বহ্নি আর আমি

Filed under: ‌কবিতা |

চোখের জল বৃষ্টি হয়ে ফিরে এলে
ক্বচিৎ কাঁকভেজা হয়ে দাঁড়াই মুখোমুখি—
বহ্নি আর আমি। জানি, জলের ছোঁয়ায় লবণের লীন হওয়া
বাসনা-রূপ
পরস্পরের—একরত্তি ঘোরকে ঘুমন্ত রেখে তাই
দুজনের মাঝখানে
ডেকে আনি পড়শী-বিহ্বলতা—বিমুগ্ধ চন্দ্রাবতী সময়
তবুও আঁচলের গিঁটে ভুতে পাওয়া পদাবলি
বাতাসে এপাশ ওপাশ করে…

ছুঁ-মন্তর দিলেই—জানি—ফারাক্কার বাধ ভেঙে যায়
প্রবল বানের স্রোতে, প্লাবিত জ্যোৎস্নায়
অথৈয়তা পাওয়া ঢেউদের চোখ
চিকচিক করে অন্ধের মতো। হাবুডুবু খেলা শেষে…
তো খরানের চটান; চৈত্রের দগ্ধতায়
কালবৈশাখীরা তছনছ করে মনের বনের নিঝুমতা,
হায়-হায়, ফের তো ফিরে আসে আঁকুলি-চোখের জল
বৃষ্টি হয়ে—আষাঢ়ের…

জলের ছোঁয়ায় লবণ লীন হলে
জলও নোনা হয়ে যায়। তাই—
বহ্নি আর আমি
তৃতীয় মাত্রায় পৌঁছার আগেই মাঝখানে রাখি
এক টুকরো সততা,
যা খরচ করে একদিন নিঃস্ব হয়ে যায় মানুষেরা…

শৈলী.কম- মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফর্ম এবং ম্যাগাজিন। এখানে ব্লগারদের প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর। ধন্যবাদ।

48 Responses to বহ্নি আর আমি

  1. ডেকে আনি পড়শী-বিহ্বলতা—বিমুগ্ধ চন্দ্রাবতী সময়

    কাব্যালংকারগুলো চমতকার

  2. ছুটে চলা মানে তাড়িয়ে নেওয়া

    খুঁজে খুঁজে ঠিকনা ভুলে যাওয়া

    বাড়ি রাস্তা শহর ভুলে যাওয়া

    কারো নামে শুধু ঠিকানা হয় না

    আমি শুধু তোমার নামটা জানি

    বাঁকি সব ভুলেই গেছি যাচ্ছি

    শুধু সেই তোমার নাম ভুলি না

    সবে মনে রাখে কি সহজ নাম

    সুখ ! সুখ তোমার ঠিকানাটা কী ?

    কাল এমন একটা খসড়া লিখছিলাম , আমি জানি এমন বন্ধুত্বেই সুখ আছে । বহ্নিশিখা ফিরে আসুক এই তো … বাঁকিটা পরে বলি ।

    imrul.kaes@ovi.com'

    শৈবাল
    এপ্রিল 11, 2011 at 5:35 পূর্বাহ্ন

    • প্রিয় কবি শৈবাল, এখানে বহ্নি রূপক শব্দ। সার্বিকভাবে বললে বলা যায়, এটি চেতনার তেজময় অংশ বা উদ্দীপক মনের গতিশীল অগ্নি। দ্বিতীয় সত্তাও বলতে পারেন। এর প্রখর আলোকরশ্মিতে যেমন উজ্জ্বল হয় মনের বাড়ির নির্জন দ্বীপ তেমনই বিরূপ ব্যবহারে পুড়ে ছাড়খার হতে পারে সবকিছু। কবিতায় ব্যবহৃত বহ্নি এছাড়া অন্যকিছু নয়, ব্লগার বহ্নিশিখার সাথে তুলনা করলে তা হবে কাকতালীয়। আমি (চেতন মন), বহ্নি (অচেতন মন) আর তৃতীয় মাত্রা হলো মহা অচেতন বা ধ্যানাবস্থা। কোয়ান্টাম থিউরি ব্যবহার করে পড়ুন তো একবার, দেখবেন—তখন আর ব্লগার বহ্নিশিখা নয়, উপরের কথাগুলোই পরিস্ফুট হয়েছে কবিতায়।
      যদিও বহ্নিশিখা নিয়ে আমাদের মধ্যে কিছু একটা হয়েছে তবুও রক্তমাংসের প্রাণের সাথে এর মিল নেই। :D
      আপনাকে ধন্যবাদ।
      :rose:

