98@aol.com'
    ফকির ইলিয়াস আগস্ট 30, 2011 at 8:13 অপরাহ্ন

    উৎসর্গ তে নাম – মিশুক মুনীর– হবে। নাম টা ঠিক করেন প্লিজ

  11. রাজন্য রুহানি সেপ্টেম্বর 3, 2011 at 7:14 পূর্বাহ্ন

    আরও কিছু সংশোধনী :

    পৃষ্ঠা-৩।
    উৎসর্গপত্রে তারেক মাসুদ এবং মুশিক মুনীর বাক্যে “মুশিক” এর স্থলে মিশুক হবে।

    কবিতার উদ্ধৃতি ‘তোমার… আশা হে… মরনের তরে’ এখানে ‘মরন’ শব্দটি হবে মরণ

    পৃষ্ঠা-৫।
    সম্পাদকীয়র বাম কলামে ‘কিছু ছবি’ বিষয়ে লেখা হয়েছে ‘অনলাইন থেকে সংগ্রহীত’ এখানে সংগ্রহীত হবে সংগৃহীত
    সম্পাদকীয়র ২য় প্যারায় ২য় বাক্যে ‘কিন্তু তবু…’ লেখা হয়েছে। এখানে হয় কিন্তু নয়তো তবু এর যে কোনো একটি শব্দ বাদ যাবে।

    পৃষ্ঠা-৯।
    সাক্ষাৎকার লাইনে ‘মলয় রায়চৌধুরীর সাক্ষাতকার’ এখানে “সাক্ষাতকার” শব্দটি সাক্ষাৎকার হবে।

    পৃষ্ঠা-১০।
    সূচিপত্রের প্রবন্ধ লাইনে বিষাদে বিবর্ন বন্ধু রবীন্দ্রনাথ / সকাল রায় লেখা হয়েছে। ওই লাইনে ‘বিবর্ন’ শব্দটি বিবর্ণ এবং সকাল রায়ের রায় অংশটি হবে রয়

    প্রবন্ধ কোচিং সেন্টারের বাহুগ্রাসে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এখানে ‘বাহুগ্রাসে’ শব্দটি হবে রাহুগ্রাসে

    গল্প একটি ওয়েটিং রুম এবং কিছু জলছাপ / রাবেয়া রব্বানী এখানে রাবেয়া রব্বানীর ‘রব্বানী’ হবে রব্বানি, শৈলীতে তারঁর নিকনেম এভাবেই।

  12. রাজন্য রুহানি সেপ্টেম্বর 3, 2011 at 8:35 পূর্বাহ্ন

    পৃষ্ঠা-৩২।
    বিষয় বিভাগ পৃষ্ঠা নির্দেশক অংশে ‘সাক্ষাত-কার’ এর স্থলে সাক্ষাৎ-কার হবে।

    শৈলী প্রতিবেদক: মলয় রায় চেীধুরী , আপনার চিঠিতে সম্ভাষণে লিখা থাকে মলয়দা ! মলয়দা বলেই শুরু করি , কেমন আছেন, গত শীতটা কেমন কাটলো, আঙুলের ব্যথ্যা কী কমেছে ? এই জিজ্ঞাসু প্রশ্নের ইটালিক শব্দগুলি হবে রায়চৌধুরী, ব্যথাকি এবং শব্দের পর কমার আগে কোরো স্পেস থাকবে না

    তারপর প্রত্যেক মলয় রায় চৌধুরী হবে মলয় রায়চৌধুরী

    মলয় রায়চৌধুরীর উত্তর অংশে ‘না হে, আঙ্গুলের ব্যথা আর যাবার নয়’ এখানে আঙ্গুলের হবে আঙুলের

    শৈলী প্রতিবেদকের ২য় প্রশ্নে (পৃষ্ঠার ৩নম্বর প্যারা) ‘…ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ফেন কতটুকো তফাত্ত…’ বাক্যে তফাত্ত শব্দটি হবে তফাত

    পৃষ্ঠা-৩৩।
    বিষয় বিভাগ পৃষ্ঠা নির্দেশক অংশে ‘সাক্ষাত-কার’ এর স্থলে সাক্ষাৎ-কার হবে।

    শৈলী প্রতিবেদক: … অনেকদিন তো কবিতা লিখেন না উইড্রয়াল সিমপটোম কী কিছু বলতে পারবো, নাকি নিজে থেকেই ঘোর কেটে গেছে? এখানে ইটালিক শব্দটি বাক্যকে পূর্ণতা দেয় নি, মূল কপি দেখা আবশ্যক। আমার মনে হয় ‘পারবো’ শব্দটি পারবেন হবে হয়তো।

