শৈলী টাইপরাইটার

শরৎচন্দ্রের গল্প: ছেলেধরা

world-photography-

সেবার দেশময় রটে গেল যে, তিনটি শিশু বলি না দিলে রূপনারায়ণের উপর রেলের পুল কিছুতেই বাঁধা যাচ্ছে না। দু’টি ছেলেকে জ্যান্ত থামের নীচে পোঁতা হয়ে গেছে, বাকী শুধু একটি। একটি সংগ্রহ হলেই পুল তৈরী হয়ে যায়। শোনা গেল, রেল-কোম্পানির নিযুক্ত ছেলেধরারা শহরে ও গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্চে। তারা কখন এবং কোথায় এসে হাজির হবে, কেউ বলতে পারে ...

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

বঙ্কিম রচনাসমগ্র: সর্ উইলিয়ম গ্রে ও সর্ জর্জ কাম্বেল

220px-BankimChandra

পূর্ববঙ্গবাসী কোন বর, কলিকাতানিবাসী একটি কন্যা বিবাহ করিয়া গৃহে লইয়া যান। কন্যাটি পরমাসুন্দরী, বুদ্ধিমতী, বিদ্যাবতী, কর্মিষ্ঠা এবং সুশীলা। তাঁহার পিতা মহা ধনী, নানা রত্নে ভূষিতা করিয়া কন্যাকে শ্বশুরগৃহে পাঠাইলেন। মনে ভাবিলেন, আমার মেয়ের কোন দোষ কেহ বাহির করিতে পারিবে না। সঙ্গের লোক ফিরিয়া আসিলে তিনি জিজ্ঞাসা করিলেন, “কেমন হে, বাঙ্গালেরা মেয়ের কোন দোষ বাহির করিতে ...

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর গল্প: বিলাসী

1371538831

পাকা দুই ক্রোশ পথ হাঁটিয়া স্কুলে বিদ্যা অর্জন করিতে যাই। আমি একা নই—দশ-বারোজন। যাহাদেরই বাটী পল্লীগ্রামে, তাহাদেরই ছেলেদের শতকরা আশি জনকে এমনি করিয়া বিদ্যালাভ করিতে হয়। ইহাতে লাভের অঙ্কে শেষ পর্যন্ত একেবারে শূন্য না পড়িলেও, যাহা পড়ে, তাহার হিসাব করিবার পক্ষে এই কয়টা কথা চিন্তা করিয়া দেখিলেই যথেষ্ট হইবে যে, যে ছেলেদের সকাল আটটার মধ্যে ...

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুকালীন দুর্বিষহ দিনগুলো!

নবযুগে সাংবাদিকতার পাশাপাশি নজরুল বেতারে কাজ করছিলেন তখন কাজী নজরুল ইসলাম। এমন সময়ই অর্থাৎ ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এতে তিনি বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন। তার অসুস্থতা সম্বন্ধে সুষ্পষ্টরুপে জানা যায় ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে। এরপর তাকে মূলত হোমিওপ্যাথি এবং আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু এতে তার অবস্থার তেমন কোন উন্নতি হয়নি। সেই সময় তাকে ...

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

কবি কাজী নজরুলের জীবনীর কিছু ছবি…. -শৈলী.কম

175px-NazrulArmy

ছবিসমূহ অনলাইন মাধ্যম থেকে সংগ্রহকৃত.. সংগৃহ: অনলাইন মিডিয়া!

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

আজ পচিশে বৈশাখে, শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্রস্মরণ!

দীপক রায়, শান্তিনিকেতন-বীরভুম থেকে পচিশে বৈশাখ। বাঙ্গালীর আরেকটি আনন্দের দিন। সেই দিনটাকে নিজের মত করে খুজে নিতে চলে এলাম শান্তিনিকেতনে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার বোলপুর শহরের একপাশে একটি আশ্রম ও শিক্ষাকেন্দ্র। ১৮৬৩ সালে এটি তৈরি করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাবা দেবেন্দ্রনাথ। এই ঠাকুর পরিবার অতীতে বাংলাদেশের যশোরে ছিলেন হিন্দু ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়। তখন তাদের পদবী ছিল কুশারী। একসময় ...

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

গুনীজন জীবনী: কাইয়ুম চৌধুরী

জন্ম ও পারিবারিক ইতিহাস কাইয়ুম চৌধুরী জন্মেছিলেন ফেনীতে, ১৯৩৪ সালে। ক্ষয়িঞ্চু যে-জমিদার পরিবারে তাঁর জন্ম সেখানে বিত্তের পূর্বতন জৌলুস বিশেষ অবশিষ্ট ছিল না, কিন্তু এই পরিবারে শিক্ষা ও উদার মানসের ছিল জোরদার অবস্থান। চৌধুরী পরিবারের এক সদস্য আমীনুল ইসলাম চৌধুরী লিখেছিলেন নোয়াখালীর ইতিহাস। বিত্তের ঘাটতি ঘটলেও চিত্তের প্রসার বহাল ছিল এবং পরিবারের অনেক সদস্যই হয়েছিলেন শিক্ষিত ...

