Home » Archives by category » হ-য-ব-র-ল

অনুশুচনা

তোমার দুঃখ সমুদ্রে আমি ভাসতে পারিনি কখনই, কেবলই বালুচরে হেটে গেছি, কুড়িয়েছি মৃত শামুক আর ঝিনুকের দেহ, উল্লাসে চিৎকার করেছি,ভেবেছি তুমি আনন্দ ভেলায় জড়িয়ে আছো আমার সবটুকু সান্ত্বনা। অথচ তখন ও তুমি সাইক্লোনে ফুঁসছ তোমার অস্থি মজ্জায় ছড়িয়ে পড়ছে ফেনিল বেদনার ঢেউ, কী শান্ত ই না দেখাতো তোমাকে তখন! ভুল করেও আমি ভাবিনি, জীবনের সায়ন্তনে […]

আমাদের দীনতা প্রায় সব ক্ষেত্রেই বেশ দৃষ্টিকটূ হয়ে ফুটে ওঠে। কিন্তু কখনো কখনো নিজেদের দৈন্য স্বীকারেও আমাদের লজ্জা আরো প্রকট হয়ে দেখা দেয়। লাইটার কথাটা ইংরেজি। আরবিতে বা আরো অনেক ভাষায় হয়তো তাদের নিজস্ব শব্দ আছে। কাপ কথাটি ইংরেজি। তাগালুক ভাষায় তার নাম ‘বাসো।‘ কিন্তু আমাদের বাংলায় এমন অনেক শব্দ আছে যা যে ভাষা থেকে […]

Continue reading …

পূর্বে প্রকাশিত অংশের পর এই যে বাংলা ভাষার প্রমিত রূপ প্রণয়নের লক্ষ্যে এত হাঁক ডাক লম্ফ-ঝম্প, কেন? নদী যেমন গতিপথ বদলায়, লোকালয়ের পুরোনো রাস্তা ভেঙে বা বদলে নতুন রাস্তা তৈরি হয়। ভাষাও তেমনি একটি পরিবর্তনশীল বিষয়। নয়তো প্রমিত বলে যে শব্দগুলো আমরা বাল্যকাল থেকে পাঠ্যবই থেকে শিখেছি তার রূপ কিন্তু এখনো ঠিক তেমনটিই বজায় থাকেনি। […]

Continue reading …
প্রমিত বাংলা বিষয়ে একটি অসম্পূর্ণ আলাপ

স্কুলের ব্যাকরণ বইয়ে যখন পড়ি ভাষা কাহাকে বলে? বাংলা ভাষা কত প্রকার ও কি কি? তখনই জানতে পাই বাংলা ভাষা দু ধরনের। সাধু ও চলিত। তবে বড় হতে হতে জানতে পেয়েছিলাম আঞ্চলিক আর গুরুচণ্ডালী বলেও বাংলা ভাষার আরো দুটো প্রতিরূপ রয়েছে। তো যাই হোক, আমি যে বিষয়টি নিয়ে বলতে চাচ্ছি তা হলো বাংলাভাষার প্রমিত রূপ […]

Continue reading …

হয়তো প্রকৃতি বিরূপ, নয়তো নিয়তির কোপানলে আজ আমরা বিষণ্ণ কোনো ক্রান্তিকালে সরে গেছি। যে ভূমিতে আমাদের কোনো নিশ্চয়তা নেই ঘর থেকে বের হলে পুনরায় ফিরে আসা যাবে পিতা-মাতা, স্ত্রী বা সন্তানের কাছে; বিগত সময়গুলোর মতো। যেখানে জানে না নারী তার স্বামী, ভাই, পিতা কিংবা প্রেমিক ও-বেলা ফিরবে কিনা সুস্থ আর নিরাপদ; অথবা খবর কাগজে ছাপানো […]

Continue reading …

এক সময় ছিল যখন নিজের খাতায় বা ছেড়া কোন কাগজে আমাদের যা কিছু লিখতে ইচ্ছে হতো তাই লিখতাম। সে সময় কোন পত্রিকায় লেখা প্রকাশ হওয়া ছিল এক বিশাল রকমের কোন সৌভাগ্যের ব্যপার। সবাই সে সুযোগও পেত না। কিন্তু আজকাল আর সে সময় নেই। যুগের পরিবর্তনে অনেক কিছুই বদলে গেছে। অনেক কিছুই এসেছে যা খুবই ভাল […]

Continue reading …
হারিয়ে যাওয়া মুখগুলোঃ প্রথম পর্ব

স্কুলে আমার এক বন্ধু ছিলো, নাম তানভীর। সেদিন সে ছবিঘরে বলল, ‘আজিজ দোস্ত, স্কুলের সবার কথা তোর মনে আছে?’ আমার কিছু মনে নেই। তবু বেশ অভিনয় করে বললাম,’আছে’। সত্যি কথা বলতে কি, স্কুলের অধিকাংশ কথা আমি মনে রাখতে চাইনা। কিন্তু কিছু মুহূর্ত আজও নাড়া দিয়ে যায় অবিরাম। সেইসব স্মরনীয় মুহুর্তের সঙ্গীসাথীদের নিয়ে আজকের নিবেদন- প্রথম […]

Continue reading …
অনিমেষ এর চিঠি (সর্বশেষ খন্ড)

দেবী, তোর চিঠি পেলাম-দূর থেকে দেখলামও আজ। মনকে অনেক সান্তনা দেবার ইচ্ছা করছিলো-সম্ভব হলো না। তুইতো আর সামনে এলি না-সম্ভবত আমিও এড়িয়ে গেলাম। পরাজয়ের পর কে চায় সামনে এসে হাত মেলাতে? আমি অবশ্য তোকে দেখছিলাম- ক্যাম্পাসের A বিল্ডিংটার পাশে চায়ের দোকানে বসে। লাইব্রেরীর সামনে দিয়ে সোজা হেটে যাচ্ছিলি-তোর প্রিয় বেগুনী রঙ এর কামিজ আর এককালে […]

Continue reading …

সময়কালঃ২০০৬ আনিমেশ, তোমার মতন সাহিত্যে পারদর্শি আমি নই। তোমাকে কতবার বলেছি,একটু বুঝার চেষ্টা করো। পাছে,যখন চলে যাবো- নিজেকে সান্তনা দেবার ভাষাটাও খুজে পাবে না তুমি। তবে হ্যা, একটা কথা না বলে পারছিনে। তোমার শাওন বান্ধবী আসলে কি মতলবে আমার মোবাইল থেকে তোমাকে মিসকল দিয়েছিলো-তা অজানা। তবু,জানা অংশ থেকে লিখছি, ওই দিন যদি তুমি মিসকল ব্যাক […]

Continue reading …

আমাদের এসময়ের ব্যার্থ যুবক আনিমেষ এর কথা দিয়েই শুরু করা যাক। ওর একটা ডায়েরীর পাতা থেকে লাইনটা তুলে দিলাম- দেবীকে উদ্দেশ্য করে লিখা প্রেমপত্রঃ ১৬-১১-২০০৫ “…আজ রাত কাটিয়ে দিবো তুমি আমি আর জোসনায় । জেগে উঠছে লুকিয়ে থাকা অন্ধকার গুলো। তবুও ব্যর্থতার রজনী ভালোবাসার কাছে পরাস্থ!” রবি বাবু একটা ভীষন ভালোলাগা অনুবাদ করেছিলেন শেষের কবিতায়। […]

Continue reading …