    মলয় রায়চেীধুরী: হ্যাঁ কবিতা এক ধরণেরধরনের হবে এবং এই উত্তরেরই আরেক অংশ ‘…আমাকে কবিতা লেখার জণভে হাতকড়া’ এখানে ইটালিক জনভে শব্দটি হবে জন্যে

    শৈলী প্রতিবেদক: কবিতা কেন লিখেন না , কখনো বলেছেন মস্তিষ্কের রসায়ণ আর বৃদ্ধা আঙুলের ইরিটেশন এক হয় না , কখন বলেন মাঝে মাঝে মনে হতো আর পাঠকের প্রয়োজন নেই ? নাকি নতুন করে বলার কিছু নেই
    এই প্রশ্নবাক্যে শব্দের পর কমার আগে স্পেস কমবে, রসায়ণ শব্দটি হবে রসায়ন, বৃদ্ধা শব্দটি হবে বৃদ্ধ অথবা বৃদ্ধা আঙুলের শব্দটি একত্রে বসালে হবে বৃদ্ধাঙুল, কখন শব্দটি কখনো এবং বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন হবে।

    পৃষ্ঠা-৩৪।
    বিষয় বিভাগ পৃষ্ঠা নির্দেশক অংশে ‘সাক্ষাত-কার’ এর স্থলে সাক্ষাৎ-কার হবে।

    শৈলী প্রতিবেদক: “সাহিত্যের সনাতন অনুশাসনগুলোর বিরুদ্ধে চৌধুরীর বিদ্রোহ তাঁর রচনার অন্যতম বৈশিষ্ট্য” আপনি বলেন বয়সন্ধিতে কবিতায় এডিক্ট ছিলেন ! এখনো কী এই দ্রোহ কিংবা মোহ নতুনদের দেখতে ইচ্ছে করে ? এখানে বয়সন্ধিতে হবে বয়ঃসন্ধিতে এবং নতুনদের দেখতে শব্দ দুটির মাঝখানে সম্ভবত একটি শব্দ মিসিং হয়েছে, মূল কপি দেখা প্রয়োজন। আমার মনে হয় মিসিং শব্দটি হবে মধ্যে

    পরের প্যারা (শৈলী প্রতিবেদক) ‘…জখম এর মতো উচ্চারণ রক্ষনশীল…’ এখানে রক্ষনশীল হবে রক্ষণশীল এবং কমার আগে স্পেস কমবে। ‘…তখন যৌনতা ছিল বয়সন্ধিতে…’ এখানে বয়ঃসন্ধিতে হবে। কমার আগে স্পেস কমবে। ‘…এখন ভাবণা…’ ভাবণা হবে ভাবনা
    ‘…কুকুর যুবার মনো মালিন্য ভরা মাঝ রাতে… ভূজ্ঞানসম্পন্ন কোঁচো উঠে আয় আমি চাকুর লাবন্য আমি আরেকবার এ তল্লাদে দেখাতে এসেছি [প্রস্তুতি]” ক্রোধের সেই তল্লাট কী এখনো…’ বাক্যে ইটালিককৃত শব্দগুলি হবে যথাক্রমে মনোমালিন্য, মাঝরাতে, কেঁচো, লাবণ্য, তল্লাটেকি

    মলয় রায় চৌধুরী হবে মলয় রায়চৌধুরী

    মলয় রায়চৌধুরী: ২০০৪ পর্যন্ত…………..এখন আমার ক্রোধ আরো’ এখানে আরো হবে আরও

    পৃষ্ঠা-৩৫।
    বিষয় বিভাগ পৃষ্ঠা নির্দেশক অংশে ‘সাক্ষাত-কার’ এর স্থলে সাক্ষাৎ-কার হবে।
    শৈলী প্রতিবেদক: আমি নাকি…………………………..[আমি ভঁঙ্গুর হে] এখানে ভঁঙ্গুর শব্দে চন্দ্রবিন্দু থাকবে না।
    শৈলী প্রতিবেদক: একাকিত্ব মেনে… এখানে একাকিত্ব হবে একাকীত্ব
    মলয় রায় চৌধুরী হবে মলয় রায়চৌধুরী

    • imrul.kaes@ovi.com'
      শৈবাল সেপ্টেম্বর 3, 2011 at 9:48 পূর্বাহ্ন

      দ্রোহ কিংবা মোহ নতুনদের মধ্যে দেখতে ইচ্ছে হয়ে । এখানে মধ্যে বাদ পড়ছে … এটা আমারই পোস্টে ভুল ছিলো ।