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

জীবনী: সেলিম আল দীন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ক্লাসরুম৷ ক্লাস শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই৷ ছাত্রছাত্রীরা দুরু দুরু বুকে অপেক্ষা করছে৷ কারণ ক্লাস নেবেন অধ্যাপক আহমদ শরীফ৷ ক্লাস শুরু হল৷ একেবারে পিনপতন নীরবতা৷ শুরুতে কয়েকজনকে ছোট ছোট কয়েকটা প্রশ্ন করলেন তিনি, বেশিরভাগই তাঁর প্রশ্নের কোন উত্তর দিতে পারল না৷ তখন তিনি বললেন, "তোমরা তো কোন লেখাপড়া করনি, কোনকিছু ...

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

রহস্য: জেনে নিন প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্যের খবর

তৌফিক অপু একটি দৃশ্য দেখে চোখ যেন আটকে গেল। প্রকা- এক ডাইনিং টেবিল ঠাঁয় দাঁড়িয়ে আছে সমুদ্রের ওপর। প্রথমে খানিকক্ষণ বিশ্বাস হচ্ছিল না। একটা টেবিল সমুদ্রের মাঝে এল কিভাবে তার ওপর আশে পাশে কোন চেয়ার নেই টেবিলের উপর নেই কোন খাবারের আয়োজন। তাহলে এই টেবিল এখানে থাকার মানে কি? ঘোর কাটল কিছুক্ষণ বাদেই, ওটা আসলে টেবিল ...

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (১৯৩৪-২০১২)

- সুদীপ্ত সেনগুপ্ত সাহিত্যে সত্যিকারের বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। প্রথম ভালবাসা ছিল তাঁর কবিতা। গল্প, কবিতা, উপন্যাস নিয়ে তাঁর বইয়ের সংখ্যা দুশোরও বেশি। আধা-বোহেমিয়ান জীবন যাত্রার সঙ্গে তিনি অবাধে মেলাতে পেরেছিলেন প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব। দেশ পত্রিকার সম্পাদকীয় বিভাগে কাজ করেছেন, সাংবাদিকতা করেছেন, জীবনের শেষ চার বছর সাহিত্য আকাদেমির সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন। বাংলা সাহিত্যের পুরো একটি ...

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

সুকুমার রায়ের গল্প : দাশুর কীর্তি

দাশুর কীর্তি নবীনচাঁদ ইস্কুলে এসেই বলল, কাল তাকে ডাকাতে ধরেছিল । শুনে স্কুল সুদ্ধ সবাই হাঁ হাঁ করে ছুটে এল । 'ডাকাতে ধরেছিল ? বলিস কিরে !' ডাকাত না তো কি ? বিকাল বেলায় সে জ্যোতিলালের বাড়িতে পড়তে গিয়েছিল, সেখান থেকে ফিরবার সময় ডাকাতরা তাকে ধরে তার মাথায় চাঁটি মেরে, তার নতুন কেনা শখের পিরানটিতে কাদাজলের ...

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

সুকুমার রায়ের “নতুন পণ্ডিত”

আগে যিনি আমাদের পণ্ডিত ছিলেন, তিনি লোক বড় ভালো। মাঝে মাঝে আমাদের যে ধমক-ধামক ন করিতেন, তাহা নয়, কিন্তু কখনও কাহাকেও অন্যায় শাস্তি দেন নাই। এমন কি ক্লাশে আমরা কত সময় গোল করিতাম, তিনি মাঝে মাঝে 'আঃ' বলিয়া ধমক দিতেন। তাঁর হাতে একটা ছড়ি থাকিত, খুব বেশি রাগ করিলেই সেই ছড়িটাকে টেবিলের উপর আছড়াইতেন— সেটিকে ...

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

নন্দলালের মন্দ কপাল — সুকুমার রায়

নন্দলালের ভারি রাগ, অঙ্কের পরীক্ষায় মাস্টার তাহাকে গোল্লা দিয়াছেন। সে যে খুব ভালো লিখিয়াছিল তাহা নয়, কিন্তু তা বলিয়া একেবারে গোল্লা দেওয়া কি উচিত ছিল? হাজার হোক সে একখানা পুরা খাতা লিখিয়াছিল তো ! তার পরিশ্রমের কি কোনো মূল্য নাই? ঐ যে ত্রৈরাশিকের অঙ্কটা, সেটা তো তার প্রায় ঠিক‌‌ই হ‌‌ইয়াছিল, কেবল একটুখানি হিসেবের ভুল হওয়া ...

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর গল্পমালা: খুঁত ধরা ছেলে

বিলাতে চারিটি ভাই একদিন এক জায়গায় বসিয়া কথাবার্তা কহিতেছিলেন। তাহাদের আলাপের বিষয়, কে কি করিবে। সকলেরই মনে ইচ্ছা, একটা কিছু হওয়া চাই। সকলের ‘একটা কিছু’ত আর একরকম হয় না। তাই চার ভাই চাররকম কথা বলিল। একজন বলিল-‘আমি ইঁটের কারবার করিব। তাহাতে টাকা হইবে, আর ইঁট দিয়া আমার একখানা বাড়ি করিব।’ আর-একজন বলিল-‘দূর হ, তোর নেহাত ছোট নজর। ...

  • Facebook
  • Twitter
  • Share/Bookmark