      রাজন্য রুহানি
      এপ্রিল 11, 2011 at 10:11 পূর্বাহ্ন

      • কবিতা যদি হয় একটি চকচকে নতুন আয়না , এক বিক্রেতা খোলা ভ্যানে করে নিয়ে যাচ্ছে শহরের রাস্তা দিয়ে … কল্পনা করুন কি কি ভাসছে আয়নার বুকে একটি দালান , দোকান , বৃদ্ধ দোকানদার , রাস্তা ভিক্ষুক ভাঙা থালা , একটা শ্লোগান মুখর মিছিল , মসজিদ মন্দির অথবা গির্জা , একটা স্কুল কতোগুলো ছোট্ট ছোট্ট ছেলেমেয়ে ,একটা রিকসা প্রেমিক প্রেমিকা অথবা একটা খাটিয়া একটা লাশ … কত কী ! যে যেমন দেখবে চকচকে আয়নার দেয়ালে তাই অনুভূতি । আমি আপনার এই কবিতায় বহ্নিশিখাকে দেখেছি কবি তাই বলেছি … এটা কোন ভুল নয় বরং চিন্তার স্বাধীনতা ।

        কোয়ান্টাম থিয়্যুরিতে যাবো না , প্রিয় লেখিকা রাবেয়া রব্বানির মতো বহ্নিশিখাকে আমিও অনুভব করছি ভিষণ । তাই এমন ভেবেছি … দোষ যদি দিতে চান তবে বলতে পারেন ডিল্যুয়সান অব গিলটি ।

        শুভ কামনা কবি , শান্তি ।

        imrul.kaes@ovi.com'

        শৈবাল
        এপ্রিল 11, 2011 at 1:25 অপরাহ্ন

        • হুম, সবারই চিন্তার স্বাধীনতা আছে বলেই সবকিছু এত সুন্দর-বর্ণিল-আনন্দময়। :rose:

          আমার মাথা আউলাইয়া গ্যাছে…. :D

          রাজন্য রুহানি
          এপ্রিল 11, 2011 at 2:17 অপরাহ্ন

      • আমি জানি আমাদের রাজন্য ভাই দিলখোলা লোক আর আমাদের বন্ধু মানেন।তাই একটা দিলখোলা দুষ্টুমির প্রশ্ন না করে পারছি না।

        আমি (চেতন মন), বহ্নি (অচেতন মন)

        আপনার অবচেতন মন মেয়ে নাকি!ছবিতে তো তাই দেখা যাচ্ছে। :D
        দুষ্টুমির জন্য মাফি চাই। :rose:
        তবে কবি রাজন্যের তুলনা নাই।

        rabeyarobbani@yahoo.com'

        রাবেয়া রব্বানি
        এপ্রিল 12, 2011 at 2:22 পূর্বাহ্ন

        • অবচেতন মন নরম মাটির মতো। ইচ্ছে করলেই একে শিব বানানো যায় কিংবা আফ্রোদিতি। ওটা হলো ইচ্ছের খেয়াল। i-)

          নারী মানে স্বর্বংসহা, ধৈর্য্যময়ী, প্রেরণাদায়িনী, নিশ্চিন্ত আশ্রয়দাত্রী কিংবা জাগতিক-মানসিক শান্তির রূপ। আবার ছলনাময়ী, বিশ্বাসঘাতিনী কিংবা নেতিবাচক কিছু। যার চোখে যেভাবে ধরা দেয় নারীর পূর্ণ অবয়ব, তখন সে তাই। >-)

          ছবিতে কি নারী বুঝা যায়? আমি তো দেখি দুটো ছায়ামূর্তি; প্রাণউচ্ছ্বল। \:D/

          আর একটি কথা— দিলখোলা। আরে ভাই, দিল যদি খোলাই থাকে তবে যে ধুলোময়লা জমে, তখন সাফসুতোরু করার দরকার হয়। :D

          => আমি কাউরে মাফ দিই না। এটা আমার অভিধানে নাই। মাফ বা ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্ন ওঠে তখনই যখন কেউ দোষ করার পর বুঝতে পারে। যদি কেউ দোষ বুঝতে পারে তখনই তার অনুতপ্ত মনের কাছে সে মাফ পেয়ে যায়। আর যার কাছে মাফ চাওয়া হয়, তখন সেটা হয় উপলক্ষ বা তাকে অবগত করা যে, আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি, আপনি খুশি হোন। আমি আবার সামান্য আলাদা; যখন যা মনে ধরে তাই করি…“করি শত্রুর সাথে গলাগলি, ধরি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা”। কখনো আবার “ ভূলোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়া, খোদার আসন আরশ ছেঁদিয়া” দেখি স্বর্গ কত দূর! :-O