      উইড্রোয়াল সিমপটম কিছু কি বলতে পারবো । এখানে পারবো ই লিখেছিলাম , এটা সাজেসটিভ মিনিংএ জিগ্যেস করা ।

      এত্তো বানান ভুল , আর দেখছি বেশি ভাগগুলো আমারই করা … পোস্টে করতে এতো ভুল করেছি ছি .ছি , টাইপে ভুল হয়েছিল , ভেবেছিলাম ওটা খসড়া প্রশ্ন পরে আবার ঠিক করার সুযোগ পাবো … আরেক বার দেখে নেয়া দরকার ছিলো ।শৈলীর কাছে মাফ চেয়ে নিচ্ছি ।

      কৃতজ্ঞতা রাজন্য ভাই ভুলগুলো শুধরে দেয়ার জন্য …

  13. রাজন্য রুহানি সেপ্টেম্বর 3, 2011 at 9:15 পূর্বাহ্ন

    পৃষ্ঠা-৩৭।
    তারেক মাসুদের মাটির ময়না মুভি রিভিউয়ের উদ্ধৃতাংশ “কি বিষয়ভাবনায়, কি আঙ্গিক কল্পনায়, কি নির্মাণকৌশলে…” এখানে ৩টি কি ই হওয়া উচিত কী। অবশ্য লেখকের স্বাধীনতায় (মূল স্ক্রিপ্টে) যদি কি থাকে তবে কী আর করা।

    পৃষ্ঠা-৩৮।
    ৩য় লাইনের প্রথম শব্দ কাহিনিচিত্র শব্দটি হবে কাহিনীচিত্র

    ২য় প্যারার ১৩ নম্বর লাইনে কতর ‍ৃপক্ষ শব্দটি হবে কর্তৃপক্ষ

    পৃষ্ঠা-৩৯।
    ২য় লাইনে বিশ্বেই ইসলাম, মৌলবাদ, সন্ত্রাস্তএই…’ এখানে সন্ত্রাস্তএই শব্দটি হবে সন্ত্রাস এবং তারপর একটি স্পেস দিতে হবে। ৬ষ্ঠ লাইনের প্রথম শব্দটি হবে পরবর্তীকালে। ৭ম লাইনে ‘…গণমানুষের সানিনধ্য…’ সান্নিধ্য হবে।
    ২য় প্যারার ৫ম লাইনে ‘…একাত্তর পূর্ববতরী…’ পূর্ববর্তী হবে।

    পৃষ্ঠা-৪০।
    ৩য় লাইনে ‘…বিশেষত মাদাসার…’ এখানে মাদ্রাসার হবে। ৪র্থ লাইনের ১ম শব্দ ‘অাঁধারিকে’ হবে আঁধারিকে। ১০ম লাইনের শেষ শব্দ ‘ইব্রাহিম বয়াতি…’ এখানে ইব্রাহিম শব্দটি ইব্রাহীম হবে বেশি সম্ভব।

    পৃষ্ঠা-৪১।
    ৮ম লাইনে ‘…এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ-পূর্ববতর্ ী…’ হবে পূর্ববর্তী এবং ‘ঊনসত্তরের গণ-অভুযত্থান…’ অভ্যুত্থান

  14. রাজন্য রুহানি সেপ্টেম্বর 3, 2011 at 9:56 পূর্বাহ্ন

    পৃষ্ঠা-৪২।
    কদিন আগে একটি ভয়াবহ দূঘটনায় হবে দুর্ঘটনায় …কথা বলেছিলাম মিডিয়ার কয়েকজন …।
    >এখানে প্রথমে কদিন এবং শেষে কয়েকজন শব্দ ব্যবহার হয়েছে। দুটি শব্দের মধ্যে যে কোনো একটি অনুসরণ করা ভালো।
    ‘…আসুন দেখা যাক কে কি ভাবছেন।’ এখানের কি হবে কী

    পৃষ্ঠা-৪৩।
    (৩য় লাইন) শৈলী প্রতিবেদক: এবারের ঈদে বিশেষ কোন প্ল্যান আছে? এখানে কোন শব্দটি হবে কোনো

    (৫ম লাইন) শৈলী প্রতিবেদক: তারেক মাসুদ……………..ক্ষতিগ্রস্থ হবে…’ এখানে ক্ষতিগ্রস্থ শব্দটি হবে ক্ষতিগ্রস্ত

    (৭ম লাইন) শৈলী প্রতিবেদক: এটাকে কি দূর্ঘটনা… শব্দটি হবে দুর্ঘটনা , রাষ্ট্রিয় শব্দটি হবে রাষ্ট্রীয় এবং হত্যাকান্ড শব্দটি হবে হত্যাকাণ্ড

