Home » Archives by category » সাহিত্য » উপন্যাস (Page 2)

ওরে বাব্বা যা ঠাণ্ডা, একটু চা হলে ভালো হতো। চলেন দেখি হোটেলে যাই ওখানে চা বা কফি পাই কি না। হ্যাঁ চলেন তিন জনেই হোটেলে এসে দেখে দুপুরের খাবার খাচ্ছে কেউ কেউ। তা হলে আমরাও খেয়ে যাই? হ্যাঁ তা খারাপ হয় না আমি ওখানে তেমন খেতে পারিনি ওয়েটারকে জিগ্যেস করল এখানে কি মেনু আছে? ওয়েটার […]

Continue reading …

যথা সময়ে লন্ডন হিথরো এয়ারপোর্টে নেমে দেখে মহাযজ্ঞ। কোথায় থেকে কোথায় যাবে কিছুই বোঝা যেত না যদি এখানে কঠিন শৃঙ্খলা না থাকত। এরো দেয়া আছে তাই দেখে দেখে ইমিগ্রেশন ডেস্কে চলে এসেছে এখানেও সেই চিঠি দেখাল আর অমনি সিডিসিতে হিথ্রো এরাইভ্যাল সিল লাগিয়ে ফেরত দিয়ে দিল। এর পর কাস্টম হয়ে বাইরে এসে দেখে নিশাত জামান […]

Continue reading …

বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট নির্দিষ্ট সময়ে দুবাই এয়ার পোর্টে ল্যান্ড করল। নিশাত এবং সঙ্গীরা নেমে অন্যান্য যাত্রীদের সাথে ইমিগ্রেশন ডেস্কে এসে নিশাত সবার সিডিসি সংগ্রহ করে সবার সামনে কিউতে দাঁড়াল। এক সময় অফিসারের ডেস্কের উপর চারটা সিডিসি নামিয়ে দিয়ে পিছনে সবাইকে দেখিয়ে দিল। ইমিগ্রেশন অফিসার সিডিসি খুলে এক এক করে সবার চেহারা দেখে দুবাই এরাইভ্যাল সিল […]

Continue reading …

নিরু কিছু বলতে চেয়েছিল কি না তা নিশাত কোন দিন বুঝতে পারেনি। তবে নিরুর মনে নিশাত বেশ খানিকটা জায়গা দখল করে নিয়েছে এটা নিশাত বুঝতে পারে কিন্তু কত টুক তা বোঝার মত ক্ষমতা নিশাতের নেই। সে কথা বোঝার মত কোন গুরুর সন্ধান এখনো নিশাত পায়নি। নিরুও বুঝতে পারে নিশাত তার টানেই এ বাড়িতে আসে। কেউ […]

Continue reading …

সিরাজ চৌধুরী এক জন প্রভাবশালী ব্যক্তি। আশে পাশে দশ গ্রামে তার প্রতাপ। বিভিন্ন শালিস দরবার, আচার অনুষ্ঠানে সিরাজ চৌধুরী উপস্থিত না হলে সে অনুষ্ঠানের মান হানী হয়। গ্রামে যথেষ্ট জমি জমা, পাশের বাজারে বিশাল ব্যবসা। দেশ বিভাগের আলামত পেয়ে আগেই কোলকাতায় কাপড়ের যে ব্যবসা ছিল তা গুটিয়ে ভাইকে নিয়ে চলে এসেছিল। চল হাশেম এখন আর […]

Continue reading …

এমন সময় দরজার দিকে দেখে শিকদার সাহেব আসছে। দাঁড়াও যেয়ো না দেখি শিকদার কোন খবর পেয়েছে কি না জেনে যাও। শিকদার, এদের কনফার্মেশন পেয়েছ? শিকদার এদিকে এগিয়ে এসে বুড়োর হাতে কয়েকটা কাগজ দিল। বুড়ো সেগুলি দেখে বলল নাও তোমাদের ফ্লাইটের ডিটেইলস নিয়ে যাও। সবার হাতে যার যার একটা ফ্লাইট সিডিউল দিয়ে দিল। নিশাত দেখে আগামী […]