          আবার
          আপন মনে ক্ষণে ক্ষণে
          নিজেরেই খুঁজি নিজ কোণে
          পাবার…

          বুঝলাইন কবি? ^#(^

          রাজন্য রুহানি
          এপ্রিল 12, 2011 at 6:15 পূর্বাহ্ন

          • বুঝতে গিয়ে মাথা ঘুরে গেলো। :D তবে আমার প্রিয় লাইনগুলো মনে পড়ল।
            “আমি উম্মাদ আমি ঝঞ্জা”।
            দুষ্টুমি বাদ। প্রিয় কবিকে রাজন্যকে সালাম।

            rabeyarobbani@yahoo.com'

            রাবেয়া রব্বানি
            এপ্রিল 12, 2011 at 8:32 পূর্বাহ্ন

  3. আপনার কবিতায় মুগ্ধতা বরাবর।কিছু কিছু লাইন আর অভিনব শব্দের সাহসী প্রয়োগ চিন্তায় ফেলে দেয়।মনে মনে বলি,
    আরে এইটা তো আমার লেখার দরকার ছিল উনি আগেই লিখে ফেলল! :-( ।কোন কবিতা বেশি পছন্দ হলে আবেগ তাড়িত হয়ে পড়ি।যেমন এটা পড়ে হলাম।

    তৃতীয় মাত্রায় পৌঁছার আগেই মাঝখানে রাখি
    এক টুকরো সততা,
    যা খরচ করে একদিন নিঃস্ব হয়ে যায় মানুষেরা…

    কি বলব!!!
    অসাধারণ।অদ্ভুত।আপনাকে সম্মান। ^:)^
    কবিতার মানসী বহ্নিকে বলি,
    সরল মনে যে প্রশ্নগুলো ছুড়েছিলেন তা কিন্তু রাজন্য ভাইকে শুধু নয় কিছু শৈলার আর শৈ্লীকে।এরা সবাই আপনার বন্ধু।বন্ধুত্বের আয়নায় দাঁড়িয়ে আমি বা শৈবাল বা রাজন্য ভাই আপনার মতই সরল উচ্চারন করেছি মাত্র।চলে যাবেন বা রাগ করবেন জানলে আমরাও টু শব্দ করতাম না পর ভেবে।
    আপনি ফিরে আসুন কথা বলুন। আমরা আপনাকে অনুভব (মিস) করছি।

    rabeyarobbani@yahoo.com'

    রাবেয়া রব্বানি
    এপ্রিল 11, 2011 at 5:50 পূর্বাহ্ন

    • কবিতা ভালো লাগায় বিনীত সম্মান জানাই। কী কবিতা, কী হয়ে গেলো! কেমনে বুঝাই। একটু লাগিয়েছি প্যাঁচ, দিয়েছি ঘুরপথ, তাই কি সোজা পথেই চললো লুকোচুরি, মহাভাবনার রথ? হা হা হা। %%- :D :rose: :D %%-
      …………
      বহ্নিশিখা ফিরে আসুক, চাই আমিও। তবে কবিতার সাথে তাকে গুলিয়ে ফেলা মোটেও উচিত হয় নি গো…।
      আমরা সকলেই সকলের বন্ধু
      সকলেরেই পাশে চাই;
      কাউকে হারাবো না, কাউকে মাড়াবো না…
      এই তো জীবনের দায়।

      রাজন্য রুহানি
      এপ্রিল 11, 2011 at 10:25 পূর্বাহ্ন

      • বোঝার ভুল বাদ দেন । থাকুক ভুলভাল মানুষের মনে ।তাতে কি ? কবিতাটি চমত্‍কার ।

        rabeyarobbani@yahoo.com'

        রাবেয়া রব্বানি
        এপ্রিল 11, 2011 at 11:48 পূর্বাহ্ন

        • নেন, এখন বইসা ~O) খান।

          রাজন্য রুহানি
          এপ্রিল 11, 2011 at 2:32 অপরাহ্ন

          • সকালে ঘুম থেকে উঠে চা টা খেয়ে খুব ভালো লাগল। ধন্যবাদ। :-)

            rabeyarobbani@yahoo.com'