    পৃষ্ঠা-৪৪।
    প্রথম লাইনের ‘রাষ্ট্রিয়’ শব্দটি হবে রাষ্ট্রীয়

    শৈলী প্রতিবেদক: এ থেকে উত্তোরনের… জরুরী বলে… বাক্যে উত্তোরনের শব্দটি হবে উত্তরণের এবং জরুরী হবে জরুরি

    -অবশ্যই, ………………. আমি নিজেও যে কোন এখানে কোনো হবে এবং শেষ শব্দটি জরুরি হবে।

    শৈলী প্রতিবেদক: কাদের এগিয়ে…….জনগনের… জনগণের হবে শব্দটি।

    -জনগন আন্দোলন… জনগণ হবে।

    -আমরা তো দায়িত্বজ্ঞানহীন………..দাবী…. এখানে দাবি হবে।

    পৃষ্ঠা-৪৫।
    উত্তর অংশের আগে পূর্ববর্তী কথোপকথনের মতো হাইফেন অথবা ড্যাশ চিহ্ন দেওয়া আবশ্যক।

    ৪র্থ লাইনে ‘ঈদে ঘুরতে যাব পাহারে।’ বাক্যটি হওয়া উচিত ছিল এ রকম: -ঈদে ঘুরতে যাবো পাহাড়ে।

    ৬ষ্ঠ লাইনে ‘ক্ষতিগ্রস্থ’ হবে ক্ষতিগ্রস্ত

    ৭ম লাইনে ‘আমি এতে কুবই হতাশ, এমন…’ বাক্যে কুবই হবে খুবই

    (৯ম লাইন) শৈলী প্রতিবেদক: এটাকে কি দূর্ঘটনা নাকি রাষ্ট্রিয় হত্যাকান্ড এখানে ইটালিক শব্দগুলি হবে যথাক্রমে দুর্ঘটনা , রাষ্ট্রীয় এবং হত্যাকাণ্ড

  15. রাজন্য রুহানি সেপ্টেম্বর 3, 2011 at 10:47 পূর্বাহ্ন

    পৃষ্ঠা-৪৬।
    শৈলী প্রতিবেদক: এ থেকে উত্তোরনের ………..জরুরী…. বাক্যে ‘উত্তোরন’ হবে উত্তরণ এবং ‘জরুরী’ হবে জরুরি

    উত্তর অংশের আগে পূর্ববর্তী কথোপকথনের মতো হাইফেন অথবা ড্যাশ চিহ্ন দেওয়া আবশ্যক।

    ৩য় লাইনের (উত্তর অংশ) প্রথম শব্দটি হবে উত্তরণ এবং …খুজলেই হবে না। খুজলেই হবে খুঁজলেই এবং ‘…আমরা সচেতন না হলে কোনদিনই কিছু হবে না! ….খুবই খেয়ালী… যেখান সেখান দিয়া রাস্তা…’ এখানে ইটালিক শব্দগুলি হবে যথাক্রমে কোনোদিনই , খেয়ালিদিয়ে

    শৈলী প্রতিবেদক: কাদের এগিয়ে………জনগনের………? এখানে জনগণের হবে।

    তারপর উত্তর অংশের হবে-র পর দাঁড়ি দিতে হবে এবং দু জায়গার জনগন ঠিক করে জনগণ বসাতে হবে।

    পৃষ্ঠা-৪৭।

    বিশেষ দ্রষ্টব্য: সূচিপত্রে লেখা চলচ্চিত্রকার খিজির হায়াৎ কিন্তু এখানে লেখা খিজির হায়াত। নামের বানানের ক্ষেত্রে লেখক যেভাবে লেখেন, সেভাবে লেখাই বাঞ্ছনীয়।

    পৃষ্ঠা-৪৮।
    শৈলী প্রতিবেদক: আমরা জানি যে………. সম্বন্ধে একটু বলূন?
    এখানে ‘বলূন’ শব্দটি হবে বলুন

    ছবির ক্যাপশন ‘শুটিংয়ের ফাকে’ এখানে ‘ফাকে’ শব্দটি হবে ফাঁকে

    পৃষ্ঠা-৫১।
    শৈলী প্রতিবেদক: বাংলাদেশে এ বিষয়ে চলচ্চিত্র নির্মোনে টেকনিকেল অথাৎ…?
    এখানে ‘নির্মোনে’ হবে নির্মাণে , ‘টেকনিকেল’ হবে টেকনিক্যাল ও ‘অথাৎ’ হবে অর্থাৎ

    পৃষ্ঠা-৫২।
    শৈলী প্রতিবেদক: আমরা জানি যে… বিশ্বদ্যিালযে… । শব্দটি বিশ্বদ্যিালয়ে হবে।

