Home » Archives by category » সাহিত্য » ছোটগল্প

বালিকা

“পৃথিবীতে বালিকার প্রথম প্রেমের মত সর্বগ্রাসী প্রেম আর কিছুই নাই। প্রথম যৌবনে বালিকা যাকে ভালোবাসে তাহার মত সৌভাগ্যবানও আর কেহই নাই। যদিও সে প্রেম অধিকাংশ সময় অপ্রকাশিত থেকে যায়, কিন্তু সে প্রেমের আগুন সব বালিকাকে সারাজীবন পোড়ায়।” আমাদের এই বালিকাও আজ ক’দিন তীব্র যন্ত্রণার ভিতর দিয়ে যাচ্ছ। নিজেও সে সেটা বুঝে কি? তবে কিছু একটা […]

বেশ কয়েকদিনের ছুটি পেয়েছি। ঈদের ছুটি। বেসরকারি চাকুরির জাঁতাকলে পড়ে জীবন পুরোটা তেজপাতা হয়ে গেল। সকালের সূর্যোদয় আর রাতের ঘনকালো অন্ধকার ছাড়া পুরো সপ্তাহে আর কোনকিছুই চোখে পড়েনা। ঢাকাগামী গোধূলী আজ দেড়ঘন্ঠা দেরি করেছে। রাত বারোটা। ঢাকা থেকে গ্রামে পৌঁছুতে পৌছুঁতে কম হলেও দেড়টা-দুটো বাঁজবেই। হুট করে বাড়ি যাচ্ছি, জানিয়ে গেলে অনেক ধরনের উৎটকো সমস্যা। এই […]

Continue reading …

অফিসের কাজে শাহবাগে আসতে হয়েছিল। কাজ শেষে কি মনে করে বই মেলার ভিড়ে নিজেকে হারাতে ইচ্ছে হল রেজার। তাই বাংলা একাডেমীর ভিতরে এখন সে। কত মানুষ। নানা রঙের মানুষ। উচ্ছল প্রানবন্ত এক একজনের আনন্দিত মুখগুলোকে দেখছে। নিজেও ভালোলাগার আবেশে ভেসে যাচ্ছে। কয়েকজন বন্ধুর সাথে দেখা হল। এরা নবীন লেখক। এদের সবার বই বের হয়েছে। ওদের […]

Continue reading …

বেলা শেষের অবেলায়

2 Comments

সুর্যটা ডুবতে বসেছে। সেই সাথে রাসেল ও। ত্রিশ বছরের জীবন এতো দ্রুত শেষ হয়ে যাবে… ডিমের কুসুমের আকার নিয়ে রক্তিম ভানু অস্তাচলে যাই যাই করছে। সামনে পিছনে আঁধারের ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে এক অপুর্ব বিষাদময়তা লেজের মত অদৃশ্য রশ্মিতে বাঁধা! সামনে কেউ নেই। পেছনে অনেকে থেকেও নেই। একা একজন মানুষ। স্মৃতির মিনারে আজনম ক্লান্ত এক পথিক পথের […]

Continue reading …

দ্য আউটসাইডার

No Comment

রাসেল এবং তিশা দুজনে আধুনিক উচ্চশিক্ষিত। দুজনেই উচ্চবিত্ত ঘরের ছেলেমেয়ে। একই ইউনিভার্সিটি থেকে দুজনে পড়ালেখা শেষ করেছে। ওরা চট্টগ্রামে বড় হয়েছে। রাসেলের বাবা-মা ঢাকায় থাকেন। সে ওর খালার বাসায় থেকে চট্টগ্রামেই পড়ালিখা শেষ করেছে। ভার্সিটির অঙ্গনে কাছাকাছি-পাশাপাশি থাকবার সময়ে দুজনের ভিতরে বন্ধুত্ব হয়। একজন অন্যজনের কাছে আসে। ভালোলাগা থেকে ভালবাসার দিকে পথটি ঢালু হয়ে যায়। […]

Continue reading …

ঈদের সময়টাতে ঢাকা শহরে ঘুরে বেড়ানোর মজাটাই আলাদা। সকল রাস্তা একদম ফাঁকা থাকে।আর গাড়ীও একেবারে কম। তবে আজ হারুন সাহেব মজা করতে বের হননি। তিনি নাজিমউদ্দীন রোডে যাবার উদ্দেশ্যে বের হয়েছেন। কেন্দ্রীয় কারাগারে যাচ্ছেন। দশ বছর সাজা খাটছে এমন একজনের সাথে দেখা করতে হবে। নিজের অনুজ। বিডিআর বিদ্রোহে ওর শাস্তি হয়েছে। এর আগে কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি […]