            রাবেয়া রব্বানি
            এপ্রিল 12, 2011 at 2:23 পূর্বাহ্ন

            • ঘুম থেকে ওঠেই নেট নিয়ে বসেছি, এখন পর্যন্ত চা-ই খাওয়া হলো না। চা খেলে আবার ঘুম কম হয়। :D

              আমি মাছে-ভাতে বাঙালির ছবি।
              থাকি গেরামে, তাই বুঝি গেঁয়ো কবি? :))

              রাজন্য রুহানি
              এপ্রিল 12, 2011 at 6:21 পূর্বাহ্ন

  4. অনেক কিছু করার সাধ।
    সে সাধ তো কবির পূর্ণ হয় কবিতায়।

    • ঘোলাজলে আঁশ মেটানো? :D নাকি অক্ষমের আত্মতৃপ্তি! :)) তবে হ্যাঁ, কবিতা কবিতা কবিতা… আর বিষয় নেই।
      ……….
      %%- :rose: %%-

      রাজন্য রুহানি
      এপ্রিল 11, 2011 at 10:28 পূর্বাহ্ন

  5. তৃতীয় মাত্রায় পৌঁছার আগেই মাঝখানে রাখি
    এক টুকরো সততা,
    যা খরচ করে একদিন নিঃস্ব হয়ে যায় মানুষেরা…

    —অসাধারণ

    কালবৈশাখীরা তছনছ করে মনের বনের নিঝুমতা,
    হায়-হায়, ফের তো ফিরে আসে আঁকুলি-চোখের জল
    বৃষ্টি হয়ে—আষাঢ়ের…

    —অদ্ভুত

  6. একটু টুকরো সততা

    কবিতায় ভাষার ব্যাবহার মুগ্ধ করার মতো

    sokal.roy@gmail.com'

    সকাল রয়
    এপ্রিল 11, 2011 at 9:12 পূর্বাহ্ন

  7. তৃতীয় মাত্রায় পৌঁছার আগেই মাঝখানে রাখি
    এক টুকরো সততা ।
    :rose:
    সত্যি অসাধারন।

  8. কবিতা পড়ে দারুণ একটা সম্পর্কের টান অনুভব করেছিলাম। \m/ প্রেমের কবিতা বা ভালবাসার কবিতা হিসেবে এটি অনবদ্য হয়েছিল। :-t গোলমাল লাগল কবি শৈবাল এবং কবি-গল্পকার-ঔপন্যাসিক রাবেয়া রব্বানির মন্তব্যে কবির দেয়া উত্তরে। :-O :-O :-O
    কবি যেভাবে বলেছেন সেভাবে পড়ে দেখলাম, কঠিন লাগে খুব। তারচে না-জেনে না-বুঝে প্রথম পাঠই ভাল লেগেছিল। :D

    বৈশাখী
    এপ্রিল 11, 2011 at 11:00 পূর্বাহ্ন

    • প্রিয় বৈশাখী , কবিতাটির ব্যাপারে আপনার সাথে সহমত । তবে আমাকে এতগুলো পদ না দিয়ে লেখিকা বললেই হতো । এত ভারী ভারী শব্দের ভারে মাটিতে গেড়ে গেলাম যে । :-D আর আমি গল্প লেখার চেষ্টা করছি তবে এই পর্যন্ত উপন্যাসে যাই নি তো ।:O
      শব্দগুলো উপহাস করে বিপর্যস্ত করে দিচ্ছে ।

      rabeyarobbani@yahoo.com'

      রাবেয়া রব্বানি
      এপ্রিল 11, 2011 at 11:46 পূর্বাহ্ন

      • পাঁচফোড়ন না দিলে নাকি
        স্বাদই হয় না তরকারি?
        তাই কি মতে মতে ঝাকি,
        এসব ছিল দরকারি?

        এদিকে আমার জানে নাই পানি। :-S
        বুঝে নাই বৈশাখীও, বুঝে নাই রাবেয়া রব্বানি।

        রাজন্য রুহানি
        এপ্রিল 12, 2011 at 6:30 পূর্বাহ্ন

      • প্রিয় রাবেয়া, ওই আর কি! গল্প তো উপন্যাস পরিবারেরই একজন সদস্য। :D এ নিয়ে মান করে না বোনডি। ঔপন্যাসিক যেহেতু বলে ফেলেছি তখন ওটা হতে দোষ কোথায়? প্রার্থনা করি, আপনি সেটাও হোন। ভালো থাকুন লেখিকা।
        আর কবিকে কি বলব! কবি খুব মশগুলে আছে! হ্যা, ভালো থাকুন। শুভ কামনা।