    শৈলী প্রতিবেদক: বাংলাদেশের বর্তমান………….. এফ ডি সি-র কি কি পদক্ষেপ নেওয়া বাঞ্চনীয় বলে আপনার ধারনা? টেকনিকেল কোন… কারন বলে মনে করেন এক্ষেত্রে?
    …এখানে এফডিসি এক শব্দে ‘বাঞ্চনীয়’ হবে বাঞ্ছনীয়, ‘ধারনা’ হবে ধারণা, ‘টেনিকেল’ হবে টেকনিক্যাল, ‘কোন’ হবে কোনো ও ‘কারন’ হবে কারণ

    পৃষ্ঠা-৫৩।
    শৈলী প্রতিবেদক: জাগো চলচ্চিত্রের নির্মান মুহূর্তে কোন মজার ঘটনা?
    …এখানে ‘নির্মান’ হবে নির্মাণ, ‘কোন’ হবে কোনো

  16. রাজন্য রুহানি সেপ্টেম্বর 3, 2011 at 11:55 পূর্বাহ্ন

    পৃষ্ঠা-৫৪।
    শৈলী প্রতিবেদক: বিশ্ববাজারে………….অনেক নিম্নগামী। এর কারন কি…. করেন? এ থেকে উত্তোরনের জন্য….কি?
    …এখানে ‘কারন’ হরে কারণ এবং ‘উত্তোরনের’ হবে উত্তরণের

    পৃষ্ঠা-৫৫।
    শৈলী প্রতিবেদক: আপনার নতুন কোন……আছে কি? –মূলধারার চলচ্চিত্র নির্মানে…? এখানে ইটালিক শব্দদ্বয় হবে যথাক্রমে কোনো এবং নির্মাণে

    পৃষ্ঠা-৬০।
    উদ্ধৃতাংশ “…আমি জানি……………………..মত……….। শুধু……….ভাংলে……মুরতির মত………আছে। আমরা শহরের একটা নামী…..। ………খাবার টেবিলে তরকারী কিম্বা…………গেছে, সেই দামী গাড়ীটাও আর নেই…..”
    এখানে ইটালিক শব্দগুলি হবে যথাক্রমে মতো, ভাঙলে, মূর্তির মতো, নামি, তরকারি কিংবা, দামিগাড়িটাও

    পৃষ্ঠা-৬১।
    ১ম লাইনের চার পাশে শব্দটি একত্রে বসবে। চারপাশে। ২য় লাইনে নিচে শব্দটি হবে নীচে। ৩য় লাইনে হঠাত শব্দটি হবে হঠাৎ। ৪র্থ লাইনে কোনা শব্দটি হবে কোণা। ৫ম লাইনের প্রথম শব্দ যাছছে শব্দটি হবে যাচ্ছে

    ২য় প্যারার ১ম লাইনে ভতী শব্দটি হবে ভর্তি। ২য় লাইনে যাইছিল শব্দ যাচ্ছিল। ৬ষ্ঠ লাইনে মত শব্দটি হবে মতো

    ৩য় প্যারার ১ম লাইনে ভাংলে হবে ভাঙলে, মুরতির হবে মূর্তির, মত হবে মতো। ২য় লাইনের প্রথম শব্দ নামী হবে নামি। ৪র্থ লাইনের প্রথম শব্দ তরকারী হবে তরকারি, কিম্বা হবে কিংবা, দামী হবে দামি, গাড়ীটাও হবে গাড়িটাও। ৫ম লাইনে কোণো জণ্মদিনের হবে কোনো জন্মদিনের। ৭ম লাইনে অকারনে শব্দটি হবে অকারণে। ৯ম লাইনের প্রথম শব্দ গাড়ী হবে গাড়ি। ১০ম লাইনে গাড়ীটা হবে গাড়িটা। ১৪শ লাইনে অনেকখন শব্দটি হবে অনেকক্ষণ, কোন হবে কোনো। ১৫শ লাইনে ‘দেখি কি হল…’ হলো হবে এবং ওই লাইনেই দীরঘশাস শব্দটি দীর্ঘশ্বাস হবে।

  17. রাজন্য রুহানি সেপ্টেম্বর 3, 2011 at 11:57 পূর্বাহ্ন

    পৃষ্ঠা-৬১।
    …………….
    সানজিদা শাহরিয়ার-এর পরিচিতিতে সহযোগী অধ্যাবপক লেখা হয়েছে, প্রকৃতপক্ষে এটি হবে সহযোগী অধ্যাপক

You must be logged in to post a comment Login