Continue reading …

সন্ধ্যা নেমে এলো

No Comment

এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে। রংধনুর রং এর লুকোচুরি দেখতে দেখতে পথ হাঁটছি। সোনালী বিকেলটাকে আবার এতো তাড়াতাড়ি যে ফিরে পাবো ভাবিনি। কিছুক্ষণ আগেই নীলচে কালো মেঘেরা সব গুড়ুম গুড়ুম করে আকাশটাকে দখল করে নিলো। টিউশন শেষ করে মেসে ফেরার তাড়া ছিল না। তাই উদ্দেশ্যবিহীন হাঁটাহাঁটি আর ঠোঁট না নাড়িয়ে গুনগুন, ‘কত যে কথা ছিল, […]

Continue reading …

উরাস

No Comment

হাঁটু পর্যন্ত কাঁদা ভেঙ্গে মাথায় খাবারের থালা-বাটি নিয়ে প্রায় আধামাইল হেঁটে আসতে হয়েছে। ফ্রক পড়া আট বছর বয়সী মেয়েটি নদীর পাড়ে এসে বাবাকে ডাকে।, বাজান, ওওও… বাজান। ভাত আনছি, তাড়াতাড়ি আও।’ যাকে ডাকছে সে পাড় থেকে বেশ খানিকটা দূরে নদীর অগভীর পানিতে আরো কয়েকজনের সাথে ‘খুচন’ (হাতে ধরা নেট জাল) দিয়ে গলদা’র রেণু সংগ্রহ করছে।এই […]

Continue reading …

মমতা মাখা নরম রোদের দিন । চোখের মনি দুটো আলাদা পথে এগুচ্ছে সামনের দৃশ্য টপকে অনেক দূরে । আমি জানি এই অন্যমনস্ক দৃষ্টিটা বেশ অস্বাভাবিক ও বিরক্তিকর ঠেকছে অন্যের কাছে । ঠিক হীরা আপাকে দেখে আমরা যেমনটা বোধ করতাম । অবশ্য সেই বয়সে যখন রহস্যগুলো আমাদের কাছে থাকে দুর্বোধ্য ও কৌতুকময় । আসলে অনুভূতিটা অদ্ভুত […]

Continue reading …

স্বর্গ ও মর্ত্যের মাঝখানে যে বায়ুদুর্গবেষ্টিত অনির্দেশ্য দেশ আছে তার এক প্রান্তে ধূ ধূ খোলা প্রান্তর৷ প্রান্তরের একপাশে বৃক্ষছায়ায় একলা একটা টং দোকান৷ সেখানে অমৃত মেলে৷ দোকান হলেও সেখান থেকে অমৃত সংগ্রহ করতে পয়সা খরচের প্রয়োজন পরে না৷ ইচ্ছা মত অমৃত নেয়া যায় যত খুশি৷ টং দোকানের সামনের বাঁশের বেঞ্চটায় ঝিম ধরে বসে আছে অর্জুন৷ […]

Continue reading …

খাজুরাহো মন্দিরের দেয়াল থেকে মাটিতে লাফাবার সময়, ঘুরঘুরে পোকার মুখে পাঠানো আদেশ তামিল করার জন্যে, বাতাসের মাঝপথে, নিজেকে পাষাণ মূর্তি থেকে রক্তমাংসের মানুষে পালটে নিয়েছিল কুশাশ্ব দেবনাথ নামে স্বাস্হ্যবান যুবকটি, যে কিনা হাজার বছরেরও বেশি চাণ্ডেলাবাড়ির একজন গতরি, ভারি-পাছা, ঢাউসবুক উলঙ্গ দাসীর ঠোঁটে ঠোঁট, যোনিতে লিঙ্গ, আর স্তনে মুঠো দিয়ে ঠায় দাঁড়িয়েছিল । এতকাল কত […]

Continue reading …

বাবা মজিদ মাস্টারের কড়া নির্দেশ, কথা বলা যাবে না। হাসি-কান্না যা করবে সব নিঃশব্দে। টু-শব্দটিও নয়। গোলাঘরবন্দী জমিলা আর আয়েশা তাই মুখ খোলে না। বোবার মতো শুধু বসে থাকা। পরিস্থিতিটাকে ওরা দু’বোনই মেনে নিয়েছে, তবে মাঝে মাঝে বিদ্রোহী হয়ে উঠতে চায় আয়েশা। নাকের পাটা ফুলিয়ে ও ফিশফিশ করে প্রায়ই জমিলাকে বলে, বুবু, এভাবে ক’দিন আর […]

Continue reading …
Page 1 of 7123Next ›Last »