        বৈশাখী
        এপ্রিল 13, 2011 at 4:14 পূর্বাহ্ন

  9. সুন্দর কবিতা

    roy.sokal@yahoo.com'

    অরুদ্ধ সকাল
    এপ্রিল 12, 2011 at 12:42 অপরাহ্ন

  10. চুপচাপ পড়ে গেলাম।
    (কবিতা নিয়া কিছু বলা কঠিন কাজ)

    সাহাদাত উদরাজী
    এপ্রিল 12, 2011 at 1:57 অপরাহ্ন

    • আমিও চুপচাপ দেখলাম।
      (চুপচাপ দেখা নিয়ে কিছু বলা কঠিন কাজ) :D
      ………
      শান্তি।
      ………
      :rose:

      রাজন্য রুহানি
      এপ্রিল 12, 2011 at 3:04 অপরাহ্ন

  11. কবিতা বা ছবিতা নিয়ে মেলা মন্তব্য বক্তব্য দেখে ও পথে পা বাড়াবার সাহস নাই তবে দয়া করে প্রতি প্যারার শেষ %০০ এই জাতীয় চিহ্ন গুলি বিদায়ের ব্যবস্থা নিন। দেখতে ভীষন বিশ্রি লাগছে।
    কয়েক দিন ব্যস্ত ছিলাম বলে দেখতে পারিনি, দুঃখিত।

    • প্যারার শেষ %০০ এই জাতীয় চিহ্ন গুলি বুঝলাম না ভাই। কবিতার প্যারার শেষে তো ওই জাতীয় চিহ্ন নাই।

      বুঝতে পেরেছি আপনি ব্যস্ত ছিলেন। আপনার শততম পোস্টের প্রতীক্ষায়…আপনি সেঞ্চুরি করবেন, কী মজা! :D

      রাজন্য রুহানি
      এপ্রিল 12, 2011 at 3:33 অপরাহ্ন

      • এটা কি তাহলে শুধু আমার কম্পিউটারে দেখাচ্ছে?কিন্তু এমন হচ্ছে কেন বুঝতে পারছি না। ভিন্ন পাতায় ওটা পেস্ট করে দেখি যেখানে ডট ডট আছে সেখানেই এমন দেখাচ্ছে।
        কিন্তু ঘরের কথা পরে জানল কেমনে?আপনি কেমন করে বুঝলেন বা জানলেন যে সত্যিই আমি পহেলা বৈশাখে আমার শত তম পোস্ট দেয়ার জন্যে ইচ্ছা করে দেরি করছি?

  12. আমরা ভালো বন্ধু। অনলাইনেই এর ব্যাপ্তি। ভার্চুয়াল জগতে মনন-মেধা-কথার বিকিরণে এর স্থায়ীত্ব অটুট। ব্যক্তিজীবন ঠিক তার উল্টো। আর একজনকে নিয়ে কবিতা লেখা হতেই পারে তা স্ক্যান্ডাল বা কেলেঙ্কারি ভাবা সাহিত্যের পথে অন্তরায়। আমি ব্যক্তিগতভাবে এমন লেখায় খুশি হইনি আবার বিরক্তও হইনি। আপনার কথাই বললাম, সবারই ব্যক্তি স্বাধীনতা আছে। আপনি কবি। কবিতা আপনার প্রাণ, এ প্রাণকে অবহেলা করে এমন বন্ধু থাকার চেয়ে না থাকাই ভালো। আপনার কবিতা আমার ভালো লাগে খুব।
    কবিতার ক্ষেত্রে বলবো, অসাধারণ। :-bd
    মন্তব্যের উত্তরে আপনার প্যাঁচানো কথা যদি না থাকত তবে আরো বর্ণময় হতো কবিতাটি।
    আমি তো এমনই। আমার উক্তি তো জানেন— যদি কারো জ্বালায় আমি জ্বলি তবে সে আগুনে তাকেও পোড়াতে দোষ কোথায়?
    শুভ নববর্ষ বন্ধুপ্রবর কবি।

    bonhishikha2r@yahoo.com'

    বহ্নিশিখা
    এপ্রিল 14, 2011 at 7:54 পূর্বাহ্ন

  13. শুধু পড়েই গেলাম। কোনো কথা এলো না। প্রত্যেকের মনের স্বাধীনতা আছে, কবিদের হয়তো একটু বেশিই।

    sumhani@gmail.com'

    সুমাইয়া হানি
    এপ্রিল 20, 2011 at 6:16 পূর্বাহ্ন

মন্তব্য করুন