Continue reading …

নিশাত বেরিয়ে যাবার পর নিরু ভাবতে বসল মানুষটকে কতদিন ধরে দেখছি কিন্তু কখনও এমন পাগলামি করেনি আজ কি হলো? কাল নোমান ভাই না জেনে অমন কথা বললই বা কি করে, একটু ইশারা ইঙ্গিতে রেখে ঢেকে বললেও পারত। যাক যা বলেছে বেশ করেছে তবুও যদি মানুষটার একটু বোধোদয় হয়। এমন পরিস্থিতিতে সবাই কি করে? আশেপাশে কাওকে […]

Continue reading …

দুইজনে এক সাথে নিশাতদের বাড়ি চলে এলো। হাতের ব্যগটা নামিয়ে রেখে দাদির সাথে দেখা করে শিহাবকে নিয়ে চলল মইন চাচার বাড়ি। চাচা বাড়িতে ছিল না, পারাগ্রামের কোন এক জমিতে নিড়ানি দিতে গেছে। একটু বসে মইন চাচার মাকে বলল দাদু আমি একটা খুব ভাল চাকরি পেয়েছি আমাকে লন্ডন চলে যেতে হবে ওখানেই চাকরী। দাদি খুব খুশি […]

Continue reading …

রবিবার রাতের চিটাগাং মেইলে করে দুই বন্ধু এক সাথে রওয়ানা হয়ে পর দিন আগ্রাবাদে জেমস ফিনলে অফিসে এসে ইন্টার্ভিউ দিল। দুই জনেরই বেশ ভালো ইন্টার্ভিউ হয়েছে। মোটা মুটি যা যা জিগ্যেস করেছে সঠিক জবাব দিয়েছে। ইন্টারভিউ দিয়ে আবার রাতের মেইল ট্রেনে ঢাকায় ফিরে এলো। কয়েক দিন পরেই নিশাতের নামে আর এক চিঠি, ওই ফিনলে অফিস […]

Continue reading …

ঢাকায় যাবার দিন ঠিক হবার পর থেকেই নিশাতের মনটা বিষণ্ণ, কি জানি কি এক আশঙ্কা। শীতের শেষে প্রকৃতিও যেন নিশাতের মনের সাথে যোগ দিয়েছে। নিরুর বোন যুঁই এর সাথেও তেমন কথা জমে উঠে না, শিহাবের সাথেও খুব একটা দেখা সাক্ষাত নেই বললেই চলে। গাছের সবুজ পাতা সেই কবেই ঝরে গেছে মাঠ ঘাটের সবুজ তাজা ঘাস […]

Continue reading …

পাকিস্তানের করাচী শহরেই এতদিন বড় হয়েছে। সবে মাত্র স্কুল ফাইনাল শেষ হবার পর পরই শুরু হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ। যুদ্ধ চলা কালীন জুলাই মাসে ওরা করাচীর সব ছেড়ে চলে এলো নিজ দেশে। ঢাকা এয়ারপোর্টে নামার আগেই প্লেনের জানালা দিয়ে দেখতে পেল পাকিস্তানি আর্মিরা নানা রকম অস্ত্র হাতে এয়ারপোর্ট ঘিরে রেখেছে। দেখেই মেজাজ বিগড়ে গেল। বাবা […]

Continue reading …

নিশাত যথারীতি রাডার, জাহাজের হেড এর পজিশন, কোর্স সহ সব কিছু রুটিন চেক আপ করে ইলেকট্রিক জগে কফির পানি গরম দিল। কালো কফি। কাল কফির পোড়া পোড়া গন্ধটা নিশাতের দারুণ ভালো লাগে। সাথে সামান্য চিনি। মিষ্টি বেশি খায় না, ভালো লাগে না। রাতে চলন্ত জাহাজে ব্রিজের এই ডিউটিতে কালো কফি এক দারুণ জিনিস। কে যে […]

Continue reading …